ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে কৌশলগত তেলের মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা অনুমোদন ভারতের


জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে কৌশলগত তেলের মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা অনুমোদন ভারতের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংকটের অভিজ্ঞতার পর, জ্বালানি নিরাপত্তা প্রতিস্থাপনের জন্য ১৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুতাগার (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ) গড়ে তোলার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত তেল এবং গ্যাস কোম্পানি।

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিতে দ্বিতীয় বিরাট দেশ হল ভারত। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের সংঘাতের সময়, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের ফলে দেশটি জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের সম্মুখীন হয়।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আরও পড়ুন: স্পেনে দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৬৮, আহত ৮০

রাষ্ট্রায়ত্ত ‘অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস করপোরেশন (ওএনজিসি)’ বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে জমা দেওয়া এক নথিতে জানিয়েছে যে, তাদের পরিচালনা পর্ষদ ‘জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প’ হিসেবে দক্ষিণ ভারতের ‘ম্যাঙ্গালোর’ অঞ্চলে ১৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন (১.৭৫ এমএমটি) ধারণক্ষমতার কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুতাগার গড়ে তোলার জন্য নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

গত সপ্তাহে ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এএফপিকে বলেন, দেশের অভ্যন্তরে তেল এবং গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে সরকার জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি এসময় বলেন, ‘তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আমরা বড় পরিসরে বিনিয়োগ করছি। এ জন্য ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত অপরিশোধিত তেলের সরবরাহকারী দেশের সংখ্যা ২৭ হতে বাড়িয়ে ৪১-এ উন্নীত করেছে। নতুন সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরান, ভেনেজুয়েলা, রাশিয়া থেকে বাড়তি আমদানি এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশ।

আরও পড়ুন: কাতারের নতুন প্রস্তাব ইরানকে, যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা

রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারত পূর্বে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের সমালোচনার মুখে পড়েছিল। সমালোচকদের অভিযোগ, এভাবে তেল কিনে ভারত ইউক্রেনের বিরুদ্ধে মস্কোর যুদ্ধ পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অর্থায়ন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিয়েতনামে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১৫ ভারতীয়র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


ভিয়েতনামে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১৫ ভারতীয়র

ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চলে একটি দ্বীপ ভ্রমণ শেষে ফেরার পথে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া একটি স্পিডবোট দুর্ঘটনার শিকার হয়ে অন্তত ১৫ জন ভারতীয় পর্যটক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্পিডবোটটিতে মোট ৩২ জন ভারতীয় পর্যটক এবং ৪ জন ক্রু সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ফু কুওক দ্বীপের কাছাকাছি হন মাই রুট নগোয়াই দ্বীপ থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে স্পিডবোটটি উল্টে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তি বলেন, দুর্ঘটনার পর আশপাশে থাকা নৌকা ও স্পিডবোটগুলো দ্রুত ঘটনাস্থলে আসতে শুরু করে এবং পানিতে পড়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার কাজ শুরু করে।

এরপর দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থাগুলি উদ্ধার অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু অনেক যাত্রী স্পিডবোটের ভেতর আটকে থাকার ফলে উদ্ধারকাজ আরো জটিল হয়ে উঠে।

কর্তৃপক্ষের জানানো অনুযায়ী, এ ঘটনায় ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিহত ১৫ জনের মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। আহত যাত্রীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

থাইল্যান্ড উপসাগরে অবস্থিত ফু কুওক, ভিয়েতনামের অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকতভিত্তিক পর্যটনকেন্দ্র। এর দক্ষিণে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হন মাই রুট দ্বীপটি সাদা বালুর সৈকত এবং স্বচ্ছ পানির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। প্রতিবছর সেখানে দেশি-বিদেশি লাখো পর্যটক বেড়াতে আসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের বাঁধ, বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন ভারত-বাংলাদেশের জন্য টাইম বোমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


চীনের বাঁধ, বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন ভারত-বাংলাদেশের জন্য টাইম বোমা

চীনের এক ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে যে, তিব্বতের ইয়ারলুং সাংপো (ব্রহ্মপুত্র) নদীর ওপর নির্মাণাধীন বিশ্বের সর্ববৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সঠিক তলদেশে একটি সক্রিয় ভূগর্ভস্থ চ্যুতি বা ফল্ট লাইনের অস্তিত্ব রয়েছে।

ভূতাত্ত্বিকরা জানিয়েছেন, হিমালয় অঞ্চলের এই ফল্ট লাইনটি নির্মাণাধীন মেগা বাঁধের কাঠামোগত নিরাপত্তা ও স্থায়িত্বকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।

হংকং ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে জানা গেছে, চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ‘চায়না জিওলজিক্যাল সার্ভে’-র তত্ত্বাবধানে মান্দারিন ভাষায় প্রকাশিত ‘সেডিমেন্টারি জিওলজি অ্যান্ড টেথিয়ান জিওলজি’ সাময়িকীতে এই গবেষণা পত্রটি গত মাসে প্রকাশিত হয়।

গবেষণা পরিচালনা করেছে চেংদু ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি, চায়না জিওলজিক্যাল সার্ভের সিভিল-মিলিটারি ইন্টিগ্রেশন সেন্টার এবং মিডল ইয়ারলুং সাংপো রিভার ন্যাচারাল রিসোর্সেস অবজারভেশন অ্যান্ড রিসার্চ স্টেশনের চীনা ভূতাত্ত্বিকদের একটি যৌথ দল।

গবেষকরা তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ‘পাইঝেন ফল্ট’ নামের এই ভূগর্ভস্থ ফাটলটি প্লাইস্টোসিন বা বরফ যুগ থেকে বর্তমান পর্যন্ত সক্রিয়। এই আন্দোলনের কারণে এটি মেদগ কাউন্টির এই মেগা বাঁধ, সংযোগকারী সড়ক, সেতু, টানেল এবং সামগ্রিক কৃত্রিম জলাধারের কাঠামোর উপর বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

ভূগর্ভস্থ প্লেটের দীর্ঘ সময় ধরে হওয়া নড়াচড়ার ফলে এই চ্যুতিটি আশেপাশের শিলাখণ্ডগুলোকে পুরোপুরি ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছে। এর ফলে মাটির ভেতরের স্তরের ধারণক্ষমতা ও দৃঢ়তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

যার ফলে এই ভঙ্গুর ভিত্তিটি ৬০ হাজার মেগাওয়াটের একটি বড় বাঁধ এবং এর পেছনে জমা থাকা কোটি কোটি গ্যালন পানির ওজন ধারণ করতে গিয়ে যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে।

গবেষণা প্রতিনিধি দলটি সতর্ক করেছে যে, তিব্বতের পার্বত্য অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি আলগা এবং সেখানে মাটির কণার সংযোগ খুব দুর্বল। একবার যখন এই বিশাল জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জলাধারে পানি পূর্ণ হবে, তখন দীর্ঘস্থায়ী জলীয় সম্পৃক্ততা, ফল্ট লাইনের অবিরত কম্পন এবং ভূমিকম্পের সম্মিলিত প্রভাবে জলাধারের দুই পাশে পাহাড়ে প্রলয়ংকরী ভূমিধস ঘটবে।

এ ধরনের ধস সরাসরি বাঁধের মূল পরিকাঠামো ও সেখানে কর্মরত কর্মীদের জীবনকে খুব বিপন্ন করে তুলবে।

তিব্বতে গেল বছর থেকে এই মেগা বাঁধের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিক থেকে চীনের বিখ্যাত থ্রি গর্জেস বাঁধের চেয়ে তিন গুণ বড় এবং এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ধরা হয়েছে ৩০০ বিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা।

ইয়ারলুং সাংপো নদীটি তিব্বত ছেড়ে ভারতের অরুণাচল ও আসামের উপর দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নামে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে যমুনা নদী নামে প্রবেশ করেছে। এই কারণে ব্রহ্মপুত্রের ভাটিতে অবস্থিত ভারত ও বাংলাদেশ এই মেগা বাঁধটিকে ‘ভূতাত্ত্বিক টাইম বোমা’ হিসেবে দৃষ্টিগোচর হচ্ছে।

চীনা বিজ্ঞানীদের এই গবেষণাটি উদ্বেগের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা জানাচ্ছেন, বাঁধটি যেখানে নির্মিত হচ্ছে, সেই এলাকা মূলত হিমালয় সিসমিক বেল্ট বা ভূমিকম্প-প্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত। এখানে চীন ও তার আশপাশের অঞ্চলে সবচেয়ে শক্তিশালী এবং ঘন ঘন ভূমিকম্প ঘটে।

ভূগর্ভস্থ টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে অঞ্চলটিতে একটি স্থায়ী ও শক্তিশালী ভূমিকম্পের বলয় তৈরি হয়েছে।

গবেষণায় কোয়াটারনারি যুগের (২৫.৮ লাখ বছর আগে থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিস্তৃত) টেকটোনিক নড়াচড়ার ইতিহাস বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই পাইঝেন চ্যুতিটি প্লাইস্টোসিন যুগের শুরুতে সৃষ্টি হলেও বর্তমানে হলোসিন যুগে এটি তার সক্রিয়তা বজায় রেখেছে।

এছাড়া প্রাচীন হ্রদের তলানির কার্বন ডেটিং পরীক্ষা করে দেখা গেছে, মাত্র ৯ হাজার ৫০০ বছর আগে ফাটলটি সক্রিয় ছিল।

গবেষকেরা আধুনিক ভূকম্পনের সম্ভাবনা হিসেবে ২০১৭ সালে তিব্বতের মিলিনে সংঘটিত ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পটির উল্লেখ করেছেন, যা ফল্ট লাইনের উত্তর প্রান্তে ঘটে ছিল।

তারা বলেন, ‘আঞ্চলিক ভূমিকম্পের প্রভাবে সহজেই ভূমিধস ও ধস ঘটতে পারে, যা প্রকৌশল স্থাপনা এবং কর্মীদের নিরাপত্তার পক্ষে হুমকি।’

তাহলে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছেন, যে কোনো সময়ে এই অঞ্চলে মধ্যম বা বড় মাত্রার ভূমিকম্প হলে তা তাসের ঘরের মতো বাঁধটিকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে এবং এর ফলে সৃষ্ট কৃত্রিম বন্যা ও ভূমিধস পুরো হিমালয় অঞ্চলসহ ভাটির বিস্তীর্ণ জনপদকে চাপা দিতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাগল বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


ছাগল বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ঘটে যাওয়া এক ঘটনায়, একটি ছাগল বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় ৩৮ বছর বয়সী গৃহবধূ শারমিন আক্তার মৃত্যুবরণ করেছেন। একই সাথে, তার একটি ছাগলও ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যায়। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরের সময়, বুড়িমারী রেলরুটের কাকিনা ইউনিয়নের সুকানদীঘি রেল গেট এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। মৃত গৃহবধূ শারমিন আক্তার কাকিনা ইউনিয়নের গোপালরায় এলাকার বিপ্লব মিয়ার স্ত্রী ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, রেললাইনের পাশে দুটি ছাগল বাঁধা ছিল এবং সেগুলো আনতে যান শারমিন। কিন্তু তখন ছাগলগুলো গলার রশি কোনোভাবে রেললাইনের সঙ্গে পেঁচিয়ে যায়। সেই রশির প্যাঁচ ছাড়াতে শারমিন রেললাইনের ওপরে চলে যান। কিন্তু ঠিক সে সময় ট্রেন এসে পড়লে, দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় তিনি মাথায় আঘাতপেয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। তার সঙ্গে ট্রেনের নিচে কাটা পড়া একটি ছাগলও মারা যায়। এ ঘটনায় লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) প্রদীপ কুমার সরকার জানিয়েছেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় দক্ষ জনশক্তি গঠনে সরকারের বিশেষ উদ্যোগ: আইসিটি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় দক্ষ জনশক্তি গঠনে সরকারের বিশেষ উদ্যোগ: আইসিটি মন্ত্রী

 

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তি নয়; এটি সমাজের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন এবং জাতীয় প্রতিযোগিতা সক্ষমতার প্রধান চালিকাশক্তি। এই এআই প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনের একটি সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করার ক্ষেত্রে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।

শনিবার (১১ জুলাই) সাভারের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ল্যাব’ এবং ‘এআই প্রজেক্ট কম্পিটিশন-২০২৬’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক এই এআই গবেষণা ল্যাব গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের একটি প্রাণকেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। এই ধরনের উদ্যোগগুলি শিক্ষার্থীদের আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি সম্পর্কে দক্ষ করে তুলবে, গবেষণা পরিচালনা করতে, উদ্ভাবনী প্রোটোটাইপ তৈরি করতে ও শিল্পের উপযোগী সমাধান উদ্ভাবনে সহায়তা করবে।

ফকির মাহবুব আনাম আরও বলেন, বর্তমানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, ব্যবসা, প্রশাসনসহ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই এআই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনছে। কাজেই নতুন বাংলাদেশ গড়তে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির বিকল্প আগে থেকেই নিশ্চিত করা জরুরি।

মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে সরকারের ধারাবাহিক উদ্যোগগুলো দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যৎ উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

মন্ত্রী আশাও প্রকাশ করেছেন যে, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এআই গবেষণা ল্যাব দেশে শিক্ষা, শিল্প ও সরকারের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা জোরদার করবে এবং একটি শক্তিশালী উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মনে করেন, আজকের তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনের বাংলাদেশের মূল চালিকাশক্তি। বর্তমানে এআই শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, এটি অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং উদ্ভাবনের প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠেছে। আমাদের লক্ষ্য আগামী ৫ বছরে আইসিটি খাতে ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত ১৪৫টি এআই প্রকল্পের মধ্যে সম্ভাবনাময় ও সেরা প্রকল্পগুলোকে সরকার এবং আইসিটি মন্ত্রণালয়ের স্টার্টআপ ফান্ড ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করা হবে।

এ ছাড়া, সারাদেশের তৃণমূল পর্যায়ে এআই ট্রেনিং সেন্টার ও স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়গুলো মন্ত্রী তুলে ধরেছেন।

উল্লেখ্য, উদ্বোধন হওয়া এই সর্বাধুনিক ল্যাবে ফ্রন্ট ল্যাব হিসেবে ২৫টি এনভিডিয়া ডিজে স্পার্ক পিসি ও ৫টি বিশেষায়িত আরটিএক্স ৩০৬০ এবং ৪০৯০ জিপিইউ সমৃদ্ধ আদর্শ কম্পিউটার স্থাপন করা হয়েছে। বাস্তব জীবনের জটিল সমস্যা সমাধান, এআই এজেন্ট ডেভেলপমেন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রোডাক্ট সলিউশন তৈরির জন্য ল্যাবটিতে ৫ জন পূর্ণকালীন দক্ষ গবেষক নিয়োজিত আছেন। উক্ত ল্যাবটির গবেষক দল ইতিমধ্যে ‘এআই প্রফেসর’, ‘এআই প্রক্টর’ এবং ‘এআই রেজিস্ট্রার’-এর মতো যুগান্তকারী সলিউশন তৈরি করেছে এবং বর্তমানে তারা ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছে।

মন্ত্রী আগামীতে এআই প্রকল্প প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী ১৪৫টি প্রকল্পের মধ্যে থেকে ৬ ক্যাটাগরিতে ১২টি বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার প্রদান করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আর. কবীর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সামস ইকবাল এবং কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. সারওয়ার হোসেন মোল্লাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%