ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খুলনায় সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব, সমস্যা, সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনার


খুলনায় সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব, সমস্যা, সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনার

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সৌরশক্তিকে কাজে লাগানো। বাস্তবতা হচ্ছে, সোলারের যে যুগটা শুরু হয়েছিল সেটা হঠাৎ থমকে গেছে।

গ্রামের হাট-বাজারের ছোট-বড় দোকানগুলোতে সোলারের প্রচলন অনেক বেড়ে গিয়েছিল। তবে তিনি মন্তব্য করেন, এ সেক্টরে কারিগরিভাবে দক্ষ জনবলের অভাব এবং সোলার এনার্জির ক্ষেত্রে বিগত সরকারের অসহযোগিতা দায়ী।

আজ বুধবার দুপুরে, নগরীর সোনাডাঙ্গাস্থ কেসিসি’র সোলার এনার্জি পার্কের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আয়োজিত ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব: সমস্যা, সম্ভাবনা এবং করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেসিসি প্রশাসক এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন/ধানের শীষ নাকি দাঁড়িপাল্লা, কার ওপর আস্থা রাখছেন ভোটাররা

‘প্রকৃতিতে বাঁচি-প্রকৃতি বাচাই’ শিরোনামের নাগরিক সংগঠন পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চ এই সেমিনারের আয়োজন করে। বিকল্প জ্বালানি হিসেবে সোলার এনার্জি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর লক্ষ্য নিয়ে সংস্থাটি এখানে সেমিনারটি আয়োজন করে।

কেসিসি প্রশাসক আরও বলেন, বিকল্প এনার্জি ছাড়া চলা সম্ভব নয়। এটি ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ আমাদের উপলব্ধি করিয়েছে। চায়নার একটি কোম্পানি খুলনায় সোলার প্যানেল ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানি করতে চায়, উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের এই আগ্রহ কাজে লাগাতে হবে।

বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় বিচ্ছিন্নভাবে নয়, সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। একইসাথে তিনি সবুজ শহর বিনির্মাণের পাশাপাশি সোলার শহর বিনির্মাণ আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তিনি জানান, সোলার এনার্জি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করা হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট জ্বালানির মধ্যে বিকল্প জ্বালানির উৎস হিসেবে নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুতের হার তুলে ধরে সেমিনারে বক্তারা বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতায় জ্বালানি তেল, গ্যাস ও কয়লার আমদানিতে জটিলতা এবং এর উচ্চমূল্য অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন: বরিশালে ডিএইচএমএস ভর্তি পরীক্ষা: সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দিল বিএমপি

জ্বালানির অভাবে বহু শিল্প-কারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। পানি ও সেচের অভাবে দেশের কৃষি ও কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ফলে কার্বন নিঃসরণের কারণে আমাদের পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও জলচ্ছ্বাসে আক্রান্ত হচ্ছি। তবে বর্তমান সরকারের সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদনকে খুবই গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে রিনিউয়্যাবল এনার্জি খাতে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এছাড়া, সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সোলার যন্ত্রাংশ আমদানি শুল্কমুক্ত করার কথাও বক্তারা উল্লেখ করেন।

পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের সভাপতি এ্যাড. কুদরত-ই-খুদা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ইয়াহিয়া, কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী মো. সাবিরুল আলম, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিহির লাল সরদার, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. সালাহ উদ্দিন মিনা, ওজোপাডিকো’র সহকারী প্রকৌশলী নন্দলাল চন্দ্র সরকার, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম, কেসিসি’র সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জাহিদ হোসেন শেখ ও জেট নেট বিডি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।

আরও পড়ুন: দুমকিতে লটারির মাধ্যমে কর্মী নির্বাচন, উপস্থিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ইনিশিয়েটিভ ফর রাইট ভিউ’র নির্বাহী পরিচালক মেরিনা যুথি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না: আব্দুস সালাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না: আব্দুস সালাম

বাজেটের অভাবের কারণে অনেক কিছু করা সম্ভব নয়, এ নিয়ে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম। তিনি জানিয়েছেন, তবে কিছু কিছু কাজ বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া সম্ভব হবে না।

এছাড়া বিগত সরকারের তুলনায় বর্তমান প্রশাসনের কর্মকর্তারা অধিক সক্রিয় ও দ্রুততার সঙ্গে কাজ করছেন, এ সম্পর্কে মন্তব্য করেন ঢাকা-৭ আসনের এমপি হামিদুর রহমান হামিদ।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর লালবাগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মশক নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিয়ে জনগণের গণশুনানির আয়োজন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

এ সময় দক্ষিণের প্রশাসক বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়কে লাইট, মশা নিধনে বিশাল প্রকল্প হাতে নিতে হবে। সেইসাথে জনগণকেও সচেতন হতে হবে।

সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নাগরিক সনদ দেওয়ার জন্য কোনো তালবাহানা করা যাবে না। জন্ম সনদে কোনো ঝামেলা হলে, ওয়ারিশ সাটিফিকেট বৈধ হলে তা অবিলম্বে জনগণকে প্রদান করতে হবে। আরও বড় পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে পুরান ঢাকার জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হবে না এবং ওয়াসার পানির লিকেজ, গ্যাসের লাইনের লিকেজসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা তুলে ধরে সেগুলোর সমাধানের পরামর্শ দেন ঢাকা-৭ আসনের এমপি হামিদুর রহমান হামিদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুমাসে চট্টগ্রামের ফলের বাজারে বেড়েছে প্রাণচাঞ্চল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


মধুমাসে চট্টগ্রামের ফলের বাজারে বেড়েছে প্রাণচাঞ্চল্য

মধুমাসের এই সময়ে মৌসুমি সুস্বাদু ফলে সয়লাব হয়ে উঠেছে নগরী ও জেলার বাজারগুলো এবং সড়কপাশের অস্থায়ী দোকানগুলো।

ফলে স্থানীয় বাণিজ্যিক কর্মকা-ে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে অ-বাণিজ্যিক ও বসতভিটাভিত্তিক পারিবারিক ফলচাষের বিস্তৃতি ক্রমান্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

বাজারগুলোতে এখন বিভিন্ন জাতের আম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস ও জামরুলের প্রাচুর্য দেখা যাচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ফলের চাহিদা ও বিক্রি ভালো থাকলেও বিপুল সরবরাহের কারণে মৌসুমের এ সময়ে দাম তুলনামূলক কম রয়েছে।

নগরীর প্রধান পাইকারি ফলের মোকাম রিয়াজউদ্দিন বাজার ও স্টেশন রোডের ফলম-ি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শত শত স্থায়ী ফলের আড়ত ও গুদামে বিভিন্ন ধরনের ফলের বিপুল মজুত রয়েছে।

বাহারি রঙ ও তাজা ফলের সমারোহে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুমি ফলের ব্যাপক সরবরাহ স্থানীয় বাজারে বেচাকেনা বৃদ্ধি করে বাণিজ্যে নতুন গতি এনেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, স্থানীয় ও উন্নত জাতের নানা ধরনের ফল জেলার বিভিন্ন বাজারে উঠতে শুরু করেছে।

সামনের সপ্তাহগুলোতে মৌসুমি ফলের সরবরাহ আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

গাউসিয়া ওয়্যারহাউসের মালিক মো. আরিফ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) জানান, বর্তমানে বাজারে হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, ক্ষীরসাপাত, ল্যাংড়া, ফজলি, আশ্বিনা ও মোহনভোগসহ জনপ্রিয় বিভিন্ন জাতের আম পাওয়া যাচ্ছে।

পাশাপাশি গালা, রসা, খাজা, ছোট খাজা, বড় খাজা, দেশি ও মধু জাতের কাঁঠালও বিভিন্ন আড়তে বিক্রির জন্য প্রদর্শন করা হচ্ছে।

বাজারে বর্তমানে বোম্বাই, মাদ্রাজি, চায়না-১, চায়না-৩, বেদানা, মুজাফফরপুরী, এলাচি, কদমি ও বারি জাতের লিচু পাওয়া যাচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বিশেষ করে চায়না-৩, বোম্বাই ও মাদ্রাজি জাতের উচ্চফলনশীল ও শংকর লিচুর বাণিজ্যিক চাষে কৃষকদের ব্যাপক আগ্রহের ফলে উৎপাদন ও বাজারে সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

হানি কুইন (জলডুগি), জায়ান্ট কিউ, ঘোড়াশাল, ক্যালেন্ডার, দেশি ও পাহাড়ি জাতের আনারসেরও পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে বাজারে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে মান ও আকারভেদে কাঁঠালের দাম প্রতি পিস ১০০ থেকে ৩৫০ টাকা।

অন্যদিকে আম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ১২০ টাকা, আনারস প্রতি পিস ৪০ থেকে ৬০ টাকা এবং লিচু প্রতি ১০০টি ৩০০ থেকে ৭০০ টাকায়।

সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন ফলের দামে ওঠানামা হতে পারে।

তবে অধিকাংশ ফলের দাম বর্তমানে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে।

এদিকে ফলের দাম নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

ফলম-ির পাইকারি বাজারে কেনাকাটা করতে আসা মোহাম্মদ আবদুল হালিম বলেন, মৌসুমি ফলগুলো যেমন পুষ্টিকর, তেমনি সুস্বাদুও।

মৌসুমের শুরুতে দাম কিছুটা বেশি ছিল, তবে বাজারে সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হয়ে আসছে।

ফল বিক্রেতা আলাউদ্দিন জানান, বাজারে সরবরাহ আরও বাড়তে থাকায় আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিভিন্ন ফলের দাম আরও কমতে পারে।

এদিকে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের পাহাড়ি জেলার কৃষকেরা চলতি মৌসুমের ফলন নিয়ে আশাবাদী।

রাঙামাটির কৃষক অরুণজ্যোতি চাকমা বলেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর ফলের উৎপাদন ভালো হয়েছে এবং ফলনও আশাব্যঞ্জক।

অন্যদিকে জেলার বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর এলাকার লিচুচাষি মোস্তাক আহমেদ জানান, চলতি মৌসুমে ‘কালীপুর ব্র্যান্ড’ লিচু বিক্রি করে তিনি উল্লেখযোগ্য মুনাফা অর্জন করেছেন, যা নিয়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ওমর ফারুক জানান, চট্টগ্রাম জেলা ও রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবানের পার্বত্য জেলাগুলোসহ মোট ৫০৬ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আমের চাষ হচ্ছে।

এছাড়া ২১৬ হেক্টর জমিতে কাঁঠালের চাষ করা হচ্ছে এবং লিচু ও আনারসের চাষ মিলিয়ে প্রায় ১০০ হেক্টর জমি রয়েছে।

তিনি আরও জানান, অ-বাণিজ্যিক ও বসতভিটাভিত্তিক ফলচাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

এর ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সুস্বাদু ফলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃতি ঘটছে।

একই সঙ্গে আপেল, আঙুর, মাল্টা (মোসাম্বি) ও খেজুরসহ বিভিন্ন আমদানিনির্ভর ফলের চাহিদা ও আমদানির ওপর নির্ভরতা কমছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইকুয়েডরে মাদক সহিংসতা ঠেকাতে ১০টি প্রদেশে জরুরি অবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


ইকুয়েডরে মাদক সহিংসতা ঠেকাতে ১০টি প্রদেশে জরুরি অবস্থা

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে মাদক সহিংসতা বৃদ্ধির কারণে ২৪টি প্রদেশের মধ্যে ১০টি প্রদেশে ৬০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) দেশটির প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, মাদক কার্টেল-সম্পর্কিত সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের হঠাৎ বৃদ্ধি মোকাবিলার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি আদেশ অনুসারে, ইকুয়েডরের ২৪টি প্রদেশের মধ্যে ১০টিতে এই জরুরি অবস্থা কার্যকর থাকবে এবং প্রয়োজনবোধে এটি আরও ৩০ দিনের জন্য বাড়ানো হতে পারে।

সরকারি পরিসংখ্যান মতে, ২০২৬ সালের ১ মে থেকে ১২ জুনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ৮৭৯টি হত্যা ঘটনা ঘটেছে, যা দেশটিতে আইনশৃঙ্খলার গুরুতর অবনতির চিত্র তুলে ধরছে।

জরুরি অবস্থার আওতায় পড়া প্রদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে গুয়ায়াস, মানাবি, সান্তা এলেনা, লস রিওস, এল ওরো, পিচিঞ্চা, এসমেরালদাস, সান্তো দোমিঙ্গো দে লস সাচিলাস, সুকুমবিওস এবং আজুয়াই।

এই অঞ্চলগুলোকে মাদক পাচারের গুরুত্বপূর্ণ করিডর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে কোকেন উৎপাদন এলাকা থেকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় বন্দর দিয়ে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার হয়ে থাকে।

নতুন আদেশ অনুসারে, গুরুতর সন্দেহ থাকলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী বিচারিক পরোয়ানা ছাড়াই ব্যক্তিগত বাড়িতে প্রবেশ এবং তল্লাশি করতে পারবে। ফলে, বাসার অখণ্ডতার সাংবিধানিক সুরক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তটি কয়েক সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্ট নোবোয়ার যে অবস্থান ছিল, সেখানে বড় পরিবর্তনের চিত্র নির্দেশ করে, যখন তিনি জরুরি ক্ষমতার মেয়াদ না বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র: ইয়েনিসাফাক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাটহাজারীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


হাটহাজারীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেছেন, যাঁর (তারেক রহমান) গতিশীল নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ আজ নতুন সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছে। ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম তৃণমূলের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাঁরই জনকল্যাণমুখী ভাবনার এক অনন্য প্রকাশ।

আজ বুধবার (১৭ জুন) ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের পাইলটিং-এর তৃতীয় পর্যায়ে মৌলভীবাজার জেলা সদর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি ১৯টি উপজেলার সাথে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নে একযোগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন। এই সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

হাটহাজারী উপজেলার গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ১২৪ জন পরিবারের সদস্যদের হাতে এ কার্ড তুলে দেন চট্টগ্রাম-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীর গুমানমর্দ্দন প্রান্তের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন হাটহাজারী ও চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং আপসহীন দেশনেত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াকে।

তিনি বলেন, আজকের এই ঐতিহাসিক ও শুভক্ষণে আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে। যাঁর আদর্শ ও জনমুখী দর্শন আমাদের আজীবন অনুপ্রেরণা জোগায়। কৃতজ্ঞতা জানাই আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি, যাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও ত্যাগ এ দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইকে বেগবান করেছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এছাড়া অনুষ্ঠানে ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি ড. মোহাম্মদ আল-আমিন ও ড. মো. শফিকুল ইসলাম। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন。

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%