রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৪ পি.এম
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্য-অযোগ্যতাটা তৈরি করে নির্বাচন কমিশন। এখন নির্বাচন কমিশন আমাদের আইন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা, সবকিছু নিয়ে ঠিক করবে যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন, কি পারবেন না।"
এছাড়া, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে, সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সেখানে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হকি বিশ্বকাপের সূচির আগে ভারতীয় হকি দলের জার্সি নিয়ে একটি নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নীল জার্সি থেকে আচমকাই ‘গেরুয়া’ রঙে পরিবর্তন ঘটানো হয়, কিন্তু বিতর্কের কারণে আবার নীল রঙে ফিরে আসা হয়েছে। এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য হকি ইন্ডিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
হকি ইন্ডিয়ার সভাপতি দিলীপ তিরকে আরকে শ্রীবাস্তব, যিনি সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি), তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছেন।
শ্রীবাস্তবকে পাঠানো শোকজ নোটিশে জালিয়াতি, আর্থিক অনিয়ম এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের মতো মোট আটটি গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। তাকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এসব অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন তিনি সংস্থার কোনো দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের অনুমতি পাবেন না।
ভারতীয় হকি দলের জার্সির রঙ পরিবর্তনের একক সিদ্ধান্তের জন্য শ্রীবাস্তবকে মূল দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি সভাপতি দিলীপ তিরকে এবং দলের কোচ ও খেলোয়াড়দের কোনো গুরুত্ব না দিয়ে এককভাবে নীল জার্সি পরিবর্তন করে গেরুয়া রঙে নিয়ে আসেন। পরে আবার নীল রঙে ফিরে আসার সিদ্ধান্তটিও তিনি একা নিয়েছেন। এছাড়াও, হকি ইন্ডিয়া লিগের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি আসর ফেলে রেখে কাউকে না জানিয়ে বিশ্বকাপের সময় তিনি নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
নোটিশে শ্রীবাস্তবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, তাকে হকি ইন্ডিয়ার সকল নথি, গোপন ফাইল এবং অফিসিয়াল কাগজপত্র অবিলম্বে সংস্থাকে হস্তান্তর করতে হবে। তার ব্যক্তিগত হেফাজতে কোনো ফাইল রাখা বা নথিতে স্বাক্ষর করার ক্ষমতা থাকবে না। যদি কোনো তথ্য বা প্রমাণ ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়, তাহলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং কড়া আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
তবে হকি ইন্ডিয়া স্পষ্ট করেছে যে, এটি চূড়ান্ত শাস্তি নয়। শ্রীবাস্তব যদি চার সপ্তাহের মধ্যে নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে তাকে সসম্মানে পদে ফিরিয়ে নেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে চাকরি হারানোর পাশাপাশি কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে এই বিতর্কিত কর্মকর্তাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় বাজারে যাওয়ার সময় আব্দুল মজিদ (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে নিহত হয়েছেন। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের শাকদাহ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল মজিদ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিনেরপোতা বসুন্ধরা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সকালে বাইসাইকেল নিয়ে পাটকেলঘাটা বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন আব্দুল মজিদ। শাকদাহ এলাকায় পৌঁছানোর পর সাতক্ষীরা থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
দুর্ঘটনাস্থলে ‘সৌদিয়া পরিবহন’ লেখা একটি বাসের লুকিং গ্লাস পড়ে থাকতে দেখা যায়।
নিহতের ছেলে কালাম মোড়ল ও সালাম মোড়ল জানান, তাঁদের বাবা সকালে কাজের উদ্দেশ্যে বাইসাইকেলে পাটকেলঘাটা বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে শাকদাহ এলাকায় একটি বাস তাঁকে ধাক্কা দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
পাটকেলঘাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি পালিয়ে যায়। এ কারণে বাসটি আটক করা সম্ভব হয়নি।
তিনি জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
দুর্ঘটনার পর বাসটি পালিয়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আর মাত্র ১৪ দিনের তেল গচ্ছিত রয়েছে। এই দাবির ফলে বিশ্বজুড়ে একটি বিতর্ক শুরু হয়েছে।
দাবির সমর্থনে একটি সরল গাণিতিক হিসাব উপস্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, দেশটির স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভে (এসপিআর) ২৮৬.৬ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে এবং তারা দৈনিক প্রায় ২০.৭ মিলিয়ন ব্যারেল ব্যবহার করে। এই দুই সংখ্যাকে ভাগ করলে ফলাফল আসে ‘১৪ দিন’!
যদিও এই দাবিটি সোজাসাপ্টা মনে হচ্ছে, প্রকৃতপক্ষে এই গাণিতিক হিসাব মারাত্মক ভুল এবং বিভ্রান্তিকর। তবে এই ভাইরাল দাবির আড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি খাতের একটি সত্যিকার উদ্বেগের চিত্র চাপা পড়ে গেছে।
এই ভুল হিসাবটি মূলত দুটি ভিন্ন বিষয়কে গুলিয়ে ফেলেছে।
প্রথমত, এসপিআর কেবল সরকারের আপৎকালীন জরুরি মজুদ। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন যে ২০.৭ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ব্যবহার করে, তা পরিশোধিত জ্বালানি, যার মধ্যে পেট্রল, ডিজেল এবং জেট ফুয়েল অন্তর্ভুক্ত।
দ্বিতীয়ত, এই দাবির বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত উৎপাদনকে সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করা হয়েছে। বিষয়টি এমনভাবে দাঁড়ায়, যেন একটি পরিবার প্রতিদিন বাজারে কতটুকু কেনাকাটা করছে বা রান্না করছে তা না গুনে, কেবল ঘরে মজুদ থাকা খাবার দেখে বলে দেওয়া হলো—‘তাদের খাবার শেষ হতে আর ১৪ দিন বাকি!’
বাস্তবতা হলো, যুক্তরাষ্ট্র কেবল জরুরি মজুদের ওপর নির্ভর করে চলে না।
মার্কিন এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশটি দৈনিক গড়ে ১৩.৯ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিজেই উৎপাদন করে। এছাড়া বাণিজ্যিক মজুদে প্রায় ৪২৪.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল গচ্ছিত রয়েছে। প্রতিদিন তাদের রিফাইনারিগুলোতে প্রায় ১৭.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল শোধন করা হয় এবং এর বাইরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি ও রপ্তানি অব্যাহত রয়েছে। অর্থাৎ আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র কোনোভাবেই তেলশূন্য হয়ে পড়ছে না।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের তেল হঠাৎ ফুরিয়ে না গেলেও আসল উদ্বেগ হলো, মার্কিন আপৎকালীন জ্বালানি সুরক্ষার ‘বীমা’ এখন স্মরণকালের সবচেয়ে কম।
১৯৭৩-৭৪ সালের আরব তেল অবরোধের ধাক্কা পর ১৯৭৫ সালে মার্কিন কংগ্রেস এসপিআর গঠন করে। মেক্সিকো উপসাগরের বিশাল ভূগর্ভস্থ টানেলে রাখা এই রিজার্ভের ধারণক্ষমতা প্রায় ৭১৪ মিলিয়ন ব্যারেল। ২০২০ সালে যেখানে দেশটির জরুরি মজুদ ছিল ৬৩৮ মিলিয়ন ব্যারেল, ২০২৬ সালের আগস্ট শেষে তা ১৯৮২ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে এসে মাত্র ২৮৬.৬ মিলিয়ন ব্যারেলে ঠেকেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে মূলত এই জরুরি তহবিল খালি হয়েছে। ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে বাইডেন প্রশাসন এসপিআর থেকে রেকর্ড ১৮০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ে। এতে জ্বালানির দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও জরুরি মজুদ বড় ধাক্কা খায়।
পরবর্তীতে ২০২৬ সালে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সংকট এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের প্রধান রুট ‘হরমুজ প্রণালী’ অবরুদ্ধ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ট্রাম্প প্রশাসন এসপিআর থেকে আরও ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার ঘোষণা দেয়। ফলে গত এপ্রিলে ৪১৩.৩ মিলিয়ন ব্যারেলে থাকা মজুদ মাত্র চার মাসের ব্যবধানে ১২৭ মিলিয়ন ব্যারেল কমে ২৮৬.৬ মিলিয়নে নেমে আসে।
আজ যদি নতুন কোনো আন্তর্জাতিক যুদ্ধ, সমুদ্র অবরোধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তবে ওয়াশিংটনের হাতে বাজার নিয়ন্ত্রণ করার মতো পর্যাপ্ত ‘রসদ’ বা ‘অস্ত্র’ অবশিষ্ট নেই।
জরুরি রিজার্ভ থেকে প্রতিদিন এভাবে তেল ছাড়া দীর্ঘ মেয়াদে সম্ভব নয়। আবার সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হু-হু করে লাফিয়ে বাড়তে পারে। এ ছাড়া বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী গৃহীত এই তেল ভবিষ্যতে চড়া দামে কিনে আবার সরকারি গুদামে ভরতে হবে, যা মার্কিন অর্থনীতির জন্য নতুন চাপ তৈরি করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার কেরানীগঞ্জে র্যাব-১০ এর অভিযানে নাগরিকদের গোপনীয় ও রাষ্ট্রীয় সংবেদনশীল তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ, ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের অভিযোগে মোঃ মেহেদী হাসান (২১) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব-১০ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত মেহেদী হাসান অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের সহায়তায় বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে মোবাইল সিমের মালিকানা তথ্য, কল লিস্ট, লাস্ট কল লোকেশন, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্মনিবন্ধন, টিআইএন, বিকাশ ও নগদসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল।
র্যাব আরও জানায়, মেহেদী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে অধিক মূল্যে সরবরাহ করত।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে র্যাব-১০, সিপিসি-১, যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন পূর্ব চড়াইল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করে। তিনি পটুয়াখালীর কমলাপুর ইউনিয়নের ধরান্দী এলাকার মোঃ সোহরাব হোসেনের ছেলে।
এ সময় তার হেফাজত থেকে অপরাধে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে মোবাইল ফোনটি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ফেসবুক আইডি, হোয়াটসঅ্যাপ ও নগদ অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গেছে।
র্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামি ও তার সহযোগীরা পরস্পর যোগসাজশে ডিজিটাল ডিভাইস ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বেআইনিভাবে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, স্থানান্তর ও সরবরাহের মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে উদ্ধারকৃত আলামতসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১০ জানিয়েছে, নাগরিকদের ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে৷
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ