ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বগুড়ায় চায়না দুয়ারি জাল আগুনে ধ্বংস


বগুড়ায় চায়না দুয়ারি জাল আগুনে ধ্বংস

বগুড়ার ধুনট উপজেলার ইছামতি নদীতে অভিযান পরিচালনা করে ২৩টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে, যা পরে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে। রবিবার, পৌরসভার পারধুনট ইছামতি নদীতে এই অভিযানটি পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফ উল্লাহ নিজামী।

তিনি জানান, চায়না জালে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ আটকা পড়ে। মাছের ডিম ও রেনু পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে জলজ প্রাণীর প্রজনন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এই কারণে অভিযান চালিয়ে প্রায় এক লাখ টাকা মূল্যের ২৩টি চায়না জাল জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযান পরিচালনার সময় ধুনট উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরিফ আহমেদ এবং মৎস্য অফিসের কর্মচারীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: টঙ্গীর এরশাদনগরে দুই যুবককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন টঙ্গী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাদশাহর সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন ইশা রিখী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


বাদশাহর সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন ইশা রিখী

পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি বাদশাহর সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছেন, তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে যেকোনো খবরের সত্যতা যাচাই করার আগে তার বক্তব্যের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

এটি ঘটে যখন ‘বিগ বস ২০’-এর একটি প্রচার ঝলক প্রকাশিত হয়। সেখানে একটি অজ্ঞাত নারীকে প্রেম, বিশ্বাসভঙ্গ ও সম্পর্কের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কথা বলতে দেখা যায়। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন শুরু হয় যে, ওই নারী সম্ভবত ইশা রিখি।

গতকাল শনিবার ইশা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লেখেন, তার বিয়ের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের খবর ছড়ানো হচ্ছে, যা দেখে তিনি ‘অবাক’ হয়েছেন।

তিনি সংবাদমাধ্যমকে অনুরোধ করেছেন যাচাই না করা তথ্য প্রকাশ না করার জন্য। সাধারণ মানুষকেও এসব খবর বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়েছেন। ইশার বক্তব্যের মূল বিষয় হলো, তার বিয়ে বা বিচ্ছেদ সম্পর্কে কোনো তথ্য সত্য বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়, যদি না সেটি সরাসরি তার কাছ থেকে অথবা তার আনুষ্ঠানিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে আসে।

ইশার এই বক্তব্যের এক দিন আগে ‘বিগ বস ২০’-এর একটি প্রোমো প্রকাশিত হয়। সেখানে এক নারীর মুখ ঝাপসা করে দেখানো হয়েছে এবং তাকে বলতে শোনা যায়, তিনি প্রেমে পড়েছিলেন কিন্তু কোনো এক সম্পর্কে তার বিশ্বাস ভেঙে যায়।এই বক্তব্য প্রকাশের পর দর্শকদের একাংশ ধারণা করেন, রহস্যময় ওই নারী ইশা রিখি। কারণ, সম্প্রতি ইশা ও বাদশাহর সম্পর্কের সমাপ্তির খবর প্রকাশ্যে এসেছে।

তবে এখন পর্যন্ত ইশা বা ‘বিগ বস ২০’-এর নির্মাতারা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি, প্রোমোর ওই নারী ইশাই কি না। বাদশাহ ও ইশা রিখির সম্পর্কের খবর বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনায় ছিল। চলতি বছরের মার্চে তাদের ঘনিষ্ঠ আয়োজনে বিয়ে হয়। পরে ইশার মা বিয়ের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন।

কিন্তু বিয়ের মাত্র কয়েক মাস পরই বাদশাহ ও ইশার আলাদা হয়ে যাওয়ার খবর সামনে আসে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে দুজনই নিজেদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বিচ্ছেদের কথা জানান। বাদশাহ তার বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি ও ইশা পারস্পরিক সম্মানের সঙ্গে আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগত বিষয়টি নিয়ে আর কোনো জল্পনা বা অনুমান না করার অনুরোধও করেছেন। তাদের পক্ষ থেকে সেটিই এ বিষয়ে একমাত্র বক্তব্য হবে বলেও জানানো হয়েছিল।এরপরই ‘বিগ বস ২০’-এর রহস্যময় নারীকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। ইশার সাম্প্রতিক বিবৃতিতে সেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।

ইশা রিখির সঙ্গে সম্পর্কের আগে বাদশাহ জেসমিন মাসিহকে বিয়ে করেছিলেন। ২০১২ সালে তাদের বিয়ে হয় এবং ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে তাদের একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়, যার নাম জেসেমি গ্রেস মাসিহ সিং।২০২০ সালে বাদশাহ ও জেসমিন আলাদা হয়ে যান এবং জেসমিন মেয়েকে নিয়ে লন্ডনে চলে যান। এদিকে ‘বিগ বস ২০’-এর নতুন মৌসুম আজ, ৬ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে। সালমান খান উপস্থাপিত এই রিয়েলিটি শোতে ইশা রিখির নাম নিয়েও আলোচনা চলছে। ক্বাজি তৌকির, গুল্লু, র‍্যাপার ইয়ুং ডিএসএ, মাহি ভিজ, খুশি দুবে, আমান গান্ধীসহ আরও কয়েকজনের নাম সম্ভাব্য প্রতিযোগী হিসেবে সামনে এসেছে।

 

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্মাণের তিন বছরেই সড়ক ধসে জলমহালে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


নির্মাণের তিন বছরেই সড়ক ধসে জলমহালে

 

সড়কটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে মাত্র তিন বছর আগে। এর পাশেই একটি দীর্ঘ জলমহাল রয়েছে।দুই দিন পূর্বে জলমহালের ওই অংশের একটি অংশ গাছসহ ধসে পড়ে। ফাটল দেখা দিয়েছে আরো ১০০ মিটার অংশে। যে কোনো সময় ফাটলের অংশও ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।গত বৃহস্পতিবার বরগুনার আমতলী সদর ইউনিয়নের বান্দ্রা বাজার হয়ে উল্টাখালী যাওয়ার পাকা সড়কের অন্তত সাত মিটার অংশ ধসে পড়ার ঘটনা ঘটে।এ কারণে সড়কটিতে যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী বিভাগ (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে বান্দ্রা বাজার থেকে উল্টাখালী সড়কের এক কিলোমিটার অংশের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। এতে ব্যয় হয়েছিল ৮২ লাখ টাকা।স্থানীয়রা জানান, সড়কটির পাশে বান্দ্রা জলমহাল রয়েছে, যেখানে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবুল কালাম মাছ চাষ করছেন।

তাদের অভিযোগ, সড়কটি নির্মাণের সময় জলমহালের পাশ দিয়ে পাইলিং করার জন্য সেখানকার পানি সেচের মাধ্যমে শুকিয়ে দেওয়ার জন্য ইজারাদারকে অনুরোধ করেন ঠিকাদার ও এলাকাবাসী। কিন্তু ইজারাদার পানি সেচে না দেওয়ায় ঠিকাদার কোনোরকম পাইলিং করে নির্মাণ কাজ শেষ করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার ভারি বৃষ্টির ফলে সড়কের ওই স্থানে অন্তত সাত মিটার গাছসহ ধসে পড়ে পাশের মাছের ঘেরে। এছাড়া, পাশের অন্তত ১০০ মিটার অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোনো সময় ফাটলের অংশও ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সফিজ উদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘কালাম হাওলাদারের মাছের ঘেরের কারণে সড়কটি ধসে পড়ছে। আমরা ওই মাছের ঘেরের লিজ বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।’মো. ইউনুছ, সোহাগসহ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এই মাছের ঘেরের কারণে সড়ক ধসে পড়েছে। কয়েক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোনো সময় তা ধসে পড়তে পারে।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাকা সড়কের সাত-আট মিটার অংশ গাছসহ পাশে থাকা মাছের ঘেরের মধ্যে ধসে পড়েছে। সড়কটি দিয়ে এখন যান চলাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এ বিষয়ে জলমহালের ইজারাদার আবুল কালাম বলেন, ‘আমি তিন বছরের জন্য এক লাখ ৬০ হাজার টাকা রাজস্ব দিয়ে সরকারের কাছ থেকে মাছ চাষের জন্য জলমহাল ইজারা নিয়েছি। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় সড়কের পাশে থাকা গাছসহ সড়কটির একাংশ আমার ঘেরের মধ্যে ধসে পড়েছে। আমি বালি ও খোয়া দিয়ে সড়কটি মেরামত করে দেবো।’

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. ইদ্রিস আলী বলেন, সড়কের একাংশ ধসে পড়ার খবর পেয়েছি। পরিদর্শন করে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুনর্নির্বাচনে লড়বেন ইনফান্তিনো, নিশ্চিত করলো ফিফা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


পুনর্নির্বাচনে লড়বেন ইনফান্তিনো, নিশ্চিত করলো ফিফা

বিশ্বকাপ স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনার জেরে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যেও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো মার্চ মাসে পুনর্নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ফুটবলের বিশ্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

২০১৬ সাল থেকে এই পদে থাকা ইনফান্তিনো ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মালিকানার অংশ (স্টেক) বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করার পর চাপের মুখে পড়েছিলেন।

ইনফান্তিনোর সেই লাভজনক পরিকল্পনা বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। এমনকি ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা বিশ্বকাপসহ ফিফার সব প্রতিযোগিতা বয়কটের হুমকিও দিয়েছিল। ফিফার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফিফা সভাপতি গত এপ্রিলেই ঘোষণা করেছিলেন, তিনি ২০২৭ সালে পুনর্নির্বাচনে লড়বেন। পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি, তিনি পুনর্নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

চলতি বছরের বিশ্বকাপের পর সৃষ্ট কেলেঙ্কারির ঘটনার পর এই প্রথম ফিফা নিশ্চিত করল, তিনি চতুর্থ মেয়াদের জন্য লড়বেন। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, একজন সভাপতি সর্বোচ্চ চারটি মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। ইনফান্তিনোর পরিকল্পনা নিয়ে আইনি লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে, ফিফা এই সপ্তাহে উয়েফার বিরুদ্ধে তাদের এবং তাদের নেতৃত্বের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা বা ‘স্মিয়ার ক্যাম্পেইন’-এর অভিযোগ এনেছে।

গত সপ্তাহে উয়েফা যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আইনি নথিপত্র দাখিল করে ফিফার কাছে প্রমাণ ও নথিপত্র প্রকাশের অনুরোধ জানায় এবং সতর্ক করেন, তারা সুইজারল্যান্ডে ফৌজদারি অভিযোগও দায়ের করতে পারে। পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হতে হলে একজন প্রার্থীকে ফিফার ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে অন্তত ১০৬টির সমর্থন পেতে হবে।ইনফান্তিনোর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এখন পর্যন্ত কারও নাম ঘোষণা করা হয়নি, তবে কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্ট্যাগলিয়ানিকে একটি জোরালো বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রার্থিতা বা মনোনয়ন জমা দিতে হবে।

ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং রিপাবলিক অফ আয়ারল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলো প্রকাশ্যে ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ইনফান্তিনো পুনর্নির্বাচিত হলে তবে তিনি ২০৩১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাজারের খাদেম হত্যা মামলায় হাইকোর্টে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


মাজারের খাদেম হত্যা মামলায় হাইকোর্টে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ৫

 

রংপুরের কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির মধ্যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে পাঁচ আসামিকে খালাস প্রদান করেছে হাইকোর্ট।রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

 

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন- নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবির (জামাত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশ) রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মো. মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী এবং জেএমবি সদস্য মো. লিটন মিয়া ওরফে রফিক। খালাস পাওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- ইছাহাক আলী, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, জেএমবির উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি এবং চান্দু মিয়া। উচ্চ আদালত এই আসামিদের আপিল মঞ্জুর করে রায় প্রদান করেছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি শুনানি করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমীন সিদ্দিকী।আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আনোয়ার হোসেন, মো. আতিকুল ইসলাম সেলিম।

আইনজীবী আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ‘মূলত মাসুদ রানা ও মো. লিটন মিয়ার স্বীকারোক্তির ওপর ভিত্তি করে হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেছেন, মাসুদ রানা ও লিটন মিয়ার স্বীকারোক্তি একজন আরেক জনেরটাকে সমর্থন করেছে। এমনকি মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যেও এই দুজনের স্বীকারোক্তিকে সমর্থন করেছে।

 

এই বিবেচনাতেই মাসুদ ও লিটনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।পাঁচ জনের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কিনা জানতে আইন কর্মকর্তা আল আমীন সিদ্দিকীকে বেশ কয়েকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

এর আগে ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে মাজার শরীফের খাদেম রহমত আলীকে (৬০) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে রহমত আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউনিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মামুন অর রশীদ ২০১৬ সালের ৩ জুলাই জেএমবির রংপুর আঞ্চলিক কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রীসহ ১৪ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

 

২০১৭ সালের ১৬ অগাস্ট ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ দেওয়া রায়ে সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে খালাস দেন বিচারক। পরে মামলার ডেথ সরেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। আসামিরা প্রথমে জেল আপিল ও আপিল করেন। এসবের ওপর শুনানির পর গতকাল রায় দেন উচ্চ আদালত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%