ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন পেছাল ১২৭তম বার


সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন পেছাল ১২৭তম বার

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ১২৭ বার পিছিয়ে আগামী ২২ জুলাই দিন ধার্য করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল।

তবে ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এই কারণে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী এ দিন নির্ধারণ করেছেন।

আরও পড়ুন: বিএমইউতে ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব বিশেষজ্ঞদের

প্রসিকিউশন বিভাগের সাব-ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম রাসেল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এই মামলার আসামিরা হলেন– রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান।

এই আসামিদের মধ্যে তানভীর জামিনে রয়েছে। পলাশ রুদ্র পাল জামিন নিয়ে পলাতক। অন্যদিকে অপর আসামিরা বর্তমানে কারাগারে আছে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুন: শ্বাসকষ্টে হাসপাতালে ভর্তি বিএনপি নেতা বুলু, দোয়া চাইলেন পরিবার

এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পরে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দম্পতি সাগর ও রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে দেওয়ারও আদেশ প্রদান করা হয়। গত বছরের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজা নিয়ে জামায়াত-শিবির-এনসিপির রাজনীতি: ছাত্রদল সেক্রেটারি নাছির উদ্দীন নাছির

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:২৭ পি.এম


বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো পাকিস্তান বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েন করার পরিকল্পনা নিয়ে এসেছে। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার দৈনিক দ্য মর্নিংকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান নৌবাহিনীর কর্মকর্তা কমোডর ওমর ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) ওই সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ইন্ডিয়া টুডে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান নৌবাহিনীর জন্য সম্প্রতি ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’ নামের একটি সাবমেরিন তৈরি করেছে চীন। পাকিস্তান নৌবাহিনী ইতোমধ্যে সেই সাবমেরিনটিকে কমিশন (আনুষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি) করেছে। সাবমেরিনটি নিয়ে আসার জন্য পাকিস্তান নৌবাহিনীর একটি বহর চীনে গিয়ে কমোডর ওমর ফারুকের নেতৃত্বে সেই সাবমেরিনটি নিয়ে এসেছেন। ফিরে আসার পথে তিনি শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে যাত্রাবিরতি দেন।

শ্রীলঙ্কার দৈনিক দ্য মর্নিংকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওমর ফারুক জানান, হ্যাঙ্গর-শ্রেণির সাবমেরিন অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান বঙ্গোপসাগরে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে। পাকিস্তান নৌবাহিনীর এই কর্মকর্তার আরও বক্তব্য হলো, পিএনএস হ্যাঙ্গর সিরিজের আরও ৭টি সাবমেরিন শিগগিরই পাকিস্তানি নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হবে। এই সিরিজের সাবমেরিনগুলো বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের উপস্থিতি বজায় রাখবে।

উল্লেখ্য যে, ১৯৭১ সালের আগে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানি সাবমেরিন মোতায়েন ছিল। সে সাবমেরিনের নামও ছিল পিএনএস হ্যাঙ্গর। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবমেরিন আইএনএস খুকরিকে ডুবিয়ে দিয়েছিল পিএনএস হ্যাঙ্গর। তবে সে যুদ্ধে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর কাছে পরাজয়ের পর পাকিস্তান বঙ্গোপসাগর ছেড়ে চলে যায়। এতদিন তারা মূলত উত্তর আরব সাগরের এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল।

অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগর ঐতিহ্যগতভাবে ভারতীয় ভূ-রাজনৈতিক এবং কৌশলগত সুবিধার একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। বিশাখাপত্তনমে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় নৌ কমান্ডের অবস্থান এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী অবস্থানের কারণে বঙ্গোপসাগর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য ও জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই বিস্তৃত জলরাশির উপকূলবর্তী রাষ্ট্র হলো ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং শ্রীলঙ্কা। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য নৌ শক্তির উত্থানের মধ্যে এই রাষ্ট্রগুলোর ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বেড়েছে। এ কারণেই শ্রীলঙ্কায় পাকিস্তান নৌবাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মন্তব্যটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

শ্রীলঙ্কার দ্য মর্নিংকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান নৌবাহিনীর কমোডর ফারুক পিএনএস হ্যাঙ্গরকে একটি ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তান এই শ্রেণির আটটি সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে: সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ পি.এম


বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে: সেনাপ্রধান

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন যে, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে চট্টগ্রামের বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি প্যারেড গ্রাউন্ডে ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন।

সেনাপ্রধান উল্লেখ করেন, পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং প্রশিক্ষণের মানোন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে অফিসার ক্যাডেটদের জন্য আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দক্ষ, যোগ্য এবং দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর প্রয়োজন রয়েছে।

এ বছর দীর্ঘমেয়াদী কোর্স শেষে সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করা ১৯১ জন ক্যাডেটের মধ্যে ফিলিস্তিন, তানজানিয়া সহ চারটি দেশের ৭ জন বিদেশি রয়েছে। কমিশনপ্রাপ্ত ১৮৪ বাংলাদেশির মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী ক্যাডেট।

প্যারেড শেষে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী ক্যাডেটদের হাতে পদক তুলে দেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পরে নবীন ক্যাডেটদের আনুষ্ঠানিক শপথ পাঠ করানো হয় এবং তাদের অভিভাবকরা নবীন কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন।

এরপর সেনাপ্রধান ভাটিয়ারিতে দ্বিতীয় ব্যাটালিয়নের উদ্বোধন করেন। এছাড়া বিএমএ পার্ক, সিএমএইচসহ বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন তিনি করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবশেষে শূন্যরেখা থেকে ২ শিশুসহ দম্পতিকে সরানো হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


অবশেষে শূন্যরেখা থেকে ২ শিশুসহ দম্পতিকে সরানো হলো

কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন চেষ্টার শিকার হয়ে শূন্যরেখায় আটকে থাকা ৯ জনের মধ্যে দুই শিশু এবং তাদের বাবা-মা সরিয়ে নেয়া হয়েছে। পঞ্চম দিনে এসে আটকে থাকা বাকি ৫ যুবককে ঘিরে সীমান্তে কড়া অবস্থানে রয়েছে বিজিবি ও বিএসএফ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করা ৬ জনের মধ্যে ওই চারজনকে আর দেখা যায়নি।

স্থানীয়দের ধারণা, গত রাতে বৃষ্টির সময় মানবিক কারণে শিশু দুটিসহ তাদের বাবা-মাকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তবে তাদের কোন দেশে সরিয়ে নেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। এ ব্যাপারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তাক আলীর বরাত দিয়ে জানা যায়, বুধবার পর্যন্ত গয়টাপাড়া সীমান্তে পুশইনের শিকার ৬ জনকে দেখা গেলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুই শিশু এবং তাদের বাবা-মাকে দেখা যাচ্ছে না। বর্তমানে ওই সীমান্তে বাকি দুই যুবক অবস্থান করছেন। অন্যদিকে একই উপজেলার ভন্দুরচর সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টার শিকার বাকি ৩ যুবক এখনও শূন্যরেখায় রয়েছেন। সব মিলিয়ে দুই সীমান্তে বর্তমানে ৫ জন যুবক আটকে আছেন।

উল্লেখ্য, গত রোববার (১৪ জুন) সকালে রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে এবং ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে ৩ জনকে পুশইন করার চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধায় তারা আর বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি। ফলে দুই শিশু ও এক নারীসহ ওই ৯ জনের অবস্থান হয় সীমান্তের শূন্যরেখায়।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার জন্য জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাচ্ছে জোন কাপ ফুটবল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪০ পি.এম


দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাচ্ছে জোন কাপ ফুটবল

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় ক্রীড়াপ্রেমীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও শুরু হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত দীঘিনালা জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। প্রায় এক বছর বিরতির পর আয়োজিত এই টুর্নামেন্টকে ঘিরে স্থানীয় খেলোয়াড় ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে দীঘিনালা উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলা অনুষ্ঠিত হবে। দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মোট ছয়টি দল অংশগ্রহণ করবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ২০২৪ সালে দীঘিনালা জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে ২০২৫ সালে বিভিন্ন কারণে প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘ বিরতির পর এবার টুর্নামেন্টটি পুনরায় শুরু হওয়ায় খেলাধুলাপ্রেমীদের মাঝে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

আয়োজকরা মনে করছেন, এ ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করার পাশাপাশি মাদক, অপরাধ ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতেও এ আয়োজন ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসি বলেন,খেলাধুলা যুবসমাজকে সুস্থ ও শৃঙ্খল জীবন গঠনে সহায়তা করে। অতীতের ধারাবাহিকতায় এবারও দীঘিনালা জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য ও দর্শকদের উপস্থিতিতে টুর্নামেন্টটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে। সকল ক্রীড়াপ্রেমী মানুষকে মাঠে এসে খেলা উপভোগ করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

টুর্নামেন্টকে ঘিরে ইতোমধ্যে উপজেলা জুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আয়োজকরা সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%