০৯:৩৭ পি.এম
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ‘সমন্বিতভাবে কাজ করলে সিলেট নগরকে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও নান্দনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
সোমবার (২৯ জুন) নগরভবনে সিলেট সিটি করপোরেশনের সম্প্রসারিত এলাকার মহাপরিকল্পনা (মাস্টারপ্ল্যান) প্রণয়নে অংশীজনের মতামত গ্রহণ বিষয়ক কর্মশালায় অডিও-ভিজ্যুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘সিলেট নগরকে ঘিরে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং আমার অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা ধাপে ধাপে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চাই। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা হবে। নগরবাসীর হাঁটাচলা, বিনোদন ও সুস্থ জীবনযাপনের জন্য পর্যাপ্ত পার্ক ও উন্মুক্ত স্থান সৃষ্টির বিষয়টিও আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে।’
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘একটি সুন্দর, টেকসই ও আধুনিক নগর গড়তে হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন সুপরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা। সে লক্ষ্যেই সিলেট নগরের জন্য একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নগরীর পরিকল্পিত সম্প্রসারণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিক নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণ এবং দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলার কার্যকর দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে।’
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দফতর, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী সংগঠন, শিক্ষাবিদ, প্রকৌশলী, নগর পরিকল্পনাবিদ, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং অন্যান্য অংশীজন অংশগ্রহণ করেন। তারা ভূমি ব্যবহার, আবাসন, পরিবেশ সংরক্ষণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জনসেবা সম্প্রসারণ, নগর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং টেকসই নগরায়ণ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন।
বক্তারা বলেন, একটি কার্যকর ও বাস্তবমুখী মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে অংশীজনের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবার মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রণীত এই মহাপরিকল্পনা সিলেট নগরীর সুষম উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ এবং আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আরও পড়ুন: আজ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ, ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮
কর্মশালায় প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশসমূহ পর্যালোচনা করে মহাপরিকল্পনার খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়। এ সময় সিলেট সিটি করপোরেশন একটি আধুনিক, নিরাপদ, বাসযোগ্য ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে সব অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করে।
অনুষ্ঠানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, নগর পরিকল্পনাবিদ মো. তানভীর আহমদ মোল্লাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন