ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকায় ছাত্রদলের বড় ধরনের শোডাউন


ঢাকায় ছাত্রদলের বড় ধরনের শোডাউন

রাজধানী ঢাকায়, শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল একটি শোডাউন এবং আনন্দ মিছিল করেছে। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত করায়, সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে, জিয়া উদ্যান সংলগ্ন ক্রিসেন্ট লেক রোডে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

এই মিছিলে ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। তারা রিজভী আহমেদকে অভিনন্দন জানিয়ে "দুর্দিনের রিজভী ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই", "ছাত্রদলের রিজভী ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই", "আমরা সবাই তারেক হব, দেশ গড়ায় অংশ নেব" প্রভৃতি শ্লোগান দেন। এই সময়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে এক উৎসবমুখর পরিবেশও লক্ষ্য করা যায়।

ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বলেন, রুহুল কবির রিজভী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং তিনি দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। তাকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়ায় দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পিস্তল উঁচানো দৃশ্য ত্রাসের রাজত্বের প্রতীক: জামায়াত

ছাত্রদল নেতাকর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রিজভী আহমেদের নেতৃত্বে বিএনপি এবং ছাত্রদল আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে।

এর আগে, সোমবার সকাল থেকেই ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে রাজধানীর শেরে-ই বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে উপস্থিত হন।

পরবর্তীতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে বিএনপির সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় প্রিয় দুই নেতার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতও করা হয়।

পুনরায় উল্লেখ্য যে, BNP-এর ৪৮ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কোনো নেতা দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি ছাত্রদলের প্যানেল থেকে নির্বাচিত রাকসুর সভাপতিও। তার এই দায়িত্ব পাওয়ায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

আরও পড়ুন: রাজনীতিকে সঠিক পথে পরিচালনায় সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর মন্তব্য

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জুলাইয়ে বিপ্লব নয়, ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য গণঅভ্যুত্থান হয়েছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


‘জুলাইয়ে বিপ্লব নয়, ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য গণঅভ্যুত্থান হয়েছে’

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানকে কোনো বিপ্লব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এটি ছিল প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার এবং মেরামতের উদ্দেশ্যে সংঘটিত একটি গণঅভ্যুত্থান। বাংলাদেশের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে সেইভাবে কোন বাস্তবতা ছিল না।

সোমবার রাজধানী ঢাকা শহরের সিরডাপ মিলনায়তনে ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ : রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’ নামে একটি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ বিষয়গুলি বলেন। সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) এর উদ্যোগে এই আলোচনা সভাটি আয়োজন করা হয়।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যদি কোনো পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব ঘটে, তাহলে তার পেছনে একটি নির্দিষ্ট দর্শন, বিপ্লবী আদর্শ এবং সেই আদর্শ ধারণকারী একটি রাজনৈতিক শক্তির নেতৃত্ব থাকতে হয়। সেই প্রেক্ষিতে বিপ্লবী পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন সরকার ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, আমাদের দল এবং সরকার স্পষ্টভাবে মনে করে, গণঅভ্যুত্থান ঘটেছে প্রচলিত ব্যবস্থাকে সংস্কার এবং মেরামত করার জন্য। সিদ্ধি অনুযায়ী এখানে কোনো বিপ্লব সম্পন্ন হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরও বলেন, বিপ্লব এবং সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখনও এক ধরনের চিন্তাগত অস্পষ্টতা বিরাজমান রয়েছে। জুলাই মাসের ঘটনাপ্রবাহের দিকে কে কিভাবে দেখছেন, সেটি সম্পর্কে স্পষ্টতার অভাব থাকলে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রক্রিয়ায় ঐকমত্য গড়ে তোলা খুবই কঠিন হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের মতো জটিল কর্মসূচিকে সুপ-লব্ধভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে সমান্তরাল দৃষ্টিভঙ্গি ও ন্যূনতম ঐকমত্যের প্রয়োজন। সকলকে মিলে নির্ধারণ করতে হবে কোনটি সঠিক, কোনটি বেঠিক এবং বাহির করতে হবে কোনগুলোকে গ্রহণ এবং স্থগিত রাখব, সেই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে একটি সুস্থ এবং টেকসই প্রক্রিয়ার প্রয়োজন।

জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, জুলাই সনদসহ চলমান রাজনৈতিক ও সংস্কার প্রক্রিয়া বিষয়ে মতভেদ থাকলেও, আলোচনা ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য জোরদারে স্থলবন্দর ও সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য জোরদারে স্থলবন্দর ও সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগ

ঢাক, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালুর বিষয়টিতে আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি স্থলবন্দরগুলোকে পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যকর করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলোও আলোচনায় এসেছে।

সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তবে গত দেড় বছরের মধ্যে কিছু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম কিছুটা ধীরগতির হয়েছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে আগামীতে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ককে কীভাবে আরও সহজ ও কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, চীনের পর ভারত বাংলাদেশ-এর দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। বৈঠকে স্থলবন্দরগুলোকে পুরোপুরি কার্যকর করা, বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাওয়ার পাশাপাশি স্থলপথে সুতা আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের গুরুত্বও আলোচনায় এসেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সহযোগিতাকে বৃদ্ধি করতে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব এসেছে। ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়টিও তাৎপর্যপূর্ণ। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা চলছে, যা বাণিজ্যে গতি আনতে সাহায্য করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, ভারতীয় হাইকমিশনারের উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন মাত্রা লাভ করবে।

বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন্তব্য করেন যে, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা উন্নয়ন ও অগ্রগতি। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ জন্য দুই দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটোই স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। এখানে কেউ বড় বা ছোট নয়, সবাই সমান। এই সমতার ভিত্তিতে দুই দেশকে কাজ করে যেতে হবে সংক্রান্ত মন্তব্যও করেন।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী হলে অন্যান্য ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ভারতীয় হাইকমিশনার যোগ করেন যে, যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অত্যন্ত সফলতা পেয়েছে। ভারত জিপার, মেশিনারি, বোতামসহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা করতে পারে। এতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা বাড়বে।

তিনি জানান, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা পোশাক আন্তর্জাতিক বাজারে দেখে গর্ব অনুভব করেন। বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত দুই দেশের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বৃহত্তর পরিসরে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরির মাধ্যমে এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আগামী দিনে আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ৪৪২টি কনটেইনার পণ্য ই-নিলামে তুলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ৪৪২টি কনটেইনার পণ্য ই-নিলামে তুলছে

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : চলতি আগস্ট মাসে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ৪৪২টি কনটেইনার পণ্য ই-অকশন পদ্ধতিতে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে- চট্টগ্রাম বন্দরের কর্ম-উপযোগিতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিদ্যমান কনটেইনার জট নিরসন, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে অখালাসকৃত ও নিলামযোগ্য বিভিন্ন পণ্য নিয়মিতভাবে নিলামের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এই প্রদত্ত কারণে এই নিলামের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জারিকৃত নিলামের স্থায়ী আদেশ নং-৯১/কাস্টমস/২০২৫/১২৩ এবং বিশেষ আদেশ নং-৮২/২০২৫/কাস্টমস অনুযায়ী বিশেষ ই-অকশন নং-১০/২০২৬-এর আওতায় মোট ১০১টি লট রয়েছে, যাতে রয়েছে ২৯০টি কনটেইনার। এসব কনটেইনারে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক ওয়েস্টেজ (স্ক্র্যাপ), চেস্ট ফ্রিজার, পাইপ, বিভিন্ন ধরনের সুতা ও কাপড়, সোলার মডিউল, বিভিন্ন ধরনের লবণ, কাগজ, টাইলস, গৃহস্থালি পণ্য এবং ৮৬টি পুরাতন খালি কনটেইনারসহ আরও বিভিন্ন পণ্য রয়েছে। এসব পণ্যচালানের নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকবে না।

অন্যদিকে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক জারিকৃত স্থায়ী আদেশ নং-৯১/কাস্টমস/২০২৫/১২৩ অনুসারে ই-অকশন নং-০৯/২০২৬-এর আওতায় ১০৯টি লটে মোট ১৫২টি কনটেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে। এসব কনটেইনারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, ফেব্রিক্স, পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার, কেমিক্যাল, এসির যন্ত্রাংশ, টাইলস, স্টেইনলেস স্টিল কয়েল, স্ক্যানার, ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট, এলিভেটর এবং লবণসহ অন্যান্য পণ্য।

নিলাম কার্যক্রমের মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় এই নিলাম পরিচালিত হবে।

নিলাম কার্যক্রমকে আরো প্রতিযোগিতামূলক করার লক্ষ্যে ই-অকশন নং-০৯/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এবং বিশেষ ই-অকশন নং-১০/২০২৬-এর পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অফিস চলাকালে বিডারদের সরেজমিনে পরিদর্শনের সুযোগ থাকছে। পাশাপাশি অনলাইনে বিড করার ব্যবস্থাও রয়েছে।

অগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে এবং ই-অকশন নং-০৯/২০২৬-এর দরপত্র ২৭ আগস্ট থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং বিশেষ ই-অকশন নং-১০/২০২৬-এর দরপত্র ২৭ আগস্ট থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকেল ৩টা পর্যন্ত অনলাইনে দাখিল করতে পারবেন।

অনলাইন বিডিংয়ের সময় প্রস্তাবিত দরমূল্যের ন্যূনতম ১০ শতাংশ জামানতের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মূল কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

সর্বাধিক দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪-এর প্রযোজ্য শর্ত পরিপালন সাপেক্ষে পণ্যসমূহ খালাস গ্রহণ করতে হবে।

আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ৩টায় ই-অকশন নং-০৯/২০২৬-এর দরপত্র বাক্স খোলা হবে। অন্যদিকে, ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় বিশেষ ই-অকশন নং-১০/২০২৬-এর দরপত্র বাক্স খোলা হবে।

নিলাম সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য বিডারদের কাস্টমসের ই-অকশন পোর্টাল পরিদর্শনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আশা প্রকাশ করেছে যে, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর এই নিলাম কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংস্কৃতিক পর্যটন উন্নয়নে দুই মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা স্মারক সইয়ের সিদ্ধান্ত: মিল্লাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


সাংস্কৃতিক পর্যটন উন্নয়নে দুই মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা স্মারক সইয়ের সিদ্ধান্ত: মিল্লাত

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যকে পর্যটন উন্নয়নের সঙ্গে একত্রিত করে সাংস্কৃতিক পর্যটন বৃদ্ধি করতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আজ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

সভাটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে হয়। সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী মিল্লাত বলেন, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর দুই মন্ত্রণালয় যৌথভাবে একটি অভিন্ন ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি)’ নির্মাণের কাজ শুরু করবে। একই সঙ্গে দেশে সাংস্কৃতিক পর্যটনের উন্নয়নে কাজ করতে ‘জয়েন্ট টাস্কফোর্স ফর কালচারাল ট্যুরিজম’ গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, ‘পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করতে চান, এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ। সরকার এই অবদান ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করতে কাজ করছে।

সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম দেশের বিমানবন্দরে আগত আন্তর্জাতিক যাত্রীদের কাছে ‘নজরুল বর্ষ’ তুলে ধরার জন্য প্রস্তাব দেন। মন্ত্রী মিল্লাত বলেন, নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে বিমানবন্দরগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রচারমূলক উদ্যোগ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্যের ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো। সরকার এই ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, ‘পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো উন্নয়ন করা হবে।’

মন্ত্রী আরও জানান, দেশে ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা আছে। এসব স্থাপনার উন্নয়ন নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি টাস্কফোর্স পর্যায়ক্রমে সেগুলো পরিদর্শন করবে।

সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার এবং দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%