ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ভূমিকম্প সম্পর্কিত প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই সভা হয়। এ সভায় ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সাড়া দিতে সরকারের সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় জাতীয় টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়, এবং ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সেবা প্রদান করার জন্য ঢাকা ও আশেপাশের এলাকার জন্য ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করার কর্মসূচি, তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলাকালীন হয়। উল্লেখ্য যে ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের একটি ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে এবং দ্রুত বাকি ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকও প্রস্তুত করা হবে।

বৈঠকে ভূমিকম্প মোকাবিলার ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ে একটি বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি

এছাড়া, সম্ভাব্য দুর্যোগকালীন সময়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। ঢাকা শহরে Humanitarian Staging Area (HSA) স্থাপন করার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম. এ. মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে, মিলবে নানা সুবিধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৮ পি.এম


দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে, মিলবে নানা সুবিধা

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের চূড়ান্ত পর্যায়ে অবস্থান করছে। দক্ষিণ কোরিয়া সফরে বাংলাদেশের একটি বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল এখন চূড়ান্ত দফার আলোচনার জন্য আছে সিইপিএ নিয়ে। পাশাপাশি, দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে আরেকটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসছে। সবকিছু যদি ঠিকঠাক থাকে তবে ৪ আগস্ট এই চুক্তি সই হতে পারে।

বুধবার (২৯ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এর আগে, মঙ্গলবার বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে টেলিফোনে সিইপিএ চুক্তির ব্যাপারে আলোচনা করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান বাণিজ্য, শিল্প ও সম্পদ মন্ত্রী কিম জং-ক্বান। দুই দেশের মধ্যকার আলোচনা ইতিবাচক বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, সিইপিএ চুক্তির মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি হয় এমন সব পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারসহ বেশ কিছু সুবিধা পাবে। এ পর্যন্ত চারটি বিষয়ে চুক্তির জন্য দুই দেশ একমত হয়েছে। বাকি আটটি বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা এখনও চলছে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, পাটপণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানি পণ্যের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার থাকবে। এলডিসি থেকে উত্তরণ পরেও এই সুবিধা বজায় থাকবে। কিছু পণ্য রুলস অব অরিজিনের আওতায় থাকবে। আইটি, প্রকৌশল, আর্থিক সেবা, শিক্ষা ও অন্যান্য সেবা খাতে বাজারে প্রবেশের সুযোগও দেওয়া হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু প্রযুক্তিগত সহায়তা, বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বাড়ানো, শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজ করা, পণ্য দ্রুত ছাড় দেওয়া এবং ডিজিটাল কাস্টমস ব্যবস্থা, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ (ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপারটি) পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক ও কপিরাইট সুরক্ষা সহ চুক্তির বাস্তবায়নে কোনো বিরোধ হলে তা সমাধানের বিষয়ে শর্ত সেট করা হয়েছে। এছাড়া প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্প উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো সহযোগিতার বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এখনো তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এটি ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই দেশের মোট দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় এক দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যেখানে বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি হয় প্রায় ৪৯১ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য।

দ্বিপক্ষে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে আমদানি হয় প্রায় ৯০২ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রায় ৪১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক (নিট ও ওভেন), হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য এবং সিরামিক পণ্য। বিপরীতে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে লোহা ও ইস্পাত, যন্ত্রপাতি ও শিল্প মেশিনারি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, প্লাস্টিক ও প্লাস্টিকজাত পণ্য, রাসায়নিক পদার্থ, কাগজ ও কাগজজাত পণ্য আমদানি করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে নৌযান শুমারিবিষয়ক অবহিতকরণ সেমিনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


বরিশালে নৌযান শুমারিবিষয়ক অবহিতকরণ সেমিনার

 ‘নৌযান শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করি’ এই স্লোগান নিয়ে ২০-২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘নৌযান শুমারি’ অনুষ্ঠিত হবে।

এ উপলক্ষে বরিশাল বিভাগীয় প্রশাসন এবং বিবিএস বরিশালের আয়োজনের মাধ্যমে আজ বুধবার সকাল ৯টায় নগরীর সার্কিট হাউজের সম্মেলনকক্ষে ‘অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, একটি সভ্য দেশে শুমারি অত্যন্ত প্রয়োজন। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং সম্পদ বণ্টনের সঠিক চিত্র তুলে ধরতে পরিসংখ্যান অফিস একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম যথাযথভাবে গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও পরিসংখ্যানের তথ্য ব্যবহার করে।

নির্ভুল তথ্য পেতে শুমারি পরিচালনার ক্ষেত্রে উচ্চমানের প্রশ্নমালা তৈরি করতে হবে এবং ১৪ বছরের কম বয়সী কারো থেকে তথ্য সংগ্রহ করা অনুচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি ড. মো. সাইফুল্লাহ বিন আনোয়ার, উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুম বিল্লাহ।

অনুষ্ঠানে নৌযান শুমারি বিষয়ক প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন, বরিশাল বিভাগীয় পরিসংখ্যান অফিসের যুগ্মপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম।

স্বাগত বক্তব্য দেন, জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আতিকুর রহমান।

এসময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন নৌযান মালিক এবং উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় এবং অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিনচালিত সকল নৌযান, ডাম্ববার্জ এবং অন্য কোনো ইঞ্জিন চালিত নৌযানের শুমারির আওতাভুক্ত হবে। তবে সামরিক বাহিনীর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে এবং তাদের মালিকানাধীন পরিচালিত নৌযান শুমারির আওতার বাইরে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের সমর্থন ছাড়া এনসিপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই: আবু হানিফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


জামায়াতের সমর্থন ছাড়া এনসিপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই: আবু হানিফ

গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ মন্তব্য করেছেন, জামায়াত ছাড়া এনসিপি রাজনৈতিক এতিম। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে আবু হানিফ বলেন, জামায়াতকে ছাড়ছে এনসিপি, এমন ধরনের একটি সংবাদ বিভিন্ন জায়গায় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে, এখন প্রশ্ন হলো, আসলেই কি জামায়াতকে ছাড়ছে এনসিপি? মোটেও এমন নয়, তবে এই সংবাদের পিছনে উদ্দেশ্য আলাদা।

তিনি উল্লেখ করেন, যদি একটু পিছনের দিকে তাকানো হয়, তাহলে দেখা যাবে, জাতীয় নির্বাচনের আগে এনসিপির শীর্ষ নেতারা জামায়াতের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দিতেন। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল জামায়াত যেন তাদের প্রতি গুরুত্ব দেয়। জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত এনসিপিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছে।

‘ফলে, এনসিপির ৬ জন সংসদ সদস্য জামায়াতের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। এখন সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন রয়েছে। এনসিপির তৃণমূলে আসলে তেমন ভিত্তি নেই। বরং জামায়াত এনসিপিকে প্রাণ দিয়ে রাখছে।’

তিনি আরও দাবি করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াত থেকে অধিক সুবিধা পাওয়ার জন্যই এনসিপি জামায়াতকে ছাড়ার কথা বলছে। বাস্তবতা হলো, জামায়াত ছাড়া এনসিপি রাজনৈতিক এতিম। তাই এনসিপি জামায়াতকে কখনো ছাড়বে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, সরকার দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে।

আজ রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (জেএটিআই) একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার শিরোনাম ‘দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব নিরসন: বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ অভিজ্ঞতা’। এই সেমিনারের প্রধান অতিথি হিসেবে আইনমন্ত্রী আজ তার বক্তব্য প্রদান করেন।

এই সেমিনারটি আইন ও বিচার বিভাগ এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। আইনমন্ত্রী বলেছেন, দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, দক্ষ ও জনবান্ধব করার জন্য বিভিন্ন সংস্কারমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। আইনমন্ত্রী বলেছেন, দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে মামলার জট কমানো এবং বিচারপ্রক্রিয়ার দক্ষতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।

আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অনেক পুরনো দেওয়ানি মামলা রয়েছে, যেগুলো দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন। এইসব মামলা বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ বৃদ্ধি করেছে এবং বিচারব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। তাই এই বাস্তবতা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিনির্ভর বিচারসেবা চালু এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও গতিশীল করার জন্য বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করছে।

তিনি বলেন, জাপানের বিচার মন্ত্রণালয় ও জাইকাসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই ধরনের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বিচারপ্রক্রিয়ার দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপস্থিত ছিলেন জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের উপ-মহাপরিচালক কাজুনোরি নোসে। তিনি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জাপানের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইন ও বিচার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব সৈয়দ মো. শাফায়েত এবং জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ের অধ্যাপক ওয়াকাযোনো রেই। তারা বাংলাদেশ ও জাপানের দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তি ব্যবস্থার তুলনামূলক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন এবং মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্বের কারণ, তা নিরসনের কৌশল, বিচারপ্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং দ্রুত নিষ্পত্তির বিভিন্ন কার্যকর উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেমউল কায়েস সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন। তিনি সমাপনী বক্তব্যে বলেন, সেমিনারে আলোচিত অভিজ্ঞতা, সুপারিশ ও মতামত পর্যালোচনা করে দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

সেমিনারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, আইন মন্ত্রণালয়, জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। তারা দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্বের কারণ, সম্ভাব্য সমাধান এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%