ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মিছিলের প্রস্তুতিকালে ১০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার


মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মিছিলের প্রস্তুতিকালে ১০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মিছিলের প্রস্তুতির সময় পুলিশ ১০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের সংগঠন কার্যক্রম নিষিদ্ধ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার ছনবাড়ি এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আছেন আলভি (২৫), ফয়সাল (২৯), অপুর্ব (৩৫), রাতুল (১৮), সুমন (৩৮), লালন (৩৮), সৈকত (৩২), সিয়াম (২৯), মামুন (১৯) ও অহিদুল ইসলাম (২৪)। তারা সকলেই মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা মাওয়া ঘাট এলাকায় খাওয়া-দাওয়া শেষে ভোরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে মিছিল করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আরও পড়ুন: মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন রাসিক প্রশাসক রিটন

শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলমারিতে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না মাদক কারবারি, ধরিয়ে দিল ওয়াইফাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


আলমারিতে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না মাদক কারবারি, ধরিয়ে দিল ওয়াইফাই

মাদক কারবারি পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পেতে একটি আলমারির ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন। কিন্তু একটি ভুলের কারণে তার শেষ রক্ষা হয়নি। পাবলিক ওয়াইফাইয়ে সংযুক্ত হয়ে থাকার ফলে পুলিশ তার অবস্থান চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়। পরে ওই আলমারির ভেতর থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৩৪ বছর বয়সী জোয়েল লুইস উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের ওয়েম্বলির বাসিন্দা। তিনি উত্তর কিলবার্ন এলাকায় কোকেন ও হেরোইন সরবরাহের জন্য ‘ববি’ নামক মাদক কারবার পরিচালনা করছিলেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ‘দ্য মেট্রো’র বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েকজন শিশুর কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল ফোন পরীক্ষা করার পর পুলিশ ওই মাদক কারবারের বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। লুইস নিজের অবস্থান গোপন রাখতে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বিভিন্ন ডিভাইসে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন ব্যবহার করতেন।

তবে, যেখানে তিনি অবস্থান করছিলেন, সেখানে থাকা একটি ডিভাইস পাবলিক ওয়াইফাইয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এরপর ৭ জুলাই ওয়েম্বলির ওই ঠিকানায় পুলিশ তল্লাশি চালায়। গ্রেপ্তার এড়াতে লুইস একটি আলমারির ভেতরে লুকিয়ে পড়েন। কিন্তু পুলিশ দ্রুত তাকে খুঁজে বের করে। গ্রেপ্তারের সময় তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, “আপনারা আমাকে কিভাবে খুঁজে পেলেন?”

‘দ্য মেট্রো’ জানায়, লুইসের ফোন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তার কাছে থাকা প্রায় ২৫০ জন মাদক ব্যবহারকারীর তালিকা থেকে প্রতিদিন ১০০টিরও বেশি ফোনকল আসত। পুলিশ তার কাছ থেকে কোকেন ও হেরোইনসহ ‘ক্লাস এ’ মাদক উদ্ধার করে। এসব মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮ হাজার ৮০০ পাউন্ড।

এছাড়া, প্রায় ৮ হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ এবং ছয়টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ফোনগুলোর মধ্যে একটি ‘ববি’ মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ওই বাড়ি থেকে একটি গুলিভর্তি আগ্নেয়াস্ত্র, ৯ মিলিমিটারের ১৩টি গুলি, একটি ধারালো বড় ছুরি এবং একটি ভাঁজ করা ছুরিও উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, উত্তর কিলবার্ন এলাকায় মাদক পরিবহনে সহায়তার জন্য লুইস তরুণদের নিয়োগ করেছিলেন। এর ফলে তারা সহিংসতা, ভয়ভীতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিতে পড়েছিল। তদন্তের নেতৃত্ব দেওয়া ডিটেকটিভ কনস্টেবল লরেন গ্রেস্টি বলেন, মাদক সরবরাহের এ ধরনের কার্যক্রম তরুণ ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

দ্য মেট্রো’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর কিলবার্নে কোকেন ও হেরোইন সরবরাহের অপরাধে হ্যারো ক্রাউন কোর্ট লুইসকে ১২ বছর ৯ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বনেতাদের পাতে শুধুই নিরামিষ: মোদির খাবারের রাজনীতি নিয়ে ৫ গুরুতর প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


বিশ্বনেতাদের পাতে শুধুই নিরামিষ: মোদির খাবারের রাজনীতি নিয়ে ৫ গুরুতর প্রশ্ন

ভারতের বর্তমান মোদী সরকার খাবারের মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক ও সামাজিক চিন্তাধারা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। পররাষ্ট্রনীতি থেকে শুরু করে ঘরের খাবার টেবিল পর্যন্ত এই বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে বিশ্বনেতাদের জন্য কেবল নিরামিষ মেনু পরিবেশন করাকে কেন্দ্র করে আলোচনা নতুন করে সামনে এসেছে। ভারতের প্রখ্যাত সংবাদ মাধ্যম দ্য ওয়্যার এই সিদ্ধান্তের পেছনের রাজনীতি, সংবিধান এবং সামাজিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে পাঁচটি মূল বিষয় তুলে ধরেছে।

১. ব্রিকস নেতাদের জন্য নিরামিষ নৈশভোজ কেন উদ্বেগের বিষয়?

আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী, অন্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের আপ্যায়ন করার সময় তাঁদের রুচি ও বৈচিত্র্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তবে মোদী সরকার সেই জায়গায় নিজেদের ধর্মীয় ও সামাজিক পছন্দকে চাপিয়ে দিয়েছে। ভারতের সরকারি অর্থায়নে আয়োজিত আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে যখন মাছ, মাংস ও ডিম সম্পূর্ণরূপে বাদ দেওয়া হয়, তখন বিশ্বমঞ্চে ভারতকে একটি উচ্চবর্ণের ‘ব্রাহ্মণ্যবাদী’ ও ‘হিন্দুত্ববাদী’ নিরামিষাশী দেশ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। এটি ভারতের প্রকৃত সাংস্কৃতিক ও রন্ধনশিল্পের বৈচিত্র্যকে অস্বীকার করে এবং কূটনীতিকে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির হাতিয়ারে পরিণত করে।

২. ভারত কি সত্যি একটি নিরামিষাশী দেশ?

ভারতের জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য জরিপ (এনএফএইচএস-৫) অনুযায়ী, ভারতের প্রায় ৮০% মানুষ (৮৩.৪% পুরুষ এবং ৭০.৬% নারী) কোনো না কোনো ধরনের প্রাণীজ প্রোটিন বা আমিষ খাবার খান। দলিত, আদিবাসী, অনগ্রসর শ্রেণী, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, শিখসহ উত্তর-পূর্ব ভারত, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং দক্ষিণের উপকূলীয় রাজ্যের অধিকাংশ মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে মাছ, মাংস ও ডিম অপরিহার্য। ফলে, একটি নিরামিষাশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের আত্মপ্রকাশ বাস্তবতার সম্পূর্ণ বিপরীত।

৩. খাবারের পেছনে কি জাত ও ধর্মের রাজনীতি রয়েছে?

ভারতে ‘বিশুদ্ধ নিরামিষ’ ধারণার সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে জাতপ্রথা এবং সামাজিক বৈষম্য। ইতিহাসজুড়ে উচ্চবর্ণের হিন্দুরা নিরামিষকে পবিত্র ও আধ্যাত্মিক এবং আমিষকে ‘অসংযত’ ও ‘নিম্নবর্ণের’ প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে অস্পৃশ্যতা বজায় রেখেছে। রাষ্ট্র যখন এই ধারণাকে উৎসাহিত করে, তখন আমিষভোজী বিপুল জনগোষ্ঠীকে সামাজিকভাবে খাটো করা হয়। এর প্রভাবে বিভিন্ন স্থানে মাংস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, স্কুলের মিড-ডে মিল থেকে ডিম বাদ দেওয়া এবং গো-রক্ষার নামে সংখ্যালঘু ও দলিতদের ওপর সহিংসতার মতো ঘটনা ঘটছে।

৪. এর অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাব কী?

গবাদিপশু কেনাবেচায় কড়াকড়ি, মাংস বিক্রিতে বাধা এবং গো-রক্ষকদের তাণ্ডবের কারণে দেশের চামড়া, ডেইরি এবং মাংস শিল্প চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে লাখ লাখ প্রান্তিক কৃষক, কসাই, মৎস্যজীবী, পরিবহন শ্রমিক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর। এছাড়া, বিশ্ব দরবারে ভারতীয় খাবারের বিশাল মাংস ও সামুদ্রিক খাবারের ঐতিহ্যকে চেপে রেখে কেবল নিরামিষ প্রচার করায় পর্যটন ও রন্ধনশিল্প রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পুষ্টির দিক থেকেও শিশুদের প্রয়োজনীয় প্রোটিন থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

৫. কেবল নিরামিষ প্রচার কি সংবিধান পরিপন্থী?

ভারতের সংবিধান সরকারকে নির্দিষ্ট কোনো খাবার পরিবেশনে বাধ্য করে না, তবে এটি নিরামিষকে অন্য সব খাবারের চেয়ে উচ্চমর্যাদা দেওয়ার অধিকারও দেয় না। সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিজ পছন্দের খাবার খাওয়ার অধিকার মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অংশ এবং ২৯ নম্বর অনুচ্ছেদ আঞ্চলিক সংস্কৃতি রক্ষার নিশ্চয়তা দেয়। করদাতাদের টাকায় পরিচালিত একটি সরকার যখন নিরামিষকে একমাত্র 'জাতীয় আদর্শ' হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তখন তা দেশের ধর্মনিরপেক্ষ ও বহুত্ববাদী সাংবিধানিক কাঠামোর পরিপন্থী হয়ে দাঁড়ায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র‌্যালি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র‌্যালি

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক র‌্যালি আয়োজন করেছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) সদস্যরা।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মোহনপুর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহকারী পরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাজমুস সাকিবের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মোহনপুর উপজেলার প্রধান বাজার, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং অন্যান্য এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন আনসার-ভিডিপির সদস্যরা। এ সময় মশক নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধও ছিটানো হয়।

পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।

কর্মসূচির আওতায় কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে করণীয় সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা আনসার-ভিডিপির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মন্তব্য করেছেন যে, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করা গেলে গ্রামীণ এলাকায় ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকেরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি ও আগাম প্রস্তুতিমূলক মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


বাকেরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি ও আগাম প্রস্তুতিমূলক মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত

বরিশালের বাকেরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি ও আগাম প্রস্তুতিমূলক মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার শ্যামপুর শহীদ কুমুদ বন্ধু রায় চৌধুরী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

শ্যামপুর শহীদ কুমুদ বন্ধু রায় চৌধুরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিজামুল কাদিরের সভাপতিত্বে ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের এসিটি টু এর প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান, ফায়ার সার্ভিসের লিডার আরিফুর রহমান, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি দানিসুর রহমান লিমন, সাবেক ইউপি সদস্য মেহেদী হাসান শামীম।

ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ মিজানুর রহমানের জানান, ঘুর্নিঝড়ের পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহনের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার জন্য গনসচেতনতা তৈরিতে এই মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%