ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

যশোরে সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, পাঁচ এমপির বাতিলের দাবি


যশোরে সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, পাঁচ এমপির বাতিলের দাবি

যশোরের ৯৩টি ইউনিয়ন ও আটটি পৌরসভায় সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে চরম দলীয়করণ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রকৃত ব্যবসায়ী এবং কৃষির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যোগ্য ব্যক্তিদের বঞ্চিত করে রাজনৈতিক পরিচয় এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে অনেককে সার ডিলারশিপ প্রদান করা হয়েছে। এমনকি একাধিক ফৌজদারি মামলার আসামি, মাদক কারবারে আটকের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির স্ত্রী এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মীও ডিলারশিপ পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল, অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত এবং সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ করে সৎ ও যোগ্য ব্যবসায়ীদের ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন পাঁচ সংসদ সদস্য।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ সংসদ সদস্যের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন যশোর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রছুল।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য থাকা সত্ত্বেও সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে তাঁদের পরামর্শ ও সুপারিশ যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, জেলা প্রশাসক সরকারদলীয় ব্যক্তিদের দেওয়া তালিকা চূড়ান্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সততা, দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং কৃষির সঙ্গে তাঁদের বাস্তব সম্পৃক্ততার পরিবর্তে রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন সংসদ সদস্যরা।

আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

তাঁদের অভিযোগ, সার ডিলার নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে কৃষি উপকরণের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত প্রকৃত ব্যবসায়ী এবং কৃষকদের সেবা দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে—এমন ব্যক্তিরা বঞ্চিত হয়েছেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রভাব ও অনিয়মের মাধ্যমে অযোগ্য বা বিতর্কিত ব্যক্তিদের ডিলারশিপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সংবাদ সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক গোলাম রছুল কয়েকজন ডিলারের নাম উল্লেখ করে তাঁদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, বাঘারপাড়া উপজেলার বাসুয়ারী ইউনিয়নের হাবিবুর ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী হাবিবুর রহমানকে সার ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ব্যাংক ডাকাতি ও প্রতারণাসংক্রান্ত মামলা রয়েছে বলে দাবি করেন এই সংসদ সদস্য। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এমন অভিযোগ ও মামলার বিষয় থাকা সত্ত্বেও একজন ব্যক্তিকে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

এ ছাড়া মনিরামপুর পৌরসভায় নাফিজ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মাসুদ পারভেজ রুবেলকে ডিলারশিপ দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন অধ্যাপক গোলাম রছুল। তিনি দাবি করেন, মাসুদ পারভেজ রুবেল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির ছেলে। একই সঙ্গে মনিরামপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট সালাউদ্দীনের ডিলারশিপ পাওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: সৈয়দপুরে কাকলী রানী দাসের তিন সন্তানের জন্ম

সংসদ সদস্যের এসব বক্তব্যের মাধ্যমে সার ডিলার নিয়োগে রাজনৈতিক পরিচয়, পারিবারিক সম্পর্ক এবং প্রার্থীদের অতীত কর্মকাণ্ড যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না, সে প্রশ্ন সামনে এসেছে। তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলার, প্রশাসন কিংবা কৃষি বিভাগের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও নিয়োগপ্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে শুধু ডিলার নিয়োগ নয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি গঠন নিয়েও আপত্তি জানান সংসদ সদস্যরা।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এসব কমিটিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি কৃষক, ব্যবসায়ী ও সামাজিক প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের পরামর্শ ও সুপারিশ গ্রহণ না করেই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

সংসদ সদস্যদের দাবি, কৃষি খাতের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ব্যক্তি ও প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করার পরিবর্তে জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের কমিটিতে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মতে, সার ও বীজের সরবরাহ, বিতরণ, বাজার পরিস্থিতি এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এসব কমিটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে দলীয় বিবেচনার পরিবর্তে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ, অভিজ্ঞতা এবং সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহ বোর্ড, শতভাগ অকৃতকার্য ১৯ প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিলের হুঁশিয়ারি

তাঁরা আরও বলেন, সার ডিলার নিয়োগ ও মনিটরিং কমিটি গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না হলে কৃষি উপকরণ বিতরণব্যবস্থায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এতে প্রকৃত কৃষক ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, সার কৃষি উৎপাদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। সময়মতো এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের কাছে সার পৌঁছে দেওয়া খাদ্য উৎপাদন ও কৃষি ব্যবস্থাপনার জন্য অত্যন্ত জরুরি। এ কারণে সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, সততা, অভিজ্ঞতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তাঁদের অভিযোগ, নিয়োগে রাজনৈতিক বিবেচনা ও অনিয়ম প্রাধান্য পেলে কৃষকদের প্রকৃত সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে কৃষি উপকরণের সুষ্ঠু বিতরণব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ, প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি বলে মনে করেন তাঁরা।

বক্তারা বলেন, সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও দলীয়করণের অভিযোগের কারণে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে।

আরও পড়ুন: দুই হাতের আঙুল নেই, পা দিয়ে লিখে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৩.৫০ অর্জন কলি রানীর

সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ সংসদ সদস্যের পক্ষে অধ্যাপক গোলাম রছুল বর্তমান সার ডিলার নিয়োগপ্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যেসব নিয়োগের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ডিলারশিপ বাতিল করে সরকারি বিধিবিধান অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দিতে হবে।

তাঁরা আরও দাবি করেন, সার ডিলার নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সুপারিশের পরিবর্তে নির্ধারিত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। একই সঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি গঠনের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং কৃষক, ব্যবসায়ী ও সামাজিক প্রতিনিধিদের যথাযথ অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সার ডিলার নিয়োগে কথিত দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বক্তারা বলেন, কৃষি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্ব গ্রহণযোগ্য নয়। তাই অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রকৃত, সৎ ও যোগ্য ব্যবসায়ীদের ডিলারশিপ নিশ্চিত করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যশোর-১ (শার্শা) আসনের সংসদ সদস্য আজিজুর রহমান, যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিন ফরিদ, যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য মোক্তার আলী, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু জাফর, সহসেক্রেটারি গোলাম কুদ্দুস, যশোর জেলা প্রচার সেক্রেটারি অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন বিশ্বাসসহ দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে খেলার মাঠের জন্য সরকার ১২০ শতাংশ জমি ও অবকাঠামো নির্মাণে সহায়তা দেবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫ অসহায় ব্যক্তিকে অনুদানের চেক দিলেন এমপি বুলবুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫ অসহায় ব্যক্তিকে অনুদানের চেক দিলেন এমপি বুলবুল

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুস্থ, অসহায়, অসুস্থ, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীন ২৫ জন ব্যক্তির মাঝে বিশেষ অনুদান হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে চেক বিতরণ করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। এতে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার অনুদান দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৯টায় সদর উপজেলা পরিষদের মিনি কনফারেন্স রুমে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচিত উপকারভোগীদের হাতে এসব চেক তুলে দেওয়া হয়। চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সমাজের দুস্থ, অসহায়, অসুস্থ, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীন মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। অসচ্ছল মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘব এবং জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ যেন প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা পান, সে লক্ষ্যেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। মানুষের কল্যাণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার চেষ্টা করা হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকরামুল হক নাহিদ। তিনি বলেন, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য এ ধরনের আর্থিক সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে উপকারভোগী নির্বাচন করে প্রয়োজনের ভিত্তিতে সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়া হলে তা তাঁদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সমাজের অসচ্ছল মানুষের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এ সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি তোহরুল ইসলাম সোহেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে কঁচা নদীতে অভিযান: ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার কাউখালী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


কাউখালীতে কঁচা নদীতে অভিযান: ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস

 

পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে কঁচা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরের দিকে কঁচা নদীর বেকুটিয়া প্রান্ত থেকে প্রায় ৮ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ হাজার টাকা।
কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জীব সনামতের নেতৃত্বে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালিয়ে এসব অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত জালগুলো পরবর্তীতে স্থানীয় সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযানের সার্বিক বিষয় উল্লেখ করে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জীব সনাতন বলেন, “জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত সার্বক্ষণিক তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।” তিনি আরও যুক্ত করেন, ইলিশের প্রজনন সফল হলে এর সুফল স্থানীয় জেলেসহ সর্বস্তরের মানুষই ভোগ করবেন। তাই মা ইলিশ রক্ষায় তিনি সবাইকে তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
এদিকে কাউখালী উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার ও মৎস্য অধিদপ্তরের সার্বিক নির্দেশনায় মা ইলিশ রক্ষায় নিয়মিত টহল ও অভিযান চালানো হচ্ছে। নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে পুরো প্রজনন মৌসুমজুড়েই এ ধরনের অভিযান কঠোরভাবে পরিচালিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার হলো কর্ণফুলী ট্রেনের ৪ বগি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


১৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার হলো কর্ণফুলী ট্রেনের ৪ বগি

কুমিল্লার লাকসামে লাইনচ্যুত হওয়া কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনসহ চারটি বগি উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ১৬ ঘণ্টা পর। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে রিলিফ ট্রেনের সহযোগিতায় উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও দুর্ঘটনাকবলিত রেললাইন মেরামতের কাজ এখনও চলছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদি সকাল ১০টার মধ্যে সংস্কারকাজ শেষ হয়, তবে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের ঢাকা অভিমুখী আপলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে পারে।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লাকসামের নাওটী স্টেশনসংলগ্ন আজগরা এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। এই দুর্ঘটনার ফলে ইঞ্জিনসহ চারটি বগি লাইন থেকে ছিটকে পড়ে। দুর্ঘটনার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও বিকল্প লাইন ব্যবহার করে ট্রেন চলাচল অব্যাহত রাখা হয়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে আসা রিলিফ ট্রেন উদ্ধার কাজ শুরু করে। বৃহস্পতিবার ভোরে বগি উদ্ধারের কাজ শেষ হলেও ক্ষতিগ্রস্ত রেলপথ মেরামত ও প্রয়োজনীয় কারিগরি কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় আপ লাইনে স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল শুরু করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রেললাইন মেরামতের জন্য খোলা থাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা জানান, নাওটী স্টেশনের উত্তর পাশে লাইনচ্যুতির ঘটনাটি ঘটে। তাদের দাবি, রেললাইনে সংস্কারকাজ চলার বিষয়টি কর্ণফুলী কমিউটারের চালককে পূর্বে জানানো হয়নি।

বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার নাওটী রেলস্টেশনের আউটার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দুর্ঘটনাস্থলের আপ লাইনে মেরামতের কাজ চলছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংস্কারকাজ ও প্রয়োজনীয় কারিগরি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা অভিমুখী আপ লাইনে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্প যেখানে চুক্তি দেখেন, পুতিনের চোখে তা রাশিয়ার জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


ট্রাম্প যেখানে চুক্তি দেখেন, পুতিনের চোখে তা রাশিয়ার জয়

ডনাল্ড ট্রাম্প যদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হতেন, তবে তিনি ইউক্রেনের যুদ্ধের সমাপ্তির জন্য দ্রুত ও সহজ একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন — এমনকি তার মতে, এটি ‘মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই’ সম্ভব হতে পারত। ট্রাম্পের দৃষ্টিতে, এটি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করার প্রয়োজন নেই।

এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের পঞ্চম বছরে পদার্পণের ফলে ট্রাম্পের ভাষায় প্রতি মাসে সম্মুখসমরে প্রাণ হারানো হাজার হাজার ‘তরুণ, সুন্দর শিশু-কিশোর’-এর হত্যাকাণ্ড থামানো সম্ভব হবে, এবং এটি লাভজনকও হবে — যা এই যুদ্ধের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক।

সিএনএন জানাচ্ছে, মস্কোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নেওয়া হতে পারে এবং এর পাশাপাশি লাভজনক বাণিজ্যিক চুক্তিগুলো সম্পাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে, ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নন। সেই পদে আছেন ভ্লাদিমির পুতিন। ক্রেমলিনের এই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তির ইউক্রেনে নিজের ঘোষিত যুদ্ধলক্ষ্য থেকে সরে আসার কোনো আগ্রহ নেই — তা সে রুশ ও ইউক্রেনীয়দের জীবন বাঁচানোর খাতিরে হোক, কিংবা নিজের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে আরও কয়েক বিলিয়ন ডলার যুক্ত করার সুযোগই হোক।

এটি একটি মৌলিক ভুল ধারণা, যা লড়াই থামানোর জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের নিষ্ফল প্রচেষ্টাকে পরিচালিত করেছে। সেন্ট পিটার্সবার্গে ট্রাম্পের ব্যবসায়িক বন্ধু স্টিভ উইটকফ এবং পুতিনের মধ্যে সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই ভুল ধারণার বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আলোচনার টেবিলেই পুতিন উইটকফকে জানান, আগের দিন নরওয়েতে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোর ফলাফল সম্পর্কে তিনি ‘কৌতূহলী’। ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও ন্যাটোর কর্মকর্তারা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে মিলিত হয়ে শান্তির নতুন সম্ভাব্য প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন, যার মধ্যে মস্কোর জন্য বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রণোদনার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

পরবর্তীতে ক্রেমলিনের একজন শীর্ষ সহযোগী নিশ্চিত করেন, ট্রাম্পের দূত রুশ নেতাকে আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন। তবে তিনি স্বভাবতই যোগ করেন যে, ‘সত্যি বলতে, ইউক্রেন সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে এগুলোর মধ্যে কার্যকর বা মূল্যবান তেমন কিছুই ছিল না।’

এটি ক্রেমলিনের দিক থেকে একটি সম্পূর্ণ প্রত্যাশিত ফলাফল ছিল। কারণ তারা তাদের কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসতে বরাবরই অস্বীকৃতি জানিয়ে এসেছে, যার মধ্যে রয়েছে পূর্ব ইউক্রেনের পুরো দনবাস অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করা এবং কিয়েভের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নিজেদের মতামত বা প্রভাব নিশ্চিত করা।

তবুও হোয়াইট হাউস সম্ভবত আন্তরিকভাবে আশা করেছিল, ক্রেমলিন সমঝোতার ক্ষেত্রে আরও বেশি সদিচ্ছা দেখাবে, বিশেষ করে গত সপ্তাহে ট্রাম্প যখন রাশিয়ার ডিজেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম কমানোর লক্ষ্যে এটি ছিল একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ, তবে একই সঙ্গে তা মস্কোর জন্য একটি বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধাও বয়ে এনেছে।

পরবর্তীতে ট্রাম্প একটি জ্বালানি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা ইউক্রেনকে রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোর ওপর ড্রোন হামলা বন্ধ করতে বাধ্য করত। তবে সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে।

পাল্টা অভিযোগের এই পর্যায়ে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, ট্রাম্প ইউক্রেনীয় নেতৃত্বের পরিবর্তনেরও আহ্বান জানান, যা স্বাভাবিকভাবেই ক্রেমলিনের জন্য ছিল অত্যন্ত আনন্দদায়ক একটি বার্তা।

তবে মস্কোর কাছে এসব চুক্তি, প্রণোদনা, এমনকি কিয়েভের প্রতি অভিন্ন অবজ্ঞার বিষয়টি নমনীয় হওয়ার বা পিছু হটার ইঙ্গিত হিসেবে গণ্য হচ্ছে না। বরং এগুলোকে এমন একটি লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়ে তাদের কৌশল সুফল বয়ে আনছে।

আর ওয়াশিংটনের কৌশলের বিপরীতে রাশিয়ার এই কৌশল অত্যন্ত সুচিন্তিত। কারণ পুতিন ভালোভাবেই বোঝেন যে ট্রাম্পকে কী বিষয় অনুপ্রাণিত করে। তিনি হোয়াইট হাউসে থাকা নিজের এই খামখেয়ালি প্রতিপক্ষকে বিশাল সব অর্থনৈতিক চুক্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনায়াসেই বিভ্রান্ত করে রাখেন।

সেন্ট পিটার্সবার্গে উইটকফের সাথে আয়োজিত বৈঠকে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এমন আরও কিছু প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সেখানে পুতিন বিতর্কিত ডিজেল চুক্তির প্রশংসা করেন এবং এরপর ইঙ্গিত দেন যে, রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ সারের রফতানিও বাড়াতে পারে। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়।

তিন ঘণ্টা স্থায়ী আলোচনা শেষ হওয়ার পর, রাশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের প্রধান এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ক্রেমলিনের যোগাযোগের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কিরিল দিমিত্রিয়েভ বলেন, ‘আমরা ডেটা সেন্টার, জ্বালানি খাতের বিভিন্ন প্রকল্প এবং জ্বালানি সহযোগিতার মতো নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি।’

আর ক্রেমলিন যে কেবল অর্থনৈতিক প্রলোভন দেখিয়ে অন্যদের খুশি ও মুগ্ধ করে, অথবা হোয়াইট হাউসে নিজেদের প্রতি সহানুভূতিশীল কাউকে পাশে রাখে তা কিন্তু নয়। সেন্ট পিটার্সবার্গে বৈঠকের আগে, ২০২২ সালে মস্কোর পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের শুরুতে ইউক্রেনে আটক হওয়া ৭৪ বছর বয়সি মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ডকে রাশিয়ার মুক্তি দেওয়ার ঘটনাটিকে, পুতিনের ‘মানবতাবাদী’ কাজ হিসেবে অভিহিত করেছেন তোষামোদকারী উইটকফ।

মূলত মিশিগানের বাসিন্দা হাবার্ড রাশিয়ায় দীর্ঘ চার বছর বন্দি থাকার সময় গুরুতর স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগেছিলেন বলে জানা যায়। তবে শেষ পর্যন্ত তার মুক্তি পাওয়ার ঘটনাটিকে হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের চুক্তি সম্পাদনের দক্ষতা এবং পুতিনের নমনীয়তার নিদর্শন হিসেবে প্রশংসা করেছে।

ট্রাম্পের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি সম্মানের নিদর্শন হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্রের এর বিনিময়ে (হাবার্ডের মুক্তির) অন্য কিছু দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না, যা রাশিয়ার জন্য এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতি।’

তবে ক্রেমলিনে থাকা কঠোর স্বভাবের সাবেক কেজিবি কর্মকর্তা (পুতিন) বিষয়টিকে যে সেভাবে দেখেন, এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা কমই।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%