প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মেক্সিকোর বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার থেম্বা জোয়ানে।
সেই লাল কার্ডের খেসারতটা এবার বেশ বড় আকারেই দিতে হচ্ছে তাকে।
প্রাথমিকভাবে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সেটি বাড়িয়ে তিন ম্যাচ করেছে ফিফা। বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার আতলান্তায় গ্রুপ ‘এ’র ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই ম্যাচসহ গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলোতে মাঠে নামতে পারবেন না ৩৬ বছর বয়সী এই তারকা।
গত বৃহস্পতিবার মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচটিতে ২-০ ব্যবধানে হেরে যায় তারা। কিন্তু হারের চেয়েও বড় ধাক্কা ছিল দলের দুই ফুটবলারের লাল কার্ড দেখা। ম্যাচ শেষ হওয়ার কিছু সময় আগে মেক্সিকোর ডিফেন্ডার রবার্তো আলভারাডোর মুখে আঘাত করায় জোয়ানেকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান ব্রাজিলিয়ান রেফারি উইল্টন সাম্পাইও।
তার আগেই অবশ্য আরেক মিডফিল্ডার স্পেফেলো সিথোলে মাঠ ছেড়েছিল। এতে ৯ জনের দলে পরিণত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
ভিডিওতে দেখা যায়, বদলি হিসেবে মাঠে নামার মাত্র ২০ মিনিটের মাথায় মেক্সিকোর ডি-বক্সের বাইরে আলভারাডোকে কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন জোয়ানে। এ সময় দুজনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয় এবং জোয়ানের হাত গিয়ে লাগে আলভারাডোর মুখে। রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখালে বেশ বিস্মিত ও হতভম্ব দেখায় জোয়ানেকে।
বিশ্বকাপে যেকোনো লাল কার্ডের জন্য সাধারণত এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তবে ফাউলের তীব্রতা ও আচরণ বিবেচনা করে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি এই নিষেধাজ্ঞা বাড়াতে পারে। জোয়ানের ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটেছে।
ম্যাচ শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার বেলজিয়ান কোচ হুগো ব্রুস সিথোলের লাল কার্ড মেনে নিলেও জোয়ানের বহিষ্কারাদেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘প্রথম লাল কার্ডটি মেনে নিতেই হবে। ওদের খেলোয়াড় ফাঁকায় গোল দেওয়ার জন্য এগিয়ে যাচ্ছিল এবং ইয়াইয়া (সিথোলে) তাকে ফাউল করেছে। কিন্তু দ্বিতীয় লাল কার্ডটি নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে। মেক্সিকোর খেলোয়াড়ই আমার খেলোয়াড়কে ব্লক করছিল। রেফারি হয়তো অন্য পজিশনে ছিলেন, তাই আমাদের এটা মেনে নিতে হচ্ছে। তবে আমার মনে হয় লাল কার্ড দেওয়ার মতো এত বড় অপরাধ ছিল না ওটা।’
ফিফা জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবে দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। তবে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলের অন্যতম অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে হারানো দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য বড় এক ধাক্কা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন