আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০১:৫১ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের কালামাঝি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) আয়োজিত এ ক্যাম্পে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত চার শতাধিক মানুষকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতি ইংরেজি মাসের প্রথম শনিবার নিয়মিতভাবে এ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হচ্ছে।
ক্যাম্পে গাইনি, প্রসূতি ও মেডিসিন বিষয়ে বিশেষ অভিজ্ঞ চিকিৎসক ডা. নাঈমা আক্তার নয়ন এবং মেডিসিন, চর্ম ও যৌনরোগ বিষয়ে বিশেষ অভিজ্ঞ চিকিৎসক ডা. রাশেদুল ইসলাম (রিফাত)সহ বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের সেবা প্রদান করেন। চিকিৎসকরা রোগীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে রোগভেদে পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন।
মেডিকেল ক্যাম্পে সেবা নিতে আসা স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও মানবিক হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়ায় গ্রামীণ জনগণের চিকিৎসা ব্যয় কমার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজক নাজমুল হক বলেন, “গ্রামবাসীর সহযোগিতায় এই মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রতিমাসের প্রথম শনিবার নিয়মিতভাবে এ ক্যাম্প পরিচালনার মাধ্যমে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। এবার প্রায় চার শতাধিক রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষ এর সুফল ভোগ করতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর।
শনিবার (১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্যটি করেন, যা ছিল প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে তেজগাঁও।
সার্জিও গোর সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, 'তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরছে।' এ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বাংলাদেশের জন্য তাদের ট্রাভেল অ্যাডভাইজরিতে (ভ্রমণ নির্দেশিকা) একটি ইতিবাচক সংশোধন এনেছে। এটি মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে পৌঁছবে যে বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত। এছাড়া, বৈঠকে আগামী মাসে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসনের (এফডিএ) সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপরও জোর দেওয়া হয়। মার্কিন বিশেষ দূত বাংলাদেশে এফডিএ-র পরীক্ষা কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার আশ্বাসও দেন।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন করপোরেশন (ডিএফসি) মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। বিশেষ করে ওয়্যারহাউজিং, সয়াবিন, তুলা, গমসহ কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে মার্কিন বিনিয়োগ জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জবাবে বিশেষ দূত জানান, ডিএফসির মাধ্যমে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচকভাবেই কাজ করে যাবে। এ ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনার প্রশংসা করে তিনি বলছেন, ভবিষ্যতে 'প্যাক্স সিলিকা' উদ্যোগের অংশীদার হওয়ার ভালো সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। মার্কিন বিনিয়োগকারীরা শিগগিরই ঢাকায় একটি 'ইউএস ইনভেস্টর সামিট' আয়োজনে আগ্রহী এবং তিনি নিজেই এ নিয়ে কাজ করছেন বলেও জানান।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা হয়। সাম্প্রতিক কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে সার্জিও গোর লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার এবং মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং সাধারণ মানুষের প্রশংসা করেন।
প্রত্যুত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, 'রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তার অর্ধেকেরও বেশি আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।' তিনি মার্কিন সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি এ সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান। সার্জিও গোর রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত, টেকসই ও রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে আসিয়ান ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন।
উচ্চপর্যায়ের এ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আরিফুর রহমান এবং ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিসটেনসেনসহ দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৫৩ বিজিবি) অভিযান পরিচালনা করে ৯৬ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ইস্কাফ সিরাপ জব্দ করেছে।
৫৩ বিজিবি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ৫৩ বিজিবি’র অধীনস্থ ফতেপুর বিওপি’র একটি বিশেষ টহলদল গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১টায় জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন দূর্লভপুর ইউনিয়নের গাইপাড়া গ্রামে অভিযানে অংশ নেয় এবং সেখান থেকে ৯৬ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ইস্কাফ সিরাপ জব্দ করে। জব্দকৃত সিরাপগুলোর বাজার মূল্য ৩৮ হাজার ৪শ’ টাকা বলে জানা গেছে।
অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার করা এসব সিরাপগুলো পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, এই তথ্যও লাখ্য জানিয়েছে বিজিবি।
আজ শনিবার সকালে বিষয়টি বাসস’কে নিশ্চিত করে ৫৩ বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, "ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং পুশ ইন প্রতিরোধ, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধসহ যেকোনো অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় তৎপর রয়েছে ও নিরলসভাবে কাজ করছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি পূরণ না করায় রাঙামাটি শহরের উপকণ্ঠে একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন পেঁপে বাগানের প্রায় ৮০০টি ফলন্ত গাছ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বাগানমালিকের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। চাঁদার দাবিতে ফলন্ত গাছ কেটে দেওয়ার এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (১ আগস্ট ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিসিএনপির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ রানা ও মহাসচিব মোহাম্মদ সোলায়মান এ দাবি জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি, অপহরণ, চাঁদার দাবিতে মারধরসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।
তারা বলেন, *চাঁদার দাবি পূরণ না করায় ব্যক্তিমালিকানাধীন বাগানের শত শত ফলন্ত গাছ কেটে দেওয়ার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক।* এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
পিসিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সক্রিয় সকল সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনগণের রায়ে নবনির্বাচিত সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালি ও পাহাড়ি সকল জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা করছে সংগঠনটি। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে জনজীবনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনারও প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
নেতৃবৃন্দ সতর্ক করে বলেন, অনতিবিলম্বে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভুক্তভোগী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পিসিএনপি কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই আন্দোলন কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়; বরং এটি দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত আন্দোলনের ফলাফল। তিনি অস্তিত্ববান ভালোবাসা ও সম্মানের সাথে সকলের অংশগ্রহণের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করেন। এই আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে দাবি করে অন্যদের অবদান খাটো করতে না করার জন্য তিনি সকলকে আহ্বান জানান।
শনিবার (১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এবং বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) আয়োজিত ‘বুলেটের মুখে বাংলাদেশ, ফ্যাসিবাদের হলো শেষ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীর সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেছেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
আতিকুর রহমান রুমন উল্লেখ করেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে কারাবরণ করতে গিয়ে এবং বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতনের ফলে নির্বাসিত জীবন অতিবাহিত করেছেন। তবে তারা কখনো নিজেদের ব্যক্তিগত ত্যাগের ভিত্তিতে আন্দোলনের একক কৃতিত্ব দাবি করেননি।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত প্রচার-প্রসারে কোনো কৃতিত্ব নেই। বিএনপি কখনো বলেনি যে তারা একা সব কিছু করেছে। আজ যারা নিজের একক কৃতিত্ব দাবি করছেন, তারা জনগণের কাছে একদিন প্রত্যাখ্যাত হবেন। ইতিহাসও তাদের স্থান বরাদ্দ করবে না।
সাংবাদিকদের ভূমিকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময়ে অনেক সাংবাদিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে BNP এর নেতাকর্মীদের সহায়তা করেছেন। তিনি বলেন, বেশ কিছু সাংবাদিক তাদের মোটরসাইকেল ও গাড়িতে তুলে আমাকে এবং বিএনপির অন্যান্য নেতাদের নিরাপদ স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করেছেন। এজন্য তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ