ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ইন্টারনেট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে হামলা

দুই দফায় মারধর, ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ; ৩৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি


দুই দফায় মারধর, ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ; ৩৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ইন্টারনেট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এক যুবক ও তার বন্ধুর ওপর দুই দফায় হামলা, ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম, শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টা এবং নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে লিখিত এজাহার দিয়েছেন ভুক্তভোগী মো. শামীম আহমেদ (৩০)।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এলাকায় ইন্টারনেট ব্যবসা পরিচালনা এবং অফিসের সামনে মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে গত ৩ ও ৪ অক্টোবর পরপর দুই রাতে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। দ্বিতীয় দিনের হামলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিঠ ও কাঁধে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করার পাশাপাশি গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

থানায় দেওয়া এজাহারে যা বলা হয়েছে:

আরও পড়ুন: নাব্যতা সংকটে হবিগঞ্জের সুতাং নদী মরা খালে পরিণত

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে মো. শামীম আহমেদ উল্লেখ করেন, তিনি ইকুরিয়া টিলাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার বন্ধু রাবেদ হোসেনের ইকুরিয়া মুসলিমনগর এলাকায় অবস্থিত ‘আরআর অনলাইন ইন্টারনেট সার্ভিস’ প্রতিষ্ঠানে তিনি চাকরি করেন।

এজাহারে সাতজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন—রাখাল শুভ (২৮), জাহাঙ্গীর ওরফে সিএনজি চোর জাহাঙ্গীর (৫০), ইয়াবা সুজন (৪০), আরিফ (২৬), মো. বিআলম ওরফে লেংরা বিআলম (৫৫), হানিফ (৪৫) ও মিজান (৪৫)। তাদের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা প্রায়ই আরআর অনলাইন ইন্টারনেট সার্ভিস অফিসের সামনে আড্ডা দিতেন এবং সেখানে মাদক সেবন ও বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এতে অফিসের পরিবেশ এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় শামীম আহমেদ ও তার বন্ধু রাবেদ হোসেন তাদের মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে অভিযুক্তরা তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সময় খুন ও জখমের হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে দাবি করেছেন বাদী।

আরও পড়ুন: বরিশালে দুই যুবককে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতা ফারুকের বিরুদ্ধে

৩ অক্টোবর প্রথম দফা হামলার অভিযোগ:

এজাহারে বলা হয়েছে, গত ৩ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন বেয়ারা মুসলিমনগর এলাকায় কিউট ফার্নিচারের পাশে ১২ বিল্ডিংয়ের সামনে শামীম আহমেদ ও তার বন্ধু রাবেদ হোসেনের ওপর হামলা চালানো হয়।

বাদীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে সঙ্গে নিয়ে লাঠি, সোটা, লোহার রডসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালান। এতে শামীম ও রাবেদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

হামলার পর অভিযুক্তরা তাদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ডাকাতিয়ায় সেতু না থাকায় স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ

ঘটনাটি পরে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্থানীয় লোকজনকে জানানো হয় বলে দাবি করেছেন বাদী। কিন্তু এতে অভিযুক্তরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

ইন্টারনেট সংযোগ খুলে ফেলার চাপ:

এজাহারে শামীম আহমেদ আরও দাবি করেন, প্রথম দফা হামলার পর অভিযুক্তরা তাদের ইন্টারনেট ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। বিশেষ করে ইন্টারনেটের সংযোগ ও লাইন খুলে ফেলার জন্য তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে ব্যবসা বন্ধ বা ইন্টারনেট সংযোগ খুলে দিতে রাজি না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী

বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, এরই ধারাবাহিকতায় ৪ অক্টোবর রাতে অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আবারও তাদের ওপর হামলা চালান।

৪ অক্টোবর দ্বিতীয় দফা হামলা:

এজাহারে বলা হয়েছে, গত ৪ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বেয়ারা মুসলিমনগর এলাকায় কিউট ফার্নিচারের পেছনে শামীম আহমেদের ওপর দ্বিতীয় দফা হামলা চালানো হয়।

বাদীর অভিযোগ, ওই সময় অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে লাঠি, লোহার রড, রামদা, সুইস গিয়ার চাকুসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। তারা শামীমকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে বিজয়া দশমী: ব্রহ্মপুত্রের কাচারী ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি

এরপর একে একে কয়েকজন অভিযুক্ত তার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করেন বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

পিঠে চাকুর আঘাতের অভিযোগ:

বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার সময় প্রথম অভিযুক্ত রাখাল শুভ তার হাতে থাকা সুইস গিয়ার চাকু দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে শামীমের পিঠের ডান পাশে লম্বা করে আঘাত করেন। এতে তার পিঠে রক্তাক্ত কাটা জখম হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর তৃতীয় অভিযুক্ত ইয়াবা সুজনও সুইস গিয়ার চাকু দিয়ে শামীমের পিঠের বাম পাশে আঘাত করেন বলে দাবি করেছেন তিনি। এতে পিঠের ওই অংশেও রক্তাক্ত কাটা জখম হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালকের রহস্যজনক মৃত্যু

অভিযোগে আরও বলা হয়, চতুর্থ অভিযুক্ত আরিফ তার হাতে থাকা রামদা দিয়ে শামীমের বাম কাঁধে কোপ দেন। এতে কাঁধে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়েছে বলে দাবি করেন বাদী।

গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ:

এজাহারের সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো—হামলার একপর্যায়ে দ্বিতীয় অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর ওরফে সিএনজি চোর জাহাঙ্গীর শামীমের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যার চেষ্টা করেন।

বাদীর অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করেন। একপর্যায়ে তিনি ডাক-চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে থাকেন।

স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসায় হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে সরে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

নগদ ৩৬ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ:

হামলার সময় শামীম আহমেদের কাছে থাকা নগদ ৩৬ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

এজাহারে বাদী দাবি করেছেন, প্রথম অভিযুক্ত তার কাছে থাকা ওই টাকা নিয়ে নেন। পাশাপাশি হামলার পর অভিযুক্তরা তাকে ও তার বন্ধুকে হত্যার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা তাদের খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

চিকিৎসা নিয়েছেন ভুক্তভোগীরা:

হামলার পর স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় শামীম আহমেদ ও তার বন্ধু রাবেদ হোসেন কেরানীগঞ্জের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর ৪ অক্টোবরের হামলায় শামীম আহমেদের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয় বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

চিকিৎসা নেওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে এবং পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে কিছুটা সময় লেগেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন শামীম আহমেদ।

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাদী:

অভিযোগকারী দাবি করেছেন, হামলার পর থেকে তিনি ও তার বন্ধু রাবেদ হোসেন চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন। অভিযুক্তদের ভয় ও হুমকির কারণে তারা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

তার আশঙ্কা, অভিযুক্তরা যেকোনো সময় তাদের ওপর আবারও হামলা চালিয়ে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেন। এ কারণে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে নিজের ও তার বন্ধুর নিরাপত্তা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তদন্তের দাবি:

ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় লিখিত এজাহার দেওয়া হয়েছে। পুলিশ অভিযোগটি তদন্ত করে দেখবে এবং অভিযোগের সত্যতা, হামলায় কারা জড়িত ছিলেন, অস্ত্র ব্যবহার ও টাকা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।

 

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমস্তাপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


গোমস্তাপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতিমূলক ও আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান।

সভায় পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হক বলেন, "পূজায় কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে। প্রতিটি মণ্ডপে আনসার ও পুলিশের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক দল সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকবে।"

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুল হামিদ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসহাক আলী এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মধ্যে পার্বতীপুরের মোয়াজ্জেম হোসেন, রহনপুরের মনিরুজ্জামান সোহরাব, গোমস্তাপুরের জামাল উদ্দিন ও চৌডালার গোলাম কিবরিয়া হাবিব।

এছাড়াও পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষে বক্তব্য প্রদান করেন উপদেষ্টা মনোতোষ চক্রবর্তী, সভাপতি শচীন বর্মন এবং সাধারণ সম্পাদক সুমন শাহ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এ বছর গোমস্তাপুর উপজেলার মোট ৩২টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে উৎসবমুখর পরিবেশে, কোন গোষ্ঠী, বা ব্যক্তি দুর্গাপূজায় কোন বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করলে নওগাঁ জেলা পুলিশ আইন অনুযায়ী কঠোর হস্তে দমন করবে -পুলিশ সুপার, নওগাঁ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুলবুল আহম্মেদ ( বুলু) নওগাঁ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে উৎসবমুখর পরিবেশে, কোন গোষ্ঠী, বা ব্যক্তি দুর্গাপূজায় কোন বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করলে নওগাঁ জেলা পুলিশ আইন অনুযায়ী কঠোর হস্তে দমন করবে -পুলিশ সুপার, নওগাঁ

অদ্য ০৮ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে নওগাঁ জেলার পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পুলিশ সুপার মহোদয়ের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নওগাঁ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নওগাঁ জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ জেলার বিভিন্ন থানার পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। গুরুত্বপূর্ণ আইন-শৃঙ্খলা সভায় নওগাঁ জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, আনসার ভিডিপি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, এনএসআই, ডিজিএফআই, বিদ্যুৎ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস এর কর্মকর্তাগণ যোগদান করেন।

সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে পূজা মণ্ডপসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানবাহন চলাচল, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন স্থানীয় সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।এ সময় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ দুর্গাপূজা উপলক্ষে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা ও প্রস্তাবনা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট তুলে ধরেন।

পুলিশ সুপার মহোদয় তাঁদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন করতে নওগাঁ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি যেকোনো সমস্যা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবহিত করার আহ্বান জানান। পুলিশ সুপার ফাইনালি বলেন কোন গোষ্ঠী, বা ব্যক্তি দুর্গাপূজায় কোন বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করলে নওগাঁ জেলা পুলিশ আইন অনুযায়ী কঠোর হস্তে দমন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাভাবিপ্রবিতে ছাত্রশিবিরের নবীনবরণ, অংশ নিলেন সাড়ে ছয়শ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ পি.এম


মাভাবিপ্রবিতে ছাত্রশিবিরের নবীনবরণ, অংশ নিলেন সাড়ে ছয়শ শিক্ষার্থী

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের মাভাবিপ্রবি শাখা। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় সাড়ে ছয়শ নবীন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ৯টায় টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. রাহাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন শাখাটির সেক্রেটারি মো. জাহিদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনটির পাবলিক রিলেশন সম্পাদক নুমায়ের আব্দুল্লাহ। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান শিক্ষার্থীদের নৈতিক বিকাশ ও নেতৃত্ব তৈরির বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে কোনো ছাত্রসংগঠন গেস্টরুম ও গণরুম সংস্কৃতি চালুর চেষ্টা করছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাব দেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ। তিনি আবরার ফাহাদের মৃত্যুর পর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
সিবগাতুল্লাহ বলেন, ‘তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি বলেছিলেন, বুয়েট কি বাংলাদেশের বাইরে যে সেখানে ছাত্রলীগ যেতে পারবে না? শিক্ষার্থীরা গেস্টরুম সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকায় তা আর কখনো ফিরে আসেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আর নতজানু ও পরাধীন বানানো এত সহজ নয়। এ বিষয়ে শিবির সব সময় শিক্ষার্থীদের পাশে আছে।’
এ সময় সরকারের বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান সিবগাতুল্লাহ। তিনি ভাইভায় নম্বর বাড়ানো, ভেরিফিকেশনে বাদ দেওয়া এবং নিবন্ধনে কোটা দেওয়ার মতো বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ছাত্রশিবিরের পাবলিক রিলেশন সম্পাদক নুমায়ের আব্দুল্লাহ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক সংকট, মানসম্মত গবেষণার পরিবেশের ঘাটতি এবং রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে জ্ঞান অর্জন ও পারস্পরিক নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে শিক্ষার্থীদের নৈতিক বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠান শেষে নবীন শিক্ষার্থীদের আল-কুরআন, বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোসমৃদ্ধ কলমদানি, চাবির রিং ও কলম দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাদের ছাত্রশিবিরের প্রকাশিত বই উপহার দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামেবি উপাচার্যের কক্ষের তালা খুলে দিল প্রশাসন, আলামত সংগ্রহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


রামেবি উপাচার্যের কক্ষের তালা খুলে দিল প্রশাসন, আলামত সংগ্রহ

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্যের কক্ষের তালা কেটে খুলে দিয়েছে প্রশাসন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ হোসেনের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এ তালা খোলা হয়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কক্ষটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেন।
এর আগে উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে তাঁর উপশহরের বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় মহানগর বিএনপির সহসভাপতি জয়নাল আবেদিন শিবলী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান জনি, যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর আলী জ্যাকি, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লিমন ও সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ আবিরসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, বহিরাগত কেউ কক্ষটিতে তালা ঝুলিয়েছিল। তালা খুলে কক্ষটি তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
যুবদল নেতা শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্দেশনা এবং মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটনের নির্দেশনায় উপাচার্যকে তাঁর বাসা থেকে সসম্মানে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো ধরনের দখল বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন সমর্থন করে না। দলের কেউ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়িত থাকলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত মঙ্গলবার রামেবির অস্থায়ী কার্যালয়ে উপাচার্যকে একটি কাগজে জোরপূর্বক সই করানোর অভিযোগ ওঠে।
উপাচার্যের দাবি, কাগজটি পড়ার সুযোগ না দিয়ে লাঞ্ছিত হওয়ার আশঙ্কায় তাঁকে সই করতে বাধ্য করা হয়। পরে তাঁকে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ভিডিও-ছবি বিশ্লেষণ করে আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার মোঃ নাজমুল হোসাইন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু উপাচার্যকে তাঁর কক্ষে নিয়ে যাবেন। এরপর তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকাল থেকে জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রদল, যুবদল ও উলামাদলের নেতারাও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পরিদর্শন করেন।
এ ব্যপারে আরএমপি পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমান বলেন, রামেবির ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেফতার গ্রেফতারে অভিযান চলছে।#

রাজশাহী নগরীতে মাদক-জুয়া,ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডমল সহ গ্রেপ্তার ১০
মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী মহানগরীতে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডলসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত ৬ থেকে ৮ অক্টোবর নগরীর শাহমখদুম, মতিহার, বোয়ালিয়া ও দামকুড়া থানা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ে ব্যবহৃত স্মার্টফোন, মোটরসাইকেল, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, নগরীতে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানে শাহমখদুম থানা এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানে নুর ইসলাম (১৮) নামে একজনকে দুই পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ২১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অপর এক অভিযানে শাহমখদ থানার বড়বনগ্রাম মাস্টারপাড়া গ্রামের মৃত জানুর ছেলে মোঃ মফিজকে (৪০) মাদকদ্রব্য সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) মফিজকে ৫ (পাঁচ) দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
মতিহার থানার মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল সহ মুসফিক এলাহী মাহিনকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়। একই থানার তালাইমারী মোড় এলাকা থেকে তিন পিস ট্যাপেন্টাডল সহ ফারজানা স্বপ্না (২২) ও রতন আলীকে (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়। বোয়ালিয়া থানার শিল্পনগর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ৭ হাজার ৩০০ টাকা, একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোন ও ২৪ পিস ইয়াবাসহ লিমন আহম্মেদ (২৩), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে সাগর (২২) ও সজিব হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, বিশেষ মাদকবিরোধী টিমের অভিযানে বোয়ালিয়ার কেদুরমোড় নদীর ধারে তছলিমা খাতুন ওরফে তছলি (৪৫) নামে এক নারীকে ছয় পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ১২০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
এ ছাড়া দামকুড়া থানার সোনাইকান্দি এলাকায় রনি (৩২) নামে একজনকে অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। তার ব্যবহৃত স্মার্টফোনে দুটি জিমেইল আইডি ও ১৬টি জুয়া-বেটিং অ্যাপ পাওয়া গেছে। জব্দ করা হয়েছে একটি মোটরসাইকেল।
এ ব্যপারে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও জুয়া প্রতিরোধ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।#

দুর্গাপূজার নির্ধারিত বিসর্জন ঘাট পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক
মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী মহানগরীতে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ ঘিরে নিরাপত্তা ও সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্ন করতে বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর মন্নুজান স্কুলের সামনে নির্ধারিত বিসর্জন ঘাট পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইউসুফ আলী ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।
পরিদর্শনকালে ঘাটের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, যানবাহন চলাচল ও জনসাধারণের নিরাপত্তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। বিসর্জনের সময় যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করতে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উৎসবের পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সতর্ক রয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইউসুফ আলী বলেন, প্রতিমা তৈরি থেকে বিসর্জন পর্যন্ত নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে প্রস্তুতি সভা হয়েছে। সিটি করপোরেশন, আরএমপি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির বলেন, দুর্গাপূজা ঘিরে মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পূজা ও প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্ন করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরিদর্শনকালে এসআরবি-৫ রাজশাহীর উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ মঞ্জুরুল কবির পিয়াল, ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মঞ্জিল হক, রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিমসহ সিটি করপোরেশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।#

মতিহারে অটোর ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু
মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী মহানগরীর সাকোপাড়া এলাকায় অটোর ধাক্কায় রওশান নামে চার বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নগরীর মতিহার থানার বাজে কাজলা (সাকোপাড়া) সংলগ্ন সড়কে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রওশান, ওই এলাকার মোঃ মিলনের ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দা মুসা জানায়, অটোর ধাক্কায় শিশু রওশানের মৃত্যু হয়েছে। তবে অটো চালক গতি বাড়িয়ে পালিয়ে গেছে।
জানতে চাইলে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরজুন জানান, নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অটো চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। নিহত শিশুর পরিবার থেকে অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

মাসুদ রানা রাব্বানী
রাজশাহী-০১৭১১-৯৫৪৬৪৭
০৮-১০-২০২৬

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%