১২:৫৩ এম
নিজস্ব প্রতিবেদন: যশোরের মণিরামপুর পৌর এলাকার জয়নগর গ্রামে ধর্ষণের অভিযোগে আটক সমির মোড়লের স্ত্রী আসমা খাতুন দাবি করেছেন, "আমার স্বামী অনেক দিন ধরেই ইয়াবা ব্যবসা করে। নিষেধ করেও শুনেনি। ওই পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়ে একাধিকবার বাবার বাড়ি চলে গেছি।" আসমা বলেন, "ছেলে-মেয়ের কথা চিন্তা করে সংসারে ফিরে আসলেও স্বামী ভাল পথে ফেরেনি। মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে।" তিনি এই অভিযোগ তুলে আক্ষেপ করছেন। উল্লেখ্য, মাদক কারবারি হওয়ায় সমিরের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর ক্ষোভ অনেক আগে থেকেই ছিল। সমিরের বিরুদ্ধে নিবৃত্তির চেষ্টা করা হয়েছে। রবিবার সকালে, ধর্ষণের অভিযোগে আটক হওয়ার পর, অসন্তুষ্ট গ্রামবাসী সমির মোড়ল ও সেলিমের বাড়ি এবং দোকান ভাংচুর করে। সমির নওশের আলীর ছেলে। এই ঘটনার সূত্রপাত শনিবার ভোরে, যখন পৌর শহরের একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী রাফিদের সাথে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় জোড়া পুকুর এলাকায় তাদের গতিরোধ করে আবু জাফর এবং মোড়লসহ অন্যান্যরা। সার্বিক পরিস্থিতিতে রাফিদকে মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং পরে সেলিম হোসেন ও সমিরের সহযোগিতায় আবু জাফর ওই শিক্ষার্থীর উপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। এরপর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ভাই রাহুল থানায় মামলা করেন তিন জনের বিরুদ্ধে। থানার ওসি আবু সাঈদ জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীর ডাক্তারি পরীক্ষা যশোর মেডিকেল কলেজে সম্পন্ন করা হয়েছে। ঘটনাটির তদন্তে একজনকে আটক করা হয়েছে এবং বাকী দুইজনকে আটকের জন্য অভিযান চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন