শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৯ পি.এম
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াতের বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দেশকে ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শরিফুল কবির মিলনায়তনে বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।
নুরুল হক নুর উল্লেখ করেন, জামায়াতে ইসলামীর পৃষ্ঠপোষকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে অসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিণত করা হয়েছে। তিনি বলেন, জামায়াতের সাইবার আক্রমণের কারণে সরকারি দলের অনেক সদস্য কথা বলার সাহস হারিয়েছেন এবং অনেকে এ বিষয়ে চুপ থাকছেন। এই সাইবার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ভুয়া আইডি খুলে অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন এবং পরিকল্পিতভাবে অন্যদের আক্রমণ করেন, তাহলে সেটি ইসলামী আদর্শের রাজনীতির সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াত-শিবিরের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। সরকারের উচিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে সাইবার অপপ্রচার ও দুর্বৃত্তায়ন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। তিনি গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, মিত্রদের যথাযথ মূল্যায়ন করা সরকারের দায়িত্ব। যদি মিত্রদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়, তাহলে তা রাজনৈতিক ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
নুরুল হক নুর বলেন, রাজপথের আন্দোলনে যখন তারা সক্রিয় ছিলেন, তখন অনেকেই তাদের সমর্থন করেছিলেন। বড় রাজনৈতিক সংকটের সময় যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন করা সরকারের দায়িত্ব।
তিনি দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। নুর বলেন, এসব অপপ্রচারে তারা বিচলিত হবেন না। দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না বলেও তিনি দাবি করেন।
আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির কারণে দেশে নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন নুর। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে গণঅধিকার পরিষদ জনগণের পাশে থেকে ভূমিকা রাখবে।
আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁনসহ বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদ ও অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ব্যাটার কে-এ প্রশ্নে সাবেক এবং বর্তমান ক্রিকেটারদের মধ্যে আলোচনা চলে। এই প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেকে দেখা সেরা ওয়ানডে ব্যাটার হিসেবে বিরাট কোহলিকে নির্বাচিত করেছেন।
ম্যাক্সওয়েল সাবেক এই ক্রিকেটারের বলের টাইমিং এবং মাঠের ফাঁকা জায়গায় নিখুঁতভাবে বল পাঠানোর দক্ষতা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি কোহলির পারফরম্যান্সের মানকে অন্যান্য ক্রিকেটারদের তুলনায় অনেক উচ্চতায় স্থাপন করেন।
ব্র্যাড হ্যাডিন ও অ্যালিসা হিলির সঞ্চালনায় একটি পডকাস্টে অংশগ্রহণ করে ম্যাক্সওয়েল এই মন্তব্য করেন। বিভিন্ন ফরম্যাটে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা করার সময় তিনি প্রথমে ওয়ানডে ক্রিকেটের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। এই ফরম্যাটে ভারতের সাবেক অধিনায়ক কোহলির অবস্থান সম্পর্কে তিনি নিজের মতামত প্রকাশ করেন।
ম্যাক্সওয়েল বলেন, "ওয়ানডে ক্রিকেটে আমার দেখা সেরা খেলোয়াড় হলেন কোহলি। আমাদের বিপক্ষে তিনি যেসব ইনিংস খেলেছেন, তা ছিল অবিশ্বাস্য। বল খেলার জন্য তিনি যেন বাড়তি সময় পান। মাঠের যেখানে চান, সেখানেই তিনি বল পাঠাতে পারেন, সত্যিই তিনি অন্য উচ্চতার একজন খেলোয়াড়।"
কোহলির ওয়ানডে রেকর্ড ম্যাক্সওয়েলের মূল্যায়নকে সমর্থন করে। এই ভারতীয় ব্যাটার ৩১৪টি ওয়ানডে ও ৩০২টি ইনিংসে ৫৮.৫৯ গড়ে মোট ১৪,৯৪১ রান সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে ৫৪টি সেঞ্চুরি এবং ৭৯টি হাফ-সেঞ্চুরি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান তাকে ওয়ানডে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সফল রান-সংগ্রাহক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সফল রান চেজ বা লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের ক্ষেত্রে কোহলির পারফরম্যান্স এই ফরম্যাটে তার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। সফল রান-চেজের সময় ১১১টি ম্যাচ ও ১০৫টি ইনিংসে তিনি ৮৯.০৭ গড়ে ৬,২৩৫ রান করেছেন; এই পরিস্থিতিতে তার নামের পাশে রয়েছে ২৪টি সেঞ্চুরি এবং ২৯টি হাফ-সেঞ্চুরি। দলের জয়ের জন্য যখন রানের প্রয়োজন হয়, তখন চাপের মুখেও ভালো খেলার সক্ষমতা এই রেকর্ডের মাধ্যমে ফুটে ওঠে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত খেলা ওয়ানডে ম্যাচগুলোতে কোহলি দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখেছেন। ছয় ইনিংসে ৬৪.০০ গড় ও ১০৬-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে তিনি ৩৮৪ রান করেছেন। এই সময়ে তার সংগ্রহে রয়েছে একটি সেঞ্চুরি এবং তিনটি হাফ-সেঞ্চুরি, যা এই ফরম্যাটে তার ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে। ম্যাক্সওয়েলের মূল্যায়ন ওয়ানডে ক্রিকেটের সব পর্যায়ে কোহলির দীর্ঘস্থায়ী শ্রেষ্ঠত্বকেই তুলে ধরে।
টেস্ট ক্রিকেটের ক্ষেত্রে তিনি নিজের সতীর্থ স্টিভ স্মিথকে সেরা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। স্মিথ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ১২৫টি ম্যাচ ও ২২৩টি ইনিংসে ৫৬.০০ গড়ে তিনি ১০,৯২০ রান করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ৩৭টি সেঞ্চুরি এবং ৪৫টি হাফ-সেঞ্চুরি, এবং তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসটি ২৩৯ রানের।
ম্যাক্সওয়েল বলেন, "২০১৭ সালে ভারতের বিপক্ষে সেই সিরিজে আমি টেস্ট দলের অংশ ছিলাম, যেখানে তিনি তিনটি সেঞ্চুরিসহ আট ইনিংসে ৪৯৯ রান করেছিলেন এবং যেন অন্য কোনো গ্রহের ব্যাটার হিসেবে খেলছিলেন। আসলে ওই সফরে তিনি তিনটি সেঞ্চুরিই করেছিলেন। তিনি ছিলেন অসাধারণ। সেই দলের অংশ হয়ে তার সেই অবিশ্বাস্য ব্যাটিং সরাসরি দেখার সুযোগ পাওয়ায় আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইতালির প্রধানমন্ত্রী পদে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে থাকার রেকর্ড গড়েছেন জর্জিয়া মেলোনি। এই সাফল্যের জন্য তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।মোদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটিবার্তায় মেলোনির ভূমিকার প্রশংসা করেছেন, যা ভারত-ইতালি সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ২০২২ সালের ২২ অক্টোবর ইতালির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মেলোনি। তার প্রধানমন্ত্রীত্বের মেয়াদ বর্তমানে ১ হাজার ৪১৩ দিনে পৌঁছেছে।ফলে, তিনি পূর্ববর্তী রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইতালির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সবচেয়ে বেশি সময় দায়িত্বে থাকার রেকর্ডটি ছিল সিলভিও বারলুসকোনির (২০০১-২০০৫)। বার্লুসকোনি দ্বিতীয় দফায় ১ হাজার ৪১২ দিন দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মেলোনি সেই রেকর্ডকে একদিন বাড়িয়ে ১ হাজার ৪১৩ দিনে পৌঁছেছেন।ইতালিতে গত ৮০ বছরে ৬৮ বার সরকার পরিবর্তন হয়েছে। অর্থাৎ, রাজনৈতিক স্থিরতা এবং পূর্ণ মেয়াদের সরকার সেখানে খুব কম দেখা যায়। এই প্রেক্ষাপটে, একই প্রধানমন্ত্রীর এত দীর্ঘ সময় দায়িত্বে থাকা একটি নতুন নজির সৃষ্টি করেছে।মোদী মেলোনির এই সাফল্যে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি বন্ধু জর্জিয়া মেলোনিকে যুদ্ধোত্তর ইতালির দীর্ঘতম সময়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানান।মোদী লিখেছেন, এই রেকর্ড থেকেই বোঝা যায় যে, ইতালির মানুষ মেলোনির উপর কতটা আস্থা রাখেন।’ পাশাপাশি, শুভেচ্ছাবার্তায় ভারত ও ইতালির উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি। দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার কথাও বলেছেন মোদী। তিনি লেখেন, ‘‘আগামী দিনগুলোতে তার (মেলোনি) সাফল্যের ধারা যাতে অব্যাহত থাকে, সেজন্য আমার আন্তরিক শুভকামনা জানাই।’এদিকে, গত কয়েক বছর ধরে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে মোদী এবং মেলোনির বন্ধুত্বের রসায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। গত মে মাসে ইতালি সফরে গিয়ে মেলোনির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মোদী তাকে ‘মেলোডি’ চকোলেট উপহার দিয়েছিলেন। সেই চকোলেট উপহারের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টও করেছিলেন মেলোনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাপলা চত্বরে লংমার্চের প্রস্তুতি পরিদর্শন জামায়াত নেতাদেরআগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১১দলীয় ঐক্যের ঘোষিত ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের অভিমুখে লংমার্চ। জনসভার মাধ্যমে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে লংমার্চের যাত্রা শুরু হবে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে। এই উপলক্ষে ১১দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে মতিঝিল শাপলা চত্বরে সমাবেশের মঞ্চ নির্মাণের কাজ চলছে।শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা সমাবেশের প্রস্তুতি ও মঞ্চ পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা মঞ্চ পরিদর্শনের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।জনসভার প্রস্তুতি ও মঞ্চ পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি দেশবাসীকে লংমার্চ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, "গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যে ঊর্ধ্বগতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করার- ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।"তিনি আরও বলেন, "এই ছয় দফা দাবি জনগণের অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক দাবি।" তিনি জানান, মতিঝিল শাপলা চত্বরে সমাবেশ শেষে বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে লংমার্চ শুরু হবে। তিনি বলেন, "অসংখ্য আন্দোলন সংগ্রামে সূতিকাগার ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চের শুভ সূচনা হয়ে চট্টগ্রামের লাল দিঘি ময়দান গিয়ে শেষ হবে।" সমাবেশ সকাল ৭টায় শুরু হয়ে ৮টার মধ্যেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে লংমার্চ যাত্রা শুরু করবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশবাসীকে লংমার্চে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, "ছয় দফা দাবি জনগণের দাবি, এটি কোনো রাজনৈতিক দাবি নয়, রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়। এই ছয় দফা দাবি আদায় করা জনগণের আকাঙ্ক্ষা।" তিনি আরও জানান, জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছেন। দাবি আদায় না হলে আগামী দিনে আরও বড় ধরনের কর্মসূচি ঘোষণার জন্য ক্ষেত্র প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামীকাল লংমার্চের প্রথম কর্মসূচি শুরু হবে, ইনশাআল্লাহ। পরবর্তীতে ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর শনিবার ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটের অভিমুখে লংমার্চ শেষে ১৪ নভেম্বর শনিবার ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে ঘোষিত লংমার্চ সুষ্ঠুভাবে সফল করতে তিনি সরকার ও প্রশাসনসহ দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন, দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেন, মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ড. আব্দুল মান্নান, দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ড. মোবারক হোসাইন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য শাহীন আহমেদ খান ও মাওলানা শরিফুল ইসলাম। এছাড়া কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিমানমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, গাড়িচালক অন্যায় করেছিল (উল্টো পথে গাড়ি চালিয়েছেন), তাই তাকে মামলা দিয়ে জরিমানা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অন্যায়কারী যে-ই হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী মাদক নির্মূল প্রসঙ্গে বলেন, ‘যেখানে মাদক পাওয়া যাবে, যে মাদক সেবন করবে, যে মাদক রাখবে—আমি পুলিশ কর্মকর্তাকে বলে যাচ্ছি, কোনো সুপারিশে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। তাদের জেল খাটতে হবে।’এ সময় তিনি খুন-ধর্ষণ, মারামারি, জমি বা দোকানপাট দখলকারী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেন।এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘খুব শিগগির নদীভাঙন প্রতিরোধে দেওয়ানগঞ্জের জন্য ৫৭০ কোটি টাকা একনেকে অনুমোদন হয়ে যাবে। প্রতিটি ইউনিয়নে নতুন সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আমলের ডিলাররা সার নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করতে না পারে।’মন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রতিটি ইউনিয়নের মসজিদের খতিব ও ইমামদের সরকারিভাবে ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। নতুন করে দুজন করে কাজী নিয়োগ দেওয়া হবে।’তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান ২৪ কোটি মানুষ কাজ করুক। সবাইকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।জনসভায় আরো বক্তব্য দেন, ‘জামালপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল হক, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ সাদা, সিনিয়র সহসভাপতি বাবু শ্যামল চন্দ, সহসভাপতি মাহবুবুল হাসান, দেওয়ানগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান সাজুসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ