ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুলাউড়ায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার


কুলাউড়ায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় পৃথক অভিযানে পুলিশ আন্ত জেলা ডাকাত দলের পাঁচ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিবাগত রাতে কুলাউড়া থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানাচ্ছে, রাত ২টা ৩৫ মিনিটে কুলাউড়া থানার একটি বিশেষ দল উপজাতীয় ১১ নম্বর শরীফপুর ইউনিয়নের মানগাঁও ত্রিমোহনী সড়কে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে চারজনকে হাতেনাতে আটক করেছিল।

আরও পড়ুন: ইউপি নির্বাচনে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, দুজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলার পূর্ব সৈয়ারপুর গ্রামের মো. কাউছার মিয়া (৩২), বেরিরচক গ্রামের জসিম মিয়া (৩৫), কুলাউড়া উপজেলার পশ্চিম বিলেরপাড় গ্রামের মো. সালাউদ্দিন (২৯) এবং কমলগঞ্জ উপজেলার সতিজিরগ্রাম গ্রামের রেজাউল ইসলাম মামুন (২৮)।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার কাউছারের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা, জসিমের বিরুদ্ধে ১২টি এবং সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ৯টি মামলা রয়েছে। তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার, একটি কাটার, একটি সুইস গিয়ার ছুরি, একটি রামদা ও একটি লোহার ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে একটি পৃথক আরেকটি অভিযানে কুলাউড়া থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্ত জেলা ডাকাত দলের সদস্য দেলোয়ার হোসেন ওরফে আহাদ মিয়াকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে। তিনি রাজনগর উপজেলার কদমহাটা গ্রামের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ১৪টি মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কুয়াকাটায় হোটেলভাড়া চার গুণ, কক্ষ নেই কোথাও!

মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ‘অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে জেলাব্যাপী বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুটবলই বাংলাদেশ, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন: কার্লোস সেসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৯ পি.এম


ফুটবলই বাংলাদেশ, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন: কার্লোস সেসা

ঢাকায় নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা মন্তব্য করেছেন যে ফুটবল বাংলাদেশ, আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সহায়তা করছে।

তিনি একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। সেই অনুষ্ঠানটি শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের কৃত্রিম টার্ফে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বাংলাদেশে প্রথম ‘ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ (এএফসি) ২০২৬’-এর উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক টুর্নামেন্টটির উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশ এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্টস ফোরাম (এটিজেএফবি) আয়োজিত এই দুই দিনব্যাপী টুর্নামেন্টে দেশি এবং বিদেশি ১৬টি এয়ারলাইন্স অংশগ্রহণ করেছে। ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে শনিবার (৪ জুলাই)।

মার্সেলো কার্লোস সেসা বলেন, ফুটবল হলো বিভিন্ন দেশের এবং সংস্কৃতির মানুষের একত্রিত হওয়ার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। ফুটবল বাংলাদেশ, আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশে ফুটবলের বিকাশ অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের উদ্যোগ তরুণ ফুটবলারদের স্বপ্ন পূরণে অনুপ্রাণিত করবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফার্নান্দো দিয়াস ফেরেস জানান, ব্রাজিলের জনগণের কাছে ফুটবল একটি খেলা বা প্রতিযোগিতা ছাড়া বরং এটি আনন্দ, শান্তি ও সম্প্রীতির চিত্র। তিনি উল্লেখ করেন যে, জয় অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে খেলার প্রকৃত সৌন্দর্য উপভোগের মধ্যে। তার মতে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা মাঠে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, বাংলাদেশে ফুটবল ব্যাপক জনপ্রিয়। দেশের লাখো সমর্থক আবেগ নিয়ে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার খেলা অনুসরণ করে।

এই টুর্নামেন্টে যে এয়ারলাইন্সগুলো অংশগ্রহণ করছে সেগুলো হলো—বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, নভোএয়ার, এয়ার অ্যাস্ট্রা, এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ, সৌদিয়া, টার্কিশ এয়ারলাইন্স, এয়ার অ্যারাবিয়া, ইন্ডিগো, ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স, এয়ার ইন্ডিয়া, থাই এয়ারওয়েজ, এয়ারএশিয়া, সিল্ক ওয়ে ওয়েস্ট এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাইদুবাই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডুয়েটের সঙ্গে ইউজিসির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


ডুয়েটের সঙ্গে ইউজিসির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

 

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর সঙ্গে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আবাসিক ভবন নির্মাণের জন্য সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। ইউজিসি কর্মচারীদের আবাসন সংকটের সমাধানের লক্ষ্যে ১৪তলা বিশিষ্ট এই ভবন নির্মাণের জন্য বৃহস্পতিবার আগারগাঁওস্থ ইউজিসি কার্যালয়ে এ এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে প্রকল্পের ধারণাপত্র, বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি), স্থাপত্য ও কাঠামোগত নকশা ডুয়েটের কনসালটেন্সি রিসার্চ এন্ড টেস্টিং সার্ভিসেস (সিআরটিএস)-এর মাধ্যমে আগামী ছয় মাসের মধ্যেই প্রণয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, “কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা কমিশনের অন্যতম অগ্রাধিকার। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নে ডুয়েটসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা, দক্ষতা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী দুই বছরের মধ্যে ভবনটি বসবাসের উপযোগী করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ভবনের ধারণাপত্র, ডিপিপি, কাঠামোগত নকশা ও স্থাপত্য নকশা নির্ভুলভাবে এবং দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে, যাতে নির্মাণ কাজে কোনো ধরনের বিলম্ব না হয়।”

ডুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, “ইউজিসি যে আস্থা রেখে দেবো প্রকল্পটির দায়িত্ব দিয়েছে, তা যথাযথভাবে পালনে বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।” তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ডিপিপিসহ সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, “ডুয়েটে দক্ষ প্রকৌশলী ও স্থপতি রয়েছেন। দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউজিসিকে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বেরই অংশ।”

সভায় জানানো হয়, জি-টু-জি পদ্ধতিতে আগামী দুই বছরের মধ্যে ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ করে বসবাসের উপযোগী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, জ্বালানি-সাশ্রয়ী নকশা ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করা হবে।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া, জেনারেল সার্ভিসেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পরিচালক জাফর আহম্মদ জাহাঙ্গীর প্রমুখ এবং ডুয়েটের পক্ষে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার, চেয়ারম্যান (সিআরটিএস) অধ্যাপক ড. মোহা. আবু তৈয়ব, আর্কিটেকচার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. বায়েজীদ ইসমাইল চৌধুরী, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খসরু মিয়া, একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামাল হোসেন, পরিচালক (যানবাহন) অধ্যাপক ড. নাঈম মো. লুৎফুল হক, আর্কিটেকচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জোয়ার্দ্দার হাফিজ উল্লাহসহ ইউজিসি ও ডুয়েটের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন। এ সময় তিনি ডুয়েটের শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ইউজিসির সহযোগিতা কামনা করেন। ইউজিসির চেয়ারম্যান ডুয়েটের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আড়িয়াল খাঁর ভাঙনে ঝুঁকিতে গুরুত্বপূর্ণ সেতু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


আড়িয়াল খাঁর ভাঙনে ঝুঁকিতে গুরুত্বপূর্ণ সেতু

মাদারীপুরের শিবচরে উৎরাইল-শিবচর সড়কের আড়িয়াল খাঁ নদের ওপর নির্মিত সেতুর পাড়ে নতুন ভাঙন শুরু হয়েছে। এর ফলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সূত্র অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন-জুলাই সময়ে সেতুর পাড়ের প্রায় ২০০ মিটার জায়গা ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। চলতি বর্ষাতেও একই স্থানে নতুন করে ভাঙনের ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে।

স্থানীয় সজিব হোসেন মন্তব্য করেছেন, ‘সেতুর পাড়ে নদে প্রচণ্ড ঘূর্ণিস্রোত রয়েছে। এই ঘূর্ণিস্রোতের কারণেই ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। গতবার সেতুর কাছে ২০০ মিটার থেকে বেশি জায়গা ভেঙে গিয়েছিল। সেতুর নিচে ও পাশে এভাবে ভাঙন চলতে থাকলে সেতুটির জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি হবে। দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর ৫৫০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৯.৮০ মিটার প্রস্থের ‘লিটন চৌধুরী’ নামের সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এই সেতুর নির্মাণের ফলে শিবচর সদরের সঙ্গে দত্তপাড়া, শিরুয়াইল, নিলখী ইউনিয়নের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে। এর ফলে এই অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হয়েছে।

শিবচর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ৯৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা খরচে আড়িয়াল খাঁ নদের ওপর সেতুটি নির্মিত হয়েছে। সেতুটিতে রয়েছে ১১টি স্প্যান এবং ৯টি পিয়ার। পাইলের সংখ্যা ১২৩টি এবং পাইলের দৈর্ঘ্য ৪৮ মিটার। সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ১.৫০ কিলোমিটার।

এ বিষয়ে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান বলেন, ‘ভাঙনের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি, সীমাহীন অভিযোগ ডিজিএমের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি :

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


কলাপাড়ায় পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি, সীমাহীন অভিযোগ ডিজিএমের বিরুদ্ধে

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পল্লীবিদুৎ সমিতির কলাপাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম শেখ আব্দুর রহমান'র কার্যকলাপের কারণে অফিসের কর্মচারী এবং এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী ঘন্টায় ঘন্টায় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। ভৌতিক বিলসহ অতিরিক্ত বিলের অভিযোগও রয়েছে।

এছাড়া, সরকারি নিয়মানুযায়ী সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত অফিস চলার কথা থাকলেও, ডিজিএমের স্বেচ্ছাচারীতায় তা রাত ১০ টা পর্যন্ত চলছে। এতে অফিসের বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত অফিসের চলার কারণে মহিলা কর্মচারীদের বিশেষ বেকাদায় পড়তে হচ্ছে। এদিকে, কর্মচারীসহ ভুক্তভোগী গ্রাহকরা যেকোন সময়ে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পথে নামতে পারে। এমন গুঞ্জন পুরো উপজেলায় ছড়িয়েছে।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, নতুন ডিজিএম শেখ আব্দুর রহমান কলাপাড়া জোনাল অফিসে যোগদানের পূর্বে বরগুনা সদর অফিসে ডিজিএম হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠ হয়ে ওই অফিসের কর্মচারীরা বিদ্রোহ করেছে এমন তথ্যও এসেছে। কর্মচারীরা অতিরিক্ত অতিষ্ঠ হয়ে তাকে মারধর পর্যন্ত করেছিলো বলে জানা যায়। কলাপাড়া জোনাল অফিসে যোগদান করার পরেও তার পূর্ববর্তী কার্যকলাপ অব্যাহত রেখেছে। এখানেও যেকোন সময়ে বড় ধরনের বিদ্রোহ হতে পারে বলে অফিসের একাধিক কর্মচারীরা জানিয়েছেন। তবে চাকরির ভয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলছেন না।

শুক্রবার সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পটুয়াখালী পল্লী বিদুৎ সমিতি'র কলাপাড়া জোনাল অফিসের নতুন ডিজিএম শেখ আব্দুর রহমান চলতি বছরের এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে যোগদান করেছেন। এরপর থেকেই গ্রাহকরা বিভিন্নভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অন্যান্য সময়ের তুলনায় গত জুন মাসে লোডশেডিংয়ের কারণে উপজেলাবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। চলতি মাসের পুরো সময় জুড়ে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ না করলেও, অফিসে বসেই তৈরি হচ্ছে ভৌতিক বিল। অতিরিক্ত বিলের বোঝা টানতে গিয়ে একাধিক গ্রাহক দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। যদি শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান না হয়, তবে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হতে পারে রাজপথে।

এছাড়া সরকারি নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজের ইচ্ছেমতো অফিস পরিচালনা করায় কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজ করছে নিরব ক্ষোভ। বিকেল ৪ টা পর্যন্ত অফিস চলার কথা থাকলেও খামখেয়ালিভাবে রাত ১০ টা পর্যন্ত অফিসের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে বাধ্য করছে সকল কর্মচারীদের। এর ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মহিলা কর্মচারীরা ব্যাপক বেকাদায় পড়ে যাচ্ছেন। অধিক রাত পর্যন্ত অফিস খোলা থাকার কারণে অনিয়মের কাজ চলছে কিনা, এমন প্রশ্নও উঠছে জনমনে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলাপাড়া পল্লী বিদুৎ অফিসের একাধিক কর্মচারী জানান, তারা দীর্ঘ বছর ধরে এই অফিসে চাকরি করছেন। এরআগে যে সকল ডিজিএম অফিসে দায়িত্ব পালন করেছেন, তারা কেউই এত রাত পর্যন্ত অফিস চালাননি। জুন ক্লোজিংয়ের পূর্বেও বহুবার এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে বর্তমান ডিজিএম স্বেচ্ছাচারীভাবে অফিস পরিচালনা করে যাচ্ছেন। তারা অতিশীঘ্র এই ডিজিএম'র বদলী চান। অন্যথা তারা যেকোন সময় বিক্ষোভ করতে পারে বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন।

মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের গ্রাহক সোনিয়া আক্তার জানান, নতুন ঘরের কাজ করায় তিনি পরিবার সহ দেবরের বাসায় ছিলেন। তাই গত মে মাসে তার মিটারটি সম্পূর্ণ বন্ধ ছিলো। অথচ তার নামে পল্লী বিদুৎ অফিস ভৌতিক বিল করেছে। পরে অফিসে যোগাযোগ করলে তার সমস্যার সমাধান হয়। কিন্তু এই গ্রাহকের প্রশ্ন হলো, ভৌতিক বিলের সমাধানের জন্য অফিসে যাতায়ত করতে যে খরচ হয়েছে সেই টাকাগুলো কি অফিস কর্তৃপক্ষ দিবে? এধরণের হয়রানি থেকে রেহাই পেতে চান এই গ্রাহকসহ সকল ভুক্তভোগীরা। অপর এক ভুক্তভোগী টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর সোবহান বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, তার দোকানে আগে ৫-৬’শ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসতো। কিন্তু এখন তা প্রায় দুই আড়াই হাজার টাকা হয়ে গেছে। অফিসে অভিযোগ করলেও তাকে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তিনি অতিরিক্ত বিলের হয়রানি থেকে পরিত্রাণ চেয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন।

এ বিষয়ে পল্লীবিদুৎ সমিতি কলাপাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম শেখ আব্দুর রহমান বলেন, পল্লীবিদুৎ অফিসের লোকবল কম থাকায় ছোটো খাটো ভুলত্রুটি হয়ে থাকে। তবে, অভিযোগ পেলে তা সমাধান করা হয়। অতিরিক্ত বিলের বিষয়ে তিনি বলেন, গত মাসে ঈদ মৌসুম হওয়ার কারণে সকলেই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ করেছে, তাই বিল বেশি হয়েছে। এছাড়া, জুন ক্লোজিংয়ের কারণে কর্মচারীরা তাদের ইচ্ছেতেই অধিক রাত পর্যন্ত অফিসে কাজ করছেন। তবে, অধিক রাত পর্যন্ত অফিস খোলা রাখা সরকারি নিয়মের পরিপন্থী বলেও তিনি স্বীকার করেন।

পটুয়াখালী পল্লীবিদুৎ সমিতির জিএম আবুল কাশেম বলেন, অতিরিক্ত কিংবা ভৌতিক বিলের বিষয়ে তিনি খতিয়ে দেখবেন। এছাড়া, অধিক রাত পর্যন্ত অফিস খোলা রাখার নিয়ম নেই। যদি কারো হাতের কাজ বকেয়া থাকে তবে তা পরের দিন সম্পন্ন হবে। এসব বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%