ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডুয়েটের সঙ্গে ইউজিসির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর


ডুয়েটের সঙ্গে ইউজিসির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

 

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর সঙ্গে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আবাসিক ভবন নির্মাণের জন্য সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। ইউজিসি কর্মচারীদের আবাসন সংকটের সমাধানের লক্ষ্যে ১৪তলা বিশিষ্ট এই ভবন নির্মাণের জন্য বৃহস্পতিবার আগারগাঁওস্থ ইউজিসি কার্যালয়ে এ এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে প্রকল্পের ধারণাপত্র, বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি), স্থাপত্য ও কাঠামোগত নকশা ডুয়েটের কনসালটেন্সি রিসার্চ এন্ড টেস্টিং সার্ভিসেস (সিআরটিএস)-এর মাধ্যমে আগামী ছয় মাসের মধ্যেই প্রণয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, “কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা কমিশনের অন্যতম অগ্রাধিকার। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নে ডুয়েটসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা, দক্ষতা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করতে হবে।”

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

তিনি আরও বলেন, “আগামী দুই বছরের মধ্যে ভবনটি বসবাসের উপযোগী করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ভবনের ধারণাপত্র, ডিপিপি, কাঠামোগত নকশা ও স্থাপত্য নকশা নির্ভুলভাবে এবং দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে, যাতে নির্মাণ কাজে কোনো ধরনের বিলম্ব না হয়।”

ডুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, “ইউজিসি যে আস্থা রেখে দেবো প্রকল্পটির দায়িত্ব দিয়েছে, তা যথাযথভাবে পালনে বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।” তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ডিপিপিসহ সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, “ডুয়েটে দক্ষ প্রকৌশলী ও স্থপতি রয়েছেন। দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউজিসিকে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বেরই অংশ।”

সভায় জানানো হয়, জি-টু-জি পদ্ধতিতে আগামী দুই বছরের মধ্যে ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ করে বসবাসের উপযোগী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, জ্বালানি-সাশ্রয়ী নকশা ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করা হবে।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া, জেনারেল সার্ভিসেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পরিচালক জাফর আহম্মদ জাহাঙ্গীর প্রমুখ এবং ডুয়েটের পক্ষে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার, চেয়ারম্যান (সিআরটিএস) অধ্যাপক ড. মোহা. আবু তৈয়ব, আর্কিটেকচার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. বায়েজীদ ইসমাইল চৌধুরী, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খসরু মিয়া, একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামাল হোসেন, পরিচালক (যানবাহন) অধ্যাপক ড. নাঈম মো. লুৎফুল হক, আর্কিটেকচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জোয়ার্দ্দার হাফিজ উল্লাহসহ ইউজিসি ও ডুয়েটের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন। এ সময় তিনি ডুয়েটের শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ইউজিসির সহযোগিতা কামনা করেন। ইউজিসির চেয়ারম্যান ডুয়েটের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আড়িয়াল খাঁর ভাঙনে ঝুঁকিতে গুরুত্বপূর্ণ সেতু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


আড়িয়াল খাঁর ভাঙনে ঝুঁকিতে গুরুত্বপূর্ণ সেতু

মাদারীপুরের শিবচরে উৎরাইল-শিবচর সড়কের আড়িয়াল খাঁ নদের ওপর নির্মিত সেতুর পাড়ে নতুন ভাঙন শুরু হয়েছে। এর ফলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সূত্র অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন-জুলাই সময়ে সেতুর পাড়ের প্রায় ২০০ মিটার জায়গা ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। চলতি বর্ষাতেও একই স্থানে নতুন করে ভাঙনের ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে।

স্থানীয় সজিব হোসেন মন্তব্য করেছেন, ‘সেতুর পাড়ে নদে প্রচণ্ড ঘূর্ণিস্রোত রয়েছে। এই ঘূর্ণিস্রোতের কারণেই ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। গতবার সেতুর কাছে ২০০ মিটার থেকে বেশি জায়গা ভেঙে গিয়েছিল। সেতুর নিচে ও পাশে এভাবে ভাঙন চলতে থাকলে সেতুটির জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি হবে। দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর ৫৫০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৯.৮০ মিটার প্রস্থের ‘লিটন চৌধুরী’ নামের সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এই সেতুর নির্মাণের ফলে শিবচর সদরের সঙ্গে দত্তপাড়া, শিরুয়াইল, নিলখী ইউনিয়নের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে। এর ফলে এই অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হয়েছে।

শিবচর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ৯৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা খরচে আড়িয়াল খাঁ নদের ওপর সেতুটি নির্মিত হয়েছে। সেতুটিতে রয়েছে ১১টি স্প্যান এবং ৯টি পিয়ার। পাইলের সংখ্যা ১২৩টি এবং পাইলের দৈর্ঘ্য ৪৮ মিটার। সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ১.৫০ কিলোমিটার।

এ বিষয়ে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান বলেন, ‘ভাঙনের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি, সীমাহীন অভিযোগ ডিজিএমের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি :

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


কলাপাড়ায় পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি, সীমাহীন অভিযোগ ডিজিএমের বিরুদ্ধে

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পল্লীবিদুৎ সমিতির কলাপাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম শেখ আব্দুর রহমান'র কার্যকলাপের কারণে অফিসের কর্মচারী এবং এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী ঘন্টায় ঘন্টায় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। ভৌতিক বিলসহ অতিরিক্ত বিলের অভিযোগও রয়েছে।

এছাড়া, সরকারি নিয়মানুযায়ী সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত অফিস চলার কথা থাকলেও, ডিজিএমের স্বেচ্ছাচারীতায় তা রাত ১০ টা পর্যন্ত চলছে। এতে অফিসের বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত অফিসের চলার কারণে মহিলা কর্মচারীদের বিশেষ বেকাদায় পড়তে হচ্ছে। এদিকে, কর্মচারীসহ ভুক্তভোগী গ্রাহকরা যেকোন সময়ে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পথে নামতে পারে। এমন গুঞ্জন পুরো উপজেলায় ছড়িয়েছে।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, নতুন ডিজিএম শেখ আব্দুর রহমান কলাপাড়া জোনাল অফিসে যোগদানের পূর্বে বরগুনা সদর অফিসে ডিজিএম হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠ হয়ে ওই অফিসের কর্মচারীরা বিদ্রোহ করেছে এমন তথ্যও এসেছে। কর্মচারীরা অতিরিক্ত অতিষ্ঠ হয়ে তাকে মারধর পর্যন্ত করেছিলো বলে জানা যায়। কলাপাড়া জোনাল অফিসে যোগদান করার পরেও তার পূর্ববর্তী কার্যকলাপ অব্যাহত রেখেছে। এখানেও যেকোন সময়ে বড় ধরনের বিদ্রোহ হতে পারে বলে অফিসের একাধিক কর্মচারীরা জানিয়েছেন। তবে চাকরির ভয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলছেন না।

শুক্রবার সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পটুয়াখালী পল্লী বিদুৎ সমিতি'র কলাপাড়া জোনাল অফিসের নতুন ডিজিএম শেখ আব্দুর রহমান চলতি বছরের এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে যোগদান করেছেন। এরপর থেকেই গ্রাহকরা বিভিন্নভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অন্যান্য সময়ের তুলনায় গত জুন মাসে লোডশেডিংয়ের কারণে উপজেলাবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। চলতি মাসের পুরো সময় জুড়ে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ না করলেও, অফিসে বসেই তৈরি হচ্ছে ভৌতিক বিল। অতিরিক্ত বিলের বোঝা টানতে গিয়ে একাধিক গ্রাহক দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। যদি শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান না হয়, তবে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হতে পারে রাজপথে।

এছাড়া সরকারি নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজের ইচ্ছেমতো অফিস পরিচালনা করায় কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজ করছে নিরব ক্ষোভ। বিকেল ৪ টা পর্যন্ত অফিস চলার কথা থাকলেও খামখেয়ালিভাবে রাত ১০ টা পর্যন্ত অফিসের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে বাধ্য করছে সকল কর্মচারীদের। এর ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মহিলা কর্মচারীরা ব্যাপক বেকাদায় পড়ে যাচ্ছেন। অধিক রাত পর্যন্ত অফিস খোলা থাকার কারণে অনিয়মের কাজ চলছে কিনা, এমন প্রশ্নও উঠছে জনমনে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলাপাড়া পল্লী বিদুৎ অফিসের একাধিক কর্মচারী জানান, তারা দীর্ঘ বছর ধরে এই অফিসে চাকরি করছেন। এরআগে যে সকল ডিজিএম অফিসে দায়িত্ব পালন করেছেন, তারা কেউই এত রাত পর্যন্ত অফিস চালাননি। জুন ক্লোজিংয়ের পূর্বেও বহুবার এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে বর্তমান ডিজিএম স্বেচ্ছাচারীভাবে অফিস পরিচালনা করে যাচ্ছেন। তারা অতিশীঘ্র এই ডিজিএম'র বদলী চান। অন্যথা তারা যেকোন সময় বিক্ষোভ করতে পারে বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন।

মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের গ্রাহক সোনিয়া আক্তার জানান, নতুন ঘরের কাজ করায় তিনি পরিবার সহ দেবরের বাসায় ছিলেন। তাই গত মে মাসে তার মিটারটি সম্পূর্ণ বন্ধ ছিলো। অথচ তার নামে পল্লী বিদুৎ অফিস ভৌতিক বিল করেছে। পরে অফিসে যোগাযোগ করলে তার সমস্যার সমাধান হয়। কিন্তু এই গ্রাহকের প্রশ্ন হলো, ভৌতিক বিলের সমাধানের জন্য অফিসে যাতায়ত করতে যে খরচ হয়েছে সেই টাকাগুলো কি অফিস কর্তৃপক্ষ দিবে? এধরণের হয়রানি থেকে রেহাই পেতে চান এই গ্রাহকসহ সকল ভুক্তভোগীরা। অপর এক ভুক্তভোগী টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর সোবহান বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, তার দোকানে আগে ৫-৬’শ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসতো। কিন্তু এখন তা প্রায় দুই আড়াই হাজার টাকা হয়ে গেছে। অফিসে অভিযোগ করলেও তাকে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তিনি অতিরিক্ত বিলের হয়রানি থেকে পরিত্রাণ চেয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন।

এ বিষয়ে পল্লীবিদুৎ সমিতি কলাপাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম শেখ আব্দুর রহমান বলেন, পল্লীবিদুৎ অফিসের লোকবল কম থাকায় ছোটো খাটো ভুলত্রুটি হয়ে থাকে। তবে, অভিযোগ পেলে তা সমাধান করা হয়। অতিরিক্ত বিলের বিষয়ে তিনি বলেন, গত মাসে ঈদ মৌসুম হওয়ার কারণে সকলেই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ করেছে, তাই বিল বেশি হয়েছে। এছাড়া, জুন ক্লোজিংয়ের কারণে কর্মচারীরা তাদের ইচ্ছেতেই অধিক রাত পর্যন্ত অফিসে কাজ করছেন। তবে, অধিক রাত পর্যন্ত অফিস খোলা রাখা সরকারি নিয়মের পরিপন্থী বলেও তিনি স্বীকার করেন।

পটুয়াখালী পল্লীবিদুৎ সমিতির জিএম আবুল কাশেম বলেন, অতিরিক্ত কিংবা ভৌতিক বিলের বিষয়ে তিনি খতিয়ে দেখবেন। এছাড়া, অধিক রাত পর্যন্ত অফিস খোলা রাখার নিয়ম নেই। যদি কারো হাতের কাজ বকেয়া থাকে তবে তা পরের দিন সম্পন্ন হবে। এসব বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম সন্দেহে আরও ৫ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


হাম সন্দেহে আরও ৫ জনের মৃত্যু

 গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত ৫ জন ব্যক্তি মারা গেছেন। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১০৭ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন।

আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯৬৮ জন। আর গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৯৬১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৩৯ জন হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর মোট সংখ্যা ১২ হাজার ৪২৫ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৭ হাজার ২৬২ জন। একই সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৫৪৩ জন।

গতি ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৫ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগে ৬৩৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামের কারণে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৯৩ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিশাল সিসার চালান জব্দ

ফেসবুকে অর্ডার, এমএফএসে টাকা, কুরিয়ারে ডেলিভারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


ফেসবুকে অর্ডার, এমএফএসে টাকা, কুরিয়ারে ডেলিভারি

ফেসবুক পেজে অর্ডার নেওয়া, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে (এমএফএস) মূল্য পরিশোধ করা এবং কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় ডেলিভারি দেওয়া হত সিসা। এইভাবে একটি সংঘবদ্ধ সিসা বাণিজ্য চক্র তৈরি হয়েছিল অনলাইন ভিত্তিক।

এ ঘটনায় দুই যমজ ভাইসহ চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ বদরুদ্দীন এসব তথ্য জানান।

গ্রেপ্তার যমজ দুই ভাই হলেন- আহমেদ শরীফি (৩৪) ও মেহদাদ শরীফি (৩৪)। অন্য ব্যক্তি মো. মাকসুদ আলম (৪০) নামক একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একাধিক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা গেছে, অভিযানে ৬৫ কেজি ৯০০ গ্রাম সিসা, ৪১টি হুক্কাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। ডিএনসির দাবি, দেশের ইতিহাসে এক অভিযানেই সর্বোচ্চ পরিমাণ সিসা উদ্ধার হয়েছে।

মোহাম্মদ বদরুদ্দীন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহমেদ শরীফি ও মেহদাদ শরীফির মা-বাবা ইরানের নাগরিক। তাদের মা-বাবা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আসেন এবং বাংলাদেশেই এই দুই ভাইয়ের জন্ম হয়। ইরানে তাদের যাওয়া-আসা থাকায় সেখান থেকে তারা সিসা কারবারের পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা নেন। বাংলাদেশে ফিরে তারা ফেসবুকে পেজের মাধ্যমে কারবারের নেটওয়ার্ক গড়তে শুরু করেন। ধীরে ধীরে তারা বিভিন্ন জেলায় কার্যক্রম বিস্তৃত করেন।

গ্রেপ্তারের বর্ণনা দিয়ে বদরুদ্দীন বলেন, এই দুই ভাইয়ের নেতৃত্বে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ঢাকাসহ সারাদেশে অনলাইনে সিসা ও সিসা সেবনের উপকরণ সরবরাহ করে আসছিল। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ভাটারা এলাকায় প্রথম অভিযানে ওই ফেসবুক পেজের নামে পাঠানো ১ কেজি সিসাসহ একটি পার্সেল জব্দ করা হয়। একই দিনে মালিবাগ থেকে একই পেজের নামে পাঠানো আরো ১ কেজি সিসার পার্সেল জব্দ করা হয়। জব্দ পার্সেল দুটির প্রেরক-ঠিকানা যাচাই করে কালাচাঁদপুরে একটি ফ্ল্যাট থেকে প্রধান অভিযুক্ত দুই ভাইকে আটক করা হয়। তাদের ফ্ল্যাট তল্লাশি করে ৪৫ কেজি ৯০০ গ্রাম সিসা এবং ২০টি হুক্কা উদ্ধার করা হয়।

আটক দুই ভাইয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসি জানতে পারে, তাদের সরবরাহ করা সিসার একটি বড় অংশ আসতো মাকসুদ আলমের কাছ থেকে। পরে ওই রাতে নূরেরচালা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে মাকসুদের বাসা তল্লাশি করে আরো ১৮ কেজি সিসা ও ২১টি হুক্কা উদ্ধার করা হয়। চারটি স্থানে মোট ৬৫ কেজি ৯০০ গ্রাম সিসা, ৪১টি হুক্কা, ৪০ কেজি সিসা সেবনের কয়লা এবং মাদক কারবারের কাজে ব্যবহৃত ৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

শিশার কারবার ও অর্থ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ডিএনসি জানায়, গ্রেপ্তার দুই ভাই ফেসবুক পেজের মাধ্যমে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ, পণ্যের ছবি প্রকাশ, অর্ডার গ্রহণ, মূল্য নির্ধারণ এবং ডেলিভারির সমন্বয় করতেন। অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার পর কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পার্সেল পাঠানো হত।

ডিএনসি কর্মকর্তা মোহাম্মদ বদরুদ্দীন বলেন, চক্রটি মূলত বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ব্যবহার করে পণ্যের মূল্য গ্রহণ করত। বিভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত একাধিক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে তারা অর্থ সংগ্রহ করত, যাতে প্রকৃত লেনদেনের উৎস ও সুবিধাভোগীদের পরিচয় গোপন রাখা যায়। ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এসব আর্থিক লেনদেন, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট এবং অর্থের প্রবাহ যাচাই করা হচ্ছে।

বিপুল সংখ্যক ক্রেতার তথ্য বিশ্লেষণ করে কর্মকর্তা মোহাম্মদ বদরুদ্দীন বলেন, অভিযানে জব্দ করা মোবাইলফোন, ডিজিটাল ডিভাইস এবং অনলাইন অ্যাকাউন্ট থেকে একটি বিস্তৃত গ্রাহক ডাটাবেস উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার অসংখ্য ক্রেতার তথ্য, যোগাযোগের ইতিহাস, অর্ডারের বিবরণ এবং লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে। উদ্ধার করা তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিয়মিত ক্রেতা, পরিবেশক, সহযোগী এবং এই নেটওয়ার্কের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তকরণের কাজ চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%