০৭:৪৫ পি.এম
কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ছবিটি সংগৃহীত। ঢাকার কিছু বিদেশি দূতাবাসে ই-মেইলের মাধ্যমে হুমকির ঘটনায় বারিধারা ও গুলশানের পুরো কূটনৈতিক এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আবু খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি এই ঘটনায় বলেন, আমাদের কাছে এ ধরনের কোনও লিখিত অভিযোগ আসেনি। চীনা দূতাবাস কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুলিশ সদর দপ্তরে জানিয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের মাধ্যমে কাউন্টার টেরোরিজম এটি তদন্ত করছে।
তিনি তথ্য জানান যে, আমরা বিষয়টি জানার পর আগের চেয়ে নিরাপত্তা বাড়িয়েছি। বিশেষ করে চেকপোস্ট, টহল, এবং দূতাবাসের সামনে নজরদারি; এই সবকিছু আরও বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও আমাদের যে কুইক রেসপন্স টিম রয়েছে, সেগুলোও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ডিএনসিসি প্রশাসক: ফুটপাতে ব্যবসার পক্ষে কেউ নেই, সড়ক দখল উচ্ছেদে জনগণের সহযোগিতা জরুরি
আতঙ্কিত না হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি এবং বলেছেন, পুরো কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কিন্তু, কারা হুমকি দিলো, কেন দিলো, এবং কোন কোন দূতাবাস এই হুমকি পেয়েছে—তা সম্পর্কে কিছুই বলা সম্ভব নয় বা আমাদের লিখিতভাবে কোনও তথ্য জানানো হয়নি। ঘটনাটি শোনার পর আমরা আরও এলার্ট হয়ে উঠেছি।
প্রসঙ্গত, কয়েকটি বিদেশি দূতাবাসে ই-মেইল পাঠিয়ে হুমকি দেয় একটি গোষ্ঠী। এই বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে দূতাবাসগুলোর প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়েছে। এই ঘটনার পর সিটিটিসি তদন্ত শুরু করেছে।
আরও জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহের শেষ দিকে বিভিন্ন দূতাবাসে ই-মেইল পাঠিয়ে বাংলাদেশে হুমকি দেওয়া হয়। পুলিশ ধারণা করছে, কোনও গোষ্ঠী আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এই ই-মেইলগুলো পাঠিয়েছে। এছাড়াও, গুলশান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা লিখিত অভিযোগ কেউ করেনি বলেও পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
আরও পড়ুন: সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু স্থানীয় নির্বাচন উপহার দেবে: মীর শাহে আলম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন