ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুয়াকাটায় ২৩ ও ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে পর্যটন কার্নিভাল


কুয়াকাটায় ২৩ ও ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে পর্যটন কার্নিভাল

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় 'পর্যটন কার্নিভাল' উপলক্ষে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকেল সাড়ে চারটায় কুয়াকাটা পর্যটন মোটেল হলিডে হোমসের মিলনায়তনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ২৩ এবং ২৪ অক্টোবর এই পর্যটন কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মো. সামীমুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের পরিচালক মো. গনি উল আজম, পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্রি, কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসীন সাদেক, পর্যটন পুলিশের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) অনির্বান চাকমা এবং কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু তালেব।

এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট, সান ফ্লাওয়ার্স ৩৬০ এবং ঢাকা টকিজ নামে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে এবং আর্থিক সহায়তায় এই পর্যটন কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যাকশনকাট এন্টারটেইনমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চলচ্চিত্র প্রযোজক অনন্য মামুন জানান, কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভাল উপলক্ষে বিচ ম্যারাথন, হেলথ ট্যুরিজম, পুঁথি পাঠ, ফ্যাশন শো, মিউজিক কনসার্ট, কিডস বিচ ফুটবল, বিচ ক্রিকেট, বিচ ভলিবল, ফুড ফেস্টিভাল, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এবং ঘুরি উৎসবের আয়োজন করা হবে।

আরও পড়ুন: নলছিটি ফেরিঘাটের রাস্তা মেরামত, যাত্রীদের স্বস্তি ফিরেছে

এ অনুষ্ঠানে সংগীত শিল্পী প্রীতম হাসান, কেয়া পায়েল, সংগীত শিল্পী হাসান, বাউল শিল্পী চিশতী বাউল, নায়ক সিয়াম আহমেদ, জাতীয় দলের ফুটবল ক্যাপ্টেন জামাল ভূঁইয়া, ক্রিকেটের জাতীয় দলের সাবেক ক্যাপ্টেন হাবিবুল বাশার, ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল এবং তৌহীদ হৃদয় বিভিন্ন ধরনের পরিবেশনায় অংশ নেবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। পর্যটন কার্নিভালের উপস্থাপনায় থাকবেন শান্তা জাহান, ইভান হাসান এবং সাদিয়া রোশনী সূচনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৌলতপুর সীমান্তে ১৫ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মাদক উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১০ পি.এম


দৌলতপুর সীমান্তে ১৫ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মাদক উদ্ধার

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৪ অক্টোবর রোববার কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ পশ্চিম ধর্মদাহ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ধর্মদাহ মাঠ নামক স্থানে একটি চৌকস বিজিবি টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ০৭ বোতল ভারতীয় মদ এবং ৪,০০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য (বারো লক্ষ দশ হাজার পাঁচশত) টাকা।

একই দিনে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ রামকৃষ্ণপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নিচপাড়া কাঁচা রাস্তার উপর একটি চৌকস বিজিবি টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ১০ বোতল ভারতীয় মদ, ১,০০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ৬৪ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য (তিন লক্ষ আঠারো হাজার পাঁচশত বিশ) টাকা। কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ প্রাগপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার প্রাগপুর ফুটবল মাঠের দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তার উপর একটি চৌকস বিজিবি টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ১.৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা এবং ১টি বাইসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য (এগারো হাজার ছয়শত পঞ্চাশ) টাকা।

উপরোক্ত পৃথক তিনটি অভিযানে সর্বমোট প্রায় ১৫ লক্ষ ৪০ হাজার ৬৭০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, মাদকদ্রব্যের অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং চোরাচালান প্রতিরোধে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর এ ধরনের অভিযান ও কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের আখড়া, জনভোগান্তি চরমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১১ পি.এম


আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের আখড়া, জনভোগান্তি চরমে

আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে প্রতিকার চেয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

বুধহাটা গ্রামের হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগে এবং ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও তার ক্যাম্পাসের পরিবেশ অপরিস্কার ও অস্বাস্থ্যকর। এর ফলে রোগী এবং রোগির স্বজনদের জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে হাসপাতালের বাইরের পরিবেশ খুবই নাজুক ছিল, যেখানে মশার প্রজনন এবং দুর্গন্ধে পরিবেশ দুষিত হয়ে পড়ে। হাসপাতালের রোগিদের থাকার কক্ষ নোঙরা হলেও টয়লেট ও বেসিং ব্যবহারে কষ্ট হচ্ছে। পাকঘরের অবস্থাও সন্তোষজনক নয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ গোলদার রূঢ় স্বভাবের, দুর্নীতি পরায়ন এবং অসদাচরণকারী। তিনি কর্মস্থলে ইচ্ছেমত যাতায়াত করেন এবং মানুষের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। খাদ্য সরবরাহের ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ দাবী করার এবং হাসপাতালের ঔষধ নয়ছয় করার অভিযোগও রয়েছে। হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারে ড্রাইভারের মাধ্যমে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় করে আত্মসাৎ করার অভিযোগও উঠেছে। সরকারি রেট অনুযায়ী প্রতি কিমি ১০ টাকা ভাড়া থাকলেও নানা তালবাহনা করে টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে। আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাতক্ষীরা হাসপাতালে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩০০ টাকা, যাতায়াত খরচ ধরলে ৬০০ টাকা হলেও ৮০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। রোগীরা হাসপাতাল গিয়ে ঠিকভাবে ঔষধ পান না, মাসের শুরুতেই ঔষধ ফুরিয়ে যায়, আবার কখনো কখনো বিশেষ শ্রেণির মানুষের পকেটে বড় সংখ্যার ঔষধ বিতরণ হয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

উপজেলার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। সাতক্ষীরা থেকে আশাশুনি যাতায়াতের সময় এবং উপজেলা থেকে কোন কাজে যাওয়ার পথে মাঝে মাঝে ২/১টি ক্লিনিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার পদধুলি পড়ে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিকে তার পদছায়া পড়েনি। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, প্রত্যান্ত এলাকার কোন ক্লিনিকে গমন দূরের কথা, অধিকাংশ ক্লিনিকে ডাঃ নীতিশ গোলদার যাননি। বালিয়াপুর কমিউনিটি ক্লিনিক চরম অনিয়মের মধ্যে চলে আসলেও কোন প্রতিকার হয়নি। এলাকাবাসী বারবার অভিযোগ করলেও তারা প্রতিকার পায়নি এবং চিকিৎসা সেবার প্রতিকারে অভিযোগ করতে গেলে উল্টো মামলা করার হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালের কোয়াটারে না থেকেও বাসা ভাড়া নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আশাশুনি হাসপাতালে রোগি ভর্তির অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, হাসপাতালে ডাক্তার দেখিয়ে স্লিপ/টোকেন নিয়ে কয়েকবার কাউন্টারে ঔষধ আনতে গিয়ে ঔষধ না পেয়ে ফিরে আসতে হয়েছে। বলা হয়েছে ঔষধ ফুরিয়ে গেছে। ঔষধ না থাকলে ডাক্তার সাহেব লিখলেন কেন, এই প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব তিনি পাননি। তিনি আরও বলেন, মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ঔষধ শেষ হয়ে যায়। ফলে বাকী ১৫ দিন রোগিদের ভোগান্তি লেগে থাকে। ঔষধ নাই বললেও টোকেন ঠিকই রেখে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদার জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোন সত্যতা নেই। "আপনারা অফিসে আসলে বিস্তারিত বলতে পারবো।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীমঙ্গলে এক মাসে বর্ষার কারণে ২৭টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১১ পি.এম


শ্রীমঙ্গলে এক মাসে বর্ষার কারণে ২৭টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার

বর্ষার পানি ও আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন অঞ্চলে সাপসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে আসছে। গত এক মাসে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন শ্রীমঙ্গলে ২৭টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে।

ফাউন্ডেশনের সূত্রে জানা যায়, ১ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে সাপসহ এসব বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা হয়। খবর পাওয়ার সাথে সাথে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীগুলো পরে শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করেন।

উদ্ধার হওয়া প্রাণীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গোখরা, ফণিমনসা, দাঁড়াশ, পাইন্না, আইড ক্যাট স্নেক ও অজগর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া বনবিড়ালের বাচ্চা, গন্ধগোকুল, মুখপোড়া হনুমান ও শালিকসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীও উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অজগরগুলোর মধ্যে ১৪ ও ১৬ ফুট লম্বা দুটি অজগরও রয়েছে। হাইল হাওর থেকে জালে আটকা পড়া একটি অজগর এবং কমলগঞ্জের পানিশালা এলাকা থেকে একসাথে পাঁচটি মনোক্লেড সাপের বাচ্চাও উদ্ধার করা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে অতিবৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও বন্যার কারণে সাপের গর্তসহ মাটির নিচের বিভিন্ন আশ্রয়স্থল পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে নিরাপদ ও শুকনো আশ্রয়ের সন্ধানে সাপসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী উঁচু জায়গা, বসতবাড়ির আঙিনা কিংবা ঘরের আশপাশে চলে আসে। বৃষ্টির কারণে তাদের স্বাভাবিক খাদ্য ও শিকারের চলাচলেও পরিবর্তন ঘটে। এ কারণে এ সময়ে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেতে পারে।

এছাড়া বন, ঝোপঝাড় ও প্রাকৃতিক আবাসস্থলের পরিবর্তন এবং মানুষের বসতি সম্প্রসারণের ফলে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ও মানুষের বসতির দূরত্ব কমে আসা লোকালয়ে বন্যপ্রাণী আসার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল বলেন, "লোকালয়ে সাপ বা অন্য কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে আতঙ্কিত হয়ে সেটিকে হত্যা করা উচিত নয়। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে দ্রুত ফাউন্ডেশন বা বন্যপ্রাণী বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খবর দিলে প্রাণীটি নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব।"

তিনি আরও বলেন, "বন্যপ্রাণী প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মানুষ ও বন্যপ্রাণী উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতনতা ও দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম জরুরি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাউয়াছড়ায় ট্রেনের হুক খুলে ৯টি বগি বিচ্ছিন্ন, ৪ ঘণ্টা চলাচল বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১১ পি.এম


লাউয়াছড়ায় ট্রেনের হুক খুলে ৯টি বগি বিচ্ছিন্ন, ৪ ঘণ্টা চলাচল বন্ধ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়া বনাঞ্চল এলাকায় আন্তনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগির মধ্যবর্তী হুক খুলে যাওয়ার ফলে পেছনের নয়টি বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই ঘটনায় ওই রেলপথে ট্রেন চলাচল প্রায় চার ঘণ্টা বন্ধ থাকে। পরে বিচ্ছিন্ন বগিগুলো পুনরায় যুক্ত করে ট্রেনটি শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনে প্রায় চার ঘণ্টা বিলম্বে পৌঁছায়। আজ শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী আন্তনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস লাউয়াছড়া বনাঞ্চল অতিক্রম করার সময় এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ট্রেনটি যখন লাউয়াছড়া বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে চলছিল, তখন বগির মধ্যবর্তী হুক খুলে যায়। এর ফলে ট্রেনের পেছনের গার্ডব্রেকসহ ৯টি বগি মূল ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় ইঞ্জিনসহ সামনের অংশে ১১টি বগি নিয়ে ট্রেনটি প্রায় আধা কিলোমিটার সামনে চলে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে ট্রেনের গার্ড ওয়াকিটকির মাধ্যমে চালককে অবহিত করেন, ফলে চালক ইঞ্জিনসহ ১১টি বগি নিয়ে ট্রেনটি থামিয়ে দেন। পরে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিচ্ছিন্ন বগিগুলো পুনরায় ট্রেনের সামনের অংশের সাথে যুক্ত করার উদ্যোগ নেন। শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনের কর্তব্যরত সহকারী স্টেশন মাস্টার শিপলু সূত্রধর জানান, ইঞ্জিনসহ ১১টি বগি নিয়ে ট্রেনটি পেছনের দিকে গিয়ে বিচ্ছিন্ন বগিগুলোর সঙ্গে হুক যুক্ত করে। এরপর ট্রেনটি আবার যাত্রা শুরু করে।

তিনি জানান, প্রায় চার ঘণ্টা বিলম্বের পর বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছায়। এদিকে, ট্রেনটি দীর্ঘ সময় পথে আটকে থাকার কারণে এবং রেলপথে চলাচল বন্ধ থাকায় পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের কয়েকশ যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন। দীর্ঘ সময় ট্রেনের ভেতরে অবস্থান করতে হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে ভোগান্তি ও উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। হঠাৎ করে বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%