০২:২৩ পি.এম
ঢাকার চারপাশে যানবাহনের চাপ কমানোর জন্য ২০০০ সালে বৃত্তাকার নৌপথ চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। এরপর পাঁচ দফায় ওয়াটার বাস ও লঞ্চ চালু করা হলেও নগরবাসী প্রকল্পটির সুফল পাননি। এর কারণ হিসেবে ধীরগতির নৌযান, পানির দূষণ এবং নৌযানের স্বল্পতা চিহ্নিত হয়েছে। ২৬ বছরের এই স্থবিরতা ও ব্যর্থতা কাটানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকার চারপাশের ১১০ কিলোমিটার নৌপথ পুনর্দখল ও দূষণমুক্ত করে পুনরায় চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন।
রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে ঢাকার চারপাশের বৃত্তাকার নৌপথ উন্নয়ন বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং ঢাকার দুই সিটির প্রশাসক এ তথ্য জানান। বৈঠকের পর নৌপরিবহনমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঢাকার চারপাশের নৌপথে গত ১০ বছরে অন্তত ৫৭ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় বিষয়টি লাভজনক করতে দুই মাস পর বেসরকারি খাতকে যুক্ত করা হবে এবং চার নদীর ৪২৪টি স্থান থেকে জমে থাকা বর্জ্য অপসারণ করে দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘নদীতে যেন কেউ বর্জ্য ফেলতে না পারে, সে জন্য পাড় বাঁধাইসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক।’ অন্যদিকে, উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন জানান, ঢাকার সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার মতো নৌপথকেও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর জন্য একটি সমন্বিত বোর্ড গঠন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: পটুয়াখালী জেলা যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে জনতার উপস্থিতি, আলোচনায় কবির শিকদার
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালে উদ্যোগের শুরু থেকে ২০০৪-১০, ২০১৩-১৪ এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে মোট পাঁচ দফায় ওয়াটার বাস ও লঞ্চ চালু করা হয়েছিল। তবে যাত্রীসংকটের মুখে প্রতিটি উদ্যোগই ব্যর্থ হয়। সরকারের নতুন এই সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে ২৬ বছরের লোকসান ও অচলাবস্থা কাটিয়ে ঢাকার নৌপথ আবার সচল হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন