বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০১:২৪ পি.এম
ওয়াশিংটন, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মডার্না বুধবার জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) তাদের নতুন ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা অনুমোদন দিয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, প্রায় ছয় মাস আগে এফডিএ আবেদনটি পর্যালোচনার জন্য সংক্ষিপ্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
কোম্পানির প্রথম এমআরএনএ-ভিত্তিক ফ্লু টিকা (এম ফ্লুসিভা) ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সী সব প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পেয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে জানায় যে, মডার্না আশা করছে ২০২৬-২০২৭ শ্বাসতন্ত্রজনিত ভাইরাস মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্রে নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য এই টিকা সরবরাহ করা যাবে।
মডার্না ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশ্যে জানিয়েছিল যে, ফেডারেল ভ্যাকসিন নিয়ন্ত্রকরা তাদের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালকে অপর্যাপ্ত বলে অভিহিত করে নতুন টিকার আবেদন পর্যালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছিল। কিন্তু এক সপ্তাহ পর এফডিএ তাদের পূর্ববর্তী অবস্থান থেকে সরে আসে, যা মডার্না ‘গঠনমূলক’ বৈঠক হিসেবে উল্লেখ করেছে।
নতুন টিকা ব্যবহৃত এমআরএনএ প্রযুক্তি নিয়ে টিকা সংশয়বাদী হিসেবে পরিচিত স্বাস্থ্য প্রধান রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র সমালোচনা করেছেন। তিনি বিশেষভাবে এমআরএনএ উন্নয়নে অর্থায়ন করা ফেডারেল গবেষণা অনুদান বন্ধ করেছিলেন।
কেনেডি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে এফডিএ কিছু টিকার অনুমোদন প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে, যার মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকাও রয়েছে। প্রস্তাবিত নীতিগত পরিবর্তন জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প এমআরএনএ প্রযুক্তিকে ‘আধুনিক যুগের অলৌকিক আবিষ্কার’ বলে অভিহিত করেছিলেন। কোভিড-১৯ মহামারির সময় দ্রুত টিকা তৈরিতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যা লাখ লাখ মানুষের জীবন রক্ষায় কৃতিত্ব অর্জন করে।
কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনকে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে বিবেচনা করেছে। এগুলো সংক্রমণের সবচেয়ে গুরুতর রূপ থেকে সুরক্ষা দেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে তারুণ্যের উৎসব উদযাপন উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩০০ শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের পলশা বাজারে সমিতির কার্যালয়ে এসব ফলদ, বনজ ও ঔষুধী গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
এসময় শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বিষয়ে আগ্রহী করতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বক্তব্য দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে পলশা উচ্চ বিদ্যালয়, পলশা আলিম মাদরাসা, পলশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জেলেপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা গাছের চারা রোপন ও যত্নে পরামর্শ দেন অতিথিবৃন্দ।
গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মোখলেসুর রহমান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি ফজলে রাব্বী, সম্পাদক মো. আমিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের সম্পাদক মো. আমিরুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা ও বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করতেই এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সমবায় সমিতি এলাকার কৃষিখাত ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। তেমনিভাবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ আবাসস্থল সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখতেই শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। আগামীতেও এমন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গতকাল তুলারাম কলেজ নারায়ণগঞ্জে, ছাত্রদল ও ছাত্র শিবিরের সংঘর্ষে, ছাত্রদলের নেতা তুহিন মারাত্মকভাবে আহত হন, এমন অবস্থায় নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হসপিটালে তাকে চিকিৎসা জন্য ভর্তি করা হয়,
খবর পেয়ে সাবেক জেলা বিএনপির ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ জাকির খান তাহার খোঁজখবর নেওয়ার জন্য ভিক্টোরিয়া জেনারেল হসপিটালে যান, এবং কর্মরত ডাক্তারদেরকে সুচিকিৎসা প্রদান করার জন্যে পরামর্শ প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশে *'নৌযান শুমারি-২০২৬'* সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় নৌযান সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট *মিজ নাজমা আশরাফী। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙামাটি সিভিল সার্জন **ডা. নূয়েন খীসা* এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) *মো. ইকবাল হোসাইন, পিপিএম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) **মোহাম্মদ রুহুল আমিন*।
সভায় নৌযান শুমারি-২০২৬-এর উদ্দেশ্য, আওতাভুক্ত ও আওতাবহির্ভূত নৌযানের সংজ্ঞা, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি, গণসচেতনতা কার্যক্রম এবং মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করা হয়।
উপস্থাপনায় জানানো হয়, বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূল, নদ-নদী, হাওর-বাঁওড়, বিল, জলাশয় ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী সকল ইঞ্জিনচালিত নৌযান, ছোট-বড় যাত্রী ও পণ্যবাহী নৌযান এবং ডাম্ব বার্জসহ নির্ধারিত নৌযান এ শুমারির আওতায় থাকবে। তবে সাধারণ বৈঠাচালিত নৌকা এবং আন্তর্জাতিকভাবে নিবন্ধিত বিদেশি মালিকানাধীন নৌযান এ শুমারির আওতাভুক্ত হবে না।
সভায় আরও জানানো হয়, নৌযান শুমারির প্রচারে টেলিভিশন, রেডিও, সংবাদপত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার, মোবাইল এসএমএস এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাপক জনসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, রাঙামাটি জেলায় শুমারির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে *কুইক কাউন্ট অপারেশন* পরিচালনা করা হয়েছে। এতে জেলার ১০টি উপজেলায় মোট *৪২২টি ঘাট* এবং *৪ হাজার ২৯৬টি নৌযান* চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে বরকল উপজেলায় সর্বোচ্চ *১ হাজার ২৩৩টি, লংগদুতে **১ হাজার ৯১টি, রাঙামাটি সদর উপজেলায় **৬৫৭টি, কাপ্তাইয়ে **৪৫০টি* এবং বিলাইছড়িতে *২৭১টি* নৌযান শনাক্ত হয়েছে।
এছাড়া *লিস্টিং অপারেশন* পরিচালনার জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সুপারভাইজার ও লিস্টার নিয়োগের বিষয়েও সভায় বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। মাঠপর্যায়ে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে জেলার বিভিন্ন শ্রেণির ইঞ্জিনচালিত, যাত্রীবাহী, পণ্যবাহী, কার্গো, ট্রলার, ফেরিসহ বিভিন্ন ধরনের নৌযানের একটি হালনাগাদ তথ্যভাণ্ডার প্রস্তুত করা হবে বলে জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, দেশের নৌপরিবহন খাতের কার্যকর পরিকল্পনা, নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নীতিনির্ধারণে নির্ভুল পরিসংখ্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য নৌযান শুমারিতে সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নৌযান মালিক ও অংশীজনদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক নৌবহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিভ কেলার ঢাকায় সফরের শেষ দিনে ঐতিহাসিক লালবাগ কেল্লা পরিদর্শন করেছেন। এর সময়ে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় এই তথ্য জানায়।
বার্তায় বলা হয়েছে, লালবাগ কেল্লা পরিদর্শনের সময় অ্যাডমিরাল স্টিভ কেলার পুনরুদ্ধার করা হাম্মামখানা ঘুরে দেখেন। সেই সময় তিনি বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়ে মার্কিন দূতাবেসের অবদান সম্পর্কেও অবগত হন।
তিন দিনের সফরে গত মঙ্গলবার ঢাকায় আসেন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক নৌবহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিভ কেলার।
উল্লেখ্য, রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত লালবাগ কেল্লা মুঘল আমলের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর একটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ