প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের মাভাবিপ্রবি শাখা। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় সাড়ে ছয়শ নবীন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ৯টায় টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. রাহাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন শাখাটির সেক্রেটারি মো. জাহিদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনটির পাবলিক রিলেশন সম্পাদক নুমায়ের আব্দুল্লাহ। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান শিক্ষার্থীদের নৈতিক বিকাশ ও নেতৃত্ব তৈরির বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে কোনো ছাত্রসংগঠন গেস্টরুম ও গণরুম সংস্কৃতি চালুর চেষ্টা করছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাব দেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ। তিনি আবরার ফাহাদের মৃত্যুর পর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
সিবগাতুল্লাহ বলেন, ‘তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি বলেছিলেন, বুয়েট কি বাংলাদেশের বাইরে যে সেখানে ছাত্রলীগ যেতে পারবে না? শিক্ষার্থীরা গেস্টরুম সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকায় তা আর কখনো ফিরে আসেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আর নতজানু ও পরাধীন বানানো এত সহজ নয়। এ বিষয়ে শিবির সব সময় শিক্ষার্থীদের পাশে আছে।’
এ সময় সরকারের বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান সিবগাতুল্লাহ। তিনি ভাইভায় নম্বর বাড়ানো, ভেরিফিকেশনে বাদ দেওয়া এবং নিবন্ধনে কোটা দেওয়ার মতো বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ছাত্রশিবিরের পাবলিক রিলেশন সম্পাদক নুমায়ের আব্দুল্লাহ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক সংকট, মানসম্মত গবেষণার পরিবেশের ঘাটতি এবং রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে জ্ঞান অর্জন ও পারস্পরিক নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে শিক্ষার্থীদের নৈতিক বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠান শেষে নবীন শিক্ষার্থীদের আল-কুরআন, বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোসমৃদ্ধ কলমদানি, চাবির রিং ও কলম দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাদের ছাত্রশিবিরের প্রকাশিত বই উপহার দেওয়া হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন