ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মশক নিধন ও বর্জ্যমুক্ত সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া


মশক নিধন ও বর্জ্যমুক্ত সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া

প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। এক সময় ডেঙ্গুর মৌসুম বলতে শুধু বর্ষাকালকেই বোঝানো হতো। কিন্তু এখন সে ধারণা পাল্টে গেছে। এডিস মশার জীবনচক্রের পরিবর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জনসচেতনতার ঘাটতির কারণে এখন শীত-গ্রীষ্মেও ডেঙ্গুর সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। ডেঙ্গু এখন আর সাধারণ কোনো রোগ নয়। এটি পুরো জাতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। দেশের অন্যান্য জেলার মতো বগুড়াতেও চোখ রাঙ্গাতে পারে ডেঙ্গু বা এডিস মশা। সুস্থ

ডেঙ্গুমুক্ত ও বর্জ্যমুক্ত আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন। এ লক্ষ্যে মহানগরে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য র‌্যালিসহ মশক নিধনে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

এদিকে, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, মশক নিধনে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের ২১টি ওয়ার্ডে ৪২টি ফগার মেশিন প্রয়োজন, সেখানে বর্তমানে ১২টি মেশিন পাওয়া যাচ্ছে। এই ১২টি মেশিন দিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে। পর্যাপ্ত জনবল ও ফগার মেশিনের অভাবে প্রাচীন এই মহানগরীর ২১টি ওয়ার্ডে নার্ভানাশক ওষুধ স্প্রে করতে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, র‌্যালি ও সমাবেশ

জানা যায়, জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এডিস মশার প্রজননের অনুকূল সময়। এই সময়ে জমে থাকা পানিতে মশার ডিম দ্রুত লার্ভায় পরিণত হয় এবং থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে প্রজনন আরো বাড়ে। বর্ষাকাল আসলে বগুড়া মহানগরের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকে। জমে থাকা পানির কারণে এডিস মশার সংখ্যা বেড়ে যায়। তখন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও বাড়ে। এডিস মশা মূলত পরিচ্ছন্ন পানি থেকেও জন্ম নেয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পানিতে তারা ডিম পাড়ে এবং সেখানেই তাদের বৃদ্ধি ঘটে। এ জন্য বাড়ির আশেপাশে, আনাচে-কানাচে যত টব, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার রয়েছে সেগুলো পরিষ্কার করতে হবে। শুধুমাত্র ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত নজরদারি এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা ছাড়া কার্যকর ফলাফল পাওয়া যাবে না।

অন্যদিকে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বগুড়ার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য মহানগরের বিভিন্ন স্থানে ফেলা হলেও আধুনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা না থাকায় পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ফেলা ও জলাশয়ে আবর্জনা নিক্ষেপ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। নবগঠিত বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন নগরীকে বর্জ্যমুক্ত ও ডেঙ্গুমুক্ত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন স্থানে ড্রাম, বালতি বা পরিত্যক্ত টায়ারে জমে থাকা পানি পরিষ্কারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া মহানগরের যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা রোধ করে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. মো. গোলাম ছারোয়ার জানিয়েছেন, ডেঙ্গু হচ্ছে একটা ভাইরাস। এটি মশার মাধ্যমে ছড়ায়। আর মশাটা হচ্ছে এটার একটি বাহক। এই বাহকটা যখন একটি আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে কামড় দেয়, কামড় দেওয়ার পরে ওই ব্যক্তির শরীর থেকে ভাইরাসটা তার শরীরে নিয়ে নেয়। এই মশাটা যখন আবার একটি সুস্থ মানুষের শরীরে কামড়ায় তখন ওই ভাইরাসটা সুস্থ মানুষের শরীরে চলে যায়। বগুড়া সিটি কর্পোরশনের এখন বড় দায়িত্ব মশক নিধন করা। মশক নিধনের ওষুধ সঠিকভাবে মহানগরের বিভিন্ন স্থানে স্প্রে করতে হবে।

বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাঈদ আলী জানিয়েছেন, মশক নিধনে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের ২১টি ওয়ার্ডে ৪২টি ফগার মেশিন প্রয়োজন। সেখানে বর্তমানে ১২টি মেশিন রয়েছে। এই ১২টি মেশিন দিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে। বর্তমানে নার্ভানাশক ওষুধ (কীটনাশক) ৯০০ কেজি জমা আছে, যা দিয়ে চলতি বর্ষায় মশক নিধন করা সম্ভব। কিন্তু জনবলের অভাবে সময়মত মশক নিধন নার্ভানাশক স্প্রে করা যাচ্ছে না। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম চলমান রাখা হচ্ছে। প্রতিদিন এসব সমস্যা নিয়ে মাইকিং, পোস্টারিং ও লিফলেট বিতরণ করাও চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন: নাটোরের বড়াইগ্রামে প্রাচীন রামাগাড়ী কাচারীঘরের জমি অবৈধ দখলের অভিযোগ, বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্য

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মনজুর মোর্শেদ জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে কেউ ভর্তি হয়নি। তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে হাসপাতালে আলাদা ইউনিট প্রস্তুত রয়েছে। আক্রান্ত রোগীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ইরানের ডিফেন্ডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ইরানের ডিফেন্ডার

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ভিএআরে গোল বাতিল হওয়া এবং পেনাল্টি মিসসহ নানা নাটকীয়তায় মোড় নেয় মিশর ও ইরানের ম্যাচ। খেলাটি শেষে ১-১ গোলে ড্র হয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল। এই ড্র হওয়ার পর আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন ইরানের ডিফেন্ডার রামিন রেজাইয়ান।

রেজাইয়ান সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চান এবং আশা প্রকাশ করেন যে নকআউট পর্বে পৌঁছে আবারও দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারবেন তারা। 'প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ' নির্বাচিত হওয়ার পরও তিনি হতাশা লুকাতে পারেননি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে রেজাইয়ান বলেন, আমি জানি না কেন, আমি এত দুর্ভাগা। আমি জানতে চাইছি আমরা পরের ধাপে যেতে পারব কি না, যাতে মানুষের মন ভালো হয়। ইরানের জনগণ, আমরা আপনাদের অনেক ভালোবাসি, আমাদের ক্ষমা করবেন।

বাঁচা-মরার ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত মিনিটে ইরানের ডিফেন্ডার শোজা খলিলজাদেহ মিসরের জালে বল জড়াতে সক্ষম হন। তখন সতীর্থদের সঙ্গে জয় উদযাপনে মেতে ওঠেন তিনি। কিন্তু ভিএআরের পর্যালোচনার পর অফসাইডের কারণে রেফারি সেই গোলটি বাতিল করে দেন।

প্রথমার্ধে দলের হয়ে সমতাসূচক গোলটি অর্জন করেন রেজাইয়ান। বেলজিয়াম ও মিশরের পেছনে থাকা 'টিম মেলি' (ইরান দল) গ্রুপ 'জি'-তে তৃতীয় স্থান অর্জন করে। নকআউট পর্ব নিশ্চিত করতে তৃতীয় দলগুলোর সার্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ের তালিকার ফলাফল আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে তাদের।

এই পরিস্থিতিতে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার মধ্যকার ম্যাচে যেকোনো একটি দল জয় পরাজয় পেলে এবং ঘানার ক্রোয়েশিয়াকে হারালে কিংবা কঙ্গো উজবেকিস্তানের বিপক্ষে হারলে রাউন্ড অব ৩২-এ পৌঁছে যাবে রেজাইয়ানরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথম দিনেই ৮১ হাজার ভিউ, ‘বসন্তের কোকিল’ ঘিরে দর্শকদের উচ্ছ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


প্রথম দিনেই ৮১ হাজার ভিউ, ‘বসন্তের কোকিল’ ঘিরে দর্শকদের উচ্ছ্বাস

খেলার উন্মাদনার মাঝেও শ্রোতাদের জন্য নতুন চমক নিয়ে হাজির হয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সিঁথি সাহা।

তার কণ্ঠে প্রকাশিত নতুন রোম্যান্টিক ড্যান্স ট্র্যাক ‘বসন্তের কোকিল’ মুক্তির পর থেকেই দর্শক-শ্রোতাদের দারুণ সাড়া পাচ্ছে।

অনুপম মিউজিকের ব্যানারে প্রকাশিত গানটি মুক্তির প্রথম দিনেই ৮১ হাজারের বেশি ভিউ অর্জন করেছে।

অল্প সময়ের মধ্যেই গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং শ্রোতাদের ইতিবাচক মন্তব্য কুড়াচ্ছে।

গানটির প্রাণবন্ত সুরের পাশাপাশি মিউজিক ভিডিওতে অভিনেত্রী অলংকার চৌধুরীর পারফরম্যান্সও দর্শকদের নজর কেড়েছে।

‘বসন্তের কোকিল’ গানটির কথা লিখেছেন রণক রায়হান।

সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন আকাশ সেন।

এর আগে ‘দুষ্টু কোকিল’, ‘প্রিয়তমা’ ও ‘মায়া মায়া লাগে’-এর মতো জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এই সংগীত পরিচালক।

নতুন গানটি নিয়ে সিঁথি সাহা বলেন, ‘এই গানটি গাইতে গিয়ে ভীষণ আনন্দ পেয়েছি।

এর সুর, কথা ও সংগীতায়োজন খুবই প্রাণবন্ত।

ভিডিওটা দেখলেও মন ভালো হয়ে যায়।

এটি প্রকাশের পর দর্শকদের ভালোবাসা আমাকে সত্যিই অনুপ্রাণিত করছে।

আশা করছি, গানটি দীর্ঘদিন শ্রোতাদের প্লেলিস্টে থাকবে।’

গানটির মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন অলংকার চৌধুরী ও শিফাত আমিন শুভ।

ভিডিওটির পরিচালনা, চিত্রগ্রহণ ও সম্পাদনা করেছেন চন্দন রায় চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের ধারাবাহিক হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


ইরানের ধারাবাহিক হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিল। তবে সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি এখন ভেঙে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে। বিশেষ করে, হরমুজ প্রণালী, যা বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট, সেটিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আবারও পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়ে পড়েছে। আগের যুদ্ধের ক্ষত শুকানোর আগেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

এসবের মধ্যেই মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল একটি প্রতিবেদনে জানাচ্ছে, বাহরাইনের মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদরদফতরে ইরানি বাহিনীর মুহুর্মুহু হামলা হচ্ছে। এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিনিদের নিজেদের স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে নতুনভাবে ভাবা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে।

নেভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি বাহরাইন নামে পরিচিত এই ঘাঁটি মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের প্রধান কার্যালয় এবং এই অঞ্চলে মার্কিন নৌ-অপারেশনগুলোর প্রধান কমান্ড সেন্টার হিসেবেও কাজ করছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত এক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত।

গত ফেব্রুয়ারির শেষভাগ থেকে জুনের মধ্যে ইরান এই ঘাঁটিতে একাধিক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করে। যদিও একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে অনেকগুলো হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছিল, কিন্তু কিছু ক্ষেপণাস্ত্র মূল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলায় ঘাঁটির প্রধান কমান্ড হেডকোয়ার্টার, আরও এক ডজনেরও বেশি ভবন এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত দুটি স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে পেন্টাগন সম্পূর্ণ ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করেনি।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হামলার তীব্রতা বাড়ার আগেই বেশিরভাগ সেনা ও কর্মকর্তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ায় ঘাঁটিতে কেউ নিহত হয়নি। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, ভবন নয়, সামরিক বাহিনীর মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের জীবন রক্ষা করা।

তিনি এ ব্যাপারে বলেন, এই কৌশলটি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। কারণ ইরান ৮ হাজারেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করার পরও পুরো সংঘাতে মাত্র দুটি হামলায় মার্কিন সেনাদের প্রাণহানি ঘটেছে।

ইরানের এসব হামলা মার্কিন কর্মকর্তাদের স্তম্ভিত করেছে কারণ এটি প্রমাণ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সুরক্ষিত সামরিক ঘাঁটিও পুরোপুরি নিরাপদ নয়। ইরান এমনসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে, যেগুলোর নির্মাণ ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত অত্যন্ত ব্যয়বহুল অস্ত্রের তুলনায় অনেক কম।

এছাড়া, ইরানের কাছাকাছি অবস্থিত বিশাল ও স্থায়ী ঘাঁটিগুলোও নিরাপদ কি না, তা নিয়ে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা সন্দিহান হয়ে পড়েছেন। এখন যুক্তরাষ্ট্র একটি নির্দিষ্ট স্থানে সেনা এবং সরঞ্জাম পুঞ্জীভূত করার পরিবর্তে তাদের বাহিনীকে একাধিক ঘাঁটিতে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। একই সাথে তারা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করার এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে সুরক্ষার উপায় উন্নত করার চেষ্টা করছে। সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


কুড়িগ্রামে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুড়িগ্রামে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে কুড়িগ্রাম পৌর টাউন হলে জেলা শাখার আয়োজনে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ।

উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। এছাড়া কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি কে. এম. নাজমুল হুদার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জিয়াউল হায়দার পলাশ, ডিপ্লোমা কৃষিবিদ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব সৈয়দ জাহিদ হোসেন এবং জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলামসহ স্থানীয় কৃষিবিদরা।

‘যারা যোগায় ক্ষুধার অন্ন, ডিপ্লোমা কৃষিবিদ আছেন তাঁদের জন্য’ এবং ‘ডিপ্লোমা কৃষিবিদ এগিয়ে গেলে কৃষি যাবে সফলতায়’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আলোচনা সভাটি কৃষি উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং মাঠপর্যায়ে ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার বিষয়গুলো উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%