০৩:১১ পি.এম
জার্মানি সম্ভাব্য মাইন অপসারণ অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে দুটি নৌযান লোহিত সাগরের দিকে পাঠাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণের প্রয়োজন পড়তে পারে।
সেই সম্ভাবনাকে সামনে রেখে এই প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ব্রাসেলসে ন্যাটোর এক বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলামকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগের আহ্বান রাশেদ খাঁনের
পিস্টোরিয়াস বলেন, তাদের মাইন অপসারণকারী জাহাজ 'ফুলদা' এবং সরবরাহ জাহাজ 'মোজেল' সুয়েজ খাল পেরিয়ে লোহিত সাগরের দিকে যাচ্ছে। এই জাহাজদুটি সম্ভাব্য মাইন অপসারণ অভিযানের অংশ হিসেবে সেখানে মোতায়েন করা হচ্ছে।
তবে এখনই কোনো চূড়ান্ত অভিযান শুরু হচ্ছে না। হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণ অভিযান শুরু করতে হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অনুমোদন লাগবে। ইরান এবং ওমানের সম্মতি ছাড়া এমন কোনো অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।
তিনি আরো বলেন, এই ধরনের অভিযান বাস্তবে আদৌ শুরু হবে কি না, তা ভবিষ্যতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া রাজনৈতিক আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হিসেবে বিবেচিত। এই পথ দিয়েই বিশ্বজুড়ে তেল ও জ্বালানির একটি বড় অংশ পরিবহন করা হয়। তাই এখানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নষ্ট হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অঞ্চলে মাইন বা বিস্ফোরক থাকার আশঙ্কা দেখা দিলে তা আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সেই কারণেই বিভিন্ন দেশ আগেই প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে।
আরও পড়ুন: কড়া নিরাপত্তা উপেক্ষা করে ফ্রান্সের রাজপথে লাখ লাখ বিক্ষোভকারী
পিস্টোরিয়াস ন্যাটোর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিতে ব্রাসেলসে গিয়ে ইউরোপ ও ন্যাটোর সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেন। জার্মানির এই পদক্ষেপকে ন্যাটোর সামুদ্রিক নিরাপত্তা কৌশলের একটি অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সমঝোতা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে মাইন অপসারণ অভিযান বাস্তবায়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন