মোঃ শরীফ উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
০৮:৫৪ পি.এম
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের সকল স্তরের মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা চাপরতলা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. রাকিব মিয়া।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এই বিশেষ দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হলো মুসলিম উম্মাহর জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ এবং আনন্দের একটি দিন। এই দিন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আগমন উপলক্ষে তাঁর জীবন, আদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণ করে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, মহানবী (সা.) গোটা মানবজাতির জন্য রহমত হিসেবে এই পৃথিবীতে আসেন। তাঁর আদর্শ গ্রহণ করে আমাদের হিংসা-বিদ্বেষ এবং বিভেদ পরিহার করতে হবে এবং পারস্পরিক ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তুলতে হবে।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি চাপরতলা ইউনিয়নসহ নাসিরনগর উপজেলার সকল স্তরের মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেছেন।
সবশেষে তিনি সকলকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকের বিস্তার ঠেকাতে এবার সামাজিকভাবেও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম সোনাপাহাড় দরবার টিলা এলাকার বাসিন্দারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি মাদক সেবন, বিক্রি ও সরবরাহের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় মসজিদের মুসল্লি, মসজিদ কমিটি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) জুমার নামাজের পর বাইতুশ শরফ জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় মাদক নির্মূলে সামাজিকভাবে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বাইতুশ শরফ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল মোমিন। স্থানীয়রা জানান, মাদক সেবন, বিক্রি, সরবরাহসহ মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
তাদের মতে, মাদকের সঙ্গে জড়িতদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের প্রশ্রয় না দেওয়া এবং তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে সচেতন করা হবে। এছাড়াও, মাদকসংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি আব্দুর আল রহিম বলেন, ‘এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মসজিদের মুসল্লিদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাদকের সঙ্গে জড়িতদের সামাজিকভাবে পাঁচটি বিষয়ে বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তা হলো, মৃত্যুর পর তাদের সামাজিকভাবে দাফন করা হবে না, মসজিদের খাটিয়া ব্যবহার করা হবে না, ইমাম তাদের বাড়িতে খাবার গ্রহণ করবেন না, তাদের পরিবারের সামাজিক অনুষ্ঠানে কেউ অংশ নেবেন না এবং মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাকে সমাজ থেকে বহিষ্কার করা হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য কাউকে অপমান করা নয়। মাদকের বিরুদ্ধে সমাজকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন করা এবং যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জার্মান কাপের একটি বহুল আলোচিত ডার্বি ম্যাচে ফুটবলের উত্তেজনা সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। ভালসহফ ম্যানহাইম এবং কাইজারস্লাউটার্নের ম্যাচকে কেন্দ্র করে সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ৩৫ জন নিরাপত্তাকর্মীসহ মোট ৮৫ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত আটজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে অনুষ্ঠিত হওয়া ম্যাচটি আগেই উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। দু'টি শহরের দূরত্ব মাত্র ৫০ কিলোমিটার হওয়ায় দীর্ঘদিনের বৈরিতার ফলে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতার আশঙ্কা ছিল।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা গোলশূন্য ড্র থাকার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ জানায়, কাইজারস্লাউটার্নের সমর্থকেরা মূল স্ট্যান্ডের দিকে ফ্লেয়ার ছুড়লে ম্যানহাইমের সমর্থকেরা উত্তেজিত হয়ে মাঠে ঢুকে পড়েন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ১ হাজার ৪০০ দাঙ্গা পুলিশ মাঠে নামানো হয়। তারা সমর্থকদের গ্যালারিতে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করে। সংঘর্ষের কারণে ম্যাচ প্রায় ৩০ মিনিট বন্ধ থাকে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর খেলা পুনরায় শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ের ১২০তম মিনিটে গোল করে কাইজারস্লাউটার্ন জয় নিশ্চিত করে।
ম্যানহাইম পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংঘর্ষের ঘটনায় ফেডারেল পুলিশের ৩৩ জন এবং রাজ্য পুলিশের দুজন সদস্য সামান্য আহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে ৮৫ জনকে ঘটনাস্থলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত আটজনকে পরে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে জার্মান কর্তৃপক্ষ। পুলিশের ওপর হামলা, স্টেডিয়ামের সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করা, জনশৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং বিস্ফোরক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে একাধিক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
সূত্র: গোল ডটকম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের আঞ্চলিক প্রতিনিধি হিসেবে সায়লা কবির বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করে আগামীর পথে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবিরের সহধর্মিণী ও একজন নারী উদ্যোক্তা।
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে, উলাইল ফুটবল মাঠে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
সায়লা কবির বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সারাজীবন মাদকমুক্ত, সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করেছেন। তাই, তার আদর্শ ধারণ করে সবাইকে আগামী দিনের পথ চলতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। তরুণদের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে খেলাধুলার আয়োজন আরো বাড়াতে হবে।
এই লক্ষ্যেই মানিকগঞ্জ-১ আসনের শিবালয়, ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলায় বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান সায়লা কবির।
উদ্বোধনী ম্যাচে মানিকগঞ্জের সিংগাইর বাইমাইল ফুটবল একাদশ ও পাবনার কাশীনাথপুর ফুটবল একাদশ মুখোমুখি হয়। ম্যাচটি টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে জয় পায় সিংগাইর বাইমাইল ফুটবল একাদশ।
এর আগে, জাতীয় ও ক্রীড়া পতাকা উত্তোলন এবং পায়রা উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সায়লা কবির।
খেলা দেখতে উলাইল ফুটবল মাঠে হাজারো দর্শকের সমাগম ঘটে। উৎসবমুখর পরিবেশে দর্শকেরা উদ্বোধনী ম্যাচ উপভোগ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধের প্রথম ১৬ দিনেই তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছিল। এই সময়ে তেলের দাম ৪৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৩.৯০ ডলারে পৌঁছায়। কিন্তু ছয় মাস পরে পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত হয়েছে। যদিও লড়াইয়ের দামামা বাজানো অব্যাহত আছে, বিশ্ববাজারে তেলের দাম এখন ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো কোনো কূটনৈতিক সমঝোতা নয়, বরং সমুদ্রে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর এক অভিনব ‘লুকোচুরি’ খেলা।
পার্সি উপসাগরে ইরানি ড্রোনের হুমকি মোকাবিলায় সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার ও আরব আমিরাত একটি দারুণ কৌশল গ্রহণ করেছে। সিএনএনের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেলবাহী জাহাজগুলো মাঝসমুদ্রে পৌঁছানোর পরে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে দেওয়ার যন্ত্র বা ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দেয়। এর পরে মার্কিন নৌবাহিনীর পাহারায় তারা হরমুজ প্রণালি হয়ে ওমান উপসাগরে পৌঁছায়। সেখানে অপেক্ষমাণ অন্যান্য জাহাজে তেল খালাস করে খালি ট্যাংকারগুলো আবার একই পথে ফিরে আসে।
এই পদ্ধতিকে বলা হচ্ছে ‘ডার্ক ট্রানজিট’। এর ফলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের ওপর ঝুঁকি কমেছে। বর্তমানে বীমা খরচ এবং নিরাপত্তার পূর্ণ দায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর ওপর এসে পড়েছে।
এই বিষয়ে জাহাজের ট্র্যাকিং সংস্থা কেপলার জানায়, গত মার্চ মাস থেকে পারস্য উপসাগরে দেড় হাজারেরও বেশি ‘অদৃশ্য’ যাতায়াতের ঘটনা ঘটেছে। জুলাইয়ের শেষে গ্রিসের মালিকানাধীন ‘কিকু’ নামের বিশাল একটি জাহাজের যাত্রাপথ থেকে এই কৌশলের প্রমাণ মেলে। তেল নিয়ে দুবাই উপকূলের কাছে পৌঁছানোর পর জাহাজটির সংকেত হঠাৎ হারিয়ে যায়। পরদিন হরমুজ প্রণালির অন্য পাশে আবার এর সংকেত ধরা পড়ে।
শুধু তাই নয়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বিকল্প পথেও তেল পাঠাচ্ছে। সৌদি আরব প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল ভিন্ন পথে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে পাঠাচ্ছে। পাশাপাশি ব্রাজিল, গায়ানা, ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের তেলের উৎপাদন বাড়িয়েছে। এই সব পদক্ষেপের কারণে সংঘাতের মাঝেও তেলের দাম স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ