ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌদ্দতম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করলেন বিএনপির দিবেন


সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌদ্দতম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করলেন বিএনপির দিবেন

গতকাল নয় আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে রোজ রবিবার নারায়ণগঞ্জে আলমাছ পয়েন্ট, টি আই টি, বাংলাদেশে সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মতিন চৌধুরীর ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়।

মৃত্যুবার্ষিকী পালনের কাজে সার্বিক সহযোগিতা করেন সাবেক ছাত্রদলের নেতা মোহাম্মদ জাকির খান।

আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি'র অঙ্গ সংগঠনের সদস্যরা। তারা জানান, বিএনপির নেতা দাদা সেলিম, জিয়া রহমান জিয়া, সহ অনেক মুরুব্বী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে প্রকাশ পায় যে, প্রয়াত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মতিন চৌধুরী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। এর ফলস্বরূপ ওই সময় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং জমি দখলসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

এজন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে সাথে নিয়ে সকলেই একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার প্রদান করেন।

সর্বশেষে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন চৌধুরীর রুহের আত্মার মাগফেরাতে দোয়া কামনা করা হয়।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিউবা ইস্যুতে সতর্কবার্তা, ‘ইরানের মতো পরিণতি হতে পারে’: মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


কিউবা ইস্যুতে সতর্কবার্তা, ‘ইরানের মতো পরিণতি হতে পারে’: মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট

কিউবার সরকার যদি উৎখাত করা হয়, তাহলে এর পরিণতি ইরানের মতো হতে পারে, যা ভেনেজুয়েলার চেয়ে ভিন্ন বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর চাপ বাড়িয়ে চলেছে এবং মার্কিন কর্মকর্তারা কিউবার জন্য এমন একজন নেতা খুঁজছেন, যিনি ভেনেজুেলার ভাইস-প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের মতো হতে পারেন। দেলসি রদ্রিগেজ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র গ্রেপ্তার করার পর ভেনেজুয়েলার ক্ষমতা নিজের হাতে নিয়েছিলেন।

তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মনে করছে, কিউবার পরিস্থিতি ভেনেজুয়েলার মতো নয় বরং ইরানের মতো। এই বিষয়ে গোয়েন্দা প্রতিবেদন সম্পর্কে অবহিত কয়েকটি সূত্রের বরাতে ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’ এই তথ্য জানাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী যদি কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাউল কাস্ত্রোকে আটক করে, তাহলে তার জায়গায় ক্ষমতায় আসতে পারে তার মতো কট্টরপন্থি গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী কেউ, এবং মার্কিন গোয়েন্দাদের মতে, তারা ইরানের নেতাদের মতোই হবে।

কিউবা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দাবি পূরণ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন কিউবার বিষয়ে তাদের অভিযান সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কমিউনিস্ট দেশ কিউবার ক্ষেত্রে পরিকল্পনাটি শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন নয়, বরং শাসনব্যবস্থার সংস্কার বলেই মনে হচ্ছে। ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেও মার্কিন এবং ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দেশটির জন্য একই ধরনের পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন।

ট্রাম্প ইরানে ভেনেজুয়েলার মডেল অনুসরণ করে এমন একজন নেতাকে গদিতে বসাতে চেয়েছিলেন, যিনি ক্ষমতা গ্রহণ করে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারবেন।

কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় সম্ভাব্য নেতা হিসেবে চিহ্নিত বেশকিছু ইরানের কর্মকর্তা নিহত হন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়।

এর আগে জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ বাহিনীর রাতের অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত এবং আটক করে। বর্তমানে তাকে নিউ ইয়র্কে ব্রুকলিনের কারাগারে মাদক পাচার ও অস্ত্রসংক্রান্ত অভিযোগে বিচারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। পরে তার জায়গায় দেলসি রদ্রিগেজকে ভেনেজুয়েলায় ক্ষমতায় নিয়ে আসা হয়।

এদিকে, কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অবরোধ দেশটিতে জ্বালানি সরবরাহকে আটক করেছে। এই কারণে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, খাদ্যসংকট ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

জানুয়ারি থেকে ট্রাম্প কেবল একটি রুশ তেলবাহী ট্যাংকারকে কিউবায় ভেড়ার অনুমতি দিয়েছেন। এর ফলে দেশটির পুরোনো বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির সরবরাহ কমে গেছে।

হোয়াইট হাউজ কিউবার নেতৃত্বে কাকে দেখতে চায়, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বাস্তবসম্মত বিকল্পও খুব বেশি নেই। কিউবা সরকার ফিদেল কাস্ত্রোর ভাইয়ের নাতি অস্কার পেরেস-অলিভা ফ্রাগাকে সমর্থন করতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য হবেন না বলেই মনে হচ্ছে। বরং ট্রাম্প প্রশাসন কাস্ত্রো পরিবারের আরেক সদস্য ‘রাউলিতো’ নামে পরিচিত রাউল জি রদ্রিগেজ কাস্ত্রোকে বিবেচনা করতে আগ্রহী হতে পারে।

রাউলিতো সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর নাতি এবং সাবেক প্রেসিডেন্টের দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে তিনি কখনও কোনও সরকারি বা নির্বাচিত পদের দায়িত্ব পালন করেননি।

মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ চলতি বছরের শুরুতে কিউবা সফর করেন এবং রদ্রিগেজ কাস্ত্রো এবং দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাজারো আলবার্তো আলভারেস কাসাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাদের দুজনের নামও সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।

তবে রাউল কাস্ত্রো বর্তমানে কোনও সরকারি পদে না থাকায় তাকে আটক বা গ্রেপ্তার করলেও ভেনেজুয়েলার মাদুরোর মতো তাৎক্ষণিকভাবে নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটবে না। মাদুরোর বিরুদ্ধে ট্রাম্প অভিযোগ এনে তার আটকের পক্ষে যুক্তি তৈরি করেছিলেন এবং পরে দেলসি রদ্রিগেজকে ক্ষমতায় বসানো হয়।

এ সপ্তাহে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত কিউবার রাষ্ট্রদূত ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হস্তক্ষেপ করলে কিউবার জনগণ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লড়াই করবে।

কিউবার রাষ্ট্রদূত ইসমারা মার্সেদেস ভার্গাস ওয়াল্টার ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ পত্রিকাকে জানিয়েছেন, কিউবা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তবে দেশের জনগণ নিজেদের রক্ষায় সংগ্রাম করবে, এমনকি এর ফলে কিউবা জনসংখ্যা শূন্যে নেমে গেলেও।

লন্ডনে চ্যাথাম হাউসের লাতিন আমেরিকা কর্মসূচির পরিচালক ক্রিস সাবাতিনি মন্তব্য করেছেন যে, কিউবার পরিস্থিতি ইরানের কাছাকাছি হওয়ায় মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন সঠিক। কারণ, ভেনেজুয়েলা ও কিউবায় শাসনব্যবস্থা অনেকটাই ভিন্ন ধরনের।

তিনি জানিয়েছেন, ইরান ও কিউবা উভয় দেশেই বিপ্লবী শাসনব্যবস্থা রয়েছে, যা দীর্ঘকাল ধরে টিকে আছে। ইরানের ক্ষেত্রে এর শিকড় ১৯৭০-এর দশকের এবং কিউবার ক্ষেত্রে ১৯৫৯ সালের বিপ্লবের সময় থেকে।

এবং তার ভাষ্যমতে, “দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থাকার কারণে এই দেশগুলোর নেতারা অত্যন্ত গোঁড়া, অনমনীয়, আদর্শবাদী, এবং তারা এমন একটি নেতৃত্ব চক্রকে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে যা অনেক বেশি সমজাতীয় এবং একই মতাদর্শে বিশ্বাস করে।

অপর দিকে, “ভেনেজুয়েলা দাবি করলেও প্রকৃত অর্থে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির দেশ তাদের কখনও ছিল না।” সাবাতিনির মূল্যায়ন অনুযায়ী, দেশটি মূলত ক্ষমতাসংশ্লিষ্ট পুঁজিবাদী গোষ্ঠী ও ব্যাপক দুর্নীতির ওপর নির্ভরশীল।

তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কিউবায় আরও বেশি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে এবং তাদের কথা শোনে এমন একজন নেতা খুঁজছে। তবে এমন কাউকে কোথায় খুঁজে পাওয়া যাবে, তা বড় প্রশ্ন।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধের ঝুঁকি নিয়েও গাজা পরিকল্পনা মানছেন না নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ এম


ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধের ঝুঁকি নিয়েও গাজা পরিকল্পনা মানছেন না নেতানিয়াহু

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরবর্তী ধাপ নিয়ে। বিপরীতে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, হামাসকে পুরোপুরি নিরস্ত্র না করা পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার হবে না।

গত রবিবার, ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকের শুরুতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসরায়েল ১৫ দফা নথি গ্রহণ করে না।’ তিনি বিষয়টি নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা রেখে কথা না বলার জন্য একই বক্তব্য পুনরায় তুলে ধরেন।

নেতানিয়াহুর এই অবস্থান ট্রাম্পের জন্য কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ গাজায় যুদ্ধবিরতি এগিয়ে নিয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার।

তবে তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেছেন, হামাসের অস্ত্র পুরোপুরি সরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী কোনো প্রত্যাহার করবে না। তার ভাষায়, হামাসের সব অস্ত্র, শুধু ভারী অস্ত্র নয়, হালকা অস্ত্রসহ প্রকৃত নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত হওয়া উচিত।

হামাস, ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিষয়ে বলেছে, তারা রোডম্যাপের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেইসঙ্গে, নেতানিয়াহুকে পরিকল্পনা মেনে চলতে চাপ দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন বোর্ড অব পিসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

গাজা নিয়ে নেতানিয়াহুর এই কঠোর অবস্থান আসন্ন ইসরায়েলি নির্বাচনের কারণে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশটির সাধারণ নির্বাচন এখন ১২ সপ্তাহেরও কম সময়ের ব্যবধানে। বিভিন্ন জরিপে নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি কঠিন বলে উঠে এসেছে।

ইসরায়েলে সরকার গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে একাধিক দলের সমন্বয়ে জোট গঠন করতে হয়। নেতানিয়াহুর জন্য নির্বাচনের পরবর্তী জোটের হিসাব এখনই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ক্ষমতায় থাকতে হলে তাকে ডানপন্থী মিত্রদের সমর্থন প্রয়োজন।

গাজা নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরোধিতা সমর্থন করে নেতানিয়াহুর ডানপন্থী মিত্ররা প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছে। গাজার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের পূর্বের সিদ্ধান্তও বাতিলের দাবী জানিয়েছে।

তবে, নেতানিয়াহুর অবস্থানকে শুধু ডানপন্থীদের খুশি করার চেষ্টা হিসেবে দেখা যথেষ্ট নয়। ইসরায়েলি ভোটারদের একটি বড় অংশ ট্রাম্পের প্রতি ইতিবাচক ধারণা রাখলেও তারা মনে করেন গাজা নিয়ে ইসরায়েলের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের ভুল পদক্ষেপ।

ওদিকে, গাজায় ট্রাম্পের পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়ন না হয়, তবে হামাস আবারও অস্ত্র সংগ্রহ করতে পারে এবং ২০২৩ সালের মতো আরেকটি হামলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্কতা দেন ট্রাম্পের গাজা বিষয়ক শীর্ষ দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ। তার মতে, পরিকল্পনাটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এমন বড় হামলা রোধের নিশ্চয়তা সৃষ্টি হতে পারে।

তবে ইসরায়েলের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের কেউ এই যুক্তিকে সহজে গ্রহণ করবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

এদিকে, গাজায় সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক কর্মকাণ্ডে কিছুটা সংযম এবং লক্ষ্য নির্ধারণের নীতিতে পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেছে ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন বোর্ড অব পিসের এক কর্মকর্তা। তিনি আরো জানিয়েছেন, দুই পক্ষের মধ্যে পর্দার আড়ালে সহযোগিতাও চলছে।

কিন্তু গাজার প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দার জন্য এসব কূটনৈতিক হিসাব খুব বেশি স্বস্তির নয়। যুদ্ধবিরতি ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আলোচনায় তারা কার্যত নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণের ক্ষমতা থেকে দূরে রয়েছেন।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দম্পতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ এম


যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দম্পতির

যশোরে একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের কারণে এক দম্পতির মৃত্যু ঘটেছে। রোববার (৯ আগস্ট) যশোর ক্যান্টনমেন্টের প্রধান ফটকের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার মডেলপাড়া গ্রামের আবদুর রশিদ (৪৫) এবং তার স্ত্রী সাবিরা খাতুন (৪০) প্রতি।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আবদুর রশিদ ও সাবিরা খাতুন দম্পতি নতুন বাড়ির জন্য মালামাল কিনতে মোটরসাইকেলযোগে চৌগাছা থেকে যশোর গিয়েছিলেন। বেলা সাড়ে ১১ টা নাগাদ চৌগাছায় ফেরার সময় ক্যান্টনমেন্টের প্রধান ফটকের কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইক তাদের মোটরসাইকেলের সাথে সংঘর্ষ করে। এতে দু’জনেই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন এবং মোটরসাইকেল থেকে ছিঁটকে পড়ে যান।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত এসে তাদের উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ৩ টার দিকে সাবিরা খাতুন মারা যান। আবদুর রশিদের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে তিনিও মারা যান।

যশোর কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানিয়েছেন, এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নলছিটিতে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় বাবার মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ এম


নলছিটিতে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় বাবার মৃত্যু

ঝালকাঠির নলছিটিতে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে পিটুনিতে আক্কাস খান (৫৫) নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তার ছেলে জসিম খান (৩২) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রবিবার বিকেলে উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় আক্কাস খানকে ঢাকায় নেওয়ার সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

সোমবার সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর গ্রামের আক্কাস খানের ছেলে জসিম খান প্রতিবেশী সজল খানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এর জের ধরে রবিবার বিকেলে বাড়ির সামনে রাস্তায় জসিমকে একা পেয়ে সজল খান, তার বাবা সেলিম খান ও ভাই শফিক খানসহ কয়েকজন হামলা চালায়।

জসিমের চিৎকার শুনে তার বাবা আক্কাস খান সাহায্য করতে গেলে প্রতিপক্ষরা দু’জনকেই কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে আক্কাস খানের মৃত্যু ঘটে।

ছেলে জসিম খানকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে স্বজনরা জানিয়েছেন, মাথায় গুরুতর আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আক্কাস খানের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের স্ত্রী তাজনেহার বেগম অভিযোগ করেন, সামান্য বিষয়ে জসিম ও সজলের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সজল একাধিকবার জসিমকে মারার পরিকল্পনা করে এবং পরে তাকে একা পেয়ে পরিবারের লোকজনসহ হামলা চালায়।

তিনি বলেন, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আমার স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান সোহাগ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা পালিয়ে গেছে, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%