০১:০২ পি.এম
ঢাকা, ২৬ জুলাই, ২০২৬ : ইরান শনিবার ইউক্রেনকে দায়ী করেছে কাস্পিয়ান সাগরে দেশটির একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে একজন নাবিককে হত্যা এবং অপর একজনকে আহত করার জন্য। তেহরান একই সাথে এ ঘটনার জবাব দেওয়ার জন্যও সতর্কবার্তা প্রদান করেছে।
এই অভিযোগের সুত্রপাত ঘটেছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির একটি উল্লেখযোগ্য ঘোষণার পর, যেখানে তিনি কাস্পিয়ান সাগরে ইরান-সংশ্লিষ্ট সামরিক মালামাল বহনকারী জাহাজে দূরপাল্লার হামলার কথা জানান। ইরানের এই অভিযোগ থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সংঘাত সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, শনিবার সকালে ওই হামলার ফলে জাহাজটিতে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একজন নাবিক নিহত ও অপর একজন আহত হন।
আরও পড়ুন: কাতারের সঙ্গে নতুন চুক্তিতে মার্কিন এলএনজি নিয়ে ভারতের নজর
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ‘রাশিয়া ও ইউক্রেনের সংঘাতে কখনোই হস্তক্ষেপ করেনি।’
উল্লেখ্য, শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী কাস্পিয়ান সাগরে দূরপাল্লার হামলায় ‘খুবই শক্তিশালী সাফল্য’ অর্জন করেছে। এতে ইরান-সংশ্লিষ্ট সামরিক মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত জাহাজ এবং একটি যুদ্ধজাহাজও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
অপরদিকে, ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা এসবিইউ টেলিগ্রামে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা সব মালবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা পরিচালিত হয়েছে, যেগুলো ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে সামরিক মালামাল পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হতো।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে এ ‘বৈরী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের’ প্রতিবাদ জানাতে।
আরও পড়ুন: বাইন্যান্স হ্যাকের এফবিআই অভিযোগকে ‘উসকানি’ বললেন কিমের বোন
ইরনা আরও জানাচ্ছে যে, এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাসের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এ হামলার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ‘কঠোর জবাব’ দাবি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন