ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘চলে আসুন ষোলশহর’ যে ফেসবুক পোস্টে চট্টগ্রামের আন্দোলনে নতুন গতি


‘চলে আসুন ষোলশহর’ যে ফেসবুক পোস্টে চট্টগ্রামের আন্দোলনে নতুন গতি

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিকেলে ফেসবুকে মাত্র তিনটি শব্দের একটি পোস্ট- ‘চলে আসুন ষোলশহর’ প্রকাশ করা হয়েছিল। সংক্ষিপ্ত এই আহ্বানটি পরবর্তীতে গিয়ে চট্টগ্রামের আন্দোলনের অন্যতম স্মরণীয় প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়। পোস্টটি করেছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা মো. ওয়াসিম আকরাম।

ওই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বহু শিক্ষার্থী ও তরুণ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মুরাদপুর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ওয়াসিম নিহত হন। তার মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও বিস্তৃত ও তীব্র হয়ে ওঠে।

সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মী, সহযোদ্ধা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জোরালো হতে শুরু করে। আন্দোলন দমাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সরকারি দলের নেতাকর্মীদের হামলার পরও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ কমেনি। বরং প্রতি মিনিটে নতুন নতুন মানুষ আন্দোলনের সাথে যুক্ত হচ্ছিল।

আরও পড়ুন: ঢাকার ধামরাইয়ে আজ সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যারা

এ সময় ইন্টারনেট সংযোগ সীমিত হয়ে যাওয়ায় তথ্য আদান-প্রদান কঠিন হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছোট ছোট বার্তাগুলো আন্দোলনকারীদের সংগঠিত হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিকেল ৩টার দিকে ওয়াসিম আকরামের দেওয়া ‘চলে আসুন ষোলশহর’ পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই নির্ধারিত স্থানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হন।

সহযোদ্ধাদের ভাষ্য অনুযায়ী, পোস্ট দেওয়ার পর ওয়াসিম নিজেও আন্দোলনের মাঠে মিছিলে যোগ দেন। তবে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে যায়। প্রথমে ষোলশহর এলাকায় অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও পরে আন্দোলনকারীরা মুরাদপুরের দিকে চলে যান। সেখানে সংঘর্ষের সময় ওয়াসিম গুলিবিদ্ধ হন। তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকরা বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই ওয়াসিম নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আরেকটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে আমার প্রাণের সংগঠন, আমি এই পরিচয়ে শহিদ হব।’ তার এই পোস্টও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বাসসকে বলেছেন, ১৬ জুলাইয়ের কর্মসূচিতে তাদের প্রথম পরিকল্পনা ছিল ষোলশহর রেলস্টেশন এলাকায় জড়ো হওয়ার। কিন্তু সেখানে সশস্ত্র অবস্থান থাকায় তারা মুরাদপুরের দিকে যান। সেখানেও সংঘর্ষের মুখে পড়তে হয়।

আরও পড়ুন: বীরাঙ্গনা ও যুদ্ধশিশুর বিরুদ্ধে মামলা, মব আতঙ্কে বাড়িছাড়া মা-মেয়ে

তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের সদস্যরা একযোগে হামলা চালায়। আত্মরক্ষার জন্য আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়েন। এ সময় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কাছে ওয়াসিম গুলিবিদ্ধ হন।

নোমান জানান, ঘটনার কিছুক্ষণ আগেও ওয়াসিমের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। ওয়াসিম তাকে জানিয়েছিলেন, তিনি শিক্ষা বোর্ড এলাকার কাছে অবস্থান করছেন এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত মিছিলের মূল অবস্থানে যোগ দেবেন। সেটিই ছিল তাদের মধ্যে শেষ কথোপকথন।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন শাহেদ বাসসকে বলেছেন, ওয়াসিম তার ঘনিষ্ঠ সহকর্মী ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিচ্ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, সংঘর্ষের সময় তারা শিক্ষা বোর্ড ভবনের ভেতরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরে সেখান থেকে বের হওয়ার সময় ওয়াসিম পেছনে থেকে অন্যদের নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে চেষ্টা করেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় নিজস্ব অর্থায়নে ৭৫ বিজয়ীকে পুরস্কার দিলেন মেয়র প্রার্থী মুন্সী বিল্লাল হুসাইন

সালাউদ্দিন শাহেদ জানান, ওয়াসিম হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। একই ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের হওয়া মামলারও সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে এবং তিনি সেখানে সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

ওয়াসিমের মৃত্যুর পর চট্টগ্রামজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পর দিন থেকে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী এবং সাধারণ মানুষ আরও ব্যাপকভাবে আন্দোলনে অংশ নিতে শুরু করে। আন্দোলনের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে মুরাদপুর, ষোলশহর, বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন এলাকা। পর্যবেক্ষকদের মতে, ওয়াসিমের মৃত্যু চট্টগ্রামের আন্দোলনে নতুন গতি এনে দেয় এবং পরবর্তী সময়ের গণআন্দোলনকে আরও বিস্তৃত করে।

হত্যা মামলার বিষয়ে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট ওয়াসিমের মা জোছনা বেগম চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ২৫০ জনকে আসামি করা হয়।

পরে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় চট্টগ্রামে ওয়াসিমসহ ১১ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আলাদা মামলা দায়ের হয়। তদন্ত শেষে ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীসহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। মামলাটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে, ৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন

পাঁচলাইশ থানা সূত্র জানিয়েছে, হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ প্রায় শেষ হয়েছে এবং শিগগিরই আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মেহেরনামা বাজারপাড়ার বাসিন্দা ওয়াসিম আকরাম পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন। তিনি আন্দোলনের কর্মী এবং পড়াশোনাতেও ছিলেন মেধাবী। চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের অনার্স পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। তবে সেই ফল প্রকাশিত হয় তার মৃত্যুর পর।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাসসকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ওয়াসিমের বাবা শফিউল আলম বলেছেন, তার ছেলেসহ অনেক তরুণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ তৈরি হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, তার সন্তানের হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে এবং জীবদ্দশায় সেই বিচার দেখে যেতে পারবেন।

আরও পড়ুন: চরফ্যাশনে লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ

দুই বছর পরও ‘চলে আসুন ষোলশহর’ এই তিনটি শব্দ চট্টগ্রামের আন্দোলনের স্মৃতির সঙ্গে অঙ্গা-অঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে। আন্দোলনের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারীদের কাছে এটি শুধু একটি ফেসবুক পোস্ট নয়; বরং একটি সময়ের সাহস, প্রতিরোধ এবং আত্মত্যাগের একটি প্রতীক হিসেবেই স্মরণীয় হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের নতুন ব্যাটিং কোচ হচ্ছেন স্মিথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০০ পি.এম


পাকিস্তানের নতুন ব্যাটিং কোচ হচ্ছেন স্মিথ

 পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) দলের নতুন ব্যাটিং কোচ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম শ্রেণির সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ মাইকেল স্মিথকে নিয়োগ দিয়েছে।

পিসিবির পক্ষ থেকে আজ এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে পাকিস্তান জাতীয় দলের জন্য স্থায়ী কোনো ব্যাটিং কোচের পদ ছিল না। মাঝে মাঝে জাতীয় নির্বাচক আসাদ শফিক ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব পালন করতেন।

স্মিথকে এবার দুই বছরের চুক্তিতে তিন সংস্করণে পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তান সুপার লিগে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের কোচিং স্টাফে কাজ করেছেন স্মিথ, যিনি লেভেল-৪ কোচিং সনদধারী। সর্বশেষ মৌসুমে তিনি মুলতান সুলতানসের সহকারী কোচের দায়িত্বে ছিলেন।

এছাড়াও বিগ ব্যাশের দল হোবার্ট হারিকেন্স ও ক্রিকেট তাসমানিয়ায় ব্যাটিং কোচ হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন, বয়স তাঁর ৪৬ বছর।

সম্ভবত আসন্ন ইংল্যান্ড সফর দিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব শুরু করবেন স্মিথ। ১৯ আগস্ট থেকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু করতে যাচ্ছে পাকিস্তান।

এসব খেলোয়াড়ি জীবনে স্মিথ ২০০৩ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যবর্তী সময়ে ৮৯টি প্রথম শ্রেণির, ৭২টি লিস্ট ‘এ’ এবং ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তিনি ৯টি সেঞ্চুরি ও ৪০টি হাফ-সেঞ্চুরির সাহায্যে ৭ হাজার ২৯ রান করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০২ পি.এম


সাতক্ষীরায় রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

সাতক্ষীরা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : জেলায় আজ বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাতক্ষীরা ইউনিটের উদ্যোগে ‘জলবায়ু পরিবর্তন, আজকের পদক্ষেপ আগামী দিনের নিরাপত্তা’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় জেলা রেডক্রিসেন্ট ইউনিট চত্বর ও প্রাণসায়ের খালের পাশে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির জেলা ইউনিটের সভাপতি এবং সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। 

এ সময় রেডক্রিসেন্ট ইউনিট চত্বরে ও প্রাণসায়ের খাল ধারে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। 

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাতক্ষীরা ইউনিটের সহ-সভাপতি মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আবুল হাসান হাদি, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম বাবু প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন। 


 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করে অটর্নি জেনারেলের শ্রদ্ধা নিবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করে অটর্নি জেনারেলের শ্রদ্ধা নিবেদন

ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : নতুন নিয়োগ পাওয়া ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আজ বিকেলে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের সমাধি কমপ্লেক্সে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ানত করে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর জন্য দোয়া-মোনাজাত করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এ সময় দুই অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও ব্যারিস্টার অনিক আর হকসহ নতুন নিয়োগ পাওয়া ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া-মোনাজাত শেষে, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আইনের ক্ষেত্রে, সংবিধানের ক্ষেত্রে, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে ভূমিকা সেটা আমরা যারা আইনজীবী তারা প্রতিদিন লক্ষ্য করি। আজকে যে বিচার বিভাগ স্বাধীন, সেটির ক্ষেত্রে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান সবচেয়ে বেশি। তাঁরা যে নীতি এবং আদর্শ মেনে জীবন কাটিয়ে গেছেন, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সেটা অনুসরণ করে আমাদের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায় বিচারের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখবো। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিক যেন তার আইনানুগ অধিকার পান, সেটি প্রতিষ্ঠা করা আমাদের দায়িত্ব।’

অপতথ্য প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পথে যাত্রায় নানামুখী ষড়যন্ত্র মোকাবেলার ক্ষেত্রে আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। তাই, যেকোনো ঠুনকো অপতথ্য, মিথ্যা তথ্য বা খণ্ডিত তথ্য দিয়ে যেন আগামী দিনের বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত না হয়, সে ব্যাপারে গণমাধ্যমের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে।

বিএনপি সরকার গঠনের পর গত ২৫ মার্চ দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)। পূর্বের সকল নিয়োগ বাতিল করে, গত ৩০ জুলাই ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৮০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুবির একাডেমিক ও প্রশাসনিক প্রধানদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ পি.এম


খুবির একাডেমিক ও প্রশাসনিক প্রধানদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময় সভা

খুলনা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার উদ্দেশ্যে একটি মতবিনিময় সভা করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমে গতি বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ভবনে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা, আপগ্রেডেশন নীতিমালার পরিমার্জন, সার্ভিস রুল প্রণয়নের পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলুচনা হয়। এ ছাড়া গত এক বছরে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টদের কর্মসম্পাদনের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চালু এবং খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।

সভায় জানানো হয় যে, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘কিউ-১’ এবং ‘কিউ-২’ মানের আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশের জন্য প্রণোদনা প্রদানের উদ্যোগ বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের ৩৬টি গবেষণা প্রকাশনা প্রণোদনা পাওয়ার অপেক্ষায় আছে।

সভায় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা এবং গবেষণার মানোন্নয়ন, পাশাপাশি একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধিতে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয় তুলে ধরেন।

এ সময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালকগণও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%