ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুন্সীগঞ্জে গ্রামীণ বাজারে আধুনিক মার্কেট ভবনের উদ্বোধন মির্জা ফখরুলের


মুন্সীগঞ্জে গ্রামীণ বাজারে আধুনিক মার্কেট ভবনের উদ্বোধন মির্জা ফখরুলের

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ভবেরচর বাজারে উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একটি নবনির্মিত আধুনিক মার্কেট ভবন।

শনিবার (২০ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ভবনটি উদ্বোধন করা হয়।

‘দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)’ এর আওতায় নির্মাণ করা হয়েছে এই দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক সুবিধাস্যালিত মার্কেট ভবনটি। এর জন্য এলজিইডি-এর তত্ত্বাবধানে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন: দেশ গড়তে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

এ সময় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা গজারিয়াতে এসেছি স্থানীয় সংসদ সদস্যের আমন্ত্রণে। মার্কেট ভবন ও রাস্তা উদ্বোধন করার পর রসুলপুর খেয়াঘাট এলাকায় ফুলদী নদীর পাড়ে আসলাম। ইনশাআল্লাহ আমাদের সরকার এই নদীর ওপর সেতু নির্মাণ করবে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগের মন্ত্রী এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার সেই জায়গাটি পরিদর্শন করেছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা এবং ‘দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)’ এর প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মাহবুব আলম।

এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাফসা নাদিয়া, এলজিইডির গজারিয়া উপজেলা প্রকৌশলী সামিউল আরেফিন এবং গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এলজিইডি-এর গজারিয়া উপজেলা প্রকৌশলীর দফতর সূত্রে জানা গেছে, নবনির্মিত এই বহুতল ভবনের নিচতলায় আধুনিক কাঁচাবাজার থাকবে এবং দ্বিতীয় তলায় মুদি পণ্যের দোকান থাকবে। উন্নত বিশ্বের আদলে তৈরি এই মার্কেটে ক্রেতারা একই ছাদের নিচে কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের মুদি পণ্য কিনতে পারবেন। ভবেরচর বাজারের এই আধুনিক মার্কেটে গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে নারী ব্যবসায়ীদের জন্য সুনির্দিষ্ট দোকানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরিবেশবান্ধব সোলার প্যানেল এবং আধুনিক পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থায় উন্নত নাগরিক সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: দুই সন্তানকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা, ওড়না পেঁচিয়ে

স্থানীয় অংশীজনদের মতে, এই মার্কেটটি চালু হওয়ার ফলে এলাকার প্রান্তিক কৃষকরা কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি তাদের উৎপাদিত পণ্য এখানে এনে বিক্রি করতে পারবেন। এতে কৃষকরা পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং সাধারণ ক্রেতারাও সাশ্রয়ী মূল্যে টাটকা কৃষিপণ্য কেনার সুযোগ পাবেন। এই মার্কেটটি অত্র অঞ্চলের গ্রামীণ অর্থনীতি ও বাজার ব্যবস্থাপনায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্রীড়াঙ্গনের কিংবদন্তি আবদুস সাদেকের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


ক্রীড়াঙ্গনের কিংবদন্তি আবদুস সাদেকের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের কিংবদন্তি খেলোয়াড় ও সংগঠক আবদুস সাদেকের প্রথম জানাজা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজাটি শনিবার (২০ জুন) বাদ আসর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের বায়তুস সোবহান জামে মসজিদে সম্পন্ন হয়। মরহুম আবদুস সাদেকের দ্বিতীয় জানাজা আগামীকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বনানী ওল্ড ডিওএইচএস মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। আবদুস সাদেক শনিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দুরারোগ্য ক্যান্সারে ভুগছিলেন এবং মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। মরহুম আবদুস সাদেক স্ত্রী, দুই ছেলে এবং এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। প্রসঙ্গত, আবদুস সাদেকের ছোট ভাই, দেশের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, আহমেদ আকবর সোবহান। এছাড়া মরহুমের বড় ছেলে, টি স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, ইশতিয়াক সাদেক। আবদুস সাদেক ছিলেন অবিভক্ত পাকিস্তান জাতীয় হকি দলের একটি তারকা খেলোয়াড়। ফুটবল এবং ক্রিকেটেও তিনি ছিলেন সমান পারদর্শী। ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব আবাহনী ক্রীড়াচক্রের (ঢাকা আবাহনী লিমিটেড) প্রথম ফুটবল অধিনায়ক এবং হকি অধিনায়ক ছিলেন তিনি। আবদুস সাদেক ছিলেন কেবলমাত্র একজন তারকা খেলোয়াড় নয়, বরং তিনি ছিলেন সফল কোচ এবং সংগঠকও। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর, চরম দুঃসময়ে আবাহনীকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখার জন্য আবদুস সাদেক ১৯৯৬ সালে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারে ভূষিত হন। আবদুস সাদেকের বাবা, অ্যাডভোকেট আবদুস সোবহান, ব্রিটিশ আমলে ছিলেন খ্যাতনামা সাঁতারু। তাঁর ছোট ভাই, আহমেদ আকবর সোবহানও একসময় হকির তারকা খেলোয়াড় ছিলেন। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের পরপরই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের রোষানলে পড়ে পূর্ব পাকিস্তান। বাঙালির মেধা-মনন বিকাশের সুযোগ ছিল না বললেই চলে। ওই বৈরী পরিবেশের মধ্যেই আবদুস সাদেক পাকিস্তানের জাতীয় হকি দলে ডাক পান। ১৯৬৮ সালের অলিম্পিক দলেও ডাক পেয়েছিলেন, তবে ইনজুরির কারণে তিনি খেলা থেকে বিরত ছিলেন। পাকিস্তান জাতীয় হকি দলের হয়ে, তিনি ইউরোপ সফর করেন। ১৯৬৯ সালে দেড় মাসের ইউরোপ ট্যুরে আবদুস সাদেকরা জার্মানি, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও ইংল্যান্ডে খেলেছেন। ফেরার পথে, মিসরের সঙ্গেও তাঁরা একটি ম্যাচ খেলেছেন। সেই ইউরোপ ট্যুরের সময় মাঠে ক্যারিশমা প্রদর্শনের কারণে আবদুস সাদেক দ্রুত পরিচিত হয়ে উঠেন। বিশেষ করে, দলের সেরা তারকা রশিদ জুনিয়রের সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল। ১৯৬৮ সালের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান দলের সেরা তারকারা ইংরেজি জানতেন না, কিন্তু আবদুস সাদেক জানতেন। এ কারণে সবার কাছে তাঁর কদর আলাদা ছিল। শুধু আবদুস সাদেকই নন, তাঁর ছোট ভাই, আহমেদ আকবর সোবহানও হকিতে বেশ নাম কুড়িয়েছিলেন। হকিতে রাইট হাফে খেলতেন তিনি। পূর্ব পাকিস্তান যুবদলে দুই ভাই একসঙ্গে খেলেছেন। স্বাধীনতার পর, জাতীয় হকি চ্যাম্পিয়নশিপে ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা জেলা দলের অধিনায়ক ছিলেন আবদুস সাদেক। ফাইনালে, তাঁর ছোট ভাইয়ের একমাত্র গোলেই কুমিল্লা সেবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে শক্তিশালী দল হিসেবে আবির্ভাব ঘটে আবাহনী ক্রীড়াচক্রের। ক্লাব প্রতিষ্ঠাতা শেখ কামাল নতুন দলের পরিচালনার জন্য একজন সুযোগ্য নেতা খুঁজছিলেন। তিনি বাংলাদেশের সেরা তারকাকে বেছে নেন। আবদুস সাদেক, স্বাধীনতার আগে ভিক্টোরিয়া ও দিলকুশার মতো জনপ্রিয় ক্লাবে খেলে, বেশ নাম কুড়িয়েছিলেন। শেখ কামাল ঢাকা আবাহনীর ফুটবল ও হকি দলের নেতৃত্বের ভার অধিকার করেন তাঁর কাঁধে। হকিতে আবাহনীকে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন করে আস্থার প্রতিদান দেন। ফুটবল ক্যারিয়ার ছেড়ে ১৯৭৭ সালে আবাহনী প্রশিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন আবদুস সাদেক। নতুন দায়িত্ব পেয়ে তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করেন। সেবার, আবাহনী লিগে কোনো ম্যাচেই হারেনি। তিন ম্যাচ ড্র ছাড়া, বাকি সব ম্যাচে দাপুটে জয় অর্জন করে। বাংলাদেশে প্রথম দল হিসেবে আবাহনী অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিরল রেকর্ড সৃষ্টি করে। স্বাধীন বাংলাদেশে, সেবারই প্রথম কোনো দল অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। প্রশিক্ষকের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর আবদুস সাদেক সংগঠক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত, তিনি হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁরই প্রচেষ্টায়, ১৯৮৫ সালে ঢাকায় এশিয়া কাপ হকি অনুষ্ঠিত হয়। অথচ, ওই বছরের আয়োজক হওয়ার কথা ছিল জাপানের। এশিয়ার হকি ফেডারেশনের বৈঠকে, সাদেকের কথায় মুগ্ধ হয়ে পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইরানের সমর্থনে বাংলাদেশ আয়োজকের দায়িত্ব পায়। বাংলাদেশের হকি বা ফুটবলে, যখনই সমস্যা দেখা গেছে, তিনি প্রথমে এগিয়ে এসেছেন। স্বাধীনতার ৫০ বছরে, বাংলাদেশে এমন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ২০১৭ সালে ঢাকায়, দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপ হকির আসর অনুষ্ঠিত হয়। এখানে, আবদুস সাদেকের বড় ভূমিকা ছিল। হকির ফ্লাডলাইট, ইলেকট্রনিক স্কোর বোর্ডসহ অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তি এসেছে তাঁর প্রচেষ্টায়। ঢাকায় আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের সভাপতি নেগ্রে আসার পর প্রথম দেখাতে আবদুস সাদেককে চিনে নেন। তিনি বলেছিলেন, ‘সাদেক একজন কিংবদন্তি হকি খেলোয়াড়। আমার বিশ্বাস, সাদেকের হাত ধরে হকির উন্নয়ন সম্ভব হবে।’ ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর, আবাহনী ক্লাবে টিকে থাকার বিষয়টি নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। অনেকে তখন ভয়ে ক্লাবে আসতেন না। এমনকি অনেক সংগঠক বিদেশেও চলে যান। কিন্তু এই দুঃসময়ে, শেখ কামালের হাতে গড়া আবাহনীকে টিকিয়ে রাখার গুরু দায়িত্ব গ্রহণ করেন আবদুস সাদেক। ধানমণ্ডির নিজ বাসভবনে, তিনি সবাইকে নিয়ে আবাহনীকে মাঠে নামানোর নেতৃত্ব দেন। বিপদের সময় তাঁর সাহসিকতার কারণে হয়তো মাথা উঁচু করে টিকে আছে আজকের আবাহনী। আবদুস সাদেকের অসামান্য অবদানের কথা চিন্তা করে, আবাহনী লিমিটেড তাঁকে ‘আজীবন সদস্য’ ঘোষণা করে। ক্রীড়াঙ্গনের এই জীবন্ত কিংবদন্তির জন্ম হয়েছিল ১৯৪৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, একটি সম্ভ্রান্ত ক্রীড়া পরিবারে। ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে, হকিতে প্রথম জাতীয় দল গঠন করা হয়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন টেস্টে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেন আবদুস সাদেক। সেখানে, হকি টেস্টে, বাংলাদেশ একটিতে জয়, একটিতে ড্র এবং একটিতে পরাজিত হয়। ১৯৭৮ সালে, বাংলাদেশ প্রথম এশিয়ান গেমসে অংশ নেয়। হকিতে, আবদুস সাদেকই অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে বহুল আলোচিত র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি আলী আকবর (২৬) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৭।

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেফতারকৃত আলী আকবর সীতাকুণ্ড উপজেলার ছিন্নমূল ৪ নম্বর সমাজ এলাকার আলী আহমদের ছেলে। গত ১৮ জুন বিকেলে র‌্যাবের একটি দল ছিন্নমূল ১ নম্বর সমাজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

র‍্যাব-৭ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীতাকুণ্ড থানার র‍্যাব হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি আলী আকবরকে জঙ্গল সলিমপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৫৩, ৩৩২, ২২৪, ২২৫, ৩৩৩, ৩০৭, ৩৮৬, ৩৬৪, ৩৪২, ৪২৭, ৩০২ ও ৩৪ ধারায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

র‍্যাব-৭ এর চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আলী আকবরকে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাগড়াছড়িতে ফল মেলার সমাপনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


খাগড়াছড়িতে ফল মেলার সমাপনী

করবো মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস- এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে জাতীয় ফল মেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রাঙ্গনে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে সমাপনী জাতীয় ফল মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ির অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পরিচালক যুগল পদ দে।

এসময়ে তিনি বলেন, খাগড়াছড়িতে প্রথম ফল চাষে বিপ্লব ঘটে ১৯৯৯ সালে। এটি খাগড়াছড়ি ছাড়া রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান সহ তিন পার্বত্য জেলাতেও ঘটে। তখন থেকেই পাহাড়ের কৃষকদের ফল চাষের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়।

তারই ফলস্বরূপ, আজকে খাগড়াছড়ি ফল উৎপাদনের জন্য দেশের অন্যান্য জেলার চেয়ে স্বাদ ও গুণাগুণের জন্য পরিচিতি লাভ করেছে। এর পিছনে খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অবদান সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে একদিকে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিভিত্তিক সম্ভাবনাকেও আরও সমৃদ্ধ করছে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত উপ-পরিচালক শস্য আহসানুল চৌধুরী, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুক্তা চাকমা এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সমাপনী ফল মেলা অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি জেলার ফল উৎপাদনে সাফল্য অর্জনকারী তরুণ উদ্যোক্তা কৃষাণ কৃষাণীদের মাঝে ফল গাছের চারাগাছ বিতরণ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদী রেসিডেন্সিয়াল হাই স্কুলে জমকালো বিজ্ঞান মেলা ‘দ্য গ্র্যান্ড সায়েন্স এক্সপো’ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নরসিংদী প্রতিনিধি

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৮ পি.এম


নরসিংদী রেসিডেন্সিয়াল হাই স্কুলে জমকালো বিজ্ঞান মেলা ‘দ্য গ্র্যান্ড সায়েন্স এক্সপো’ অনুষ্ঠিত

তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে নরসিংদী রেসিডেন্সিয়াল হাই স্কুল এন্ড হোমস্-এর উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বার্ষিক বিজ্ঞান মেলা “The Grand Science Expo”।
বুধবার বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এ বিজ্ঞান মেলায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী, সৃজনশীল ও প্রযুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন বিজ্ঞান প্রজেক্ট উপস্থাপন করে। শিক্ষার্থীদের নির্মিত প্রকল্পগুলো দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহ ও প্রশংসা কুড়ায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক। তিনি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণামূলক কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলার পাশাপাশি ভবিষ্যতের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হতে অনুপ্রাণিত করবে।”
মেলা পরিদর্শনের সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও আয়োজক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই বিজ্ঞান মেলা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%