ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়লেন শান্ত, ফিরলেন লিটন-মুশফিকও


আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়লেন শান্ত, ফিরলেন লিটন-মুশফিকও

ইতিহাস গড়া তানজিদ হাসান তামিমের পথ অনুসরণ করছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু ৮৫ তম ওভারে জশ হ্যাজলউডের অফ স্টাম্পের বাইরের বলটি আচমকা ভাবে বাঁকিয়ে যায়।

সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখেও এভাবে সেঞ্চুরি অর্জন হল না শান্তর। তিনি ১৬ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ত্যাগ করলেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তার প্রথম সেঞ্চুরিও পাওয়া হলো না। শান্ত ৮৪ রানে আউট হলেন।

শান্তর ইনিংসটি ৭ চার ও ১ ছক্কা নিয়ে শেষ হলো যখন হ্যাজলউডের বলে স্লিপে স্টিভেন স্মিথ তাকে ক্যাচ ধরেন। বিদায় নেওয়ার আগে তিনি অবশ্য দলের জন্য দারুণ অবদান রেখেছেন। তার আউটের পরপরই তাঁর সাথে লিটন দাসও বিদায় নেন। ১২ বল খেলে উইকেটে কোনো রান করতে পারেননি তিনি।

আরও পড়ুন: আজ যেসব দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে

মিচেল স্টার্কের বলেও স্টিভেন স্মিথকে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটার। লিটনের বিদায়ের পরে মুশফিকুর রহিমও ফিরে যান। স্লিপে স্মিথের হ্যাটট্রিক ক্যাচে ৩৬ রানে আউট হন তিনি। ফলে বাংলাদেশ ১১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে।

শান্ত ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি না পেলেও তিনি সামনে থেকে লিড দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। প্রথমে সেঞ্চুরিয়ান তানজিদের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৯৩ রানের চমৎকার জুটি গড়েন। পরে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ৬৬ রানের পঞ্চাশোর্ধ্ব পৃথক জুটি গড়েন। এতে বাংলাদেশ সেঞ্চুরি ছাড়িয়ে বড় লিডের আশা নিয়ে ব্যাটিং করছে।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর ৬ উইকেটে ৩১২ রান। লিড দাঁড়িয়েছে ১১৪। হাসান মাহমুদ ৪ রানের বিপরীতে ২ রানে অপরাজিত মেহেদী হাসান মিরাজ।

এর আগে ডারউইনে ইতিহাস গড়েছেন তানজিদ। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে সেঞ্চুরি অর্জন করেন বাঁহাতি ওপেনার। তিনি ৮ চার ও ১ ছক্কায় ১০১ রান করে আউট হন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম হলেও বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যাটার তিনি। কারণ তার আগে ২০০৬ সালে ফতুল্লায় ১৩৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন সাবেক বাঁহাতি ওপেনার শাহরিয়ার নাফিস।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগ কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়: মাহদী আমিন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পানির টেকসই সমাধান: ডাচ রাষ্ট্রদূ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৩ পি.এম


সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পানির টেকসই সমাধান: ডাচ রাষ্ট্রদূ

ডাচ রাষ্ট্রদূত ইয়োরিস ভ্যান বোমেল বলেছেন, নেদারল্যান্ডস ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের জনগণের জন্য, বিশেষ করে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার জনগণের জন্য নিরাপদ খাবার পানির প্রাপ্যতা বাড়াতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বরিশালে ম্যাক্স ফাউন্ডেশনের ‘বিল্ডিং ওয়াটার বিজনেস’ কর্মসূচি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথাগুলো বলেন।

জলবায়ু-ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে স্মার্ট, স্বল্প রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের পাইপলাইনযুক্ত পানি সরবরাহ ব্যবস্থা কীভাবে দক্ষতার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করছে তা দেখতে রাষ্ট্রদূত জেলার বাকেরগঞ্জের দুধলমৌতে এ কর্মসূচি পরিদর্শন করেন।

ইয়োরিস ভ্যান বোমেল বলেন, পানি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, কারণ উভয় দেশই ব-দ্বীপ, নদী ও সমুদ্র দ্বারা গঠিত এবং তিনি জোর দিয়ে বলেন, পানি সহযোগিতার মাধ্যমে সকলের জন্য খাবার পানির প্রাপ্যতাও নিশ্চিত করা উচিত।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে তার এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল, পানি সংযোগের শেষ প্রান্তে কীভাবে পৌঁছানো যায় তা খতিয়ে দেখা, যাতে স্থানীয় জনগণ তাদের বাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি পায়।

তিনি বলেন, শুধু খাবার পানির গুণগত মান উন্নয়নের জন্যই নয়, বরং পানি সংগ্রহের জন্য প্রায়ই অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হয় এমন নারী ও মেয়েদের ওপর থেকে বোঝা কমানোর জন্যও ট্যাপের পানির সহজলভ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বরিশালের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে যে সরকার, স্থানীয় জনগণ ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে টেকসই পানি পরিষেবা গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, আমরা আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি যে, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি টেকসই সমাধান, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবার ঘরে পানির সুবিধা পাবে এবং তা সাশ্রয়ীও হবে।

তিনি বলেন, বরিশালের অফ-গ্রিড পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পরিদর্শন কমিউনিটি পর্যায়ে এই ধরনের ব্যবস্থাগুলো কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে তা দেখার একটি সুযোগ করে দিয়েছে।

পানির সহজলভ্যতা বাড়াতে ম্যাক্স ফাউন্ডেশন এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্থানীয় জনগণ ও কোম্পানিগুলোর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের কাজ দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন ইয়োরিস ভ্যান বোমেল।

তিনি বলেন, যদি আমরা কোম্পানি ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কাজ করি, তবে আমরা একটি পরিবর্তন আনতে পারবো।

ম্যাক্স ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জোক লে পুল বলেন, সংস্থাটি দুই দশকেরও বেশি সময় আগে কাজ শুরু করেছে এবং প্রাথমিকভাবে সংস্থার মনোযোগ ছিল শিশু মৃত্যু প্রতিরোধের অপরিহার্য উপায় হিসেবে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির ওপর।

তিনি বলেন, উচ্চ চাহিদা ও জনঘনত্বের কারণে সংস্থাটি বাংলাদেশকে বেছে নিয়েছে এবং বরিশালে পানির কূপ দিয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, সেই কূপগুলোর মধ্যে অনেকগুলো ১৫ থেকে ২০ বছর পরেও সচল রয়েছে।

তিনি বলেন, তবে মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা পানির উন্নত সরবরাহ পাওয়ার আকাঙ্খা ব্যক্ত করতে শুরু করে। তিনি যোগ করেন, বাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য সুবিধা বয়ে আনতে পারে এবং মানুষ এই ধরনের পরিষেবার জন্য অর্থ ব্যয়ে ইচ্ছুক।

ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও নেপালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম বলেন, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ বরিশাল ও পটুয়াখালীতে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয় জলের জন্য একটি ব্যবসাভিত্তিক সমাধান তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, সাহায্য বা অনুদান-নির্ভর প্রকল্পের বিপরীতে এই মডেলটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে পানির জন্য পরিবারগুলোর দেওয়া মাসিক অর্থের মাধ্যমে এটি পরিচালনা করা যায়।

তিনি বলেন, এই উদ্যোগটি এ পর্যন্ত প্রায় ১০০টি ওয়াটার গ্রিড স্থাপন করেছে এবং পরিচালন ব্যয় কমাতে ও ব্যবসাগুলোকে আর্থিকভাবে আরও টেকসই করতে পর্যায়ক্রমে সৌরশক্তি ও অটোমেশনের মতো ব্যবস্থা চালু করছে।

ড. তারিকুলের মতে, পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি পাওয়ার ব্যবস্থা ত্বক ও পেটের রোগ কমাতেও অবদান রেখেছে, পাশাপাশি নারীরা পানি সংগ্রহের জন্য কম দূরত্ব এবং বাড়ির শৌচাগার ও ধোয়ামোছার সুবিধা থেকে উপকৃত হচ্ছেন।

পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে ডাচ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পানি ও জলবায়ু) ক্লাসেন ইঙ্গে, সিনিয়র ফাইনান্সিয়াল অ্যাডভাইজার আমিনুল ইসলাম এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়ামিন ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ মক্কা-মদিনায় জুমার নামাজ পড়াবেন যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


আজ মক্কা-মদিনায় জুমার নামাজ পড়াবেন যারা

আজ শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ। বিশ্বের কোটি কোটি মুসল্লি আজ পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের প্রথম জুমার নামাজ আদায় করবেন।

এদিন, মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারাম এবং মদিনার মসজিদে নববিতে জুমার নামাজের ইমামতি ও খুতবা প্রদান করবেন সৌদি আরবের দুই প্রখ্যাত আলেম এবং ক্বারি।

মসজিদে হারামের জুমা পড়াবেন শায়খ সালেহ আল-হুমাইদ। আজ, পবিত্র মসজিদুল হারামের জুমার নামাজের ইমামতি করবেন তিনি। শায়খ সালেহ ইবনে আব্দুল্লাহ আল হুমাইদ সৌদি আরবের খ্যাতিমান আলেম, আইনজীবী এবং ইসলামি শিক্ষাবিদদের মধ্যে একজন। ১৯৫০ সালে, সৌদি আরবের বুরাইদা শহরে তাঁর জন্ম হয়।

তিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন মক্কার উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৭৫ সালে সেখান থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করার পর, ১৯৭৬ সালে মাস্টার্স এবং ১৯৮২ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

শায়খ সালেহ আল-হুমাইদ মাত্র ৩৩ বছর বয়সে, ১৯৮৩ সালে মসজিদুল হারামের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। দীর্ঘ সময় ধরে পবিত্র কাবা শরিফে ইমামতি এবং খুতবা প্রদানের মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বের কাছে তিনি পরিচিতি লাভ করেন।

শায়খ আল-হুমাইদ শুধু ইমাম এবং খতিব হিসেবে নয় বরং, সৌদি আরবের বিচার ও আইন অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সৌদি শুরা কাউন্সিলের স্পিকার এবং হাই জুডিশিয়ারি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

বর্তমানে, তিনি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং সৌদি আরবের সিনিয়র স্কলার্স কাউন্সিলের সদস্য। পাশাপাশি, তিনি রাজকীয় আদালতের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

মসজিদে নববিতে জুমা পড়াবেন ড. খালিদ আল-মুহান্না।

এদিকে, মদিনার পবিত্র মসজিদে নববিতে জুমার নামাজের ইমামতি ও খুতবা প্রদান করবেন প্রখ্যাত আলেম ও ক্বারি শায়খ ড. খালিদ ইবনে সুলাইমান ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুহান্না। ১৯৭৬ সালে, তিনি সৌদি আরবের আল-আহসা অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা শায়খ সুলাইমান ইবনে আবদুল্লাহ ছিলেন সুপরিচিত আলেম এবং রিয়াদের পাবলিক কোর্টের বিচারক।

শৈশবেই পবিত্র কোরআন হিফজ করেন ড. আল-মুহান্না। এরপর, তিনি ইসলামি শিক্ষায় উচ্চতর পড়াশোনা শুরু করেন। ১৯৯৭ সালে, ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সৌদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উসুলুদ্দিন বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে, ২০০৩ সালে মাস্টার্স এবং ২০০৯ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ইসলামি জ্ঞানচর্চায়, তিনি সৌদি আরবের প্রখ্যাত আলেমদের সান্নিধ্য লাভ করেন, বিশেষ করে শায়খ আবদুল আজিজ ইবনে বাজ (রহ.) এবং শায়খ আবদুল্লাহ ইবনে আকিল (রহ.)-এর কাছ থেকে সরাসরি জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পান।

ড. খালিদ আল-মুহান্না অধ্যাপনার মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৭ সালে, ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সৌদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উসুলুদ্দিন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। পরে, ২০০৯ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। ইসলামি জ্ঞান এবং কোরআন-হাদিসের শিক্ষাদানের পাশাপাশি, তাঁর কণ্ঠের মাধুর্য ও সুন্দর কিরাতও তাঁকে বিশেষ পরিচিতি এনে দেয়।

২০১৫ ও ২০১৬ সালে, পবিত্র রমজান মাসে তাঁকে মসজিদে নববির ইমাম হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকে, মসজিদে নববির ইমামদের তালিকায় তিনি বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিরল খনিজের খোঁজে ইরানে যাচ্ছে চীনের বিজ্ঞানীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৯ পি.এম


বিরল খনিজের খোঁজে ইরানে যাচ্ছে চীনের বিজ্ঞানীরা

চীন ইরানের সঙ্গে বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা বৃদ্ধির কর্মসূচি গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এবার কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘বিরল মাটি’ বা রেয়ার আর্থ ধাতু নিয়ে দুই দেশ একত্রিতভাবে সহযোগিতা করতে যাচ্ছে।

চলতি বছরের যৌথ কর্মসূচিতে বিরল খনিজের অনুসন্ধান ও প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তিকে সহযোগিতার একটি প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে চীনের ন্যাশনাল ন্যাচারাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন (এনএসএফসি) এবং ইরান ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন। এ ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি বিশেষ ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে, যার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ‘বিরল মাটি উপাদানের অনুসন্ধান ও প্রক্রিয়াজাতকরণ’।

এনএসএফসি স্পষ্ট করেছে যে, প্রতিটি কর্মশালার জন্য চীনের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার ইউয়ান (প্রায় ৪ হাজার ২০০ মার্কিন ডলার) অর্থ প্রদান করা হবে।

এই অর্থ বিভিন্ন খরচ যেমন সভা, থাকার ব্যবস্থা এবং চীনের অভ্যন্তরে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হবে।

অন্যদিকে, ইরান ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন ইরানি অংশগ্রহণকারীদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের খরচে সহায়তা করবে। পাশাপাশি ইরান সফরে গমনকারী চীনা গবেষকদের থাকার ব্যবস্থা করার খরচও বহন করবে।

বিশেষভাবে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যুদ্ধ ও উত্তেজনা এখনও পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় এই সহযোগিতাকে অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

বিরল মাটি বলতে ১৭টি ধাতুর একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে বোঝানো হচ্ছে। এই ধাতুগুলি চৌম্বকীয় এবং বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য কারণে আধুনিক প্রযুক্তিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান, রাডার সহ বিভিন্ন সামরিক ও ইলেকট্রনিক ব্যবস্থায় এসব ধাতু ব্যবহৃত হয়।

চীনের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিরল মৃত্তিকা বা রেয়ার আর্থের মজুদ রয়েছে। দেশটি বিশ্বব্যাপী এসব খনিজের উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে একটি শক্তিশালী আধিপত্য ধরে রেখেছে।

এছাড়াও, বিদেশে বিরল মৃত্তিকা প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রযুক্তি হস্তান্তর ধীরে ধীরে সীমাবদ্ধ করা হচ্ছে।

গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করবার পর বেইজিং বিরল মৃত্তিকা রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হতে দেখা যায় এবং বিরল মৃত্তিকার ক্ষেত্রে চীনের ওপর ওয়াশিংটনের নির্ভরতা স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয়।

অন্যদিকে, ইরানে বিরল মৃত্তিকার মজুদের পরিমাণ এবং সম্ভাবনা সম্পর্কে এখনও খুব কম তথ্য বিদ্যমান। তবে দেশটির বিরল মৃত্তিকার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্য হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের ভূতাত্ত্বিক গঠনে লৌহ আকরিক ও ফসফেটের স্তর অবস্থিত আছে, যা বিরল মৃত্তিকার মজুদ থাকার জন্য অনুকূল হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।

নেদারল্যান্ডসভিত্তিক হেগ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ফেব্রুয়ারির একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, অনুসন্ধানের মাধ্যমে মধ্য ইরানের প্রায় ৭ হাজার বর্গকিলোমিটার অঞ্চলে বিরল মৃত্তিকার উপস্থিতির সম্ভাব্য চিহ্ন শনাক্ত করা গেছে। তবে ইরানের বিরল মৃত্তিকা উত্তোলন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সক্ষমতা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে অবস্থান করছে। শিল্প পর্যায়ে উৎপাদনে পৌঁছাতে দেশটির এখনও অনেক সময় প্রয়োজন।

চীন ও ইরানের দুইটি জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশনের মধ্যে বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা শুরু হয় ২০১৭ সালে। সেই বছর বেইজিংয়ে দুই সংস্থা একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে। এনএসএফসি তাদের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করেছে যে, ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দুই দেশের জনগণ উপকৃত হবে।’

এরপর থেকে দুই সংস্থা গণিত, জীববিজ্ঞান, চিকিৎসা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পদার্থবিজ্ঞান, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ গবেষণা প্রকল্পে অর্থায়ন করে আসছে।

২০২৪ সালে দুই দেশ যৌথ কর্মশালা কর্মসূচি চালু করবে। শুরুতে জলবায়ু পরিবর্তন, এআই, উন্নত উপকরণ ও উৎপাদনসহ বিভিন্ন বিষয় এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিটি কর্মশালার জন্য দেড় লাখ ইউয়ান করে অনুদান দেওয়া হতো।

এবারের কর্মসূচিতে বিরল মৃত্তিকা অনুসন্ধান ও প্রক্রিয়াজাতকরণের পাশাপাশি রোগ শনাক্তকরণ, দূষণ পর্যবেক্ষণ, ভূমিকম্প-প্রতিরোধী নির্মাণ এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদনে ব্যবহারের জন্য ন্যানো উপকরণ নিয়ে গবেষণাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাইপলাইনে ভারত থেকে এল ৮২ লাখ লিটার ডিজেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


পাইপলাইনে ভারত থেকে এল ৮২ লাখ লিটার ডিজেল

ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছেছে প্রায় ৭ হাজার টন ডিজেল। গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে জানুয়ারি শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে পুরো ডিজেল ডিপোতে পৌঁছায়।

এবারের ৬৮তম ধাপে মোট ৭ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে, যা প্রায় ৮২ লাখ ৩৫ হাজার ২৯০ লিটার। প্রতি টনে ১ হাজার ১৭৬ দশমিক ৪৭ লিটার হিসেবে এই পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

ভারত থেকে আমদানি করা ডিজেল প্রতিটি চালানে প্রায় সমহারে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তিন বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান–পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েল কোম্পানির মধ্যে বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ অংশে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য ১২৬ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার।

পাইপলাইনটি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, সদর ও বোদা উপজেলা হয়ে নীলফামারী সদর এবং দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার মধ্য দিয়ে পার্বতীপুরের রিসিভ টার্মিনাল পর্যন্ত বিস্তৃত। মাটির প্রায় ৫ থেকে ৮ ফুট গভীরে স্থাপিত এই পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি ভারত থেকে ডিজেল পরিবহন করা হচ্ছে।

ফলে উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ আরও সহজ ও দ্রুত করার পাশাপাশি সড়ক ও রেলপথে জ্বালানি পরিবহনের ওপর নির্ভরতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%