ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

আবারো মার্কিন হামলা ইরানের সামরিক স্থাপনায়


আবারো মার্কিন হামলা ইরানের সামরিক স্থাপনায়

মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের গোরুক শহর এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, এসব হামলা ছিল ‘আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ এবং এটি তাদের দাবি অনুযায়ী ইরানের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের জবাব হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।

রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) হিসাবে সেন্টকম জানায়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় পরিচালিত একটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপ নিয়েছে। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ইরানের এই পদক্ষেপ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য একটি হুমকি তৈরি করেছিল।

আরও পড়ুন: শ্রমিক আন্দোলনে একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র: রাশেদ খান

সেন্টকমের ভাষ্যানুযায়ী, অভিযানে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, একটি স্থলভিত্তিক ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং একমুখী হামলার জন্য ব্যবহৃত দু’টি ড্রোন ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।

মার্কিন বাহিনী দাবি করেছে, এসব স্থাপনা ও ড্রোন আঞ্চলিক জলপথে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য সরাসরি হুমকি হয়ে উঠেছিল। তাই সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় দ্রুত সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপ উভয়ই পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি অবস্থিত। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী মাধ্যমে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অঞ্চলে মার্কিন এবং ইরানি বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাম্প্রতিক এই হামলা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে।

আরও পড়ুন: ফুলবাড়ী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৫৮ হাজার টাকার মাদক ও মোটরসাইকেল জব্দ

মার্কিন ঘোষণার পরপরই ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কিন্তু অতীতে এ ধরনের হামলার ঘটনায় তেহরান সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং নিজেদের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানের কথা তুলে ধরেছে।

পর্যবেক্ষকদের ধারণা, ইরানের প্রতিক্রিয়া এবং পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে পার্সী উপসাগর অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়। বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিবিয়া থেকে আরো ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ এম


লিবিয়া থেকে আরো ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।

বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়ার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তারা দেশে ফিরছেন। এদের মধ্যে ১৪ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।

আজ সোমবার (০১ জুন) সকালে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তারা। এর আগে রবিবার লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস এক ফেসবুক পোস্টে তাদের ফেরার কথা জানায়। প্রত্যাবাসনকালে দেশটির রাষ্ট্রদূত অভিবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন।

এই সময়ে অভিবাসীরা লিবিয়ায় মানবপাচারের শিকার হওয়ার করুণ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা জানান, দালালচক্রের প্রলোভনে পড়ে সাগরপথে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় এসে বিভিন্ন মানবপাচারকারী ও অপরাধী চক্রের হাতে জিম্মি হন। অনেকেই মুক্তিপণ আদায়ের জন্য শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। কেউ কেউ পরিবারের জমি-জমা বিক্রি করে সর্বস্বান্ত হওয়ার কথাও জানান।

এছাড়া, দীর্ঘদিন ডিটেনশন সেন্টারে আটক অবস্থায় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসেবার সীমাবদ্ধতার কারণে মানবেতর জীবনযাপনের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তারা। তারা ভবিষ্যতে আর কখনো এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পথে না আসার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। রাষ্ট্রদূত তাদের কথা মনোযোগসহকারে শোনেন এবং সান্ত্বনা প্রদান করেন।

রাষ্ট্রদূত প্রত্যাবাসীদের দেশে ফিরে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি তাদের নিজ নিজ এলাকায় লিবিয়ায় তাদের দুঃখ-কষ্ট, নির্যাতন, মানবপাচারের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা এবং অনিয়মিত অভিবাসনের ভয়াবহ পরিণতির কথা সকলের কাছে তুলে ধরার অনুরোধ জানান, যাতে অন্য কেউ এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পথে বিদেশ গমনে উৎসাহিত না হয়।

রাষ্ট্রদূত আরো উল্লেখ করেন, অনিয়মিত অভিবাসন ব্যক্তি ও পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়েও দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ প্রেক্ষিতে তিনি সকলকে বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনের পথ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিদেশে যাওয়ার পূর্বে সরকারি অনুমোদিত প্রক্রিয়া অনুসরণ, সঠিক তথ্য যাচাই এবং দালালচক্র থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন।

এর আগে, চলতি মাসে আরো তিনটি ফ্লাইটে গানফুদা ও তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ৫১৪ জনকে দেশে প্রত্যাবাসনের কাজ করছে দূতাবাস। মানবপাচারের শিকার এসব অভিবাসীরা বলছেন, এয়ারপোর্ট কন্ট্রাক্ট ও ওমরা ভিসায় ইউরোপ যাত্রার বিষয়টি বন্ধ করা না গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এমন আরো অনেকেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অধিবেশনের আগে তেলের দাম বৃদ্ধি এক প্রকারের ধোঁকাবাজি : জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


অধিবেশনের আগে তেলের দাম বৃদ্ধি এক প্রকারের ধোঁকাবাজি : জামায়াত আমির

এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। বাজেট অধিবেশন শুরুর আগেই যদি জ্বালানি তেলের মূল্য দ্রুত বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে এটি হবে এক ধরনের ধোঁকাবাজি, এ কথা মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রবিবার দিবাগত মধ্যরাতে তিনি এই মন্তব্য করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে। ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা তৈরি হচ্ছে। শুধুমাত্র গত মাসেই এক দফায় ৮ থেকে ১২ শতাংশ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে, এবং ক্ষেত্রবিশেষে এর চেয়েও বেশি।

মূল্যবৃদ্ধির কারণে দ্রব্যমূল্যও বেড়ে গেছে। কিন্তু মানুষের আয় সেই তুলনায় বাড়েনি। ক্রমাগত বেকারত্ব বেড়েই চলেছে। আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা দেখা যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাল্টাপাল্টি হামলা, ইরানি ড্রোন ও রাডার স্টেশন ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


পাল্টাপাল্টি হামলা, ইরানি ড্রোন ও রাডার স্টেশন ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান কর্তৃক মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র তার রাডার এবং ড্রোন নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে ‘আত্মরক্ষামূলক’ বিমান হামলা চালিয়েছে। গত সপ্তাহান্তে ইরানের গোরুক এবং কেশম দ্বীপে এই হামলা চালানো হয়েছে বলেও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তথ্য এসেছে।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, তেহরানের ‌‘আগ্রাসী’ কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় নিয়োজিত একটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছিল ইরান।

মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো তাৎক্ষণিক পাল্টা অ্যাকশনে যায় এবং ইরানি বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, একটি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন ও দুটি ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন ধ্বংস করে। সামরিকভাবে এই অভিযানে কোনো মার্কিন কর্মী হতাহত হননি বলেও নিশ্চিত করেছে সেন্টকম।

এটি উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যে এই ধরনের সংঘাত এবারই প্রথম নয়। এর আগের সপ্তাহেও তারা একে অপরের ওপর হামলা চালিয়েছিল। ওয়াশিংটনের একজন কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের একটি ড্রোন অপারেশন লক্ষ্য করে মার্কিন সামরিক বাহিনী হামলা চালানোর পর, ইরানও পাল্টা হিসেবে একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। সর্বশেষ এই বিমান হামলার পর ওই অঞ্চলে দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স, এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছুটিতে হাম উপসর্গে ৫৭ শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ এম


ছুটিতে হাম উপসর্গে ৫৭ শিশুর মৃত্যু

ঈদুল আজহার ছুটিতে হাম উপসর্গে ৫৭ শিশু মারা গেছে। এ সময়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে সাত হাজার ১২৭ জন।

আক্রান্ত শিশুদের সঙ্গে হাসপাতালে ঈদ কাটাতে হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পরিবারকে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক তথ্য বিশ্লেষণ বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এক হাজার ৩২৪ জন চিকিৎসা নিয়েছে, ৭৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৫৩ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে দেশে হামের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে।

গত ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে পরিস্থিতির তথ্য প্রকাশ করছে। অধিদপ্তরের হিসাবে, এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জন। তাদের মধ্যে ৫৬ হাজার ৮৮৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ জনের।

গত ১৫ মার্চ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত হাম ও হামের জটিলতায় ৫৮৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৪৯ জনের বেশি শিশুর প্রাণ গেছে। সর্বশেষ ১২তম সপ্তাহে (২৫-৩১ মে) মারা গেছে ৫৭ শিশু এবং আক্রান্ত হয়েছে সাত হাজার ১২৭ জন।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে হামের সবচেয়ে বড় জটিলতা হলো নিউমোনিয়া। এবারের নিউমোনিয়া অনেক ক্ষেত্রে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে এবং রোগীদের ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

হামের জ্বর বা র‌্যাশ চলে যাওয়ার পর অনেকেই মনে করেন শিশু সুস্থ হয়ে গেছে। কিন্তু পরবর্তী চার থেকে ছয় সপ্তাহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কম থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%