০৫:০১ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আজ বিএআরসি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা (২য় সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে দীর্ঘমেয়াদি ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। তিনি ইলিশকে শুধু স্থানীয় চাহিদা পূরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, আন্তর্জাতিক বাজারে ইলিশ রপ্তানির সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আজ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল অডিটোরিয়ামে (বিএআরসি) অনুষ্ঠিত ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা (২য় সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, ইলিশের নিরাপদ বিচরণ ও প্রজননের জন্য নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ এবং পানির গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। শিল্পবর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ নদীতে নিঃসরণ বন্ধে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, জাটকা নিধন, মা ইলিশ আহরণ ও কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যেহেতু এগুলো ইলিশসহ দেশের বিভিন্ন দেশীয় মাছের জন্য মারাত্মক হুমকি।
তিনি বলেন, অধিকাংশ জেলে দাদননির্ভর জীবনযাপন করেন। সেজন্য তাদের বিকল্প কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এবং ভবিষ্যতেও নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, ইলিশসম্পদ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় গবেষক, বিশেষজ্ঞ, মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ উপদেষ্টা দল গঠনের বিষয়টি সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে। তাদের পরামর্শের ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ নীতি ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বাংলাদেশের খাদ্য তালিকায় ইলিশের অবস্থান সবার শীর্ষে। বিশ্বের মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়। ফলে বাংলাদেশের ইলিশের প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের, বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। তাই ইলিশকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে হবে।
গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে জ্ঞান, উদ্ভাবন ও গবেষণায় অধিক বিনিয়োগ করতে হবে। ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবস্থাপনায় গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।
জেলেদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জেলেদের জন্য প্রায় ২৪ কোটি টাকার সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ সহায়তা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। নিষেধাজ্ঞাকালীন জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতেও সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, ইলিশ সংরক্ষণে মাঠপর্যায়ে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি জেলেদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা ছাড়া টেকসই সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়।
কর্মশালায় মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকের সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুছ ছালাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্প পরিচালক মোল্লা এমদাদুল্যাহ।
এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, গবেষক, বিশেষজ্ঞ ও মৎস্যজীবীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আনোয়ার হোসেনকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।
প্রথম আলোর কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এই রিমান্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, যিনি ডিবি পুলিশের ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের উপপরিদর্শক শাহ মিনহাজ উদ্দিন, আসামিকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, আনোয়ার হোসেন বর্তমানে অন্য একটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন। স্থানীয় লোকজনের জবানবন্দি, ভিডিও ফুটেজ এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের পর্যালোচনায় প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের আড়কান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
আজ সোমবার দুপুরে, আড়কান্দি উচ্চ বিদ্যালয় বিদ্যালয় চত্বরে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফরিদ আহেম্মদ আশিকের সভাপতিত্বে এই অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া।
এ ছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম শওকত সিরাজ, এবং আড়কান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পলাশ কুমার দে প্রমুখ।
এ সময় বিএনপির নেতা কর্মী, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ, অভিভাবক বৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ মোট ১৯০৯টি মামলা দায়ের করেছে।
রবিবার (২১ জুন) ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে মোট ৮৩টি মামলা দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ১৮টি বাস, ৫টি কাভার্ডভ্যান, ৮টি সিএনজি এবং ২৫টি মোটরসাইকেল। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে মোট ১৩৪টি মামলা হয়েছে, সেখানেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ১৬টি বাস, ৬টি ট্রাক, ১২টি সিএনজি ও ৭৮টি মোটরসাইকেল।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে মোট ৪১২টি মামলা দায়ের হয়েছে, যেখানে ২৪টি বাস, ২টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ডভ্যান, ৮৬টি সিএনজি ও ২২৭টি মোটরসাইকেল অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১৫৮টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে ১৯টি বাস, ১৫টি ট্রাক, ১৫টি কাভার্ডভ্যান, ১৯টি সিএনজি ও ৪৫টি মোটরসাইকেল রয়েছে।
এছাড়া, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৪৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে ১৩টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ডভ্যান, ৩৪টি সিএনজি ও ৫০টি মোটরসাইকেল রয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৩৬৫টি মামলা হয়েছে, যেখানে ১৯টি বাস, ৭টি ট্রাক, ১৮টি কাভার্ডভ্যান, ৫৫টি সিএনজি ও ২০৬টি মোটরসাইকেল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অধিকন্তু, ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৩৬৬টি মামলা দায়ের হয়েছে, সৌজন্যে ৫৫টি বাস, ১টি ট্রাক, ৭টি কাভার্ডভ্যান, ৮৬টি সিএনজি ও ১১৯টি মোটরসাইকেল। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২৪৬টি মামলা হয়েছে, সেখানে ২৪টি বাস, ১৩টি কাভার্ডভ্যান, ৪০টি সিএনজি ও ৮৯টি মোটরসাইকেল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
যখন অভিযান চলছিল, তখন মোট ৩৪৬টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৪২০টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগরের ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান সমূহ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ