মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৭ পি.এম
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম সজিব মন্তব্য করেছেন, যারা বোরকা পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে গেছেন, তারা আর কখনোই দেশে ফিরে আসতে পারবেন না। যুবদলসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা নিজেদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে রেখে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন এবং ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের অরাজকতা মোকাবিলায় সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে কাজ করবেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কাঁচপুর এলাকায় সারাদেশে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের সময় খায়রুল ইসলাম সজিব বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অবস্থানকে কঠোরভাবে তুলে ধরেন এবং বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এই দেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ এবং দেশের কিছু চক্রান্তকারী এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং আমাদের নেতাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।
তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই যে, যদি বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের ধৈর্যের সীমা ভেঙে যায় এবং তারা মাত্র এক ঘণ্টার জন্য রাজপথে নামেন, তাহলে চক্রান্তকারীদের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোমেন খান, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ ভূঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক কাউসার আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল হুসাইন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী রানা, পিয়ার হোসেন নয়ন, সোহেল রানা, রাকিব হাসান এবং আবু সালেহ মুসা প্রমুখ।
সমাবেশের শেষে একটি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর ব্রিজ প্রদক্ষিণ করে কাঁচপুর বাস টার্মিনালে গিয়ে শেষ হয়.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে দিনরাত সমান তালে চলছে দেবী দুর্গাসহ অন্যান্য দেব-দেবীর প্রতিমা গড়ার কাজ।
উপজেলার মাঝি বাড়ি মন্দিরসংলগ্ন কর্মশালায় গিয়ে দেখা যায়, কাঁচা মাটি দিয়ে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের মূর্তি গড়ার কাজ প্রায় শেষের পথে। নিপুণ হাতে কাঠামোগুলোতে মাটির প্রলেপ দিয়ে দেব-দেবীর রূপ ফুটিয়ে তুলছেন শিল্পীরা।
মৃৎশিল্পীরা জানান, মাটির কাজ সম্পূর্ণ শুকানোর পর শিগগিরই শুরু হবে রং ও প্রতিমা সাজসজ্জার কাজ। পূজার দিন ঘনিয়ে আসায় সময়মতো মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা পৌঁছে দিতে এখন দম ফেলার সুযোগ নেই তাদের। উৎসবের আগেই যেন সব প্রস্তুতি নিখুঁতভাবে শেষ হয়, সে লক্ষ্যে শিল্পীরা কাজের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলি যাচাই-বাছাই কমিটিতে শিক্ষানুরাগী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কাউখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, প্রখ্যাত শিক্ষানুরাগী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ।
উল্লেখ্য, এইচএম দ্বীন মোহাম্মদ দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং এলাকার শিক্ষা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
কাউখালী প্রাথমিক শিক্ষক বদলি যাচাই কমিটিতে শিক্ষানুরাগী সদস্য এইচএম দ্বীন
এইচএম দ্বীন মোহাম্মদ বলেন,
আমাকে কাউখালী উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি যাচাই-বাছাই কমিটিতে শিক্ষানুরাগী সদস্য হিসেবে মনোনীত করায় পিরোজপুর ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহাম্মদ সোহেল মঞ্জুরকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। দীর্ঘকাল ধরে শিক্ষার আলো ছড়ানো এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়নে কাজ করে আসছি। এই নতুন দায়িত্ব আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক এবং এটি পালনে আমি শতভাগ নিষ্ঠাবান থাকবো।
প্রাথমিক শিক্ষা হলো শিক্ষার মূল ভিত্তি। শিক্ষকরা যদি উপযুক্ত পরিবেশে ও স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেন, তবেই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ভালো শিক্ষা পাবে। বদলি প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম বা অসচ্ছতা যাতে স্থান না পায়, আমি সেদিকে কড়া নজর রাখবো। জ্যেষ্ঠতা, মানবিক কারণ এবং নীতিমালা মেনে যেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ উপায়ে প্রতিটি শিক্ষক বদলির আবেদন মূল্যায়ন করা হয়, তা সুনিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২৯ শে সেপ্টেম্বর রোজ মঙ্গলবার,
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এর উদ্যোগে "বিসিক চাকরি মেলা -২০২৬" এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়নগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-এনডিএ'র চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপি'র যুগ্ম আহবায়ক "মাসুকুল ইসলাম রাজিব"শাহ বিএনপি অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে উন্নয়নমূলক পরামর্শ প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়ায় অবস্থিত ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী ‘শহীদ জিয়া হল’ ভেঙে সেই জায়গায় ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১ তলা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (মঙ্গলবার) নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের অডিটোরিয়ামে হলটির নতুন স্থাপত্য নকশার আনুষ্ঠানিক উপস্থাপনা ও এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ नगर উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ননউক) এর নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মাশিকুল ইসলাম রাজিব।
আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে আবেগঘন ও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনিসুল ইসলাম সানি।
বক্তব্যের শুরুতেই জাসাস কেন্দ্রীয় নেতা আনিসুল ইসলাম সানি বলেন, “চাষাঢ়ার শহীদ জিয়া হল নারায়ণগঞ্জবাসীর আবেগ, সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই হলের জন্মলগ্ন থেকে শুরু করে এর প্রতিটি ইটে আমার এবং নারায়ণগঞ্জের জাতীয়তাবাদী শক্তির অক্লান্ত পরিশ্রম লেগে আছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকার আইনি ও রাজনৈতিকভাবে বহু চেষ্টা করেও এই হলের নাম মুছে ফেলতে পারেনি।” তিনি আরও বলেন, “আজ যখন এই হলের নতুন বহুতল আধুনিক নকশা উপস্থাপিত হচ্ছে, তখন আমার চেয়ে আনন্দিত বোধহয় কেউ নেই। জাইকার অর্থায়নে এই প্রকল্পটি নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এই জিয়া হলটি নারায়ণগঞ্জের একটি অনন্য স্মারক। দীর্ঘদিন এটি অবহেলিত ও জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে ছিল। আল্লাহর রহমতে আজ আমরা এর পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু করতে পেরেছি। ১১ তলা বিশিষ্ট এই আধুনিক ভবনটি নারায়ণগঞ্জ শহরকে নতুন রূপ দেবে।”
সভাপতির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, “১২০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের এই আধুনিক কমপ্লেক্সটির মাটির নিচেই থাকবে দুই তলা বেজমেন্ট, যেখানে প্রায় ৫০০ গাড়ি পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া ভবনে আন্তর্জাতিক মানের নাট্যশালা, লাইব্রেরি, সেমিনার কক্ষ, আর্ট গ্যালারি, কমিউনিটি সেন্টার ও সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য মহড়া কক্ষের সুবিধা রাখা হয়েছে। সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সাথে এই আধুনিক স্থাপত্যের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে।”
নারায়ণগঞ্জ নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশিকুল ইসলাম রাজিব তার বক্তব্যে বলেন, “শহরের অপরিকল্পিত নগরায়ণ দূর করে চাষাঢ়ার এই কেন্দ্রস্থলটিকে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক সাংস্কৃতিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ও নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করবে।”
অনুষ্ঠানে সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকৌশলীবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জাসাসের নেতাকর্মী এবং নারায়ণগঞ্জের সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রজেক্টরের মাধ্যমে নতুন জিয়া হলের বহুতল ও নান্দনিক স্থাপত্য নকশা ও ত্রিমাত্রিক (3D) মডেল সকলের সামনে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ