শাহিন আলম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
১২:০৭ এম
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের গণসংযোগ কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আজগর আলী। শনিবার (১৩ জুন) শতাধিক মোটরসাইকেল ও বিপুলসংখ্যক সমর্থক নিয়ে তিনি ইউনিয়নজুড়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেন।
দুপুরে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় স্থানীয় জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি ও সমর্থকদের অংশগ্রহণে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের মতে, মোটরসাইকেলের দীর্ঘ বহর ও সমর্থকদের সরব উপস্থিতি ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আগাম নির্বাচনী বার্তা হিসেবে দেখছেন।
ঝগড়ারচর গ্রামের প্রবীণ মুরব্বীরা জানান, আজগর আলী দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন। মানবিক কর্মকাণ্ড, সততা ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।
একজন প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, “আজগর আলী সব সময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন। এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে তার অবদান রয়েছে। একজন সৎ ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে তিনি ইউনিয়নের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন।”
গণসংযোগকালে আজগর আলী বলেন, “আমি সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছি। জনগণ যদি আমাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করেন, তাহলে কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাব।”
তিনি আরও বলেন, “ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, জনগণের কল্যাণ এবং একটি আধুনিক, উন্নত ও মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠপর্যায়ের তৎপরতা ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। এর মধ্যে আজগর আলীর এই বৃহৎ মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের নির্বাচনী অঙ্গনে বিশেষভাবে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে ইরানের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও প্রস্তুতিতে যে ঘাটতি রয়ে গেছে তা স্পষ্ট। মেক্সিকোর তিহুয়ানায় ক্যাম্প করে থাকা ইরানের বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে ফুটবলের বাইরের একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছায়া ফেলে। কর্তৃপক্ষ ইরানিদের আবাসনের নিকটবর্তী একটি মরদেহ উদ্ধার করার কারণে এশিয়ান দলটিকে তিহুয়ানায় নিজেদের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প সাময়িকভাবে স্থগিত করতে হয়েছে।
এটি ঘটে দলের ব্যবহৃত কমপ্লেক্সের সামনেই। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তীব্র দুর্গন্ধ নিরাপত্তা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পরে ওই এলাকা তল্লাশি করে ভবনের বিপরীত পাশের ফুটপাতে একটি পচনধরা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহটি পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রের নাম্বার প্লেটযুক্ত একটি পিকআপ ট্রাকের ভিতরে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মরদেহে 'সহিংসতার সুস্পষ্ট আলামত' ছিল। কর্তৃপক্ষ মরদেহটি উদ্ধার করে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশি অভিযানের কারণে খেলোয়াড়দের সাময়িকভাবে ওই স্থাপনা ছেড়ে যেতে হয়েছে। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এই পরিস্থিতির কারণে পূর্বনির্ধারিত সূচিতে পরিবর্তন আনতে হলেও দলের অনুশীলন প্রস্তুতিতে বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়েনি।
এবারের বিশ্বকাপে ইরান আগে থেকেই ব্যতিক্রম পরিস্থিতির মুখোমুখি ছিল। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে তারা আয়োজক দেশটিতে ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত বাতিল করে মেক্সিকোকে বেছে নিয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রুপ পর্বে তাদের অতিরিক্ত ভ্রমণ করতে হবে। কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড়দের প্রতিটি ম্যাচের আগে বিমানে করে ভেন্যুতে যেতে হবে এবং ম্যাচ শেষে দ্রুত ফিরে আসতে হবে। ফলে অন্যান্য অংশগ্রহণকারী দলের তুলনায় তারা কিছুটা লজিস্টিক অসুবিধার মুখে পড়বে।
সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ ‘জি’-তে ইরানের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম এবং মিশর। তাদের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামী মঙ্গলবার (১৬ জুন) নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর ২১ জুন বেলজিয়াম এবং ২৭ জুন মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে গ্রুপ পর্বের লড়াই শেষ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যত বাধা-বিপত্তিই আসুক না কেন, সকলকে নিয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
তিনি বলেছেন, সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়ন করা প্রয়োজন, যাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করা যায়।
শনিবার ডিএনসিসির অঞ্চল-৪ এর আওতাধীন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হরিরামপুর সার্বজনীন শ্মশানঘাটে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক মানবদেহ চুল্লির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড যেন না ঘটে, সে বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। কেউ যাতে দলকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, 'সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে আছি-এ কথা শুধু মুখে নয়, কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। আমরা মানুষ, কাজেই মানুষদের পাশে থাকাই আমাদের দায়িত্ব।'
শফিকুল ইসলাম খান উল্লেখ করেছেন, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান-সকল নাগরিক সমানভাবে সেবা ও সুযোগ-সুবিধার অধিকারী হবেন। কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক বিভেদের জায়গা নেই, বরং সবাইকে নিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও আধুনিক নগরী গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও আশ্বাস দিয়ে বলেন, সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও সমৃদ্ধ নগর গড়া সম্ভব। এর জন্য নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ আবশ্যক।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, জমে থাকা পানিতেই এডিস মশার বিস্তার ঘটে। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার করার আহ্বান জানান তিনি।
একইসঙ্গে নগরবাসীর প্রতি খাল, ড্রেন ও জলাশয়ে ময়লা-আবর্জনা এবং গৃহস্থালি বর্জ্য না ফেলতে অনুরোধ জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, যারা কাউন্সিলর প্রার্থী হতে চান, তাদেরকে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মানুষের সেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনকারীরা দলীয় সমর্থন পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।
তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের ওয়ার্ডভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং অন্যান্য সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে হরিরামপুর শ্মশানঘাট কমিটির পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিভিন্ন দাবিকে যৌক্তিক এবং অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রশাসক।
অনুষ্ঠানে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি এবং ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি বক্তব্য রাখেন। তারা পরিবেশবান্ধব হরিরামপুর সার্বজনীন শ্মশানঘাটে বৈদ্যুতিক মানবদেহ চুল্লি স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ডিএনসিসি প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৪ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, হরিরামপুর শ্মশানঘাট কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা দল হিসেবে পরিচিত মিশর। এই দলটি মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট আফকনে মোট ৭ বার শিরোপা জিতেছে। এ কারণেই তাদের জার্সিতে সাতটি তারকা রয়েছে। তবে এবারের বিশ্বকাপে মিশরকে এমন তারকাযুক্ত জার্সি পরিধান না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ফিফা।
জাতীয় দলের জার্সিতে থাকা তারকের সংখ্যা কেবল একটি নকশা নয়, এটি সেই দলের বিশ্বজয়ের সংখ্যা নির্দেশ করে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের জার্সিতে সর্বোচ্চ পাঁচটি তারকা রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে আছে চারটি করে তারকা নিয়ে ইতালি ও জার্মানি। আর সর্বশেষ আসরে সোনালি ট্রফি জিতে আর্জেন্টিনা তাদের জার্সিতে তৃতীয় তারকা যোগ করেছে।
তবে এমনকি কোনো শিরোপা না জিতেই মিশরের জার্সিতে সাত তারকায় যুক্ত করা হয়েছে। বিশ্বকাপ জয়ের ছত্রছায়ায় একবারও গ্রুপ পর্ব পার করতে পারেনি দলটি।
মিশরের এই জার্সির নকশা নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা আপত্তি জানিয়েছে। তারা টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে মিশরকে তাদের জার্সি পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে। ফিফার নতুন নীতি অনুযায়ী, বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে শিরোপা জয় ছাড়া অন্য কোনো মহাদেশীয় বা আঞ্চলিক টুর্নামেন্টের সাফল্য চিহ্নিত করতে জার্সিতে কোনো তারকা ব্যবহার করা যাবে না। ফলে আফ্রিকার সফলতম দল হওয়ার সত্ত্বেও, ইতিহাস বাদ দিয়ে মাঠে নামতে হচ্ছে মিশরকে।
এ ছাড়াও, ফিফা মিশরকে তাদের জার্সি সংশোধন করতে বলেছে অন্য একটি কারণে। সেটি হলো জার্সিতে ব্যবহার করা খেলোয়াড়দের সংখ্যা। মিসরের বিশ্বকাপ জার্সিতে নম্বরের জন্য সোনালি রঙ ব্যবহার করা হয়েছিল।
ফিফার যুক্তি হলো, মাঠের আলোতে দূর থেকে সোনালি রঙ দেখা অসুবিধাজনক হয়ে পড়ে। তাই খেলা চলাকালীন রেফারি ও দর্শকদের সুবিধার্থে সোনালি নম্বর পরিবর্তন করে আরও সাদা রঙের নম্বর ব্যবহারের অনুরোধ করা হয়েছে।
ফিফার এই কঠোর নিয়মের বেড়াজালে কেবল মিশরই আটকা পড়েনি, পূর্বে হাইতি ফুটবল দলের জার্সিতে রাজনৈতিক বার্তা থাকার কারণে তাদের জার্সিও পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিল ফিফা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে অসংখ্য রেকর্ড এসেছে এবং আবার অনেক রেকর্ড হারিয়েও গেছে। তবে কিছু কীর্তি সময়ের পরীক্ষায় আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। তেমনই একটি অনন্য রেকর্ডের অধিকারী পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে একমাত্র দল হিসেবে প্রতিটি আসরে অংশ নেওয়া সেলেসাওরা নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে গড়ে তুলেছে এক দুর্ভেদ্য দুর্গ।
১৯৩০ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপে যুগোস্লাভিয়ার কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বমঞ্চে যাত্রা শুরু করেছিল ব্রাজিল। এরপর ১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে ৩-১ গোলের পরাজয় ছিল তাদের উদ্বোধনী ম্যাচে শেষ হার। সেই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৩৪ সালের ২৭ মে।
এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ ৯২ বছর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে এক যুগ বিশ্বকাপ বন্ধ থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে ব্রাজিলের এই ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়েনি। ১৯৩৮ সালের পোল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে শুরু করে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা ২০টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে অপরাজিত থেকেছে হলুদ জার্সিধারীরা।
এই ২০টি উদ্বোধনী ম্যাচের মধ্যে ১৭টিতে জয় পেয়েছে ব্রাজিল এবং বাকি তিনটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। অর্থাৎ, প্রায় এক শতাব্দী ধরে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পরাজয় শব্দটিই ভুলে গেছে সেলেসাওরা।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিল সবচেয়ে বেশি মুখোমুখি হয়েছে মেক্সিকোর। ১৯৫০, ১৯৫৪, ১৯৬২ এবং ২০১৪ সালের আসরে উদ্বোধনী ম্যাচেই মেক্সিকানদের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল তারা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চারবারের প্রতিটি লড়াইয়েই জয় পেয়েছে ব্রাজিল। শুধু তাই নয়, মেক্সিকোর জালে মোট ১৪ গোল করলেও নিজেদের জাল অক্ষত রেখেছিল প্রতিবারই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ