ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

কসবায় ১০ কেজি গাঁজা ও ১ হাজার ৪৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার


কসবায় ১০ কেজি গাঁজা ও ১ হাজার ৪৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজা ও ১ হাজার ৪৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৩ August) রাত ১০টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কসবা থানা পুলিশের একটি দল উপজেলা কুটি ইউনিয়নের কুটি চৌমুহনী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় একটি পিকআপ গাড়ি আটক করে তল্লাশি চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আব্দুল মান্নান নামে একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এরপর রাত ১১টা ১০ মিনিটে, উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের হরিপুর এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ধৃত আসামির বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ১ হাজার ৪৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অভিযানে মো. শফিকুল ইসলাম ও মো. সাইফুল ইসলাম নামে আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন: চাপরতলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আশায় জামাল আহমদের প্রচারণা শুরু, বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী

পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও সংশ্লিষ্ট মালামাল বিধি অনুযায়ী জব্দ তালিকামূলে জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়:—

১. আব্দুল মান্নান, পিতা- মৃত আব্দুল জলিল, সাং- মইজদিপুর, থানা- সেনবাগ, জেলা- নোয়াখালী; বর্তমানে রৌফবাদ কলোনী, থানা- বায়েজিদ বোস্তামী, চট্টগ্রাম সিএমপি।

২. মো. শফিকুল ইসলাম, পিতা- আলী আশরাফ, সাং- হরিপুর, থানা- কসবা, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

আরও পড়ুন: দৌলতপুরে ১১ বস্তা সার আটক, দীপু ট্রেডার্সকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

৩. মো. সাইফুল ইসলাম, পিতা- কাদের মিয়া, সাং- খাদলা, থানা- কসবা, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে দুটি, শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি এবং সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।

এ ঘটনায় কসবা থানায় পৃথক দুটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ আগুন: ৩৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি, আতঙ্কে এলাকাবাসী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গতি ধীর হলেও পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১১ পি.এম


গতি ধীর হলেও পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার রক্ষার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। গতি ধীর হতে পারে, তবে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চলছে।’ বিএনপি জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায় এবং এ জন্য সবার সহযোগিতা ও আস্থা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক সংলাপের মাধ্যমে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন। সংলাপে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, আইনজীবী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যদি আমাদের তোপের মুখে না রাখেন, তাহলে আমরা পথ হারাতে পারি। তবে সেই চাপের ভাষা ও পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল ছাড়া অন্য কারোর সভা-সমাবেশে বাধা থাকা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন।

প্রস্তাবিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, এটি যেভাবে তৈরি করা হয়েছিল, তাতে প্রতিষ্ঠানটি ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’-এর মতো হয়ে উঠতে পারত। সবকিছু যাচাই-বাছাই করে তারা সংসদে ফিরবেন। তবে তাদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশনের তদন্তের ক্ষমতা অক্ষুণ্ন রাখা হচ্ছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, জবাবদিহির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। কোনো ক্ষেত্রে সফল না হলে সংশোধনের জন্য সরকার উন্মুক্ত। আইন কোনো পবিত্র ধর্মগ্রন্থ নয়, এটি পরিবর্তনযোগ্য। এমন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত না হন।

আসাদুজ্জামান বলেন, জুলাই সনদেও সংবিধান সংশোধনের কথা বলা হয়েছে। সংবিধান সংশোধন নিয়ে যৌক্তিক প্রস্তাব এলে তা অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই, পেছনে ফিরতে চাই না। আমরা গুমের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।’

একটি গুমের অভিযোগ এসেছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সেটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে, তবে রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই কিছু দুর্বলতা রয়েছে, তা অস্বীকার করছি না। তবে বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমাদের ভুল হতে পারে, তবে আমাদের চিন্তা স্বচ্ছ। বিএনপি জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায়। আমাদের ওপর আস্থা রাখুন, আমরা সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যেতে চাই।’

সংলাপে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এখানে গণ–অভ্যুত্থান হয়েছে সংস্কারের জন্য, কোনো বিপ্লব হয়নি। সংস্কার নিয়ে ঐকমত্য তৈরি করতে পারলে এ কঠিন যাত্রা সুস্থ প্রক্রিয়ার মধ্যে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি না হওয়ায় চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ৩১ দফার চেতনাকে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। তবে তা বাস্তবায়নে রাজনৈতিক অংশীজনদের সম্পৃক্ত করতে হবে। সংস্কারের কাজে সবাইকে গঠনমূলকভাবে যুক্ত করতে হবে। দূরত্ব কমাতে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পৃক্ততা প্রয়োজন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সবার মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। ঐকমত্য ছাড়া এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের নির্ভরশীলতা রয়েছে। তাই সব সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে নিতে হবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সামনে রেখে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করতে হবে।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, জাতীয় ঐক্য ও পরিচয় শক্তিশালী না হলে সংস্কার কার্যকর হবে না। বিচারক নিয়োগ, বিচারপ্রক্রিয়া ও পররাষ্ট্রনীতিতে দেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সরকারকে জাতীয় সংলাপের উদ্যোগ নিতে হবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হক বলেন, র‍্যাবের নাম পরিবর্তন করে শুধু প্রতিষ্ঠানটিকে পুনর্বহাল করা হয়েছে। ফ্যাসিবাদ যে পথে হেঁটেছে, তার বিপরীত পথে হাঁটতে না পারলে সেই সংস্কৃতি থেকে বের হওয়া যাবে না।

একই দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, রাজনীতিবিদদের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে এসেছিল। সেই আস্থা নষ্ট করা উচিত নয়। গণভোটের রায় জনগণ দিয়েছে এবং এই রায় বিএনপিকেই বাস্তবায়ন করতে হবে।

বাংলাদেশ জাসদের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, স্বাস্থ্য খাতে শুধু চিকিৎসকদের দোষারোপ করে মূল সমস্যা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য কমিশন নিয়েও তেমন আলোচনা হচ্ছে না।

খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, শুধু পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় থাকা কোনো সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য হতে পারে না। ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান থেকে দেশকে রক্ষা করতে গণভোটের রায়কে গুরুত্ব দেওয়া এবং তা মেনে নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

গণফোরামের সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। সরকারের ঘাটতি থাকলে জনগণ তা সহজেই বুঝতে পারবে। সামগ্রিকভাবে কাজ করতে হবে এবং বাস্তবতার ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আলী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলেও মব ভায়োলেন্স (উচ্ছৃঙ্খল জনতা কর্তৃক সহিংসতা) অব্যাহত রয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশে বিনিয়োগ আসবে না। ব্যাংকিং খাতে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।

সিনিয়র সাংবাদিক ও চর্চা সম্পাদক সোহরাব হাসান বলেন, মানবিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক বিষয়গুলো এখনো নিশ্চিত হয়নি। গণমাধ্যমের ওপর থাকা অদৃশ্য বাধা দূর করে সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন করতে হবে।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আইনবিষয়ক সম্পাদক এম ইকবাল হাসান বলেন, মাজারে ভাঙচুর ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে হামলার ঘটনায় কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। পুলিশ সংস্কারের ক্ষেত্রে সরকারগুলো বরাবরই অনীহা দেখায়।

বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং বলেন, প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। ভবিষ্যতের কমিশনগুলো দেশে বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি বলেন, আইনের শাসন সবার জন্য সমান হওয়া দরকার। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনার জায়গা সরকারকে তৈরি করতে হবে। নাগরিকদের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কথার চেয়ে কাজের মাধ্যমে তা দেখাতে হবে।

সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার বলেন, আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে জনগণের আস্থা ধরে রাখতে দায়িত্বশীল বক্তব্য ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। জনগণ স্পষ্ট ও দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে চায়।

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বলেন, বিদ্যমান কাঠামোতে ক্ষমতায় গেলে রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণে নেতিবাচক পরিবর্তন আসে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

বর্তমান সরকার মানবাধিকার সুরক্ষা ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে প্রত্যাশা জানান গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন।

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া সমাবেশে অনুমতি না পাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘নতুন বাংলাদেশ’-এর প্রত্যাশা থাকলেও বিএনপি হয়তো বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান। শুরুতে তিনি বলেন, জনগণ রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার বিবেচনা করেই ভোট দিয়েছে। সরকারের সামনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকলেও জনগণের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে। তাই ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জনগণকে হতাশ না করে সকলকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার থেকে যক্ষ্মায় আক্রান্ত ১১ রোগী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৫ পি.এম


ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটার থেকে যক্ষ্মায় আক্রান্ত ১১ রোগী

পাবনার ফরিদপুর উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর ১১ জন রোগী যক্ষ্মায় আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি হলো, একই হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পরে তাঁদের ক্ষতস্থানে জটিলতা দেখা দিয়েছে।

পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যক্ষ্মা শনাক্ত হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) ভুক্তভোগীরা এ বিষয়টি জানিয়ে বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে যক্ষ্মা সংক্রমণের প্রকৃত কারণ উদঘাটনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

ফরিদপুর উপজেলা সদরের থানাপাড়া মহল্লার বাসিন্দা মোহনের ছেলে রাব্বি ও তাঁর স্ত্রী আয়েশা খাতুনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। পেশায় ভ্যানচালক মোহন, তাঁর পুত্রবধূ আয়েশাকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের জন্য ফরিদপুর উপজেলার বনওয়ারীনগর বাজারসংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের আল-মদিনা ল্যাব অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করেন।

গত ৩১ মে আয়েশা একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। সন্তান জন্মের পর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হলেও কিছুদিন পর সেই আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়। নির্ধারিত সময়ের পরও সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের ক্ষতস্থান শুকানো না হওয়ায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন পরিবারের সদস্যরা। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ক্ষতস্থানে যক্ষ্মা শনাক্ত হয়।

বর্তমানে আয়েশা গাজীপুরে চিকিৎসাধীন। তাঁর চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে পরিবারটি হিমশিম খাচ্ছে, বলে স্বজনেরা জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, আয়েশার মতো একই হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করানো আরো ১০ রোগীর ক্ষেত্রেও অস্ত্রোপচারের পর ক্ষতস্থানে জটিলতা দেখা দেয় এবং পরে তাঁদের যক্ষ্মা শনাক্ত হয়। এ ঘটনায় রোগী ও তাঁদের স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

আল-মদিনা ল্যাব অ্যান্ড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ রানা বলেছেন, ‘প্রায় চার মাস আগে আমাদের হাসপাতালে ৭৫ বছর বয়সী এক রোগীর হার্নিয়ার অস্ত্রোপচার হয়েছিল। তিনি যে যক্ষ্মায় আক্রান্ত ছিলেন, তা আমরা জানতাম না। পরে অস্ত্রোপচারের পর ইনফেকশন দেখা দিলে পরীক্ষা করে তাঁর যক্ষ্মা ধরা পড়ে। ততক্ষণে আমাদের হাসপাতালে আরো ১১ জন রোগী যক্ষ্মায় আক্রান্ত হন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা তাঁদের ক্ষতিপূরণসহ চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহন করে আসছি এবং তাঁরা পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসার ব্যয় আমরা বহন করব।’

নিজেদের ভুল স্বীকার করে তিনি আরো বলেন, বিষয়টি জানার পর অপারেশন থিয়েটার নতুন করে জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ক্যাপ্টেন ডা. সরওয়ার জাহান ফয়েজ (অব.) বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এই দায় এড়াতে পারে না। বিষয়টি তদন্ত করে ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

ফরিদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল হাসান শাওন জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাঁদের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ব্যবস্থা নেবে। এ ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আপনাদের ওপর ভর করেই ফ্যাসিবাদ ফিরে এসেছিল’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২১ পি.এম


‘আপনাদের ওপর ভর করেই ফ্যাসিবাদ ফিরে এসেছিল’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানিয়েছেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর ভর করেই দেশে ফ্যাসিবাদ ও আওয়ামী লীগ ফিরে এসেছিল। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যাতে কোনো ভুল আন্দোলনের কারণে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ব্যাহত না হয়, সে সম্পর্কে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

 

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত ‘জুলাই ৩৬ : এক ফালি রোদ—শোক ও বিজয় ২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

 

আবদুস সালাম উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে গণতান্ত্রিক ধারায় ফেরার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কোনোভাবেই মাঝপথে ব্যাহত করা যাবে না। এজন্য বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক দলের উচিত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা।

 

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই আমরা দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের মুক্তির জন্য লড়াই করে আসছি। সেই লড়াই এখনও শেষ হয়নি।’

 

এটি উল্লেখ করে আবদুস সালাম বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর গণতান্ত্রিক ধারায় ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

 

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র এক মাস, এক বছর কিংবা ছয় বছরে প্রতিষ্ঠিত হয় না, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।

 

গণতন্ত্রে ফিরে আসার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, সেটিকে ধাপে ধাপে এগিয়ে নিতে হবে।

 

বিএনপির আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার দাবিতে আন্দোলন চলমান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বারবার প্রকাশ করেছেন, জুলাইয়ের চাওয়া-পাওয়া ও আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বিএনপি সব সময় আছে। তবে তার বাস্তবায়নে সময় লাগবে।

 

আবদুস সালাম বলেন, ‘দুই দিন, দুই মাস কিংবা দুই বছরে সবকিছু হয়ে যাবে না।’ তাই ধৈর্য ধরে গণতান্ত্রিক ধারাকে এগিয়ে নিতে হবে।

 

দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের দীর্ঘদিনের আক্রমণের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, একটি জাতির সংস্কৃতি ও শিক্ষাকে ধ্বংস করা হলে সেই জাতিকেও ধ্বংস করা সম্ভব। দীর্ঘদিনের আক্রমণের ফলে দেশের সংস্কৃতি এখন কোথায় রয়েছে, তা উপলব্ধি করে সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে।

 

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক বিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্ট্যালিন এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক কাজী জেসিনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বার্ধক্যে আর্থিক নিরাপত্তায় সর্বজনীন পেনশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : ড. মো. সুরাতুজ্জামান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৩ পি.এম


বার্ধক্যে আর্থিক নিরাপত্তায় সর্বজনীন পেনশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : ড. মো. সুরাতুজ্জামান

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেছেন, সর্বজনীন পেনশন বার্ধক্যের আর্থিক নিরাপত্তার অন্যতম অবলম্বন এবং এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি পরিবার থেকে অন্তত একজনকে সর্বজনীন পেনশন সেবার আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

আজ মাদারীপুরে দিনব্যাপী সর্বজনীন পেনশন মেলার আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন এবং দেশের মানুষের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় পেনশন স্কিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষভাবে বার্ধক্যে আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই সরকার সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছে।’

ড. মো. সুরাতুজ্জামান জানান, ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সি নাগরিকরা ব্যাংকের মাধ্যমে পেনশন স্কিমে সঞ্চয় করতে পারবেন এবং ৬০ বছর বয়স হলে পেনশন হিসেবে সেই অর্থের সুবিধা পাবেন। জীবনের যেই সময়ে আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন, তখন এই পেনশন একজন নাগরিকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।

তিনি আরও বলেন, যদি কোনো পেনশন গ্রাহক ৬০ বছর বয়সের আগে মারা যান, তবে তাঁর মনোনীত ব্যক্তি বা নমিনি জমাকৃত অর্থ মুনাফাসহ ফেরত পাবেন। আয়-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে যেকোনো গ্রাহকের নিয়মিত চাঁদা দানে অসুবিধা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী চাঁদার পরিমাণ কম-বেশি করার সুযোগও রয়েছে।

ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেন, ‘আপনাদের গচ্ছিত এই টাকা আপনাদেরই ফিরে দেওয়া হবে। পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশে এ ধরনের পেনশন ব্যবস্থা চালু রয়েছে। পেনশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকার ইতোমধ্যে ১০০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১ হাজার ২৪০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে।’

এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব শরীফ নজরুল ইসলাম। আলোচনা সভার শুরুতে জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অতিথিদের স্বাগত জানান।

আলোচনা সভায় আগত অতিথি এবং অংশগ্রহণকারীরা সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন ও সংশয়ের কথা তুলে ধরেন। পরে, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান এসব প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন এবং বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের আশ্বস্ত করেন।

বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন, দেশের সর্বস্তরের মানুষকে একটি সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনতে সরকারের গৃহীত সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় দেশের সব জনগণকে সম্পৃক্ত করতে সমাজের প্রতিটি স্তর থেকে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা বজায় রাখার প্রয়োজন।

মেলায় আগত দর্শনার্থীদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি নিবন্ধন, পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়। মেলায় সোনালী ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক সহ বিভিন্ন ব্যাংকের স্টল উপস্থিত ছিল।

এছাড়া, ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে ভবিষ্যৎ জীবন’-এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আজ সকাল ১০টায় মাদারীপুর জেলার সমন্বিত অফিস প্রাঙ্গণের সামনে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি মাদারীপুর-শরীয়তপুর সড়ক ঘুরপথে জেলা শিল্পকলা একাডেমির মোড় হয়ে ১০ তলা সমন্বিত অফিস প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।

পরে, ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধন করেন ড. মো. সুরাতুজ্জামান। এরপর সরকারি সমন্বিত ভবনের মাল্টিপারপাস হলে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%