প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ ও জার্মানি আজ রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। উভয় পক্ষের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার জন্য বর্ধিত বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
জার্মান ফেডারেল পররাষ্ট্র দপ্তরের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মহাপরিচালক ফ্রাঙ্ক হারমান এখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠক চলাকালীন সফররত কর্মকর্তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজ।
আলোচনার সময়ে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছে, যা তাদের দৃষ্টিতে উভয় দেশের জন্য পারস্পরিক সুবিধা বয়ে এনেছে।
তারা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সরবরাহ শৃঙ্খল, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন, জনগণের মধ্যে আদান-প্রদান এবং শান্তি ও নিরাপত্তায় সহযোগিতা বৃদ্ধি করার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেছেন।
হার্টম্যান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ককে প্রসারিত ও উন্নত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক অন্যান্য খাতে সহযোগিতাকে উৎসাহিত করতে সক্ষম।
উভয় পক্ষ ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্বে আরও গতি আনতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা এবং উচ্চ-পর্যায়ের সফর বিনিময়ের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেছে।
জার্মান কর্মকর্তা ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
শামা বহুপাক্ষিক পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদার করার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে শক্তিশালী ও টেকসই আন্তর্জাতিক মনোযোগ ও সমর্থনের প্রয়োজনীয়তার ওপর পুনরায় জোর দেন।
উভয় পক্ষ বৃহত্তর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা সহজতর করতে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পাদনের ওপর জোর দিয়েছে।
আলোচনায় আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক ঘটনাবলিও উঠে আসে, এবং উভয় দেশ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অধিকতর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দেয়।
এর আগে, হার্টম্যান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) ড. মো. নজরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশি¬ষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা জোরদার করার উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন