ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিরপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত, স্বস্তিতে পথচারীরা


মিরপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত, স্বস্তিতে পথচারীরা

রাজধানীর মিরপুরের ফুটপাতগুলো, যা দীর্ঘদিন ধরে হকারদের দখলে ছিল, অবশেষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) দ্বারা দখলমুক্ত করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ অভিযানের ফলস্বরূপ, মিরপুরের প্রধান সড়ক ও ফুটপাতগুলোতে সুশৃঙ্খল পরিবেশ ফিরে এসেছে, যা সাধারণ পথচারীদের জন্য দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর স্বস্তির অনুভূতি নিয়ে হাঁটার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর, হোপ মার্কেট এলাকা, মিরপুর ১০ থেকে ১৪ নম্বর পর্যন্ত সড়ক, ১০ থেকে ১৩ নম্বর পর্যন্ত সড়ক, বিআরটিএর সামনের সড়ক এবং মিরপুর সুইমিং কমপ্লেক্স এলাকা সড়কের ফুটপাতগুলো দীর্ঘদিন ধরে হকারদের অবৈধ পসরা এবং স্থায়ী-অস্থায়ী দোকানে দখল হয়ে ছিল। এর ফলে সাধারণ মানুষকে মূল সড়ক দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করতে হতো, যা মারাত্মক যানজট এবং পথচারীদের জন্য নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করেছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে, সিটি করপোরেশন বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিরপুর ও সংলগ্ন এলাকার ফুটপাতগুলো সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করেছে। অভিযানের পর ফুটপাতে পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

ফুটপাত মুক্ত হওয়ায় উচ্ছ্বাস ও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। নিয়মিত যাতায়াতকারী একাধিক পথচারী জানান, "আগে হেঁটে যাওয়া অসম্ভব হলেও এখন স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে চলাচল করা যাচ্ছে।" বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে গেছে।

তবে, ফুটপাত উচ্ছেদের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অতীতে বিভিন্ন সময় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও কিছুদিন পর পুনরায় ফুটপাত দখলের ঘটনা ঘটেছে। তাই নগরবাসী নিয়মিত তদারকি ও পুলিশি টহল জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, ফুটপাত থেকে উচ্ছেদ হওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও নির্ধারিত সময় সূচির আওতায় এনে স্থায়ী বা বিকল্প পুনর্বাসনের জোর দাবি জানিয়েছেন হকার প্রতিনিধিরা।

এর আগে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকার ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএনসিসি। এ সময় হকাররা সিটি করপোরেশনের লোকজন ও পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তারা সিটি করপোরেশনের একটি গাড়িতেও ভাঙচুর করে আগুন দেয় এবং সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশকে ধাওয়া করে।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে মদ-বিয়ার ও ইয়াবা জব্দ, গ্রেপ্তার ৩

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রমাণ মিললেও সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের নামে মামলা হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


প্রমাণ মিললেও সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের নামে মামলা হয়নি

বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) শেখ নূর ইসলামের বিরুদ্ধে কানাডায় বিপুল অর্থ পাচারের তথ্য পেয়েছে। তদন্তের সময় তার এবং তার পরিবারের সদস্যদের অন্তত ১৪ ধরনের সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য উঠে এসেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) তথ্য-প্রমাণসহ প্রতিবেদন পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা বা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

বিএফআইইউর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ৫৫ লাখ কানাডিয়ান ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৫ কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ২০১৯ সালের ১৩ জুলাই শেখ নূর ইসলাম এবং তার পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশ থেকে কানাডায় গমন করেন। কানাডার বিমানবন্দরে শিলা ইসলাম ২০ হাজার কানাডিয়ান ডলার এবং দিশা ইসলাম ১০ হাজার কানাডিয়ান ডলার থাকার ঘোষণা দেন। তবে বিএফআইইউর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এসব অর্থ বাংলাদেশ থেকে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ঘোষণা দেওয়া হয়নি। মানি লন্ডারিং আইনে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য করা হয়।

তদন্তের সময় কানাডায় শেখ নূর ম্যানেজমেন্ট ইনকরপোরেশন নামে একটি কোম্পানির অস্তিত্বও পাওয়া যায়। ২০১৮ থেকে পরবর্তী চার বছরে সিঙ্গাপুরের নাই এনগোয়ান রেমিট্যান্স সার্ভিসের মাধ্যমে ওই কোম্পানির হিসাবে প্রায় ২২ লাখ কানাডিয়ান ডলার পাঠানো হয়েছে পণ্য আমদানির বিল হিসেবে। বাংলাদেশের রংকন হোম সলিউশনস লিমিটেড এসব অর্থ পাঠিয়েছে।

তবে বিএফআইইউর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ওই অর্থের বিপরীতে কানাডা থেকে বাংলাদেশে কোনো পণ্য আসেনি। ফলে লেনদেনগুলোকে সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি। এছাড়া, নূর ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে কানাডায় একাধিক কোম্পানির তথ্যও পাওয়া গেছে। তদন্তে পাওয়া এসব তথ্য ও প্রমাণ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে পাঠানো হলেও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে বর্তমান কর্মকর্তারা স্পষ্ট কোনো জবাব দিতে পারেননি।

অর্থনীতিবিদ শাহ মো. আহসান হাবিব মন্তব্য করেন, "কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে বা ঘোষণা ছাড়া বিদেশে অর্থ নিয়ে গেলে এবং তার পক্ষে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এক সরকারের সময়ে কোনো তদন্ত বা মামলা প্রক্রিয়াধীন থাকলে পরবর্তী সরকারও তা চালিয়ে যেতে পারে। মানি লন্ডারিংয়ের মতো অপরাধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলকভাবে কাজ করা প্রয়োজন।"

অন্যদিকে, অর্থপাচারের অভিযোগ অস্বীকার করে শেখ নূর ইসলাম এক প্রতিবাদলিপিতে দাবি করেছেন যে, সালমান মুক্তাদিরকে বিয়ে করার কারণে তার মেয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই।

গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, তদন্তে পাওয়া সম্পদের বাইরেও কানাডায় নূর ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক বাড়ি থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগাম নির্বাচনের ডাক দিলেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


আগাম নির্বাচনের ডাক দিলেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজ

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ আগাম সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা করেছেন। ২০২৭ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, তা এক বছর আগে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৯ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঘনিষ্ঠ পরামর্শদাতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে মাদ্রিদের মনক্লোয়া প্রাসাদে এক বিবৃতিতে সানচেজ এই ঘোষণা দেন।

সানচেজ উল্লেখ করেন, স্পেনের জনগণের জন্য এখন তাদের দেশের ভবিষ্যৎ কী হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। শুক্রবার সংসদে সানচেজের সংখ্যালঘু সরকার একটি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে, যার পরেই আগাম নির্বাচনের ঘোষণা আসে। ওইদিন আবাসন সংকট মোকাবেলায় সরকারের কিছু পদক্ষেপ সংসদ সদস্যদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়।

নির্বাচনকে স্পেনের ভবিষ্যৎ পথ বেছে নেওয়ার একটি সুযোগ হিসেবে তুলে ধরেছেন সানচেজ। তিনি বলেন, ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, দেশটি ‘চরম ডানপন্থার ঢেউয়ের’ দিকে যাবে, নাকি ‘উন্মুক্ততা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীলতার’ পথে থাকবে।

সানচেজ আরও বলেন, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি স্পেনের জনগণের ওপর আস্থা রাখেন। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সানচেজ বারবার বলেছেন, তার সরকার পুরো চার বছরের মেয়াদ শেষ করবে। শেষ পর্যন্ত সেই অবস্থান থেকে সরে এসে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন তিনি।

এদিকে, স্পেনে বাড়ির দাম ও ভাড়া নিয়ে মানুষের চাপ ক্রমেই বাড়ছে। আবাসন সংকটের প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বড় বিক্ষোভও অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগাম নির্বাচনের মাধ্যমে সানচেজের সরকার নতুন করে জনগণের সমর্থন অর্জনের চেষ্টা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাকৃতিক দুর্যোগের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দেড় যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সংস্কার হয়নি আমতলী শহর রক্ষা বাঁধ, ঝুঁকিতে পৌরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


প্রাকৃতিক দুর্যোগের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দেড় যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সংস্কার হয়নি আমতলী শহর রক্ষা বাঁধ, ঝুঁকিতে পৌরবাসী
 
আমতলী পৌর শহর রক্ষা বেড়িবাঁধ। দীর্ঘদিনের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বাঁধটির বিভিন্ন অংশ এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সামান্য জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেলেই পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় পানি ঢুকে পড়ছে। এতে বাঁধসংলগ্ন বাসিন্দাদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও আতঙ্ক।
 
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর থেকে আমতলী শহর রক্ষা বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো প্রয়োজনীয়ভাবে সংস্কার করা হয়নি। এরপর একের পর এক ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানলেও বাঁধটির স্থায়ী সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাঁদের।
 
বিশেষ করে আমতলী ফেরিঘাট থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাশ্মশান ঘাট পর্যন্ত বেড়িবাঁধসংলগ্ন এলাকা পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিবছর জোয়ার ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে এ এলাকার বাঁধ ও ব্লক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কোথাও কোথাও বাঁধের ঢাল থেকে ব্লক সরে গিয়ে নদীর দিকে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে বাঁধসংলগ্ন বসতবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
 
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর থেকে রেশমি, আইলা, মহাসেন, কোমেন, রোয়ানু, মোরা, ফণী, বুলবুল, আম্পান, ইয়াস, জাওয়াদ, সিত্রাং, মোখা, হামুন, রেমালসহ বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব দুর্যোগের সময় আমতলী শহর রক্ষা বাঁধও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও প্রয়োজনীয় সংস্কার না হওয়ায় বাঁধের বিভিন্ন অংশের অবস্থা দিন দিন নাজুক হয়ে পড়ছে।
 
আমতলী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধসংলগ্ন বাসিন্দা শ্যামল চন্দ্র দে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানে বসবাস করছি। বাঁধের ব্লকগুলো একটু সংস্কার করে দেওয়া হলে আমরা অনেকটা নিরাপদে বসবাস করতে পারব। তা না হলে সামান্য জলোচ্ছ্বাস হলেই ঘরের আঙিনায় পানি ঢুকে পড়ে।”
 
স্থানীয় করাতকল ব্যবসায়ী আমির হোসেন তালুকদার বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আমাদের করাতকলটি বর্তমানে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আগে করাতকলের সামনে আরও ১০-১৫ ফুট জায়গা ছিল, এরপর ছিল ব্লকের ঢাল। কিন্তু বন্যা ও জোয়ারের পানিতে বারবার ব্লক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখন সেই জায়গাটুকুও নেই। প্রতিনিয়ত আশঙ্কায় থাকি—কখন না ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।”
 
স্থানীয়দের দাবি, আমতলী শহর রক্ষা বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার ও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে বাঁধটির দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
 
এ বিষয়ে বরগুনা পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) মো. আবদুল হান্নান প্রধান বলেন, “বিষয়টি আমি অধস্তন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। তাঁরা সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় তদারকি করবেন। বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে প্রমাণিত হলে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”
 
দীর্ঘদিনের সংস্কারহীনতা ও একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আমতলী শহর রক্ষা বাঁধের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় পৌর শহরের জনবসতি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আরও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদে পরমাণু চুল্লি বানানোর প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


চাঁদে পরমাণু চুল্লি বানানোর প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া

ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চাঁদে পরমাণু চুল্লি (নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টর) তৈরি করার প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং রাশিয়া অংশগ্রহণ করছে। এই দেশগুলোর মতে, চাঁদে একটি স্থায়ী ঘাঁটি গড়ে তোলা, খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান এবং মহাকাশের গভীরে অভিযান চালানোর জন্য পারমাণবিক শক্তি সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

এনডিটিভির রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ব্যবহারের উপযোগী একটি পারমাণবিক চুল্লি তৈরি করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এই চুল্লিটি কোনো রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সক্ষমতা রাখবে।

অন্যদিকে, রাশিয়া এবং চীন যৌথভাবে ২০৩৬ সালের মধ্যে ‘সেলিনা’ নামের একটি চন্দ্র চুল্লি নির্মাণের পরিকল্পনা করছে, যা চীনের নেতৃত্বাধীন চন্দ্র স্টেশনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, চাঁদে দীর্ঘমেয়াদী স্থায়ী ঘাঁটি পরিচালনার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের প্রয়োজন। সৌর প্যানেল দিনের বেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হলেও, চাঁদে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রাত থাকে। ফলে শুধুমাত্র সৌরশক্তির উপর নির্ভর করা অসম্ভব। পারমাণবিক চুল্লি সূর্যালোক ছাড়াই অবিরত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম। নাসার প্রস্তাবিত ‘লুনার রিঅ্যাক্টর’ অন্তত ২০ কিলোওয়াট এবং রাশিয়ার ‘সেলেনা’ ১০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, মহাকাশে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার নিয়ে গুরুতর ঝুঁকির বিষয়ে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন। রকেট উৎক্ষেপণের ব্যর্থতার ফলে পৃথিবী বা মহাকাশে তেজস্ক্রিয় পদার্থ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া, পৃথিবীর মতো চাঁদে পারমাণবিক চুল্লিকে নিরাপত্তাবেষ্টনী দ্বারা ঢেকে রাখা কঠিন হবে। তবে ঝুঁকি কমানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া উভয়ই চুল্লিগুলোকে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

১৯৬৭ সালের আন্তর্জাতিক মহাকাশ চুক্তি অনুসারে, কোনো দেশ চাঁদকে নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করতে পারে না। তবে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের পর নিরাপত্তার অজুহাতে যদি কোনো দেশ নির্দিষ্ট এলাকায় অন্যদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়, তাহলে তা কি আন্তর্জাতিক নীতির লঙ্ঘন হবে—এ বিষয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। প্রযুক্তিগত এবং নিরাপত্তাজনিত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কারণে এই তিন পরাশক্তি কত দ্রুত চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপন করতে পারবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের নজর এখন মূলত এই বিষয়ের দিকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%