ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দামুড়হুদার কুঠির বিল এক দশক ধরে চাষের বাইরে


দামুড়হুদার কুঠির বিল এক দশক ধরে চাষের বাইরে

এক দশক ধরে চাষের বাইরে রয়েছে দামুড়হুদার কুঠির বিল। জলাবদ্ধতা এবং পানি নিষ্কাশনের অভাবে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পুড়াপাড়া গ্রামের কুটির বিলে কৃষি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। প্রতিবছর দুইবার ধান চাষ হতো ও পাট হতো। কিন্তু বর্তমানে সেগুলি অতীত হয়ে গেছে। বর্তমানে বিলের বড় অংশজুড়ে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। কৃষকরা দাবি করেছেন যে, একটি স্লুইসগেট হলে আগের অবস্থায় ফিরে আসা সম্ভব। এই স্লুইসগেটের জন্য বৃহস্পতিবার থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

কুঠির বিলটির অবস্থান চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পুড়াপাড়া গ্রামে। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুসারে, কুঠির বিলের কৃষিজমির পরিমাণ হচ্ছে দেড় শ বিঘা। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধতার কারণে বছরে মাত্র একবার সেখানে ধান চাষ করা সম্ভব হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, আগে বিলের পানি উপজেলা কেশবপুর গ্রামের পশ্চিম পাশে দামুড়হুদা-বিষুপুর সড়কের খানপাড়া সেতুর নিচ দিয়ে মাথাভাঙ্গা নদীতে নেমে যেত। কিন্তু প্রায় ১২ বছর আগে সেতুটির নিচে পানি প্রবাহের পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, পানি বের হতে না পারায় বিলটি জলাবদ্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে বিলের খালটি প্রায় ভরাট হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

তদন্তে দেখা যায়, এক সময় ওই বিলে বছরে তিনবার ফসল হতো, কিন্তু বর্তমানে পানি নিষ্কাশনের অভাবে এক ফসল উৎপাদনও হচ্ছে না। বৃষ্টির সময় সামান্য বৃষ্টিতেই জমিতে পানি জমে যেতে দেখা যাচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকরা দাবি করেছেন, কুঠির বিলের খালটি পুনঃখনন করে সেতুর নিচ দিয়ে মাথাভাঙ্গা নদীতে পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি স্লুইসগেট নির্মাণ করা উচিত। যদি বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়, তবে ওই বিলের প্রায় ১৫০ বিঘা জমিকে তিন ফসলের আওতায় আনা যাবে।

কৃষক আব্দুল কুদ্দুস বলেছেন, কুঠির বিল পলি ও আবর্জনায় ভরে যাওয়ার ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই জমিতে পানি জমে যায়। ফলে আমন ধানের জমি তলিয়ে যাচ্ছে। বলছেন, চলতি মৌসুমে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় ধান রোপণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে এলাকার কৃষকবৃন্দ বড় ধরনের সমস্যায় পড়ছেন। খালটি পুনঃখনন করে একটি স্লুইসগেট নির্মাণ করা হলে, প্রায় দেড় শ বিঘা জমিতে পুনরায় চাষাবাদ সম্ভব হবে।

দুই কৃষক খলিলুর রহমান ও মমিনুল ইসলাম প্রকাশ করেছেন যে, বর্ষা মৌসুমে জমির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার কারণে আমরা কৃষিকাজে জড়িত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছি না। ফলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। দ্রুত কুঠির বিলের খাল পুনঃখনন এবং স্লুইসগেট নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন তারা।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

এ বিষয়ে অতিরিক্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, কুঠির বিলে ৫০ একর (দেড় শ বিঘা) জমি বিদ্যমান। জলাবদ্ধতার কারণে এখানে এক ফসল উৎপাদিত হচ্ছে। তিনি বলেছেন, খাল পুনঃখনন করা গেলে তিন ফসলের আওতায় আনা যাবে। তবে, জমির মালিকদের একমত হতে হবে।

আজ (সোমবার) উপজেলা প্রকৌশলী খালিদ হাসান বিল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, জলাবদ্ধতার কারণে এখানে চাষাবাদ বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে, পুড়াপাড়া কেশবপুর অংশে পূর্বে যে খালটি ছিল, সেটি পুনঃখনন করে মাথাভাঙ্গা নদীর সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে জমিগুলি পুনরায় তিন ফসলি অঞ্চলে রূপান্তরিত হবে। তবে এর জন্য জমির মালিকদের সহমতের প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিত করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, হাসপাতালের ব্যবহৃত কোনো ওষুধের মেয়াদ যেন কোনোভাবেই উত্তীর্ণ না হয়। এই বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রাণী চিকিৎসায় সর্বদা মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

আজ বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের সম্মেলন কক্ষে কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতাল ক্যাম্পাসে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই সকল বিষয় তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাণীর চিকিৎসার জন্য মানুষের ভরসার অন্যতম প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতাল। দেশে জনসংখ্যার বৃদ্ধি পাশাপাশি পোষা প্রাণীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বাস্তবতায় প্রাণিসম্পদ খাতের চিকিৎসাসেবাকে আরও সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, প্রাণীর চিকিৎসাসেবাকে আরও যুগোপযোগী, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পোষা প্রাণীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের শাখা সম্প্রসারণ এবং সেবার পরিধি বাড়াতে হবে, যাতে দেশের সব অঞ্চলের প্রাণীর সহজেই উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হয়।

অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান, কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল আজিজ আল মামুন, কেন্দ্রীয় প্রাণিসম্পদ ঔষধাগারের পরিচালক ড. রফিকুল ইসলাম তালুকদার, টক্সিকোলজি ও জুরিসপ্রুডেন্স অনুবিভাগের চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মো. আবু সুফিয়ান এবং বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার ডা. গোপাল চন্দ্র বিশ্বাসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এর আগে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রাণিসম্পদ ঔষধাগার কর্তৃক ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ক্রয়কৃত ওষুধ, কেমিক্যালস, যন্ত্রপাতি ও শৈল্য চিকিৎসার সরঞ্জামাদি মাঠ পর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এ সময় মাঠ পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ দপ্তরে বিতরণের জন্য হস্তান্তর করা হয় ৯০ প্রকারের ওষুধ ও কেমিক্যালস এবং ৪০ প্রকারের আধুনিক যন্ত্রপাতি ও শৈল্য চিকিৎসার সরঞ্জাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমের নায্যদাম নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


আমের নায্যদাম নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, জাপান, চীন, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশ থেকে আম আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, অধিক উৎপাদনের ফলে বর্তমানে চাষিরা আমের নায্যদাম পাচ্ছেন না। এর কারণে আম রফতানি করা জরুরি হয়ে পড়েছে। নায্যদাম নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

সোমবার (৬ জুলাই) আম ও অন্যান্য কৃষি পণ্যের রফতানি বৃদ্ধিতে বাষ্পতাপ প্রয়োগ প্ল্যান্ট-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেছেন।

কৃষকের পণ্য সংরক্ষণের জন্য সারাদেশে বেশ কয়েক হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা হবে।

চীন বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল নিতে চায়। ইতোমধ্যে কিছু কাঁঠাল পাঠানো হয়েছে। তারা যদি এটি পছন্দ করে, তাহলে রফতানি বাজার আরও সম্প্রসারণ হবে।

আম রফতানির জন্য উড়োজাহাজ ভাড়া কমানোর বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। অন্যান্য এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গেও বৈঠকে বসা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুলশান লেকের পরিবেশ রক্ষা ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


গুলশান লেকের পরিবেশ রক্ষা ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, পানি দূষণ রোধে এবং সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেছেন।

আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। গুলশান-বনানী-বারিধারা-নিকেতন এলাকার ভবনগুলোর পয়ঃনিষ্কাশন সংযোগ ব্যবস্থা যাচাই করে লেককে দূষণমুক্ত করার সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করার জন্যই এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সভায় প্রধানমন্ত্রী লেকের বর্জ্য অপসারণ, পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সিটি কর্পোরেশন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান যে, লেকটি দূষণমুক্ত রাখতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে যেসব ভবনের পয়ঃবর্জ্য সরাসরি লেকে গিয়ে পড়ে, তা রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

এই সভায় গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের পরিবেশ রক্ষায় স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া, লেক ও এর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, বর্জ্য অপসারণ এবং পানি প্রবাহ সচল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

কড়াইল বস্তির বর্জ্য যাতে সরাসরি লেকে না পড়ে, সেজন্য কী কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া যায় তা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানিয়েছেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ-মহড়া শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ-মহড়া শুরু

আজ চীনের উপকূলে বার্ষিক যৌথ নৌ-মহড়া শুরু করেছে চীন ও রাশিয়া। একই দিনে বেইজিং প্রশান্ত মহাসাগরে কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষাও চালিয়েছে।

চীন ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও কূটনৈতিক। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিয়মিতভাবে দুই দেশ যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করে আসছে। পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে চীন সমর্থন দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে।

এ ব্যাপারে বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি খবর প্রকাশ করেছে।

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এবারের মহড়ার নাম ‘জয়েন্ট সি-২০২৬’ এবং এটি সোমবার পূর্বাঞ্চলীয় বন্দরনগরী ছিংতাওয়ে শুরু হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই দেশের নৌবাহিনী একটি যৌথ কমান্ড গঠন করেছে। তারা ‘কমান্ড ও কৌশলগত সমন্বয়’ মহড়ায় অংশ নিচ্ছে।

পরে তারা যৌথভাবে নজরদারি, আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা, এবং সরাসরি গোলাবর্ষণের মহড়াও চালাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%