বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৫:২৬ পি.এম
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে আটক করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে, চৌমুহনী বাজারের ডালিয়া মার্কেটের পঞ্চম তলায় হোটেল রাজে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
আটককৃত ১৪ জনের মধ্যে ৭ জন নারী ও ৭ জন পুরুষ রয়েছেন। তবে, পুলিশ তাদের নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করতে পারেনি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে হোটেলটিতে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছে বলে অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরের সময় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সেখানে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে আটক ৭ নারী ও ৭ পুরুষের মধ্যে কয়েকজন পেশাদার যৌনকর্মী এবং তাদের খদ্দেরও ছিলেন। এ ছাড়াও, অবৈধ সম্পর্কের কারণে আরও কিছু নারী-পুরুষ সেখানে অবস্থান করছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আটকদের মধ্যে এক নারী ও এক পুরুষ নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়েছেন।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে এবং ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং কিছু পরকীয়া সম্পর্কের কারণে সেখানে অবস্থান করছিল। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন (কায়কোবাদ) বলেছেন, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাসিক সম্মানি প্রদান করছে।
তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত ১২ হাজার ৮১০ জনকে এ ভাতা কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।’
আজ জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে, গাইবান্ধা-১ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. মাজেদুর রহমানের টেবিলে উপস্থাপিত প্রশ্নের জবাবে তিনি যোগ করেছেন, এ তথ্য তিনি প্রদান করেছেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে কর্মরত ইমাম ও মুয়াজ্জিনের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই। তবে ২০২০ সালের এক হিসাব অনুযায়ী দেশে ৩ লাখ ৩১ হাজার ১২৫টি মসজিদ রয়েছে, সেই হিসাবে ইমাম ও মুয়াজ্জিনের সম্মিলিত সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৬২ হাজার ২৫০ জন হতে পারে।
তিনি জানান, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বিকাশের লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালে চালু হওয়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (অষ্টম পর্যায়)’ বর্তমানে সারা দেশে সম্প্রসারিত হয়েছে। প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সংশোধনের সময় কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হবে।
ধর্মমন্ত্রী আরো জানান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট-এর অধীনে ‘মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’-এর ষষ্ঠ পর্যায় বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে, যা আগামী ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।
তিনি বলেন, খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট-এর অধীনে এ ধরনের কোনো প্রকল্পCurrently নেই, তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম খানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে ৫৬৪টি মডেল মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, এর মধ্যে ৩৪২টি মসজিদের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরো ১৮৬টির কাজ চলমান রয়েছে। অবশিষ্ট মসজিদগুলোর নির্মাণকাজ ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
সংরক্ষিত নারী আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য রোকেয়া বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, নারী ও তরুণদের মধ্যে ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা এবং জঙ্গিবাদবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ধর্মীয় নেতা, ইমাম, খতিব, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সহনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও জঙ্গিবাদবিরোধী বার্তা প্রচার করছেন। এছাড়া মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ, সেমিনার, কর্মশালা ও উদ্বুদ্ধকরণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে নারী ও তরুণদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, এ ধরনের নতুন কোনো প্রকল্প গ্রহণ সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয়তা এবং বাজেট বরাদ্দের ওপর নির্ভর করবে।
তিনি আরো বলেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বর্তমানে সারা দেশে ৭ হাজার ৪০০টি মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনার পাশাপাশি পুরোহিত ও মন্দির পরিচর্যাকারীদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
ঢাকা-৪ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন-এর প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষকরা বর্তমানে মাসিক ৬ হাজার টাকা সম্মানি পাচ্ছেন। প্রকল্পের ডিপিপি অনুযায়ী ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে তা ধীরে ধীরে ৭ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত করা হবে।
কক্সবাজার-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য লুৎফুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০২৬ সালে সৌদি আরবে হজ পালনকারী বাংলাদেশির সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৮ হাজার ৬০০ জন কমেছে। চলতি বছর মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন বাংলাদেশি হজ পালন করেছেন।
কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ১৯৬২ সালের ওয়াকফ অধ্যাদেশের ৬৪ ধারা অনুযায়ী নিবন্ধন, আদালতের কার্যক্রম এবং জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে অনিবন্ধিত ওয়াকফ সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।
তিনি জানান, গত এক বছরে অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে ১৫১ দশমিক ১৭৯৫ একর ওয়াকফ জমি পুনরুদ্ধারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে গত এক বছরে প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের কাছ থেকে তালিকাভুক্ত ওয়াকফ সম্পত্তি এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের দেবোত্তর সম্পত্তি কতটুকু প্রকৃতপক্ষে উদ্ধার করা হয়েছে— এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান তিনি দেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক নারী, মনোয়ারা বেগম, আটক হয়েছেন ২৯ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের মামলায় মূল আসামির বদলে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে যাবার সময়।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ -৪ এর বিচারক তানিয়া সুলতানা লিপির আদালতে মূল আসামি নাসরিন শিকদারের পরিবর্তে প্রক্সি দিতে গিয়ে মনোয়ারা বেগম আটক হন।
শুনানির সময় আদালতে আসামিকে দেখে বিচারকের সন্দেহ হলে তিনি তাকে এজলাসে আটকের নির্দেশ দেন। এ সময় প্রক্সি দিতে আসা আসামি পক্ষের আইনজীবীরা দ্রুত এজলাস ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে আদালতের পেশকার ইব্রাহীম খলিল অপু গণমাধ্যমকে জানান যে, নাসরিন শিকদারের পরিবর্তে মনোয়ারা বেগম আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিন চান। এরপর বিচারকের কাছে প্রক্সির বিষয়ে নিশ্চিত হলে তিনি কোর্টের হেফাজতে রাখার আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান সুমন জানান, প্রক্সি দিতে আসা ওই নারীকে কোর্টের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আদালতে প্রতারণার সাথে জড়িত মূল আসামি, প্রক্সি আসামি এবং আইনজীবীসহ সকলের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, আটক হওয়া মনোয়ারা বেগম বিভিন্ন বাসাবাড়িতে ও অফিসে পরিষ্কারের কাজ করেন। এই মামলায় প্রক্সি দেওয়ার জন্য মূল আসামির আইনজীবী মো. হাম্মাদ এমদাদ হোসাইন তাকে নিয়ে আসেন। ঘটনার বিষয়টি বিচারকের নজরে আসার পর ওই আইনজীবী কৌশলে পালিয়ে যান।
মোবাইল ফোনে জানতে চাওয়ার সময় আসামি নাসরিন শিকদারের আইনজীবী বলেন, বিষয়টি আমার নলেজে নেই, দেখতে হবে। পরে কল করে জানাচ্ছি।
এজলাসে আটকের পর মনোয়ারা বেগম কান্নায় ভেঙে পড়েন। কান্নার মধ্যেই তিনি জানান, তিনি কিছু জানেন না, ঢাকার জজ কোর্টের আগর বাতি গলির এক আইনজীবী তাকে নিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, "আমার কোনো অপরাধ নেই, অপরাধ তো ওই আইনজীবীর। আমাকে ছেড়ে দেন। তাকে গ্রেপ্তার করেন। আমি বিভিন্ন আইনজীবীদের চেম্বারে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করি; এতসব বুঝি না। যে স্যার (আইনজীবী) ডাকছে আমি এখানে এসেছি। আমি বুঝতে পারিনি, এটা অপরাধ।"
তিনি অতিরিক্ত বলেন, "আল্লাহর দোহাই, আমাকে মাফ করে দেন। আমাকে ছেড়ে দেন। আমি অন্যের বাসায় কাজ করে খাই। আমি কিছু জানি না। আমার দুইটা ছোট ছোট বাচ্চা আছে।"
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ বাদী নিবেদিতা আহমেদ তুলি নাসরিন শিকদারের বিরুদ্ধে ২৯ লাখ টাকার একটি চেক ডিজঅনার মামলা করেন। আসামির সঙ্গে বাদীর পারিবারিক সম্পর্ক থাকায় তিনি বিভিন্ন সময় ফ্ল্যাট কেনার জন্য সর্বমোট ২৯ লাখ টাকা দেন। এর পরিবর্তে গত বছরের জানুয়ারির ২৭ তারিখে আসামি বাদীকে ব্র্যাক ব্যাংকের একটি চেক দেন। পরে বাদী যখন সোনালী ব্যাংকে চেকটি নগদায়নের জন্য জমা দেন, সে সময় চেকটি ‘অপর্যাপ্ত তহবিল’ বলে ডিজঅনার হয়। এরপর তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৮৮১ সালের নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট আইনে ১৩৮ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাতের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে। এই অবস্থানে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য জারি করা সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে এসব ঝড়ো হাওয়া। একই সঙ্গে বজ্রপাতসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।
এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এছাড়া মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় থাকলেও উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যান্য এলাকায় তা দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
এ অবস্থায় শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় আঘাত হেনেছে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প, যা গত শত বছরের ইতিহাসে অন্যতম। ৭ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প আঘাত করার পর অন্তত ২০টি আফটার শক অনুভূত হয়েছে। এই ঘটনায় ১৬৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, এই ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির কারণে মৃতের সংখ্যা লাখের কোটা ছাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভেনেজুয়েলার এই মারাত্মক ভূমিকম্প এবং প্রাণহানির ঘটনায় দেশের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় আলেম ও ইসলামী আলোচক, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি একইসঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, এই ঘটনার মাধ্যমে বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি সতর্কবার্তা উত্থাপিত হচ্ছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এরুপ বার্তা প্রকাশ করেন। তিনি নিজ স্ট্যাটাসে দেশের জনপ্রিয় আলেম ও ইসলামী আলোচক হিসাবে লিখেন, ভেনেজুয়েলার স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণে প্রায় এক লক্ষ মানুষের হতাহতের আশংকা রয়েছে এবং তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সমবেদনা জানান।
শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও লিখেন, মহান আল্লাহর বিশাল সৃষ্টি ও মহাশক্তির সামনে আমরা কত ক্ষুদ্র ও অসহায়! কেয়ামতের দিন এইভাবে আমাদের তিল তিল করে গড়ে তোলা স্থাপনা, সম্পদ ও আয়োজন মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে যাবে—এ যেন তারই একটি নমুনা।
এরপর তিনি আরও জানান, এসব ঘটনার মাধ্যমে আমাদের জন্য এক সতর্কবার্তা তুলে ধরা হচ্ছে। বাংলাদেশে অনেক সময় ধরেই ছোট ছোট ভূমিকম্প ঘটছে। জনবহুল এবং অপরিকল্পিত নগরায়ন খুবই উদ্বেগের। যদি এই অবস্থায় একটি ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়, তাহলে এমন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে আমাদের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত থাকাই অধিক যৌক্তিক। আল্লাহই ভালো জানেন কীভাবে অবস্থা দাঁড়াবে।
সবশেষে তিনি লিখেন, আসুন, আমরা আল্লাহর দিকে ফিরে আসি, নির্মাণ ও নিরাপত্তাবিধি মানতে সচেষ্ট হই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, দুর্যোগ থেকে বাঁচার জন্য আগাম ও যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ