০৭:১৫ পি.এম
নেপালের সীমান্ত কোয়ারেন্টাইন পরিদর্শকরা আমদানি করা চালানে অতিরিক্ত মাত্রার রাসায়নিক কীটনাশক শনাক্ত করার পর এবার ভারতীয় আমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নেপাল। এই নিষেধাজ্ঞা কাঠমান্ডুর কৃষি ও পশুপালন উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী এপ্রিল-মে মাস থেকে কার্যকর রয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট।
নেপালি কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপকে দেশীয় ফলের জন্য ইতিবাচক বলে তুলে ধরছে। মধেশ প্রদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা, কৃষি ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মনীশ কুমার পাল জানিয়েছেন, এই নিষেধাজ্ঞা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত, ‘আরও স্বাস্থ্যকর ফলের’ জন্য সুযোগ তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় উৎপাদনকে অতিরিক্ত উৎসাহ দেবে, এবং নাগরিকরা আরও স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ ফলের নাগাল পাবেন।’
যাহোক, দেশের আম ব্যবসায়ীরা সম্ভাব্য ঘাটতি, মূল্যবৃদ্ধি এবং বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। নেপাল যেহেতু আম উৎপাদনকারী দেশ এবং আমদানি করার তুলনায় বেশি আম রফতানি করে, তবে স্থানীয় উৎপাদন দেশের চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। এছাড়া, নেপালি আমের মৌসুম মাত্র দুই মাস স্থায়ী হয়।
ফল বিক্রেতারা ভারতীয় ফলের ওপর সার্বিক নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে আরও কঠোর কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা চালুর দাবি করেছেন।
ভারত থেকে সবচেয়ে বেশি আম আমদানি করে যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস এবং সৌদি আরব। নেপাল ভারতীয় আমের বৃহত্তম বাজারগুলোর মধ্যে না থাকলেও, কীটনাশকের উপস্থিতি ভারতের ফল উৎপাদন ব্যবস্থাকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
এর আগে, জাপান ভারত থেকে আম আমদানি স্থগিত করে। চলতি বছরের শুরুতে জাপানের কোয়ারেন্টাইন কর্মকর্তারা ভারতের আম প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে পোকা নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে ত্রুটি খুঁজে পাওয়ার পর এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন