ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হৃদয় ও সাকিব জাদুতে বড় জয় জাফনা কিংসের


হৃদয় ও সাকিব জাদুতে বড় জয় জাফনা কিংসের

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ক্যান্ডি রয়্যালসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল জাফনা কিংস।

এই ম্যাচে বাংলাদেশের দুই তারকা ক্রিকেটার তাওহীদ হৃদয় এবং সাকিব আল হাসানের অসাধারণ নৈপুণ্যে দাপুটে জয় লাভ করেছে জাফনা কিংস।

রোববার (২৬ জুলাই) টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে হৃদয়ের ঝড়ো ইনিংসের পর বল হাতে সাকিবের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ক্যান্ডি রয়্যালসকে ৯৩ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে দলটি।

আরও পড়ুন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিনের সঙ্গে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে ৪ উইকেটে ১৯৯ রান তোলে জাফনা। উদ্বোধনী জুটিতে কামিল মিশারা ও আভিষ্কা ফার্নান্দো মিলে ১২৯ রান যোগ করে দলের বড় সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দেন। মিশারা ৫৩ বলে ৭৮ রান এবং ফার্নান্দো ৩৬ বলে ৬৬ রান সংগ্রহ করেন।

শেষ দিকে ব্যাট করতে এসে মাত্র ২১ বল খেলে অপরাজিত ৩৫ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন তাওহীদ হৃদয়। দুটি চার এবং একটি ছক্কা সহ ১৬৬.৬৬ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করে তিনি দলকে ২০০ রানের কাছাকাছি নিয়ে যান। ক্যান্ডির হয়ে শাহীন আফ্রিদি তিনটি উইকেট লাভ করেন।

২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপের মধ্যে ছিলেন ক্যান্ডি। মোহাম্মদ সিরাজ প্রথম তিন ওভারেই কুশল পেরেরা এবং ডেল ফিলিপসকে আউট করেন।

এরপর আক্রমণে এসে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার মঈন আলীকে মাত্র ৭ রানে ফিরিয়ে দেন সাকিব আল হাসান। তিন ওভার খেলে মাত্র ১৮ রান দিয়ে একটি উইকেট শিকার করেন বাংলাদেশি এই অলরাউন্ডার।

আরও পড়ুন: হাসপাতালে সাংবাদিক এনাম সরকারের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রিজভী

দুনিথ ভেল্লালাগে ২২ রানে ৩ উইকেট নিচ্ছেন, এবং মোহাম্মদ সিরাজও ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ক্যান্ডির ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেন। এছাড়া ডেভিড ভিসা ও ট্রাভিন ম্যাথিউ একজন করে উইকেট লাভ করেন।

ক্যান্ডির হয়ে লাহিরু উদারা সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেছেন, তবে অন্য কোনো ব্যাটার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি। দলটি ১৮.২ ওভারে ১০৬ রানে অলআউট হয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ নির্দেশনা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২০ পি.এম


সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ নির্দেশনা জারি

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সকল দাপ্তরিক চিঠিতে নজরুল বর্ষের নির্ধারিত লোগো ব্যবহার করতে হবে।

রবিবার (২৬ জুলাই) এই নির্দেশনা দিয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকার চলতি বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই উপলক্ষে, প্রধানমন্ত্রী গত ২ জুলাই ‘নজরুল বর্ষ’র নির্ধারিত লোগো উন্মোচন করেছেন।

এতে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ, চেতনা ও সৃষ্টিকে জাতির কর্ম ও মননে সমুন্নত রাখার প্রয়াস এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত সকল দাপ্তরিক পত্রে নির্ধারিত লোগো ব্যবহারের জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়েছে। এই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই নির্দেশনা জারি করেছে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজের তন্বী চেহারার রহস্য জানালেন জয়া আহসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২২ পি.এম


নিজের তন্বী চেহারার রহস্য জানালেন জয়া আহসান

জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান সম্প্রতি কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’তে অভিনয় করার পর ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তবে নিজের কর্মক্ষমতা ধরে রাখার জন্য প্রত্যেক শিল্পীকেই নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। ব্যতিক্রম নন জয়া আহসানও, কিন্তু তার প্রতিদিনের জীবনযাপন খানিক অবাক করে দিতে পারে তার ভক্ত-অনুরাগীদের।

‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’র চরিত্র পদ্মা তথা জয়া আহসানের জিমে বড় আলস্য। এ সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার মাসকয়েক আগে থেকে জিম করা শুরু করেন অভিনেত্রী। তখন পিলাটিজ করে ক্যালোরি ঝরান তিনি। অর্থাৎ চিরাচরিত ফিটনেস রুটিনের প্রতি ঝোঁক নেই তার। কিন্তু জনপ্রিয় শারীরচর্চা থেকে খানিক দূরে থাকলেও মাঠঘাট ও চাষের ক্ষেত তাকে সুস্থ রাখে এবং আনন্দে রাখে।

জয়া বলেন, "জিম করা যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে যে যার মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। সে সময়ে মাটি তৈরি করা থেকে শুরু করে, দরকারে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও করি।"

বাড়িতে হরেকরকম সবজির চাষ হয়। খাবারের থালাতেও সেই সবজি রাঁধা পদই থাকে। বাড়িতে তৈরি সবজি দিয়ে রাঁধা খাবারই বেশি পছন্দ তার। ফলে রাসায়নিক সারের ভীতি থাকে না। নিজে চাষ করে খাওয়াদাওয়ারই পক্ষপাতি জয়া। তবে কালেভদ্রে যে বাইরের খাবার খান না, তা নয়। পিৎজা তার খুবই পছন্দের একটি খাবার। কিন্তু জাঙ্ক ফুডের প্রতি তত প্রীতি নেই তার।

জয়া বলেন, "যদি জাঙ্ক ফুড খেয়েও ফেলি, তা নিয়ে অপরাধবোধে ভুগি না আমি। কারণ মাঝে মাঝে মন ও আত্মাকেও খাওয়ানো উচিত বলে মনে করি। আর খুব বেশি সতর্ক হয়ে গেলে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন কীভাবে" বলে জানান এ অভিনেত্রী।

পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক বলেন, "চাষ করার চেয়ে ভালো শারীরচর্চা আর কী-ই বা হতে পারে! যারা নিয়মিত চাষবাস করেন, তাদের যে কেবল ক্যালোরি ঝরে, তা-ই নয়, পেশি মজবুত হয়, টোনিংয়ের কাজও হয়। তা ছাড়া সূর্যালোকের সংস্পর্শে শরীরে ভিটামিন ডির মাত্রা বেড়ে যায়। এই ভিটামিন শরীরের হাজারো কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।"

অনন্যা ভৌমিক আরও বলেন, "আদিম যুগে কি জিম ছিল? যন্ত্র বা ব্যায়ামের নতুন ধারাও তখন আবিষ্কার হয়নি। তখন তারা ক্ষেতের কাজ করতেন, মাছ ধরতে যেতেন, কেউ বা শিকারে যেতেন। আর এসব কাজই একটা মানুষকে সুস্থ রাখতে পারে। যত কায়িক শ্রম হবে, ততই শারীরবৃত্তীয় কাজ স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হবে। এর পাশাপাশি নিজের হাতে তৈরি সবজি দিয়ে রান্না করা খাবার খাওয়ার মতো স্বাস্থ্যকর কী-ই বা হবে।"

বাগান হোক বা চাষের কাজ করা হোক, পুষ্টিবিদের মতে, এসব কাজ মনকে আনন্দ দেয়। ফলে শরীরে ‘হ্যাপি হরমোন’-এর ক্ষরণ বাড়ে, আবার স্ট্রেস হরমোন অর্থাৎ কর্টিসলের মাত্রা কমে। সব মিলিয়ে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্যও মাঠঘাটে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

পুষ্টিবিদের পরামর্শ, যারা চাষের ক্ষেতে কাজ করার সুযোগ পান না, তারা বড় করে বাগান করতে পারেন। অনেকটা জায়গাজুড়ে হাঁটাচলা করা, ঘোরাঘুরি করার মাধ্যমেও শরীর বেশ সক্রিয় থাকে। কিন্তু ছোটখাটো বাগানে এই উপকারিতাগুলো মিলবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামীকাল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ পি.এম


আগামীকাল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল

 দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য আগামীকাল বাংলাদেশ ইমার্জিং দল দেশ ছাড়তে যাচ্ছে। সফরের মধ্যে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ এবং দুটি চারদিনের ম্যাচ খেলা হবে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের সাথে দলে অংশগ্রহণ করবে দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল এবং ইউএসএসএ দল।

৩০ জুলাই উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং এবং ইউএসএসএ। প্রিটোরিয়ায় ১ আগস্ট দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

ডাবল রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে দুবার খেলবে। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল ফাইনালে পৌঁছাবে। ১২ আগস্ট প্রিটোরিয়ার টুকস ওভালে ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

ত্রিদেশীয় সিরিজের পর বাংলাদেশ ইমার্জিং ও দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলের মধ্যে দুটি চারদিনের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম চার দিনের ম্যাচ ১৬ থেকে ১৯ আগস্ট পচেফস্ট্রুমের জেবি মার্কস ওভালে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৩ থেকে ২৬ আগস্ট বেনোনির উইলোমুর পার্কে দ্বিতীয় ও শেষ চার দিনের ম্যাচ খেলা হবে।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে তাদের দল ঘোষণা করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুর্দান্ত পারফরমেন্সের মাধ্যমে ইমার্জিং দলে প্রবেশ করেছে কয়েকজন খেলোয়াড়। যারা ভবিষ্যতে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার জন্য প্রস্তুত।

জাতীয় দলের হয়ে ইতিমধ্যে জাকির হাসান ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন খেলেছেন। তবে ফর্মহীনতার কারণে তাদের জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আসন্ন এই সফরটি তাদের জন্য জাতীয় দলে ফেরার লক্ষ্য হিসেবে কাজ করবে।

বাংলাদেশ ইমার্জিং দল: জাকির হাসান, মাহফিজুল ইসলাম, ইফতেখার হোসেন ইফতি, শাহাদাত হোসেন, সামিউন বশির রাতুল, মইন খান, রোহানাত দৌল্লাহ বর্ষণ, আনামুল হক, ইরফান শুক্কুর, মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া অঙ্কন, ইকবাল হাসান ইমন, চৌধুরী মো. রিজওয়ান, আবু হাশিম, হাবিবুর রহমান ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বৈরাচারের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ পি.এম


স্বৈরাচারের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, মনে রাখতে হবে যে, যারা পালিয়ে গেছে, তারা বসে নেই। তাদের সাঙ্গপাঙ্গরাও আমাদের আশপাশের এলাকায় আছে। তবে, তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো অবস্থাতেই স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের সুযোগ নেই।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেই দিকে লক্ষ্য রাখার দায়িত্ব সকলের। যারা ষড়যন্ত্র করে ২০০৯ সালের মতো ক্ষমতায় চলে যেতে চেয়েছিলেন, তাদেরও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অনেক কষ্ট হচ্ছে। কারণ, জনগণ তাদের সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, এখন আমাদের চিন্তা করার সময় এসেছে। কেউ কেউ ভেতর থেকে এবং কেউ কেউ বাইরে থেকে বিভিন্ন রকমের বক্তব্য দিচ্ছেন, হুংকার দিচ্ছেন। বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের কথাও সরকারি ও বেসরকারি পত্রিকায় শোনার সুযোগ মিলছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে, বিগত ১৯ বছরের গণতন্ত্রহীন অবস্থার পর ১২ ফেব্রুয়ারি একটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই নির্বাচনে মানুষ দীর্ঘদিন পর ভোট দিয়েছে। ২০০৮ সালে মানুষ নিশ্চিন্ত হয়ে ভোট দিতে পারেনি। সেবার মানুষ প্রকৃত ভোটের প্রতিফলন দেখতে পাননি। এবারের নির্বাচনেই প্রথমবারের মতো জনগণের ভোট এবং জনগণের অংশগ্রহণে ভোট হয়েছে। মানুষ নিশ্চিন্ত ও নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।

মন্ত্রী বলেছেন, যখনই গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশের সুস্থতা ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, তখন বিএনপি জনগণের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, ১৯৭১ সালের মার্চে যখন অনেকেই পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং আত্মসমর্পণ করেছিলেন, তখন চট্টগ্রাম থেকে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা এবং বিদ্রোহের সূচনা করেছিলেন। তিনি অস্ত্র হাতে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। এ সময় দেশের পরিস্থিতি অন্ধকারের দিকে যাচ্ছিল; কিন্তু তখন জিয়াউর রহমান অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, সেই সময় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা আমরা কানে শুনেছি। কিন্তু আজ সেই ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর যখন আবার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন সিপাহি ও জনতা আস্থা রেখেছিল সেই মানুষটির ওপর, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, তখন বিএনপি নামক কোনো দল ছিল না; কিন্তু জনগণ ও সিপাহি-জনতার আস্থা ছিল মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের প্রতি। বন্দিদশা থেকে তাকে মুক্ত করে দিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, বিএনপি দলগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু কখনো ক্ষমতার উপর অর্পিত দায়িত্ব আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা করেনি। বিএনপির মধ্যে কখনো স্বৈরাচারী মানসিকতা ছিল না, বরং জনমতের প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধা ছিল।

তিনি মনে করিয়ে দেন, জনগণের পাশে না থাকলে এবং জনগণের ভালোবাসা অর্জন করতে না পারলে, যত শক্তিশালী প্রশাসন বা বাহিনী থাকুক না কেন, সব কিছু ভেঙে পড়ে। জনগণের ভালোবাসা ছাড়া ক্ষমতায় থাকা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে এবং জীবন রক্ষাও দুরূহ হয়ে যায়।

সভাটি জেটেব কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এ বি এম রুহুল আমীন আকন্দের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংগঠনটির নেতাকর্মী এবং জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%