বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:২৫ পি.এম
নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (NIET) কর্তৃক আয়োজিত প্রজেক্ট প্রদর্শনী ও সমাবর্তন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরের সময় উপজেলার তারাব পৌরসভার রূপসী এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে এই প্রজেক্ট প্রদর্শনী ও সমাবর্তন উৎসবের আয়োজন করা হয়।
এই সময় কারিগরি প্রতিষ্ঠানের মেলায় প্রদর্শিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে অনুরূপ হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকল্পগুলো শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনশীলতার সক্ষমতাকে তুলে ধরতে সহায়তা করে এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির শতাধিক গ্র্যাজুয়েটদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির অধ্যাপক অ্যাডভোকেট উম্মে সালমা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলামিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের মহাসচিব লায়ন মীর আব্দুল আলীম। এতে ইঞ্জিনিয়ার মোসাদ্দেক হোসেন পান্নুও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরব বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফের এইচ. বিন আবিয়াহ আজ বৃহস্পতিবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে বাংলাদেশ পুলিশের প্রশংসিত ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
পুলিশ সদর দফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ এই বৈঠকে সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, ব্যবসায়িক নিরাপত্তা কৌশল, গুজব এবং ভুয়া তথ্য যাচাইসহ মানবপাচার ও নিরাপত্তা সহায়তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বাংলাদেশের পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে আরো সহযোগিতার প্রতি আগ্রহ প্রদর্শন করেন।
আইজিপি উভয় দেশের উচ্চ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, উত্তম চর্চা এবং তথ্য বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি সাইবার নিরাপত্তা, মানবপাচার, বাংলাদেশ পুলিশের স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কমিউনিটি পুলিশিং এবং নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা করেন।
এই বৈঠকের সময় বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভুয়া প্রবেশপত্র তৈরি করে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে ধরা পড়েছেন এক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই শিক্ষার্থী ও তার সহযোগীকে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কসবা তফজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষাকেন্দ্রে ঘটনাটি ঘটে।
জরিমানাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন কসবা মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান জান্নাত (১৮) এবং তার সহযোগী ইনজামুল হক (১৯)। এ ঘটনার জন্য তাদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ না করার মুচলেকাও গ্রহণ করা হয়েছে।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, টেস্ট পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হওয়ায় তাসফিয়া এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে পারেননি। পরে তিনি একজন পরিচিত যুবকের সহযোগিতায় এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ভুয়া প্রবেশপত্র তৈরি করেন। সেই জাল প্রবেশপত্র নিয়ে তিনি পরীক্ষায় অংশ নিতে কেন্দ্রে যান।
কসবা তফজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ জানান, পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময় এর কোড নম্বর ও পরীক্ষার বিষয়ের মধ্যে অসংগতি ধরা পড়ে। পরে যখন শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়, তখন নিশ্চিত হওয়া যায় যে, প্রবেশপত্রটি জাল।
কসবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির বলেন, টেস্ট পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হওয়ার পর এআই প্রযুক্তির ব্যবহার করে জাল প্রবেশপত্র তৈরি করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কলেজ কর্তৃপক্ষের সতর্কতার কারণে বিষয়টি ধরা পড়েছে।
তিনি আরো জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত শিক্ষার্থী ও তার সহযোগীকে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে যে, তারা ভবিষ্যতে এমন অপরাধে জড়াবেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ বিডিতে অবৈধ বালু উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশের একদিন পরই মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ উল আরেফিন নেতৃত্বে উপজেলার বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের কানুরগাঁও, খাসেরহাট, সূর্যমনি চ্যানেল ও কাচিকাটা চ্যানেলে প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান চলে।
অভিযান চলাকালীন অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত মোট পাঁচটি ড্রেজার জব্দ করা হয়। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
জব্দ করা ড্রেজারগুলো স্থানীয় ইউপি সদস্য নূর ইসলামের জিম্মায় রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে, এ ঘটনায় কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলমকে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ উল আরেফিন জানিয়েছেন, নদী ও খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভারে কিশোরকে তুলে নিয়ে নির্যাতন ও গ্যারেজে লুটপাটের অভিযোগে দায়ের হওয়া পৃথক দুটি মামলার প্রধান আসামি, বহিষ্কৃত থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামির, যাকে দেশবাসী ফেন্সি সামির নামে জানেন, ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তিকে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেপ্তার করেছে। সপ্তাহের বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর সদরঘাট জংশন রোড এলাকা থেকে এই গ্রেপ্তারের ঘটনাটি ঘটে।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম, এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া মাহাবুব হোসেন সামির, যার বাড়ি সাভার সদর ইউনিয়নের দেওগাঁও এলাকায় মৃত মতিউর রহমানের ছেলে, তার বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং পরিচালনা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ বিস্তর অভিযোগ ও মামলা রয়েছে।
থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১২ জুন সাভার মডেল থানায় এক লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন লাবনী বেগম নামে একজন নারী। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, যে মাহাবুব হোসেন সামির, তার খালাতো ভাই শীর্ষ মাদক কারবারি (বর্তমান কারাগারে) শামীম রেজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজ থেকে মাদক কারবারির ভাইয়ের জামিনের টাকার জন্য ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সামিরের সশস্ত্র সহযোগীরা হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধরের ঘটনা ঘটায়।
এঘটনায় একাধিক ব্যক্তি আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরবর্তীতে এ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শেষে সাভার মডেল থানায় মাহাবুব হোসেন সামিরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, লুটপাট, হামলা, নারী লাঞ্ছনা ও হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
এর আগে, ২ জুন রিপন ঋষি নামক এক কিশোরকে অপহরণ করে পাশবিক নির্যাতন চালায় মাহাবুব হোসেন সামির ও তার সহযোগীরা।
ওই ঘটনায় সাবেক এক কিশোরের জন্য আরেকটি মামলা হলে ধারাবাহিক লুটপাট, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আলোচনায় এলে সদ্য গঠিত সাভার থানা ছাত্রদলের কমিটির সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে মাহাবুব হোসেন সামিরকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
জুলাই আন্দোলনের সময় তার ভূমিকা নিয়েও রয়েছে সমালোচনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, আন্দোলন দমনে তার সম্পৃক্ততার বিভিন্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের পর তিনি 'জুলাইযোদ্ধা' হিসেবে পরিচয় দিয়ে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেন। তার আপন ভাই যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত হৃদয় হোসেন কিছুদিন আগেই প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের হেরোইনসহ র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়।
সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এবং চলতি দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে মাহাবুব হোসেন সামিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হবে। প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় তদন্ত আরো এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ