ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যামিলি কার্ডে নিম্নবিত্তের ভাগ্যবদল, ১৬ আগস্ট শুরু আনুষ্ঠানিক বিতরণ


ফ্যামিলি কার্ডে নিম্নবিত্তের ভাগ্যবদল, ১৬ আগস্ট শুরু আনুষ্ঠানিক বিতরণ

ফ্যামিলি কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে এরই মধ্যে ভাগ্য বদলাতে শুরু করেছে নিম্ন আয়ের মানুষের। সরকারি মাসিক অর্থসহায়তায় ভর করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন তারা। আগামী ১৬ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। এর মাধ্যমে চলতি অর্থবছরেই ৪০ লাখ ২০ হাজার নারীর হাতে পৌঁছাবে এই সহায়তা। দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিতদের হাতে কার্ড পৌঁছানোই এখন সরকারের লক্ষ্য।

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলোর একটি ছিল ফ্যামিলি কার্ড। নারীদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে এই উদ্যোগ দেশজুড়ে আশার সঞ্চার করে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচনে বিজয়ের পর শুরুতেই ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয় তারেক রহমানের সরকার।

চলতি বছরের ১০ মার্চ ঢাকার বনানীতে কড়াইল বস্তি সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে এরই মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে অনেক নিম্নআয়ের পরিবারের জীবনে। কড়াইল বস্তির ফরিদা ও রাহেলাদের ঘরে বইছে আনন্দের জোয়ার। মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা অর্থসহায়তা পেয়ে নিত্যদিনের খরচ মেটানোর পাশাপাশি ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন তারা।

আরও পড়ুন: ৬০ হাজার কোটি টাকায় কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা

একজন সুবিধাভোগী বলেছেন, "মেয়েদের জন্য সুযোগ-সুবিধা আর কী, সংসারে অভাব থাকলে একটু খরচ হয়। আগে মাকে ওষুধ খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা করে দিতাম। এখন ১ হাজার ৫০০ টাকা দেই। এই সহায়তা পাওয়ার পর কতটা উপকার হয়েছে, তা ভাষায় বলা সম্ভব নয়। গরিব মানুষের জন্য এমন উদ্যোগ নেয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ।"

তবে ফ্যামিলি কার্ডের তালিকার বাইরে থাকা অনেক পরিবার এখনও অপেক্ষায়। কেউ আবার কার্ড পেলেও নিয়মিত অর্থসহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। একজন অভিযোগকারী বলেছেন, "কাগজপত্র নিয়ে অফিসে যাওয়ার পর সেখান থেকে এন্ট্রি করে বাদ দেয়া হয়েছে। কাগজপত্র জমা নেয়ার পরও কার্ড পাইনি।" আরেকজন অভিযোগ করেছেন, "কয়েক মাস পাওয়ার পর গত মাসে আর টাকা পাইনি। চলতি মাসেও এখনো সহায়তা পাইনি।"

ফ্যামিলি কার্ডের নিয়মিত অর্থসহায়তায় নিম্নআয়ের মানুষের নিত্যদিনের খরচ মেটানোর পাশাপাশি কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপনের স্বপ্নও তৈরি হয়েছে। তবে এখনও অনেক পরিবার এই সুবিধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

নিম্নআয়ের মানুষের জন্য আশার খবর হলো, এবার শুরু হচ্ছে এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জে এর উদ্বোধন করবেন সরকার প্রধান। চলতি অর্থবছরে ৪০ লাখ ২০ হাজার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা করেছে সরকার।

আরও পড়ুন: দীর্ঘদিনের ক্ষমতার অবসান, সার্বিয়ার নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে জয়

প্রকৃত সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করতে সারাদেশে শুমারি করছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, "ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করে প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করাই সরকারের মূল চ্যালেঞ্জ। মানুষের আগ্রহ প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নে সরকার আরও সচেতন হয়েছে।"

দলীয় পরিচয় নয়, প্রকৃত যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হচ্ছে বলেও জানান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, "ফ্যামিলি কার্ড সবার জন্য। সরকারের সব ধরনের সুবিধা পাওয়ার অধিকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে। সেই নীতিতেই সরকার কাজ করছে।"

পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে এরই মধ্যে ৮০ হাজার নারীর হাতে পৌঁছেছে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা। আগামী চার বছরে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

আরও পড়ুন: ৩৬ জেলায় ১০১ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগানিস্তানে ৯ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতিপত্র স্থগিত-বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ এম


আফগানিস্তানে ৯ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতিপত্র স্থগিত-বাতিল

আফগানিস্তানের নয়টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনার অনুমতিপত্র তালেবান সরকার স্থগিত বা বাতিল করেছে। এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ভুয়া শিক্ষার্থী দেখানো, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং শিক্ষাসংক্রান্ত নিয়ম না মানার অভিযোগ।

আফগানিস্তানভিত্তিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম খামা প্রেসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তালেবান সরকারের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় রবিবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, নয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাতটির জন্য অনুমতিপত্র এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, দুটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতিপত্র স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে।

১৪০৫ সৌর বছরের বসন্তকালীন সেমিস্টারে এসব প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন ও মূল্যায়ন চালানোর পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক বছরের জন্য অনুমতিপত্র স্থগিত করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে জওজজান প্রদেশের বারলাস বিশ্ববিদ্যালয়, বালখ প্রদেশের রাহে সাদাত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তুর্কিস্তান বিশ্ববিদ্যালয়।

এছাড়া বাদাখশান প্রদেশের আজহার বিশ্ববিদ্যালয় এবং বারনা বিশ্ববিদ্যালয়, ফারিয়াব প্রদেশের রাশাদ বিশ্ববিদ্যালয় এবং কাবুলের পায়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতিপत्रও এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। কুন্দুজের কোহানদুজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং তাখার প্রদেশের খানা-এ দানিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতিপত্রও স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে।

খামা প্রেসকে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।

পরিদর্শনের সময়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার বিষয়ে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু প্রতিষ্ঠান বাস্তবে উপস্থিত না থাকা বা নিয়মিত উপস্থিত না হওয়া শিক্ষার্থীদের ‘ভুয়া শিক্ষার্থী’ হিসেবে দেখিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির রেকর্ডও যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। কিছু প্রতিষ্ঠানে নিষিদ্ধ বা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার যোগ্য নয়—এমন শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরো বলা হয়েছে, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাঠামো এবং শিক্ষাসংক্রান্ত ব্যবস্থাপনার ঘাটতি ছিল।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সমস্যা খুঁজে পাওয়া গেছে। কিছু প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগার সরঞ্জামের অভাব ছিল। ফলে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায়। এ ছাড়াও, মন্ত্রণালয় অনুমোদিত পাঠ্যক্রমও কিছু প্রতিষ্ঠানে সঠিকভাবে পড়ানো হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগও প্রয়োজনের তুলনায় কম ছিল।

কিছু প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাসের সময়সূচি থাকলেও বাস্তবে তা অনুসরণ করা হয়নি। খামা প্রেসের প্রতিবেদনে উল্লিখিত হয়েছে, পরিদর্শনের সময় কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ খালি পাওয়া যায়। অর্থাৎ কাগজে-কলমে ক্লাসের সময়সূচি থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল না। এসব অনিয়মের ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করার পর দেশটির উচ্চশিক্ষা খাত নানা সংকটের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে নারী ও মেয়েদের শিক্ষার ওপর বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে। তালেবান সরকার মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা খাতে অন্যান্য বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এর ফলে আফগানিস্তানের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ব্যাপকভাবে কমে গেছে।

নবীনভাবে নয়টি বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে দেশের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে পর্যাপ্ত শিক্ষাসুবিধার অভাব, প্রশাসনিক দুর্বলতা, উপস্থিতির তথ্য সঠিক রাখার অভাব, এবং পরীক্ষায় অনিয়মের মতো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার জনগণের কল্যাণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ এম


সরকার জনগণের কল্যাণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে শুধু সীমাবদ্ধ নয়। এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও গুরুত্ব প্রদান করছে। সরকার গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করার জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। এসব কর্মসূচির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য সরকার কাজ করতে উদ্যোগী।

দেশের অর্থনীতিতে বিভিন্ন চাপ ও বৈশ্বিক অস্থিরতা সত্ত্বেও উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার বিষয়ে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল জানান। তিনি বলেন, “বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও জনগণের কল্যাণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।” দেশের মধ্যে উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও জোরদার করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

রোববার বিকেলে নাটোরের লালপুর উপজেলার মোহরকয়া ডিগ্রি পাস ও অনার্স কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এইসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতার প্রভাব অনেক দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশও বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। তবে পরিকল্পিত পদক্ষেপ ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে এইসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও আবশ্যক।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহরকয়া ডিগ্রি পাস ও অনার্স কলেজের অধ্যক্ষ ড. ইসমত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ, লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু প্রমুখ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌদ্দতম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করলেন বিএনপির দিবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ এম


সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌদ্দতম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করলেন বিএনপির দিবেন

গতকাল নয় আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে রোজ রবিবার নারায়ণগঞ্জে আলমাছ পয়েন্ট, টি আই টি, বাংলাদেশে সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মতিন চৌধুরীর ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়।

মৃত্যুবার্ষিকী পালনের কাজে সার্বিক সহযোগিতা করেন সাবেক ছাত্রদলের নেতা মোহাম্মদ জাকির খান।

আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি'র অঙ্গ সংগঠনের সদস্যরা। তারা জানান, বিএনপির নেতা দাদা সেলিম, জিয়া রহমান জিয়া, সহ অনেক মুরুব্বী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে প্রকাশ পায় যে, প্রয়াত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মতিন চৌধুরী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। এর ফলস্বরূপ ওই সময় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং জমি দখলসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

এজন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে সাথে নিয়ে সকলেই একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার প্রদান করেন।

সর্বশেষে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন চৌধুরীর রুহের আত্মার মাগফেরাতে দোয়া কামনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিউবা ইস্যুতে সতর্কবার্তা, ‘ইরানের মতো পরিণতি হতে পারে’: মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


কিউবা ইস্যুতে সতর্কবার্তা, ‘ইরানের মতো পরিণতি হতে পারে’: মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট

কিউবার সরকার যদি উৎখাত করা হয়, তাহলে এর পরিণতি ইরানের মতো হতে পারে, যা ভেনেজুয়েলার চেয়ে ভিন্ন বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর চাপ বাড়িয়ে চলেছে এবং মার্কিন কর্মকর্তারা কিউবার জন্য এমন একজন নেতা খুঁজছেন, যিনি ভেনেজুেলার ভাইস-প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের মতো হতে পারেন। দেলসি রদ্রিগেজ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র গ্রেপ্তার করার পর ভেনেজুয়েলার ক্ষমতা নিজের হাতে নিয়েছিলেন।

তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মনে করছে, কিউবার পরিস্থিতি ভেনেজুয়েলার মতো নয় বরং ইরানের মতো। এই বিষয়ে গোয়েন্দা প্রতিবেদন সম্পর্কে অবহিত কয়েকটি সূত্রের বরাতে ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’ এই তথ্য জানাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী যদি কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাউল কাস্ত্রোকে আটক করে, তাহলে তার জায়গায় ক্ষমতায় আসতে পারে তার মতো কট্টরপন্থি গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী কেউ, এবং মার্কিন গোয়েন্দাদের মতে, তারা ইরানের নেতাদের মতোই হবে।

কিউবা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দাবি পূরণ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন কিউবার বিষয়ে তাদের অভিযান সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কমিউনিস্ট দেশ কিউবার ক্ষেত্রে পরিকল্পনাটি শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন নয়, বরং শাসনব্যবস্থার সংস্কার বলেই মনে হচ্ছে। ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেও মার্কিন এবং ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দেশটির জন্য একই ধরনের পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন।

ট্রাম্প ইরানে ভেনেজুয়েলার মডেল অনুসরণ করে এমন একজন নেতাকে গদিতে বসাতে চেয়েছিলেন, যিনি ক্ষমতা গ্রহণ করে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারবেন।

কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় সম্ভাব্য নেতা হিসেবে চিহ্নিত বেশকিছু ইরানের কর্মকর্তা নিহত হন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়।

এর আগে জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ বাহিনীর রাতের অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত এবং আটক করে। বর্তমানে তাকে নিউ ইয়র্কে ব্রুকলিনের কারাগারে মাদক পাচার ও অস্ত্রসংক্রান্ত অভিযোগে বিচারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। পরে তার জায়গায় দেলসি রদ্রিগেজকে ভেনেজুয়েলায় ক্ষমতায় নিয়ে আসা হয়।

এদিকে, কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অবরোধ দেশটিতে জ্বালানি সরবরাহকে আটক করেছে। এই কারণে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, খাদ্যসংকট ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

জানুয়ারি থেকে ট্রাম্প কেবল একটি রুশ তেলবাহী ট্যাংকারকে কিউবায় ভেড়ার অনুমতি দিয়েছেন। এর ফলে দেশটির পুরোনো বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির সরবরাহ কমে গেছে।

হোয়াইট হাউজ কিউবার নেতৃত্বে কাকে দেখতে চায়, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বাস্তবসম্মত বিকল্পও খুব বেশি নেই। কিউবা সরকার ফিদেল কাস্ত্রোর ভাইয়ের নাতি অস্কার পেরেস-অলিভা ফ্রাগাকে সমর্থন করতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য হবেন না বলেই মনে হচ্ছে। বরং ট্রাম্প প্রশাসন কাস্ত্রো পরিবারের আরেক সদস্য ‘রাউলিতো’ নামে পরিচিত রাউল জি রদ্রিগেজ কাস্ত্রোকে বিবেচনা করতে আগ্রহী হতে পারে।

রাউলিতো সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর নাতি এবং সাবেক প্রেসিডেন্টের দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে তিনি কখনও কোনও সরকারি বা নির্বাচিত পদের দায়িত্ব পালন করেননি।

মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ চলতি বছরের শুরুতে কিউবা সফর করেন এবং রদ্রিগেজ কাস্ত্রো এবং দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাজারো আলবার্তো আলভারেস কাসাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাদের দুজনের নামও সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।

তবে রাউল কাস্ত্রো বর্তমানে কোনও সরকারি পদে না থাকায় তাকে আটক বা গ্রেপ্তার করলেও ভেনেজুয়েলার মাদুরোর মতো তাৎক্ষণিকভাবে নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটবে না। মাদুরোর বিরুদ্ধে ট্রাম্প অভিযোগ এনে তার আটকের পক্ষে যুক্তি তৈরি করেছিলেন এবং পরে দেলসি রদ্রিগেজকে ক্ষমতায় বসানো হয়।

এ সপ্তাহে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত কিউবার রাষ্ট্রদূত ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হস্তক্ষেপ করলে কিউবার জনগণ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লড়াই করবে।

কিউবার রাষ্ট্রদূত ইসমারা মার্সেদেস ভার্গাস ওয়াল্টার ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ পত্রিকাকে জানিয়েছেন, কিউবা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তবে দেশের জনগণ নিজেদের রক্ষায় সংগ্রাম করবে, এমনকি এর ফলে কিউবা জনসংখ্যা শূন্যে নেমে গেলেও।

লন্ডনে চ্যাথাম হাউসের লাতিন আমেরিকা কর্মসূচির পরিচালক ক্রিস সাবাতিনি মন্তব্য করেছেন যে, কিউবার পরিস্থিতি ইরানের কাছাকাছি হওয়ায় মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন সঠিক। কারণ, ভেনেজুয়েলা ও কিউবায় শাসনব্যবস্থা অনেকটাই ভিন্ন ধরনের।

তিনি জানিয়েছেন, ইরান ও কিউবা উভয় দেশেই বিপ্লবী শাসনব্যবস্থা রয়েছে, যা দীর্ঘকাল ধরে টিকে আছে। ইরানের ক্ষেত্রে এর শিকড় ১৯৭০-এর দশকের এবং কিউবার ক্ষেত্রে ১৯৫৯ সালের বিপ্লবের সময় থেকে।

এবং তার ভাষ্যমতে, “দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থাকার কারণে এই দেশগুলোর নেতারা অত্যন্ত গোঁড়া, অনমনীয়, আদর্শবাদী, এবং তারা এমন একটি নেতৃত্ব চক্রকে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে যা অনেক বেশি সমজাতীয় এবং একই মতাদর্শে বিশ্বাস করে।

অপর দিকে, “ভেনেজুয়েলা দাবি করলেও প্রকৃত অর্থে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির দেশ তাদের কখনও ছিল না।” সাবাতিনির মূল্যায়ন অনুযায়ী, দেশটি মূলত ক্ষমতাসংশ্লিষ্ট পুঁজিবাদী গোষ্ঠী ও ব্যাপক দুর্নীতির ওপর নির্ভরশীল।

তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কিউবায় আরও বেশি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে এবং তাদের কথা শোনে এমন একজন নেতা খুঁজছে। তবে এমন কাউকে কোথায় খুঁজে পাওয়া যাবে, তা বড় প্রশ্ন।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%