ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুইন্সল্যান্ডের সৈকতে রহস্যজনক বস্তু ভেসে আসার ঘটনা


কুইন্সল্যান্ডের সৈকতে রহস্যজনক বস্তু ভেসে আসার ঘটনা

অস্ট্রেলিয়ার উত্তর কুইন্সল্যান্ডের সৈকতে রহস্যজনকভাবে ভেসে এসেছে ৬টি বড় আকৃতির গোলাকার বস্তু। বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে এগুলোকে মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ কিংবা ‘স্পেস বল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা প্রকাশ, এগুলো রকেটের জ্বালানি ব্যবস্থার অংশ হতে পারে এবং এর ভিতরে অত্যন্ত বিষাক্ত রকেট জ্বালানির অবশিষ্ট অংশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থানীয় জনগণের জন্য কোনও ঝুঁকি নেই বলেই জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: আম্বানির তেল শোধনাগারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের পেছনের কূটনীতি

অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সি স্থানীয় সময় রবিবার (৫ জুলাই) জানিয়েছে, রহস্যজনক এসব বস্তু কোথা থেকে এসেছে তা শনাক্তে তারা কাজ করছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বস্তুগুলোর মধ্যে বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ থাকতে পারে এমন সন্দেহ রয়েছে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, টাউনসভিলের ফরেস্ট বিচ এলাকায় সৈকতে ভেসে আসা বস্তুগুলো দেখতে বড় আকৃতির ধাতব গোলকের মতো। রবিবার কুইন্সল্যান্ড ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, সৈকত থেকে মোট ৬টি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি নিরাপদে ড্রামের মধ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছে, এবং ষষ্ঠ বস্তুটিকে নিরাপদে রাখার কাজ চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে, ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। ‘ফরেস্ট বিচ টেকঅ্যাওয়ে’ নামে একটি স্থানীয় খাবারের দোকান নতুন একটি খাবার ‘স্পেস জাঙ্ক স্ন্যাক বক্স’ নামে বিক্রি শুরু করেছে। দোকানের সামনে রাখা বোর্ডে মজার ছলে লেখা হয়েছে, ‘এই খাবার সৈকতে ভেসে আসা রহস্যময় বস্তু না, তাই নিশ্চিন্তে চিনে খেতে পারবেন।’

এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, সৈকতে রহস্যময় এসব বস্তু নিয়ে স্থানীয় জনগণের জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্তও করছে না।

আরও পড়ুন: ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ শুরুর পর চলতি মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চূড়ায় সউদীর তেল রপ্তানি

ফায়ার ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে উত্তর কুইন্সল্যান্ডে আরও ধ্বংসাবশেষ ভেসে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এতে সেখানের জনসাধারণের জন্য কোনো ঝুঁকি নেই। এরপরও স্থানীয়দের অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সির পরামর্শ ও তথ্য অনুসরণ করা উচিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলোর প্রকৃতি ও উৎস এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এবং, পুলিশ এবং ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির সহযোগিতায় কাজ করছে অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বস্তুগুলোকে প্রাথমিকভাবে মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ বলেই মনে করা হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সির একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংস্থাটি উত্তর কুইন্সল্যান্ডের ফরেস্ট বিচে পাওয়া সন্দেহভাজন মহাকাশের ধ্বংসাবশেষের বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করছে। সেইসাথে, তারা এসব বস্তুর প্রকৃতি ও উৎস শনাক্তে কাজ করছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চিকিৎসা সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য সমঝোতা স্মারক সই

ফ্লিন্ডার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাকাশ প্রত্নতত্ত্ববিদ এবং বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক অ্যালিস গোরম্যান সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও পর্যালোচনা করে বলেন, ‘বস্তুগুলোতে আগুনে পোড়া বা দগ্ধ হওয়ার কোনো চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘এতে ধারণা করা যায়, এগুলো কোনো রকেট উৎক্ষেপণের প্রথম বা দ্বিতীয় ধাপের অংশ হতে পারে, যা পৃথিবীতে ফিরে এসেছে। রকেটের বাকি অংশ পেলোড বহন করে মহাকাশে চলে গেছে।

তিনি আরও জানান, ‘বস্তুগুলো রকেটের জ্বালানি ব্যবস্থার অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। এগুলো টাইটানিয়াম সংকর ধাতু দিয়ে তৈরি চাপযুক্ত জ্বালানি সংরক্ষণ পাত্র, যার গলনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি।’

তিনি পরবর্তী সময়ে বলেন, ‘এ ধরনের বস্তুকে আসলে ‘স্পেস বল’ বলা হয় এবং উৎক্ষেপণের বহু বছর পরেও এগুলো খুঁজে পাওয়া যায়। সম্ভবত এর আগে এ ধরনের বস্তু সমুদ্রপৃষ্ঠে পড়ে থাকার দৃশ্য কেউ দেখেনি।’

আরও পড়ুন: ইয়েমেনের সেনা ও হুথিদের সংঘর্ষে দুই দিনে ১৮০ যোদ্ধা নিহত

তবে গোরম্যান সংশয় প্রকাশ করে বলেন, ‘বস্তুগুলো মহাকাশ শিল্পের অংশ নাও হতে পারে। এগুলো সামুদ্রিক কোনো উৎস থেকেও আসতে পারে।’

তিনি জানান, ‘যদি এগুলো সত্যিই ‘স্পেস বল’ হয়, তাহলে এর ভেতরে অত্যন্ত বিষাক্ত রকেট জ্বালানি হাইড্রাজিনের কিছু অবশিষ্টাংশ থাকতে পারে।

তিনি ধারণা করেন, ‘এগুলো রাশিয়ার ফ্রেগাট রকেটের অংশও হতে পারে। কারণ ওইসব রকেটের জ্বালানিতেও একই ধরনের চাপযুক্ত জ্বালানি পাত্র ব্যবহার করা হয়।’

গোরম্যান বলেন, ‘১৯৮০ এর দশকের মার্কিন বিজ্ঞানভিত্তিক কৌতুক চলচ্চিত্র ‘স্পেসবলস’এর সঙ্গে এই বস্তুগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। ‘স্পেস বল’ হলো মহাকাশে রকেট নিক্ষেপের পর সবচেয়ে বেশি পাওয়া ধ্বংসাবশেষগুলোর একটি। এর আগেও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এগুলো পাওয়া গেছে।’

আরও পড়ুন: একদিনে ১১৬৪ হামলায় ৫৫৮ হুতি যোদ্ধা নিহত

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে পৃথিবীর কক্ষপথে সচল উপগ্রহ, অচল যন্ত্রাংশ ও রকেট উৎক্ষেপণের পরিত্যক্ত র ৩০ হাজারেরও বেশি মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ ঘুরে বেড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘মহাকাশের আবর্জনা প্রায়শই সমুদ্রের ওপর দিয়েই পৃথিবীতে ফিরে আসে। তবে অস্ট্রেলিয়া বিশাল স্থলভাগ হওয়ায় এখানে প্রায়ই মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মহাকাশে উৎক্ষেপণের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় উপজত হিসেবে মহাকাশের আবর্জনার সমস্যাও বাড়ছে।’

তিনি জানিয়েছেন, ‘গত পাঁচ বছরে মহাকাশে যে পরিমাণ উৎক্ষেপণ হয়েছে, তা মানব ইতিহাসের আগের সব উৎক্ষেপণের মোট সংখ্যার চেয়েও বেশি। ফলস্বরূপ, এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসছে।

আরও পড়ুন: মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের হতাশা, নেতানিয়াহুর পুনর্নির্বাচনে সমর্থন অস্বীকার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দামুড়হুদার কুঠির বিল এক দশক ধরে চাষের বাইরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


দামুড়হুদার কুঠির বিল এক দশক ধরে চাষের বাইরে

এক দশক ধরে চাষের বাইরে রয়েছে দামুড়হুদার কুঠির বিল। জলাবদ্ধতা এবং পানি নিষ্কাশনের অভাবে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পুড়াপাড়া গ্রামের কুটির বিলে কৃষি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। প্রতিবছর দুইবার ধান চাষ হতো ও পাট হতো। কিন্তু বর্তমানে সেগুলি অতীত হয়ে গেছে। বর্তমানে বিলের বড় অংশজুড়ে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। কৃষকরা দাবি করেছেন যে, একটি স্লুইসগেট হলে আগের অবস্থায় ফিরে আসা সম্ভব। এই স্লুইসগেটের জন্য বৃহস্পতিবার থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

কুঠির বিলটির অবস্থান চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পুড়াপাড়া গ্রামে। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুসারে, কুঠির বিলের কৃষিজমির পরিমাণ হচ্ছে দেড় শ বিঘা। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধতার কারণে বছরে মাত্র একবার সেখানে ধান চাষ করা সম্ভব হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, আগে বিলের পানি উপজেলা কেশবপুর গ্রামের পশ্চিম পাশে দামুড়হুদা-বিষুপুর সড়কের খানপাড়া সেতুর নিচ দিয়ে মাথাভাঙ্গা নদীতে নেমে যেত। কিন্তু প্রায় ১২ বছর আগে সেতুটির নিচে পানি প্রবাহের পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, পানি বের হতে না পারায় বিলটি জলাবদ্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে বিলের খালটি প্রায় ভরাট হয়ে গেছে।

তদন্তে দেখা যায়, এক সময় ওই বিলে বছরে তিনবার ফসল হতো, কিন্তু বর্তমানে পানি নিষ্কাশনের অভাবে এক ফসল উৎপাদনও হচ্ছে না। বৃষ্টির সময় সামান্য বৃষ্টিতেই জমিতে পানি জমে যেতে দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকরা দাবি করেছেন, কুঠির বিলের খালটি পুনঃখনন করে সেতুর নিচ দিয়ে মাথাভাঙ্গা নদীতে পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি স্লুইসগেট নির্মাণ করা উচিত। যদি বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়, তবে ওই বিলের প্রায় ১৫০ বিঘা জমিকে তিন ফসলের আওতায় আনা যাবে।

কৃষক আব্দুল কুদ্দুস বলেছেন, কুঠির বিল পলি ও আবর্জনায় ভরে যাওয়ার ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই জমিতে পানি জমে যায়। ফলে আমন ধানের জমি তলিয়ে যাচ্ছে। বলছেন, চলতি মৌসুমে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় ধান রোপণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে এলাকার কৃষকবৃন্দ বড় ধরনের সমস্যায় পড়ছেন। খালটি পুনঃখনন করে একটি স্লুইসগেট নির্মাণ করা হলে, প্রায় দেড় শ বিঘা জমিতে পুনরায় চাষাবাদ সম্ভব হবে।

দুই কৃষক খলিলুর রহমান ও মমিনুল ইসলাম প্রকাশ করেছেন যে, বর্ষা মৌসুমে জমির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার কারণে আমরা কৃষিকাজে জড়িত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছি না। ফলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। দ্রুত কুঠির বিলের খাল পুনঃখনন এবং স্লুইসগেট নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন তারা।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, কুঠির বিলে ৫০ একর (দেড় শ বিঘা) জমি বিদ্যমান। জলাবদ্ধতার কারণে এখানে এক ফসল উৎপাদিত হচ্ছে। তিনি বলেছেন, খাল পুনঃখনন করা গেলে তিন ফসলের আওতায় আনা যাবে। তবে, জমির মালিকদের একমত হতে হবে।

আজ (সোমবার) উপজেলা প্রকৌশলী খালিদ হাসান বিল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, জলাবদ্ধতার কারণে এখানে চাষাবাদ বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে, পুড়াপাড়া কেশবপুর অংশে পূর্বে যে খালটি ছিল, সেটি পুনঃখনন করে মাথাভাঙ্গা নদীর সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে জমিগুলি পুনরায় তিন ফসলি অঞ্চলে রূপান্তরিত হবে। তবে এর জন্য জমির মালিকদের সহমতের প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, হাসপাতালের ব্যবহৃত কোনো ওষুধের মেয়াদ যেন কোনোভাবেই উত্তীর্ণ না হয়। এই বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রাণী চিকিৎসায় সর্বদা মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

আজ বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের সম্মেলন কক্ষে কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতাল ক্যাম্পাসে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই সকল বিষয় তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাণীর চিকিৎসার জন্য মানুষের ভরসার অন্যতম প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতাল। দেশে জনসংখ্যার বৃদ্ধি পাশাপাশি পোষা প্রাণীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বাস্তবতায় প্রাণিসম্পদ খাতের চিকিৎসাসেবাকে আরও সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, প্রাণীর চিকিৎসাসেবাকে আরও যুগোপযোগী, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পোষা প্রাণীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের শাখা সম্প্রসারণ এবং সেবার পরিধি বাড়াতে হবে, যাতে দেশের সব অঞ্চলের প্রাণীর সহজেই উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হয়।

অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান, কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল আজিজ আল মামুন, কেন্দ্রীয় প্রাণিসম্পদ ঔষধাগারের পরিচালক ড. রফিকুল ইসলাম তালুকদার, টক্সিকোলজি ও জুরিসপ্রুডেন্স অনুবিভাগের চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মো. আবু সুফিয়ান এবং বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার ডা. গোপাল চন্দ্র বিশ্বাসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এর আগে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রাণিসম্পদ ঔষধাগার কর্তৃক ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ক্রয়কৃত ওষুধ, কেমিক্যালস, যন্ত্রপাতি ও শৈল্য চিকিৎসার সরঞ্জামাদি মাঠ পর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এ সময় মাঠ পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ দপ্তরে বিতরণের জন্য হস্তান্তর করা হয় ৯০ প্রকারের ওষুধ ও কেমিক্যালস এবং ৪০ প্রকারের আধুনিক যন্ত্রপাতি ও শৈল্য চিকিৎসার সরঞ্জাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমের নায্যদাম নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


আমের নায্যদাম নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, জাপান, চীন, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশ থেকে আম আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, অধিক উৎপাদনের ফলে বর্তমানে চাষিরা আমের নায্যদাম পাচ্ছেন না। এর কারণে আম রফতানি করা জরুরি হয়ে পড়েছে। নায্যদাম নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

সোমবার (৬ জুলাই) আম ও অন্যান্য কৃষি পণ্যের রফতানি বৃদ্ধিতে বাষ্পতাপ প্রয়োগ প্ল্যান্ট-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেছেন।

কৃষকের পণ্য সংরক্ষণের জন্য সারাদেশে বেশ কয়েক হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা হবে।

চীন বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল নিতে চায়। ইতোমধ্যে কিছু কাঁঠাল পাঠানো হয়েছে। তারা যদি এটি পছন্দ করে, তাহলে রফতানি বাজার আরও সম্প্রসারণ হবে।

আম রফতানির জন্য উড়োজাহাজ ভাড়া কমানোর বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। অন্যান্য এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গেও বৈঠকে বসা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুলশান লেকের পরিবেশ রক্ষা ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


গুলশান লেকের পরিবেশ রক্ষা ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, পানি দূষণ রোধে এবং সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেছেন।

আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। গুলশান-বনানী-বারিধারা-নিকেতন এলাকার ভবনগুলোর পয়ঃনিষ্কাশন সংযোগ ব্যবস্থা যাচাই করে লেককে দূষণমুক্ত করার সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করার জন্যই এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সভায় প্রধানমন্ত্রী লেকের বর্জ্য অপসারণ, পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সিটি কর্পোরেশন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান যে, লেকটি দূষণমুক্ত রাখতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে যেসব ভবনের পয়ঃবর্জ্য সরাসরি লেকে গিয়ে পড়ে, তা রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

এই সভায় গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের পরিবেশ রক্ষায় স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া, লেক ও এর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, বর্জ্য অপসারণ এবং পানি প্রবাহ সচল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

কড়াইল বস্তির বর্জ্য যাতে সরাসরি লেকে না পড়ে, সেজন্য কী কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া যায় তা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানিয়েছেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%