বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৪১ পি.এম
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের মাভাবিপ্রবি শাখা। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় সাড়ে ছয়শ নবীন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ৯টায় টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. রাহাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন শাখাটির সেক্রেটারি মো. জাহিদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনটির পাবলিক রিলেশন সম্পাদক নুমায়ের আব্দুল্লাহ। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান শিক্ষার্থীদের নৈতিক বিকাশ ও নেতৃত্ব তৈরির বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে কোনো ছাত্রসংগঠন গেস্টরুম ও গণরুম সংস্কৃতি চালুর চেষ্টা করছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাব দেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ। তিনি আবরার ফাহাদের মৃত্যুর পর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
সিবগাতুল্লাহ বলেন, ‘তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি বলেছিলেন, বুয়েট কি বাংলাদেশের বাইরে যে সেখানে ছাত্রলীগ যেতে পারবে না? শিক্ষার্থীরা গেস্টরুম সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকায় তা আর কখনো ফিরে আসেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আর নতজানু ও পরাধীন বানানো এত সহজ নয়। এ বিষয়ে শিবির সব সময় শিক্ষার্থীদের পাশে আছে।’
এ সময় সরকারের বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান সিবগাতুল্লাহ। তিনি ভাইভায় নম্বর বাড়ানো, ভেরিফিকেশনে বাদ দেওয়া এবং নিবন্ধনে কোটা দেওয়ার মতো বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ছাত্রশিবিরের পাবলিক রিলেশন সম্পাদক নুমায়ের আব্দুল্লাহ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক সংকট, মানসম্মত গবেষণার পরিবেশের ঘাটতি এবং রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে জ্ঞান অর্জন ও পারস্পরিক নেটওয়ার্কিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে শিক্ষার্থীদের নৈতিক বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠান শেষে নবীন শিক্ষার্থীদের আল-কুরআন, বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোসমৃদ্ধ কলমদানি, চাবির রিং ও কলম দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাদের ছাত্রশিবিরের প্রকাশিত বই উপহার দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্যের কক্ষের তালা কেটে খুলে দিয়েছে প্রশাসন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ হোসেনের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এ তালা খোলা হয়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কক্ষটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেন।
এর আগে উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে তাঁর উপশহরের বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় মহানগর বিএনপির সহসভাপতি জয়নাল আবেদিন শিবলী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান জনি, যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর আলী জ্যাকি, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লিমন ও সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ আবিরসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, বহিরাগত কেউ কক্ষটিতে তালা ঝুলিয়েছিল। তালা খুলে কক্ষটি তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
যুবদল নেতা শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্দেশনা এবং মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটনের নির্দেশনায় উপাচার্যকে তাঁর বাসা থেকে সসম্মানে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো ধরনের দখল বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন সমর্থন করে না। দলের কেউ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়িত থাকলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত মঙ্গলবার রামেবির অস্থায়ী কার্যালয়ে উপাচার্যকে একটি কাগজে জোরপূর্বক সই করানোর অভিযোগ ওঠে।
উপাচার্যের দাবি, কাগজটি পড়ার সুযোগ না দিয়ে লাঞ্ছিত হওয়ার আশঙ্কায় তাঁকে সই করতে বাধ্য করা হয়। পরে তাঁকে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ভিডিও-ছবি বিশ্লেষণ করে আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার মোঃ নাজমুল হোসাইন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু উপাচার্যকে তাঁর কক্ষে নিয়ে যাবেন। এরপর তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকাল থেকে জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রদল, যুবদল ও উলামাদলের নেতারাও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পরিদর্শন করেন।
এ ব্যপারে আরএমপি পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমান বলেন, রামেবির ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেফতার গ্রেফতারে অভিযান চলছে।#
রাজশাহী নগরীতে মাদক-জুয়া,ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডমল সহ গ্রেপ্তার ১০
মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী মহানগরীতে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডলসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত ৬ থেকে ৮ অক্টোবর নগরীর শাহমখদুম, মতিহার, বোয়ালিয়া ও দামকুড়া থানা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ে ব্যবহৃত স্মার্টফোন, মোটরসাইকেল, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, নগরীতে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানে শাহমখদুম থানা এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানে নুর ইসলাম (১৮) নামে একজনকে দুই পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ২১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অপর এক অভিযানে শাহমখদ থানার বড়বনগ্রাম মাস্টারপাড়া গ্রামের মৃত জানুর ছেলে মোঃ মফিজকে (৪০) মাদকদ্রব্য সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) মফিজকে ৫ (পাঁচ) দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
মতিহার থানার মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল সহ মুসফিক এলাহী মাহিনকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়। একই থানার তালাইমারী মোড় এলাকা থেকে তিন পিস ট্যাপেন্টাডল সহ ফারজানা স্বপ্না (২২) ও রতন আলীকে (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়। বোয়ালিয়া থানার শিল্পনগর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ৭ হাজার ৩০০ টাকা, একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোন ও ২৪ পিস ইয়াবাসহ লিমন আহম্মেদ (২৩), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে সাগর (২২) ও সজিব হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, বিশেষ মাদকবিরোধী টিমের অভিযানে বোয়ালিয়ার কেদুরমোড় নদীর ধারে তছলিমা খাতুন ওরফে তছলি (৪৫) নামে এক নারীকে ছয় পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ১২০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
এ ছাড়া দামকুড়া থানার সোনাইকান্দি এলাকায় রনি (৩২) নামে একজনকে অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। তার ব্যবহৃত স্মার্টফোনে দুটি জিমেইল আইডি ও ১৬টি জুয়া-বেটিং অ্যাপ পাওয়া গেছে। জব্দ করা হয়েছে একটি মোটরসাইকেল।
এ ব্যপারে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও জুয়া প্রতিরোধ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।#
দুর্গাপূজার নির্ধারিত বিসর্জন ঘাট পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক
মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী মহানগরীতে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ ঘিরে নিরাপত্তা ও সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্ন করতে বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর মন্নুজান স্কুলের সামনে নির্ধারিত বিসর্জন ঘাট পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইউসুফ আলী ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।
পরিদর্শনকালে ঘাটের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, যানবাহন চলাচল ও জনসাধারণের নিরাপত্তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। বিসর্জনের সময় যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করতে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উৎসবের পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সতর্ক রয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইউসুফ আলী বলেন, প্রতিমা তৈরি থেকে বিসর্জন পর্যন্ত নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে প্রস্তুতি সভা হয়েছে। সিটি করপোরেশন, আরএমপি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির বলেন, দুর্গাপূজা ঘিরে মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পূজা ও প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্ন করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরিদর্শনকালে এসআরবি-৫ রাজশাহীর উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ মঞ্জুরুল কবির পিয়াল, ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মঞ্জিল হক, রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিমসহ সিটি করপোরেশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।#
মতিহারে অটোর ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু
মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী মহানগরীর সাকোপাড়া এলাকায় অটোর ধাক্কায় রওশান নামে চার বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নগরীর মতিহার থানার বাজে কাজলা (সাকোপাড়া) সংলগ্ন সড়কে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রওশান, ওই এলাকার মোঃ মিলনের ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দা মুসা জানায়, অটোর ধাক্কায় শিশু রওশানের মৃত্যু হয়েছে। তবে অটো চালক গতি বাড়িয়ে পালিয়ে গেছে।
জানতে চাইলে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরজুন জানান, নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অটো চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। নিহত শিশুর পরিবার থেকে অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#
মাসুদ রানা রাব্বানী
রাজশাহী-০১৭১১-৯৫৪৬৪৭
০৮-১০-২০২৬
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মহানগরীতে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডলসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত ৬ থেকে ৮ অক্টোবর নগরীর শাহমখদুম, মতিহার, বোয়ালিয়া ও দামকুড়া থানা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ে ব্যবহৃত স্মার্টফোন, মোটরসাইকেল, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, নগরীতে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানে শাহমখদুম থানা এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানে নুর ইসলাম (১৮) নামে একজনকে দুই পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ২১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অপর এক অভিযানে শাহমখদ থানার বড়বনগ্রাম মাস্টারপাড়া গ্রামের মৃত জানুর ছেলে মোঃ মফিজকে (৪০) মাদকদ্রব্য সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) মফিজকে ৫ (পাঁচ) দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
মতিহার থানার মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল সহ মুসফিক এলাহী মাহিনকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়। একই থানার তালাইমারী মোড় এলাকা থেকে তিন পিস ট্যাপেন্টাডল সহ ফারজানা স্বপ্না (২২) ও রতন আলীকে (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়। বোয়ালিয়া থানার শিল্পনগর পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ৭ হাজার ৩০০ টাকা, একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোন ও ২৪ পিস ইয়াবাসহ লিমন আহম্মেদ (২৩), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে সাগর (২২) ও সজিব হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, বিশেষ মাদকবিরোধী টিমের অভিযানে বোয়ালিয়ার কেদুরমোড় নদীর ধারে তছলিমা খাতুন ওরফে তছলি (৪৫) নামে এক নারীকে ছয় পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ১২০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
এ ছাড়া দামকুড়া থানার সোনাইকান্দি এলাকায় রনি (৩২) নামে একজনকে অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। তার ব্যবহৃত স্মার্টফোনে দুটি জিমেইল আইডি ও ১৬টি জুয়া-বেটিং অ্যাপ পাওয়া গেছে। জব্দ করা হয়েছে একটি মোটরসাইকেল।
এ ব্যপারে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও জুয়া প্রতিরোধ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।#
মাসুদ রানা রাব্বানী
রাজশাহী-০১৭১১-৯৫৪৬৪৭
০৮-১০-২০২৬
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ২-১ উজবেকিস্তান
বাংলাদেশ ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে গেলেও পরে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেনি। উজবেকিস্তান সমতায় ফেরার পর জয়লাভের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। তবে শেষ মুহূর্তে লাল-সবুজের দল বাজিমাত করেছে।
যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে রুনা আক্তারের গোলে বাংলাদেশ উজবেকিস্তানকে তাদের মাঠে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করেছে। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী ফুটবল দল এই গুরুত্বপূর্ণ জয়টি তাসখন্দে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ নারী এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচে অর্জন করেছে। ১১ অক্টোবর ফিলিপাইনকে পরাজিত করতে পারলে বাংলাদেশ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মূল পর্বে খেলার টিকিট নিশ্চিত করবে।
দোস্তলিক স্টেডিয়ামের অনুশীলন মাঠে বাংলাদেশ শুরু থেকেই দারুণ খেলে। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে সাইফুল বারী টিটুর দল এগিয়ে যায়।
মাঝমাঠ থেকে ফাতেমা আক্তারের বাড়ানো পাস ডান প্রান্তে পূর্ণিমা মারমার কাছে পৌঁছায়। এ সময় উজবেকিস্তানের গোলকিপার মারিয়া খালকুলোভা গোলবার ছেড়ে এগিয়ে আসেন। পূর্ণিমা সুযোগ বুঝে চিপে বল জালে পাঠিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন।
তবে বাংলাদেশ বেশিক্ষণ লিড ধরে রাখতে পারেনি। ১৭ মিনিটে নিজেদের বক্সের কাছে আইরিন খাতুনের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে লারাঙ্গিজ লাকায়েভা বল কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশের গোলকিপার মেঘলা রানি রায়ের পাশ দিয়ে শট নেন। এর ফলে উজবেকিস্তান সমতায় ফিরে আসে।
বিরতির পরও লড়াই সমানে-সমান ছিল। দুই প্রান্তে আক্রমণ হয়েছে এবং গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের আলপি আক্তার ডান দিক দিয়ে বল নিয়ে উজবেকিস্তানের বক্সে ঢুকে গোলের চেষ্টা করেন। তবে তার শট উজবেক গোলকিপার খালকুলোভা ঠেকিয়ে দেন।
ম্যাচের শেষ দিকে উজবেকিস্তানের আক্রমণের মাত্রা বাড়তে থাকে। তবে জয়লাভের জন্য মরিয়া বাংলাদেশও সুযোগের অপেক্ষায় ছিল।
অবশেষে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে সেই সুযোগ আসে। সুরভী রানির থ্রু বল ধরে উজবেকিস্তানের গোলকিপারকে একা পেয়ে যান রুনা আক্তার। তিনি কোনো ভুল না করে দারুণ শটে বল জালে পাঠান।
বাছাইপর্বের আট গ্রুপের আট চ্যাম্পিয়ন দল ২০২৭ চীনে অনূর্ধ্ব-১৭ নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ