ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সড়কে ডাম্প ট্রাকের চাপায় মুয়াজ্জিনের মর্মান্তিক মৃত্যু


সড়কে ডাম্প ট্রাকের চাপায় মুয়াজ্জিনের মর্মান্তিক মৃত্যু

গাইবান্ধায় পৌরসভার ময়লাবাহী ডাম্প ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে একজন মসজিদের মুয়াজ্জিন নিহত হয়েছেন। শহরের পশ্চিমপাড়া এলাকায় শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ১১ টার দিকে গাইবান্ধা-সাদুল্যাপুর সড়কের পশ্চিমপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মাসুদুর রহমান, যিনি শহরের জুম্মা পাড়া এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে এবং গাইবান্ধা সদর মডেল মসজিদের মুয়াজ্জিন, ঘটনার সময় বাড়ি থেকে মোটর সাইকেল চালিয়ে সাদুল্লাপুর সড়কে অবস্থিত গাইবান্ধা সদর মডেল মসজিদে জুম্মার আযান ও নামাজ আদায়ের জন্য যাচ্ছিলেন।

যখন মাসুদুর পশ্চিমপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছান, তখন শহরমুখী পৌরসভার একটি দ্রুতগতির বেপোরোয়া ময়লাবাহী ডাম্প ট্রাক তার মোটর সাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ট্রাকটি পরে চাকার নিচে পিষ্ট করে চলে যায়, ফলে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী মাসুদের মৃত্যু ঘটে।

আরও পড়ুন: ৮ বছর ধরে বিদ্যুৎ খুঁটি-মিটার থাকলেও সুবর্ণচরের মোহাম্মদপুরে নেই বিদ্যুৎ

ঘটনার পরপরই ঘাতক ট্রাকটি দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে। পরে শহরের জেলা পরিষদ মোড় এলাকা থেকে চালকসহ ঘাতক ট্রাকটিকে আটকে ফেলে বিক্ষুব্ধ জনতা।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং নিহত মাসুদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। এই ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে পৌরসভার ময়লাবাহী গাড়ির বেপরোয়া গতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জমি দানের ৯ বছর পেরোলেও কুমিল্লার তিন গ্রামে হয়নি স্কুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


জমি দানের ৯ বছর পেরোলেও কুমিল্লার তিন গ্রামে হয়নি স্কুল

কোমলমতি শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেন স্থানীয়রা। তবে সেই জমি দানের প্রায় নয় বছর পেরিয়ে গেলেও বিদ্যালয় নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনো কার্যকর উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসেনি। এভাবে তিন গ্রামের শতাধিক শিশু এখনও কয়েক কিলোমিটার দূরের বিদ্যালয়ে গিয়ে কষ্ট করে পড়াশোনা করতে বাধ্য হচ্ছে।

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাড়েরা ইউনিয়নের জয়দেবপুর, ছোট কলাগাঁও ও নিশ্চিন্তপুর গ্রামে মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন। স্থানীয় সূত্র জানায়, সরকার দেশের বিদ্যালয়বিহীন গ্রামগুলোতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে ওই তিন গ্রামকে বিদ্যালয়বিহীন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এরপর এলাকাবাসী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগিয়ে আসেন।

২০১৭ সালের ২৪ জুলাই সোমবার, জয়দেবপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহজাহান, সুলতান আহমেদ, দেলোয়ার হোসেনসহ কিছুনা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি স্থানীয় একটি সড়কের পাশে প্রায় ৩৩ শতাংশ জমি বাংলাদেশ সচিবালয়ের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর দান করেন। বিদ্যালয় স্থাপনের আশায় জমির সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করা হয়। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বিদ্যালয় নির্মাণের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

বিদ্যালয় না থাকায় তিন গ্রামের শিশুদের প্রতিদিন ৩ কিলোমিটার দূরের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে হয়। তাদের এই যাত্রা কাঁচা এবং দুর্গম গ্রামীণ পথের সাহায্যে হয়। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড রোদ, বর্ষার কাদা কিংবা ঝড়-বৃষ্টি সব প্রতিকূলতাই তাদের সাম্প্রতিক সময়ে মোকাবেলা করতে হয়। অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন যে, এই দুর্ভোগের কারণে অনেক শিশুই নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারে না।

স্থানীয় অভিভাবকদের বক্তব্য, ছোট শিশুদের এত দূরে হেঁটে বিদ্যালয়ে পাঠানো অত্যন্ত কষ্টকর। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রাস্তাঘাট কাদায় ভরে গেলে শিশুদের চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই কারণে অনেক সময় শিশুরা বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকে, যার ফলে ঝরে পড়ার আশঙ্কাও বাড়ছে।

জয়দেবপুর গ্রামের বাসিন্দা অধ্যাপক মো. শাহজাহান বলেন, 'সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমরা জমি দান করেছি। তৎকালীন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আমাদের ফসলি জমি থেকে মাটি এনে বিদ্যালয়ের জন্য স্থানটি ভরাট করেন। ভেবেছিলাম, আমাদের এলাকার সন্তানরা নিজ গ্রামেই লেখাপড়ার সুযোগ পাবে। কিন্তু নয় বছরেও বিদ্যালয় নির্মাণ না হওয়ায় আমরা হতাশ।'

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, 'জয়দেবপুর গ্রামে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হলে পাশ্ববর্তী ছোট কলাগাঁও ও নিশ্চিন্তপুর গ্রামের সন্তানরাও নিরাপদে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে পারবে। দ্রুত বিদ্যালয় নির্মাণ না হলে এ অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থা আরও পিছিয়ে পড়বে।'

শিক্ষাবিদ এবং স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, একটি বিদ্যালয়ের অভাবে তিন গ্রামের শিশুরা তাদের মৌলিক শিক্ষা অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা জানান, দ্রুত বিদ্যালয় নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ না করলে সরকারের 'সবার জন্য শিক্ষা' কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্ত হবে।

এলাকাবাসীর দাবি হলো, অবিলম্বে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়ে জয়দেবপুর এলাকায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হোক, যাতে তিন গ্রামের শিশুরা নিরাপদ এবং সুবিধাজনক পরিবেশে শিক্ষালাভের সুযোগ পায়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশন আরা বলেন, 'সারা দেশে প্রথমে ১ হাজার ৫০০ বিদ্যালয় এবং পরে আরও ১ হাজার বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। তবে ২০১৮ সালে প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে তালিকা চাওয়া হলে ২০২৩ সালের বৃহস্পতিবার (১৮ মে) আমাদের অফিস থেকে তালিকা পাঠানো হয়। আমি যোগদানের পর চলতি বছরের রোববার (৩১ মার্চ) পুনরায় সেই তালিকা পাঠিয়েছি।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাভার্ড ভ্যানের চাপায় নিহত নারী ও শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ পি.এম


কাভার্ড ভ্যানের চাপায় নিহত নারী ও শিশু

মাদারীপুরের শিবচরে একটি কাভার্ড ভ্যানের চাপায় ব্যাটারিচালিত ভ্যানের যাত্রী বিথি আক্তার নীলপরি (৩৫) এবং আয়শা (৮) নামে দুইজন মৃত্যুবরণ করেছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ৩ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলার শিবচর উপজেলার ২য় খণ্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই দিন নিজ বাড়ি থেকে ব্যাটারিচালিত ভ্যানযোগে নিহত বিথি আক্তার, আয়শাসহ কয়েকজন পার্শবর্তী কুতুবপুর এলাকায় একটি বিবাহ অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মোড়লকান্দি এলাকায় শিবচর-কুতুবপুর আঞ্চলিক সড়কে পিছন দিক থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যান ভ্যানটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই বিথি আক্তার নীলপরি ও তার দেবরের মেয়ে শিশু আয়শার মৃত্যু ঘটে। পাশাপাশি এতে আরও অন্তত ৩ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

নিহত বিথি আক্তার (নীলপরি) দ্বিতীয় খণ্ড ইউনিয়নের মাদবরকান্দি এলাকার খাইরুল মাদবরের স্ত্রী এবং আয়শা হারুন মাদবরের মেয়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইড্রেশন বিরতিতে নষ্ট হচ্ছে ফুটবলের ছন্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


হাইড্রেশন বিরতিতে নষ্ট হচ্ছে ফুটবলের ছন্দ

উত্তর আমেরিকার তীব্র গরমের কথা মাথায় রেখে, ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচে দুই অর্ধেই বাধ্যতামূলক তিন মিনিটের হাইড্রেশন বিরতি চালু করেছে ফিফা। খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নেওয়া এই সিদ্ধান্ত এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে।

ফুটবলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, খেলা শুরু হলে প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধে নিরবচ্ছিন্নভাবে খেলা চলতে থাকে। কোচ বা সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানের কারণে খেলার ছন্দ থেমে যায় না। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ভিএআর, বাড়তি যোগ করা সময় এবং এখন হাইড্রেশন বিরতির কারণে ম্যাচের স্বাভাবিক গতি বদলে যাচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

ফিফার দাবি, বাড়তে থাকা তাপমাত্রায় খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। তবে অনেকের মতে, এর ফলে ম্যাচের মাঝপথেই কোচরা খেলোয়াড়দের নতুন কৌশল বুঝিয়ে দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এতে ম্যাচের গতি থেমে যায় এবং প্রতিপক্ষের ছন্দও ভেঙে যেতে পারে।

এছাড়া এই বিরতিগুলো সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও নতুন সুযোগ তৈরি করছে। খেলা থামার নির্দিষ্ট সময় পাওয়ায় তারা স্পন্সর বার্তা ও বিজ্ঞাপন দেখাতে পারছে। মার্কিন ক্রীড়া বিশ্লেষক মাইকেল জনসন রয়টার্সকে বলেন, এই বিরতিতে দেখানো বিজ্ঞাপনের মূল্য ভবিষ্যতে সুপার বোলের বিজ্ঞাপনের মতোই ৭ থেকে ৯ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের banyak সমর্থক এই বিরতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেলের দল কঙ্গোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর হাইড্রেশন বিরতিকে কাজে লাগিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পায়।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, শুধু গরমের কারণে নয়, সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতেই প্রতিটি ম্যাচে হাইড্রেশন বিরতি রাখা হয়েছে। এতে খেলোয়াড়রা কিছুটা বিশ্রাম পান এবং কোচরাও নির্দিষ্ট সময়ে দলের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেন।

তবে সবাই এই সিদ্ধান্তের পক্ষে নন। সাবেক ইংলিশ স্ট্রাইকার স্ট্যান কোলিমোর বলেন, ‘এই বিরতিগুলো ম্যাচের ছন্দ নষ্ট করে। হাজারো ম্যাচ দেখেছি ও খেলেছি, তবে বেশি বিরতিতে কোনো ম্যাচকে ভালো হতে দেখিনি।’

গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিকমেট্রিকসের বিশ্লেষণেও দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাইড্রেশন বিরতি নিয়ে হওয়া আলোচনার ৭৫ শতাংশই নেতিবাচক।

অন্যদিকে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা জানিয়েছে, শুধুমাত্র চরম গরমের সময় কুলিং ব্রেকের বর্তমান নিয়মই যথেষ্ট। একই অবস্থানে রয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগও। তারা আপাতত প্রতিটি ম্যাচে বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন বিরতি চালুর কোনো পরিকল্পনা করছে না।

তবে ফুটবলে আগে যেসব পরিবর্তন যেমন ব্যাক-পাস নিয়ম, ভিএআর বা বাড়তি যোগ করা সময় নিয়ে বিতর্ক ছিল, সেগুলোই পরে স্থায়ী হয়েছে। তাই হাইড্রেশন বিরতিও ভবিষ্যতে ফুটবলের নিয়মিত অংশ হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় হাসি ফুটল ২২০ অসহায় নারীর মুখে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় হাসি ফুটল ২২০ অসহায় নারীর মুখে

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় নোয়াখালীর কবিরহাটে ২২০ জন অসহায় ও দুস্থ নারীর হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে| এ সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীদের মুখে ফুটে ওঠে স্তি ও আনন্দের হাসি|

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে কবিরহাট সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. ফখরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এই আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়|

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের বিশেষ বরাদ্দ থেকে কবিরহাট উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ১৪০ জন, কবিরহাট পৌরসভার ৪০ জন এবং নোয়াখালী সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ও নেওয়াজপুর ইউনিয়নের ৪০ জনসহ মোট ২২০ জন অসহায় নারীর হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেওয়া হয়|

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. ফখরুল ইসলাম| তিনি বলেন, সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য| তিনি এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন|

এ সময় কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন, কবিরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজ মঞ্জু, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব সৌরভ হোসেন কামালসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং উপকারভোগীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন|

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%