প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যকে পর্যটন উন্নয়নের সঙ্গে একত্রিত করে সাংস্কৃতিক পর্যটন বৃদ্ধি করতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আজ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
সভাটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে হয়। সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী মিল্লাত বলেন, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর দুই মন্ত্রণালয় যৌথভাবে একটি অভিন্ন ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি)’ নির্মাণের কাজ শুরু করবে। একই সঙ্গে দেশে সাংস্কৃতিক পর্যটনের উন্নয়নে কাজ করতে ‘জয়েন্ট টাস্কফোর্স ফর কালচারাল ট্যুরিজম’ গঠন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করতে চান, এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ। সরকার এই অবদান ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করতে কাজ করছে।
সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম দেশের বিমানবন্দরে আগত আন্তর্জাতিক যাত্রীদের কাছে ‘নজরুল বর্ষ’ তুলে ধরার জন্য প্রস্তাব দেন। মন্ত্রী মিল্লাত বলেন, নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে বিমানবন্দরগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রচারমূলক উদ্যোগ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্যের ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো। সরকার এই ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, ‘পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো উন্নয়ন করা হবে।’
মন্ত্রী আরও জানান, দেশে ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা আছে। এসব স্থাপনার উন্নয়ন নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি টাস্কফোর্স পর্যায়ক্রমে সেগুলো পরিদর্শন করবে।
সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার এবং দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন