০১:২৪ এম
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় থাকা ইরানের অবরুদ্ধ অর্থ মুক্তির মাধ্যমে তা ছেড়ে দেওয়া হবে। তবে, ওয়াশিংটন নিশ্চিত করবে যে, এই অর্থ যেন কোনোভাবেই সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নে ব্যবহার না করা হয়। সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে দুই দেশের মধ্যে প্রথম দফার আলোচনা শেষে সোমবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য তুলে ধরেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক শুরু করা যুদ্ধ বন্ধ করার উদ্দেশ্যে গত সপ্তাহে একটি প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় আগামী দুই মাসে আলোচনা প্রক্রিয়া চলবে, যার প্রথম অংশটি সোমবার তার সমাপ্ত হয়েছে। এই সমঝোতা স্মারক বা পারস্পরিক বোঝাপড়ার চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং তাদের আটকে রাখা সম্পদের ব্যবহারের সুযোগ দিতে সম্মত হয়েছে। এই সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ১০০ থেকে ১২৩ বিলিয়ন ডলার।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর মার্কিন সমর্থিত শাসক মোহাম্মদ রেজা পাহলভী ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের সম্পদ ও তহবিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।
আরও পড়ুন: শ্রম আদালতের মামলাজট নিরসনে কার্যকর রোডম্যাপের আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর
জেডি ভ্যান্স জানান, মুক্ত হওয়া এই অর্থের অপব্যবহার রোধে একটি সুন্দর সমাধান বের করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও সিনিয়র উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতারের যৌথ সহায়তায় এই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।
মুক্ত হওয়া অর্থের ছাড়ের পুরো প্রক্রিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বা অনুমোদনের ক্ষমতা থাকবে। এর ফলে ইরানের অর্থ সেদেশের সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হবে। এই পদক্ষেপ পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা বজায় রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন