মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৬:৫৪ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে উপজেলা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন টাস্ক ফোর্স কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১টার সময় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাকির মুন্সী।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আব্দুল হামিদ, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুছাহাক আলী, সমাজসেবা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আরিফ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পঙ্কজ কুমার দাস, পার্বতীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, রহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান সোহরাব, চৌডালা চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া হাবিব, গোমস্তাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন মন্ডল, রহনপুর রিপোর্টার্স ক্লাব সভাপতি নাহিদ ইসলাম, গোমস্তাপুর মডেল প্রেস ক্লাব সভাপতি সালাম তালুকদার, গোমস্তাপুর স্মার্ট প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক সামিরুল ইসলামসহ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং স্থানীয় সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপজেলার সামগ্রিক জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের বর্তমান চিত্র তুলে ধরা হয়। শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে জন্ম ও মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করার সুফল সম্পর্কে সচেতন করতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা পর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুরোনো ও পেন্ডিং থাকা আবেদনগুলো দ্রুত যাচাই-বাছাই করে নিস্পত্তি করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাগিদ দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যকর্মী, পরিবার পরিকল্পনা কর্মী এবং মাঠ পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধির মাধ্যমে মাঠ পর্যায় থেকে নিখুঁত তথ্য সংগ্রহের ওপর জোর দেওয়া হয়। নতুন ভর্তির ক্ষেত্রে শতভাগ সঠিক জন্ম সনদ নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সহযোগিতা নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
"জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রতিটি নাগরিকের আইনগত অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা প্রণয়নের মূল ভিত্তি। কোনো নাগরিক যেন এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন এবং গোমস্তাপুর উপজেলা যাতে দ্রুত শতভাগ নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারে, সেজন্য সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।" সভায় বক্তারা বলেন, সঠিক সময়ে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে নানাবিধ নাগরিক সেবা পেতে ভোগান্তি অনেকাংশে কমে যায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের এই সময়ে শতভাগ নিবন্ধন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ২৭ জুলাই রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথিরূপে উপস্থিত থাকবেন।
গতকাল রোববার মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ সম্পর্কিত উপ-কমিটির এক সভার কার্যবিবরণীতে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। কার্যবিবরণী অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ের এই অনুষ্ঠানটি যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজন করার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে সমাপনী অনুষ্ঠানের ঘোষক ও ঘোষিকাদের নির্বাচন, সাংকেতিক ভাষা উপস্থাপন এবং পবিত্র গ্রন্থসমূহ থেকে পাঠের সার্বিক চেকলিস্ট প্রস্তুতকরণ সংক্রান্ত একটি বিশেষ উপ-কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপ-কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম। সভায় জানানো হয়েছে, সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের জন্য মার্জিত কণ্ঠস্বর এবং উপস্থিত বুদ্ধিসম্পন্ন দক্ষ উপস্থাপক (নারী ও পুরুষ) নির্বাচন করা হবে। বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য ইশারা বা সাংকেতিক ভাষায় উপস্থাপনার জন্য দক্ষ উপস্থাপনাকারীদের নামের তালিকা চূড়ান্ত করার জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশনকে (বিটিভি) পত্র পাঠানো হবে। পাশাপাশি যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি বা বিকল্প প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য দক্ষ ব্যাক-আপ উপস্থাপকও প্রস্তুত রাখতে হবে।
ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুলাই সকাল ১০টায় বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে চূড়ান্ত অনুষ্ঠানস্থলে নির্বাচিত সকল উপস্থাপকদের নিয়ে একটি চূড়ান্ত মহড়া (রিহার্সাল) সম্পন্ন করা হবে। সভাটি উপকমিটির সদস্য-সচিব ইফফাত আরা জামান ঊর্মির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে সম্প্রতি অতিবৃষ্টির পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড় ধসের কারণে এখন পর্যন্ত ৫৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৬ লাখেরও বেশি।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যাকবলিত অঞ্চলগুলো হলো— খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে এসব জেলায় মোট ৫৯টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এছাড়াও, উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন ও ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বর্তমানে দেশের মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার বন্যার পানিতে পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। সব মিলিয়ে এই ৭টি জেলায় বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জনে দাঁড়িয়েছে। এই দুর্যোগের ফলে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং ৩৯ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
নিহত ও আহতদের জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা যায়, মৃত ৫৪ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে, সেখানে ৩১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়াও, চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, আহত ৩৯ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে ২ জন এবং খাগড়াছড়িতে ১ জন রয়েছে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও উপদ্রুত মানুষদের জরুরি আশ্রয় দেয়ার জন্য সরকারিভাবে মোট ১ হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যেখানে ইতিমধ্যেই ৩৮ হাজার ৪২২ জন বিপন্ন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনের অদূরে ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। দুর্ঘটনার ফলে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর রাজধানী ঢাকা এবং উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে ঈশ্বরদী-ঢাকা-পার্বতীপুর রেলপথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের পরিবহন দপ্তর সূত্রে জানা যায় যে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনে প্রবেশের আগেই দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এর ফলে ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আবু হেনা মোস্তফা আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে, ঈশ্বরদী লোকোমোটিভ ডিজেল কারখানা থেকে একটি রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। দ্রুত লাইনচ্যুত বগি দুটি উদ্ধার করে রেল চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনার পর পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গঠিত তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ নাজিব কায়সার, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (ক্যারেজ) শেখ আসিফ আহমেদ, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (লোকো) রবিউল ইসলাম এবং বিভাগীয় সংকেত প্রকৌশলী আহমেদ ইশতিয়াক জহুর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের মাসিক ব্যয় ৫০ হাজার টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকায় কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সোমবার (১৩ জুলাই) গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের নতুন উক্ত মাসিক ব্যয়ের হার নির্ধারণ করা হয়।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ