ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইইই ডে-২০২৬ উদযাপন নোবিপ্রবিতে অনুষ্ঠিত


ইইই ডে-২০২৬ উদযাপন নোবিপ্রবিতে অনুষ্ঠিত

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) একাধিক আয়োজনে ‘ইইই ডে-২০২৬’ উদযাপন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই উপলক্ষে সোমবার (০৬ জুলাই) নোবিপ্রবি ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগ ও ইইই এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালিসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এ অনুষ্ঠানটির প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত পোস্টার প্রেজেন্টেশন, প্রজেক্ট শোকেস, মোবাইল গেমিং, সার্কিট অলিম্পিয়াড, প্রোগ্রামিং কনটেস্ট, লাইন ফলোইং রোবট ও ট্রেজার হান্ট ইভেন্টসমূহের উদ্বোধন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সকাল বেলা র‌্যালির আয়োজন করা হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, ইইই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. বেল্লাল হোসাইনসহ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

এটি চতুর্থবারের মতো নোবিপ্রবিতে দুই দিনব্যাপী (০৬-০৭ জুলাই ২০২৬) ‘ইইই ডে’ উদযাপন করা হচ্ছে। এই উৎসবে ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি নোবিপ্রবির অন্যান্য বিভাগ ও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং সৃজনশীলতা বিকাশ এবারের আয়োজনের মূল লক্ষ্য। আগামীকাল ০৭ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বিভিন্ন প্রতিযোগনার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলিয়ারচরচরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৭ পি.এম


কুলিয়ারচরচরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনের সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।

সোমবার (৬জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এক হাজার চারশত কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে শুভ উদ্বোধন করেন তিনি।
একই সময়ে মননীয় প্রতিমন্ত্রীর স্বেচ্ছাধীন তহবিল ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তার আওতায় প্রাপ্ত নগদ টাকা ও চেকসহ বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) পক্ষ থেকে চেক বিতরণ করেন তিনি।

বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের মধ্যে ছিল- এক হাজার তিনশত কৃষকের মধ্যে প্রতিজনের মাঝে ৫ কেজি করে রোপা আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি সার ও ১০ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ। একই সময়ে একশত কৃষকের মধ্যে প্রতিজনের মাঝে ১০ গ্রাম করে হাইব্রিড মরিচের বীজ, ৫ কেজি করে ডিএপি সার, ৫ কেজি করে এমওপি সার ও ১টি করে কীটনাশকের প্যাকেট বিতরণ। এছাড়া একহাজার কৃষকের মধ্যে প্রতিজনের মাঝে ১টি করে মাস্টার প্যাকেট গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির বীজ, ১৫ কেজি করে ডিএপি সার ও ১৫ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকারের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. কিতাব আলী মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. শাহদাত হোসেন শাহ্ আলম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাবলী শবনম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আদনান আখতার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মর্জিনা আক্তার, কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) এসআরএমজি কিবরিয়া, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান, বিআরডিবি'র চেয়ারম্যান হাজী হাফেজ মো. দ্বীন ইসলাম সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীবৃন্দ।

পরে তিনি কুলিয়ারচর পৌরসভার পূর্ব গাইলকাটা টিএনটি সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন এবং কুলিয়ারচর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের নতুন ভবন উদ্বোধন করেন।

এর আগে তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে "উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ" এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) কর্তৃক আয়োজিত এই প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ এর বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। এর আগে সকালে তিনি উপজেলার পশ্চিম গোবরিয়া গ্রামে গিয়ে উপজেলা বিএনপির প্রয়াত সাবেক সহ-সভাপতি শামসু উদ্দিনের কবর জিয়ারত করেন এবং উপজেলার উছমানপুর ইউনিয়নে গিয়ে উপজেলা বিএনপির প্রয়াত সাবেক সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলামের কবর জিয়ারত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুইন্সল্যান্ডের সৈকতে রহস্যজনক বস্তু ভেসে আসার ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


কুইন্সল্যান্ডের সৈকতে রহস্যজনক বস্তু ভেসে আসার ঘটনা

অস্ট্রেলিয়ার উত্তর কুইন্সল্যান্ডের সৈকতে রহস্যজনকভাবে ভেসে এসেছে ৬টি বড় আকৃতির গোলাকার বস্তু। বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে এগুলোকে মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ কিংবা ‘স্পেস বল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা প্রকাশ, এগুলো রকেটের জ্বালানি ব্যবস্থার অংশ হতে পারে এবং এর ভিতরে অত্যন্ত বিষাক্ত রকেট জ্বালানির অবশিষ্ট অংশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থানীয় জনগণের জন্য কোনও ঝুঁকি নেই বলেই জানিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সি স্থানীয় সময় রবিবার (৫ জুলাই) জানিয়েছে, রহস্যজনক এসব বস্তু কোথা থেকে এসেছে তা শনাক্তে তারা কাজ করছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বস্তুগুলোর মধ্যে বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ থাকতে পারে এমন সন্দেহ রয়েছে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, টাউনসভিলের ফরেস্ট বিচ এলাকায় সৈকতে ভেসে আসা বস্তুগুলো দেখতে বড় আকৃতির ধাতব গোলকের মতো। রবিবার কুইন্সল্যান্ড ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, সৈকত থেকে মোট ৬টি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি নিরাপদে ড্রামের মধ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছে, এবং ষষ্ঠ বস্তুটিকে নিরাপদে রাখার কাজ চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে, ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। ‘ফরেস্ট বিচ টেকঅ্যাওয়ে’ নামে একটি স্থানীয় খাবারের দোকান নতুন একটি খাবার ‘স্পেস জাঙ্ক স্ন্যাক বক্স’ নামে বিক্রি শুরু করেছে। দোকানের সামনে রাখা বোর্ডে মজার ছলে লেখা হয়েছে, ‘এই খাবার সৈকতে ভেসে আসা রহস্যময় বস্তু না, তাই নিশ্চিন্তে চিনে খেতে পারবেন।’

এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, সৈকতে রহস্যময় এসব বস্তু নিয়ে স্থানীয় জনগণের জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্তও করছে না।

ফায়ার ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে উত্তর কুইন্সল্যান্ডে আরও ধ্বংসাবশেষ ভেসে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এতে সেখানের জনসাধারণের জন্য কোনো ঝুঁকি নেই। এরপরও স্থানীয়দের অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সির পরামর্শ ও তথ্য অনুসরণ করা উচিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলোর প্রকৃতি ও উৎস এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এবং, পুলিশ এবং ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির সহযোগিতায় কাজ করছে অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বস্তুগুলোকে প্রাথমিকভাবে মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ বলেই মনে করা হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সির একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংস্থাটি উত্তর কুইন্সল্যান্ডের ফরেস্ট বিচে পাওয়া সন্দেহভাজন মহাকাশের ধ্বংসাবশেষের বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করছে। সেইসাথে, তারা এসব বস্তুর প্রকৃতি ও উৎস শনাক্তে কাজ করছে।

ফ্লিন্ডার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাকাশ প্রত্নতত্ত্ববিদ এবং বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক অ্যালিস গোরম্যান সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও পর্যালোচনা করে বলেন, ‘বস্তুগুলোতে আগুনে পোড়া বা দগ্ধ হওয়ার কোনো চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘এতে ধারণা করা যায়, এগুলো কোনো রকেট উৎক্ষেপণের প্রথম বা দ্বিতীয় ধাপের অংশ হতে পারে, যা পৃথিবীতে ফিরে এসেছে। রকেটের বাকি অংশ পেলোড বহন করে মহাকাশে চলে গেছে।

তিনি আরও জানান, ‘বস্তুগুলো রকেটের জ্বালানি ব্যবস্থার অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। এগুলো টাইটানিয়াম সংকর ধাতু দিয়ে তৈরি চাপযুক্ত জ্বালানি সংরক্ষণ পাত্র, যার গলনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি।’

তিনি পরবর্তী সময়ে বলেন, ‘এ ধরনের বস্তুকে আসলে ‘স্পেস বল’ বলা হয় এবং উৎক্ষেপণের বহু বছর পরেও এগুলো খুঁজে পাওয়া যায়। সম্ভবত এর আগে এ ধরনের বস্তু সমুদ্রপৃষ্ঠে পড়ে থাকার দৃশ্য কেউ দেখেনি।’

তবে গোরম্যান সংশয় প্রকাশ করে বলেন, ‘বস্তুগুলো মহাকাশ শিল্পের অংশ নাও হতে পারে। এগুলো সামুদ্রিক কোনো উৎস থেকেও আসতে পারে।’

তিনি জানান, ‘যদি এগুলো সত্যিই ‘স্পেস বল’ হয়, তাহলে এর ভেতরে অত্যন্ত বিষাক্ত রকেট জ্বালানি হাইড্রাজিনের কিছু অবশিষ্টাংশ থাকতে পারে।

তিনি ধারণা করেন, ‘এগুলো রাশিয়ার ফ্রেগাট রকেটের অংশও হতে পারে। কারণ ওইসব রকেটের জ্বালানিতেও একই ধরনের চাপযুক্ত জ্বালানি পাত্র ব্যবহার করা হয়।’

গোরম্যান বলেন, ‘১৯৮০ এর দশকের মার্কিন বিজ্ঞানভিত্তিক কৌতুক চলচ্চিত্র ‘স্পেসবলস’এর সঙ্গে এই বস্তুগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। ‘স্পেস বল’ হলো মহাকাশে রকেট নিক্ষেপের পর সবচেয়ে বেশি পাওয়া ধ্বংসাবশেষগুলোর একটি। এর আগেও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এগুলো পাওয়া গেছে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে পৃথিবীর কক্ষপথে সচল উপগ্রহ, অচল যন্ত্রাংশ ও রকেট উৎক্ষেপণের পরিত্যক্ত র ৩০ হাজারেরও বেশি মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ ঘুরে বেড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘মহাকাশের আবর্জনা প্রায়শই সমুদ্রের ওপর দিয়েই পৃথিবীতে ফিরে আসে। তবে অস্ট্রেলিয়া বিশাল স্থলভাগ হওয়ায় এখানে প্রায়ই মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মহাকাশে উৎক্ষেপণের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় উপজত হিসেবে মহাকাশের আবর্জনার সমস্যাও বাড়ছে।’

তিনি জানিয়েছেন, ‘গত পাঁচ বছরে মহাকাশে যে পরিমাণ উৎক্ষেপণ হয়েছে, তা মানব ইতিহাসের আগের সব উৎক্ষেপণের মোট সংখ্যার চেয়েও বেশি। ফলস্বরূপ, এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দামুড়হুদার কুঠির বিল এক দশক ধরে চাষের বাইরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


দামুড়হুদার কুঠির বিল এক দশক ধরে চাষের বাইরে

এক দশক ধরে চাষের বাইরে রয়েছে দামুড়হুদার কুঠির বিল। জলাবদ্ধতা এবং পানি নিষ্কাশনের অভাবে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পুড়াপাড়া গ্রামের কুটির বিলে কৃষি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। প্রতিবছর দুইবার ধান চাষ হতো ও পাট হতো। কিন্তু বর্তমানে সেগুলি অতীত হয়ে গেছে। বর্তমানে বিলের বড় অংশজুড়ে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। কৃষকরা দাবি করেছেন যে, একটি স্লুইসগেট হলে আগের অবস্থায় ফিরে আসা সম্ভব। এই স্লুইসগেটের জন্য বৃহস্পতিবার থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

কুঠির বিলটির অবস্থান চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পুড়াপাড়া গ্রামে। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুসারে, কুঠির বিলের কৃষিজমির পরিমাণ হচ্ছে দেড় শ বিঘা। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধতার কারণে বছরে মাত্র একবার সেখানে ধান চাষ করা সম্ভব হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, আগে বিলের পানি উপজেলা কেশবপুর গ্রামের পশ্চিম পাশে দামুড়হুদা-বিষুপুর সড়কের খানপাড়া সেতুর নিচ দিয়ে মাথাভাঙ্গা নদীতে নেমে যেত। কিন্তু প্রায় ১২ বছর আগে সেতুটির নিচে পানি প্রবাহের পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, পানি বের হতে না পারায় বিলটি জলাবদ্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে বিলের খালটি প্রায় ভরাট হয়ে গেছে।

তদন্তে দেখা যায়, এক সময় ওই বিলে বছরে তিনবার ফসল হতো, কিন্তু বর্তমানে পানি নিষ্কাশনের অভাবে এক ফসল উৎপাদনও হচ্ছে না। বৃষ্টির সময় সামান্য বৃষ্টিতেই জমিতে পানি জমে যেতে দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকরা দাবি করেছেন, কুঠির বিলের খালটি পুনঃখনন করে সেতুর নিচ দিয়ে মাথাভাঙ্গা নদীতে পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি স্লুইসগেট নির্মাণ করা উচিত। যদি বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়, তবে ওই বিলের প্রায় ১৫০ বিঘা জমিকে তিন ফসলের আওতায় আনা যাবে।

কৃষক আব্দুল কুদ্দুস বলেছেন, কুঠির বিল পলি ও আবর্জনায় ভরে যাওয়ার ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই জমিতে পানি জমে যায়। ফলে আমন ধানের জমি তলিয়ে যাচ্ছে। বলছেন, চলতি মৌসুমে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় ধান রোপণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে এলাকার কৃষকবৃন্দ বড় ধরনের সমস্যায় পড়ছেন। খালটি পুনঃখনন করে একটি স্লুইসগেট নির্মাণ করা হলে, প্রায় দেড় শ বিঘা জমিতে পুনরায় চাষাবাদ সম্ভব হবে।

দুই কৃষক খলিলুর রহমান ও মমিনুল ইসলাম প্রকাশ করেছেন যে, বর্ষা মৌসুমে জমির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার কারণে আমরা কৃষিকাজে জড়িত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছি না। ফলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। দ্রুত কুঠির বিলের খাল পুনঃখনন এবং স্লুইসগেট নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন তারা।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, কুঠির বিলে ৫০ একর (দেড় শ বিঘা) জমি বিদ্যমান। জলাবদ্ধতার কারণে এখানে এক ফসল উৎপাদিত হচ্ছে। তিনি বলেছেন, খাল পুনঃখনন করা গেলে তিন ফসলের আওতায় আনা যাবে। তবে, জমির মালিকদের একমত হতে হবে।

আজ (সোমবার) উপজেলা প্রকৌশলী খালিদ হাসান বিল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, জলাবদ্ধতার কারণে এখানে চাষাবাদ বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে, পুড়াপাড়া কেশবপুর অংশে পূর্বে যে খালটি ছিল, সেটি পুনঃখনন করে মাথাভাঙ্গা নদীর সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে জমিগুলি পুনরায় তিন ফসলি অঞ্চলে রূপান্তরিত হবে। তবে এর জন্য জমির মালিকদের সহমতের প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, হাসপাতালের ব্যবহৃত কোনো ওষুধের মেয়াদ যেন কোনোভাবেই উত্তীর্ণ না হয়। এই বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রাণী চিকিৎসায় সর্বদা মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

আজ বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের সম্মেলন কক্ষে কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতাল ক্যাম্পাসে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই সকল বিষয় তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাণীর চিকিৎসার জন্য মানুষের ভরসার অন্যতম প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতাল। দেশে জনসংখ্যার বৃদ্ধি পাশাপাশি পোষা প্রাণীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বাস্তবতায় প্রাণিসম্পদ খাতের চিকিৎসাসেবাকে আরও সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, প্রাণীর চিকিৎসাসেবাকে আরও যুগোপযোগী, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পোষা প্রাণীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের শাখা সম্প্রসারণ এবং সেবার পরিধি বাড়াতে হবে, যাতে দেশের সব অঞ্চলের প্রাণীর সহজেই উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হয়।

অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান, কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল আজিজ আল মামুন, কেন্দ্রীয় প্রাণিসম্পদ ঔষধাগারের পরিচালক ড. রফিকুল ইসলাম তালুকদার, টক্সিকোলজি ও জুরিসপ্রুডেন্স অনুবিভাগের চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মো. আবু সুফিয়ান এবং বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার ডা. গোপাল চন্দ্র বিশ্বাসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এর আগে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রাণিসম্পদ ঔষধাগার কর্তৃক ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ক্রয়কৃত ওষুধ, কেমিক্যালস, যন্ত্রপাতি ও শৈল্য চিকিৎসার সরঞ্জামাদি মাঠ পর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এ সময় মাঠ পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ দপ্তরে বিতরণের জন্য হস্তান্তর করা হয় ৯০ প্রকারের ওষুধ ও কেমিক্যালস এবং ৪০ প্রকারের আধুনিক যন্ত্রপাতি ও শৈল্য চিকিৎসার সরঞ্জাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%